মাস কেটে যেতে থাকে, লাইলার সাথে তার বাবার তর্ক হতে থাকে গর্ভের সন্তান নিয়ে। একদিন রাগ করে বাইরে বেরিয়ে কার এক্সিডেন্ট করে লায়লা। সেই মুহুর্তে তার ইমার্জেন্সি ডেলিভারি করানো হয়।তার বাবা সেই সন্তানকে এতিমখানায় দিয়ে দেয়।লাইলাকে জানানো হয় তার সন্তান মৃত।লাইলা তার সঙ্গিত জগত ছেড়ে দেয়। লুইস ও আর তার ব্যান্ড ছেড়ে ব্যাবসায় নামে। দিন দিনে বছর গড়ায়।এগারো বছর পর লাইলা জানতে পারে তার সন্তান এখনো বেচে আছে আর লুইসও এতোদিন পর নিজেকে আবার ফিরে পায়, ফিরে আসে আপন দুনিয়ায়।
কি ভাবছেন সাধারন বাংলা ছবির গল্প বলছি??
তাহলে আরো কিছু বলে ফেলি.............
ছবি শুরুটা কিন্তু আপনি দেখবেন এগারো বছর পরের কাহিনি । প্রথম ২ মিনিট আপনি মুগ্ধ হয়ে দেখবেন বাতাসের সাথে গমের ক্ষেতে সুরের মাতম। সেই খেলায় অংশ নিয়েছে ছোট্ট একটি ছেলে, যে সুরের মাঝে খুজে নেয় আপন ভুবন। যে সুরের মাঝে নিজের হারানো বাবা মাকে খুজে পেতে চেস্টা করে। যে বিশ্বাস করে যে সুর শুনতে পায় সেই সুর তাকে সাহায্য করবে তার বাবা মাকে খুজে নিতে।
এই সুরের টানেই একরাতে বেরিয়ে পরে ছোট্ট ছেলেটি। শহরে গিয়ে হারিয়ে ফেলে নিজেকে। একসময় পরিচয় হয় এক ছন্নছারা লোকের সাথে যে ছেলেটির হাতে গিটার তুলে দেয়। পার্কের নিজের পুরাতন জায়গাটি ছেড়ে দেয় সে অসাধারন প্রতিভার ছেলেটিকে।
ছেলেটি গিটারে সুর তোলে তার হারানো বাবা মাকে খুজে পেতে। এভাবে কাহিনি এগিয়ে যায় আরো দূরে..
লাইলা খুজে বেড়ায় তার সন্তান, লুইস তার ভালবাসার মানুষ লাইলাকে আর ছোট্ট ছেলেটি তার বাবা আর মাকে।
শেষের হ্যাপী এন্ডিং আপনার ঠোটের কোনেও এনে দেবে মুচকি হাসি
সহজ গল্প,পরিচিতো প্লটে সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে জাবেন আপনি।
ছবিটির প্রতিটি গান ভাল লাগবে। ভালো লাগবে প্রতিটি সিম্ফনি। যারা মিউজিকাল মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাদের এই ছবিটি দেখতে বলব। যারা রোমান্টিক মুভি পছন্দ করেন তাদের জন্যও এই মুভি।
IMDB র্যাঙ্কিং -৭.৪
আমার-৭.৯
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



