আমার প্রিয় পোস্ট
- শাশ্বতকে নিয়ে একটা পুরনো লেখা, এবং... - আ-আল মামুন
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- পরাজিত পক্ষে আমি সবসময়ই কোনো না কোনো ভাবে উপস্থিত- - অপ বাক
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- মানুষ খেকো দানব [ভয়ংকর অভিজ্ঞতা] - শেষ পর্ব - ইউনুস খান
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২২ ( মানুষ--নির্মলেন্দু গুণ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- জ্ঞানপিপাসুদের জন্য কিছু ফ্রি ই-বুক সাইট - রাকিব
- ফিরি ফিরি গান ডাউনলোড - মইন
- শুধু তোমার জন্য - জয়িতা
- ফায়ারফক্স এর আকর্ষণীয় কিছু ট্রিকস...... - মানচুমাহারা
- রাষ্ট্রীয় হট্টগোলের মধ্যে জোতির্ময় নন্দীর একটি কবিতা - জুয়েল বিন জহির
কুয়েত ফেরত বাঙ্গালী শ্রমীকদের যে কারনে আমি সহমর্মীতার বদলে জুতা-পেটা করার পক্ষপাতি
০৩ রা আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
কুয়েত থেকে ঢলের মতো ফেরত আসছে বাঙ্গালী শ্রমীক। কুয়েত সরকার নাকি যাকে সামনে পাচ্ছে ধরে ধরে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। এদের শরীরে মারের চিহ্ন দেখে সবাই "আহারে! কি অত্যাচারি দেশ!" বলে সমবেদনা জানাচ্ছে। পত্রিকায় প্রতিদিন এদের উপর অত্যাচারের ছবি আসছে। ব্লগাররা সমবেদনা জানিয়ে অনবরত পোষ্ট দিচ্ছে। অনেকেই দেখলাম মন্তব্য করেছে "গালফ ওয়ারে আমরা কুয়েতকে সৈন্য দিয়ে সাহায্য করেছিলাম, এখন কুয়েত সরকার তার প্রতিদান দিচ্ছে।" এই ধরনের মন্তব্যকারীরা জানেও না বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমীকেরা কি ধরনের কাজ-কর্মে লিপ্ত থাকে, এবং এসব দেশের আইন-কানুন কেমন। ব্যাক্তিগতভাবে এই সব ফেরত পাঠানো শ্রমীকদের প্রতি আমি সহমর্মীতো নই-ই, বরং জুতাপেটা করার পক্ষপাতি।
বাংলাদেশী শ্রমীকরা কুয়েতে যেই নজিরবিহীন ভাংচুর এবং অচলাবস্থা সৃষ্টির ঘটনা ঘটিয়েছে, তার পেছনে তাদের কারন ছিল "যথাযথ বেতন এবং ভাতা প্রদানের দাবী" জানানো। এই কাজটা করার জন্য তারা যথাযথ পদ্ধতি হিসেবে বেছে নিয়েছে ভাংচুরকে। কাজটা করার সময় তাদের মাথায় একবারও আসেনি যে তারা অবস্থান করছে বাংলাদেশে নয়, মধ্যপ্রাচ্যের একটা দেশে, যেখানে অপরাধ এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হয়, যার কারনে পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় খুব উপরের সাড়িতে এদের অবস্থান। এই সব দেশে অপরাধ মূলক কর্মকান্ড ঘটেনা তা নয়। অপরাধ অবশ্যই ঘটে, কিন্তু আমাদের সাথে পার্থক্য হলো, সেখানে ১০০ ভাগ ক্ষেত্রে সাথে সাথে সেই অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এসব দেশের সরকার তার নাগরীকদের সবচেয়ে বেশী যেই সেক্টরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে সেটা হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। খুঁজলে বোধ হয় সব ঘরেই একজন করে পুলিশ পাওয়া যাবে। এসব দেশের আইন-কানুন এতই কঠিন যে মানুষ অপরাধ করবে কি, চিন্তা করলেই ভয়ে আধমরা হয়ে যায়। সে আইন আবার আমাদের মত শুধুই খাতা-কলমের না, বাস্তবে তা প্রয়োগও করা হয় ১০০ ভাগ।
মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ কাতারে কিছু মাইনর অপরাধের শাস্তি কি হতে পারে তার উদাহরন দেই। রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় সিগনাল অমান্য করলে জায়গা অনুযায়ী ৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ রিয়েল পর্যন্ত জরিমানা। গাড়ি চালানোর সময় সীট-বেল্ট না বাধলে ৫০০ রিয়েল জরিমানা। কোন ট্রাক ওভারলোড করে রাস্তায় বের হলে ৩,০০০ রিয়েল জরিমানা। সেই সাথে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ৩ পয়েন্ট মাইনাস। মোট ১৪ পয়েন্ট মাইনাস হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং ড্রাইভার সোজা জেলে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ২৫,০০০ রিয়েল জরিমানা এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভিসা বাতিল করে দেশে ফেরত। ড্রাইভিং টেস্টের সময় চোখের সামনে দেখলাম এক নেপালী খাতায় ভরে পুলিশকে ৫০০ রিয়েল ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করায় তাৎক্ষনিকভাবে গ্রেফতার করে দেশে পাঠিয়ে দিল। এইসব দেশে মেজর কোন অপরাধ করলে তার শাস্তি কি হতে পারে এবার সেটা কল্পনা করেন। কুয়েতে যারা ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা কি ঘটনাটা ঘটানোর আগে সেখানকার আইন-কানুন কিছুই জানতো না বলে মনে হয়? অবশ্যই জানতো, এবং জেনে-শুনেই করেছে। বরং ঘটনাটা ঘটানোর আগে একবার চিন্তাও করেনি এটা তার নিজের পরিবার এবং দেশের প্রতি কি ভয়াবহ পরিনতি বয়ে আনতে পারে। এই চিন্তা না করার পেছনে কারন হচ্ছে বাঙ্গালীর মজ্জাগত স্বভাব।
আসা যাক "যথাযথ বেতন এবং ভাতা" প্রসঙ্গে। বাঙ্গালী শ্রমীকেরা যখন বিদেশে যায়, বিন্দুমাত্রও চিন্তা করেনা কোথায় যাচ্ছে, কেনো যাচ্ছে। সেখানে তার কাজ কি হবে, কত বেতন দেয়া হবে, যে ভিসায় সে যাচ্ছে তা পালন করার মতো যোগ্যতা তার আছে কি না। বেশিরভাগ শ্রমীক নিরুপায় হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যায় এ কথা সত্যি। কিন্তু তাই বলে তো পেটে ভাত নেই বলে আগুনে ঝাপ দিলে কোন লাভ নেই, বরং আগুনে পুড়ে যাবে। এরা যখন বিদেশে যাওয়ার দেয়ার কথা চিন্তা করে, মনে মনে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে যে কোন স্বপ্নপুরীতে যাচ্ছে, সেখানে গেলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। একবার পৌঁছাতে পারলে শুধু টাকা আর টাকা। দুনিয়ার সব সুখ এই টাকায় কিনে ফেলা যাবে। কিন্তু আসার পরে যখন আগুনের তাপটা গায়ে লাগে, তখন বাস্তবতা বুঝতে পারে। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে গেছে অনেক।
এই আসাটা কিভাবে হয় দেখা যাক। কোন একটা কোম্পানীর হয়ত কিছু দক্ষ শ্রমীক দরকার, যেমন মেসন বা কার্পেন্টার। তারা যখন সরকারের কাছে শ্রমীক নেয়ার আবেদন জানায়, তখন সরকার তাদের পলিসি অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমীক নেয়ার অনুমতি (ভিসা) দেয়, যেমন নেপাল থেকে ২ জন, শ্রীলঙ্কা থেকে ১ জন, বাংলাদেশ থেকে ২ জন ইত্যাদি। এই পেপারগুলো কোম্পানীর লোকজন তখন সংশ্লিষ্ট দেশের পরিচিতি কাউকে দিয়ে দেয় শ্রমীক এনে দেয়ার জন্য। বিশেষ করে ছোট কোম্পানীগুলো ট্রাভেল এজেন্সীর ঝামেলা এড়াতে এই ধরনের কাজ বেশী করে। কোম্পানীর মধ্যবর্তী কেউ হয়ত কিছু পয়সার বিনিময়ে কোন দালালকে ভিসাগুলো দিয়ে দেয়। এই দালালেরা তখন নিজের আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিতজনদের মোটা অঙ্কের পয়সার বিনিময়ে এইসব ভিসায় বিদেশে আসার সুযোগ করে দেয়। এক্ষেত্রে ভিসা অনুযায়ী কাজের যোগ্যতার কোন বিচার করা হয় না, বরং বিচার করা হয় টাকার পরিমানের।
এইভাবে কোন কিছু না জেনে যখন ইন্টারমিডিয়েট-পাস-করে-বেকার-হয়ে-ঘরে-বসে-থাকা একজন মোবারক ১২০০ রিয়েল বেতনের আশ্বাস পেয়ে কার্পেন্টার হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে চলে আসে, তখনই ঘটে বিপত্তি। কোম্পানী দেখে, তার সদ্য আসা স্কিলড কার্পেন্টার আসলে হাতুড়ি কিভাবে ধরতে হয় সেটাই ভালো ভাবে জানে না, সাটারিং করা দূরে থাক। তখন আবার নতুন লোক আনার ঝামেলা এড়াতে, কিছুটা বা মানবতার খাতিরে দেশে ফেরত না পাঠিয়ে তাদের কাজে রাখা হয় অদক্ষ শ্রমীক হিসেবে। ১২০০ রিয়েলের জায়গায় সঙ্গত কারনেই তার বেতন ধার্য্য করা হয় ৬০০ রিয়েল, সাথে কাজ শিখলে বেতন বাড়ার আশ্বাস। স্বাভাবিকভাবেই এটা মোবারকের কাছে "ন্যায্য বেতন দেয়ার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ"। এই মোবারকেরা বিদেশে এসে কি ধরনের আচার-আচরন এবং জীবন যাপন করে পুরো বাঙ্গালী জাতীর মুখে কলঙ্ক লেপন করে সেটা অন্য এক সময় বলা যাবে। এরাই কিছুদিন পর আইনের নিষেধের কোন তোয়াক্কা না করে যখন লুকিয়ে বাইরে কাজ করা আরম্ভ করে এবং দেখে যে বাইরে কাজ করলে কোম্পানীর চেয়ে ৩ গুন পয়সা পাওয়া যায়, তখনই এরা কোম্পানী থেকে পালিয়ে অবৈধ শ্রমীকের খাতায় নাম লেখায়। আর যদি না-ও পালায়, প্রতিক্ষন "ন্যায্য বেতন" না পাওয়ার রাগে ফুসতে থাকে। একসময় এরাই "বহুত কামাইছি, কি করবো? বেশী হইলে বাইত পাডায়া দিব" মনোভাব নিয়ে অতি উৎসাহে ভাংচুর করতে ঝাপিয়ে পড়ে।
এরা একবারও চিন্তা করে না এই ভাংচুরের ফলে সরকার তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি না করে বরং গন হারে সব বাঙ্গালী শ্রমীক দেশে ফেরত পাঠাবে এবং নতুন শ্রমীক নেয়া বন্ধ করে দেবে। এটা শুধু কুয়েতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং সমগ্র গালফেই ঘটবে। এরা যদি ভাংচুর করার আগে একবারও চিন্তা করতো যে তারা যা করছে তার পরিনাম শুধু সে একাই ভোগ করবে না, সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যাক্তিটির উপার্জন বন্ধ হওয়ায় অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে তার পুরো পরিবার, এবং শুধুই তার নিজের পরিবারই না, বিদেশে অবস্থানকারী প্রতিটি বাঙ্গালী শ্রমীকের পরিবার, নতুন করে যাদের বিদেশে যাওয়ার কথা ছিল যা এবার বন্ধ হচ্ছে তাদের পরিবার, তাহলে কোনভাবেই তারা পারতো না এই সহিংস পথ অবলম্বন করতে। বরং তারা সমস্যার কথা সেদেশে তার দেশের রাষ্ট্রদূতকে জানাতো, কাজ না হলে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করতো, অহিংস পদ্ধতিতে আমৃত্যু অনশন করতো, কিন্তু নিজের দেশ এবং পরিবারকে এইভাবে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতো না।
অর্থনৈকিভাবে চরমতম পঙ্গু একটি দেশের লাখ লাখ পরিবারকে যারা শুধুমাত্র নিজেদের উশৃঙ্খল স্বভাবের কারনে চরমতম হতাশার দিকে ঠেলে দিয়েছে, তাদের প্রতি এই কারনেই সহমর্মীতার কোন প্রশ্নই আমার মনে উদয় হয় না, বরং এদের দেখা মাত্রই দুই গালে চপেটাঘাতই এদের ন্যায্য পাওনা বলে মনে হয়।
ব্রাইট বলেছেন:
আগুন পোস্ট। সহমত ১০০ ভাগ। আদম ব্যবসায়ীদের ফাসি চাই!
লেখক বলেছেন: এইগুলারে ধইরা ফাঁসিতে লটকাইলে দেশের বহুত পরিবার রক্ষা পাইবো নিশ্চিত।
নাজমুল। বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন।
কাপালিক বলেছেন:
মাইনাস রেটিং প্রদানকারীরা দয়া কইরা নিজেদের ব্যাখ্যা দেন।
মোঃ জাকারিয়া চৌধুরী বলেছেন:
ব্যপারটা সত্যি দুঃখজনক।
রাজামশাই বলেছেন:
এক্কেবারে হাচা কথা
ফয়সাল খালিদ বলেছেন:
একদম একমত।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
শতভাগ একমত
কেন তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহন করলো না?
বিদেশে এমন সিদ্ধান্ত পুরুটাই হটকারী এবং অর্থহীন। তারপরও যখন ঘটে গেল তখন তো থামানোর জন্য ব্যবস্থা করা যেতো। এবং তাহলে মনে হয় এমন গণহারে ফেরত আসতে হত না। সুনিদিষ্ট ব্যাক্তিকে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয়া যেত।
আর আদম ব্যবসার যে ফাক ফোকর বললেন তা সত্য। এবং তাদের ধরে ফঁাসিতে ঝুলানো উচিত। এখন কি করবেন বলুন - তারা দালালকে দুই থেকে ১৫ লাখ পর্যন্ত টাকা দেবে অথচ একটু জ্ঞান করবে না.... কষ্ট করে দৌড় ঝাপ করে জানতে পর্যন্ত রাজি না....
এখনো মাত্র ৬০-৭০ হাজার টাকায় ৈবধ ভাবে গালফ কান্ট্রিতে যাওয়া যায়.. এ কথা জানে কয় জন জিজ্ঞেস করুন...
এসব ব্যপার দেখার জন্যতো বড় বড় মন্ত্রনালয় আছে... কোটি কোটি টাকার বাজেট বরাদ্ধ আছে.. আছে না? সচিব আমলা, কামলা কতজন ইয়া বেঢপ সাইজের বেতন ভাতা নিচ্ছে এই বিষয় গুলো মনিটরিং করার জন্য।....ভাই জুতা মারতে হলে তাদের গালে মারুন।
নাকি তারা ক্ষমতাবান বলে সব গোস্বা গরীব আর অসহায়ের উপর!!!
লেখক বলেছেন: তব ঘৃণা যেনো তারে তৃণসম দহে।
তাদের জন্য খালি চপেটাঘাতে পোষাবে না, আরো বেশি কিছু লাগবে। পোষ্টে তাদের কথাটা বাদ রেখেছি, কারন সেটা মূলত এই পোষ্টের বিষয় না। আমি আসলে এইখানে বলতে চেয়েছি শ্রমীকদের সহমর্মীতা দেখানোর ব্যাপারে। এটা তাদের প্রাপ্য না।
কাপালিক বলেছেন:
বুঝলাম না! সবাই একমত হইলে মাইনাস দিল কে? এই ব্লগেও কি আদম ব্যাপারী আছে নাকি?
নাকি তারা ক্ষমতাবান বলে সব গোস্বা গরীব আর অসহায়ের উপর!!!
এই বিষয়ে কিছূ বলেন??
রামন বলেছেন:
সহমত।
লেখক বলেছেন: খাটি কথা। এই কমেন্টে প্লাস দিলাম।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
ভাই, আমি পুরা আপনার পাঙ্খা হইয়া যাইতেসি। একটা ফ্যান কেলাব বানামু।
লেখক বলেছেন: এই কাম ভুলেও কইরেন না, পাবলিকে জুতা মারবো।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
যেখানে অপরাধ এবং দাঙ্গা-হাঙ্গামার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হয়.....-------------------------------------------------
আচ্ছা! তাহলে অর্ধেক বেতন দেয়া অপরাধের মাত্রায় পড়ে না?
লেখক বলেছেন: আমি যেই প্রসঙ্গে বলেছি সেইখানে পড়ে না, একটু পড়লেই বুঝবেন।
এদের সঙ্গে সঙ্গে দেশে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল, তা না করে তাদের কাজে নিয়োজিত রাখা হয়েছে। এবং যেই কাজ তারা করার যোগ্য, সেই কাজের যা বেতন সেটা দিচ্ছে, যদিও খাতা-কলমে তাদের স্কিলড লেবার হিসেবে দেখাতে হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী চুক্তিও করতে হয় প্রতি দুই বছর পর পর।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
কাপা ফ্যান ক্লাব নামটা কেমন হয় ?@ নির্বাক সুশীলআমি আগেই বলে রাখতেছি সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব পদটা আমার
লেখক বলেছেন: খাইছে..আমার নামের বাকী অর্ধেকটার কি হইলো? সেইটা কি ক্রস ফায়ারে পড়ল?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
তো! কাপালিক, তোমার কথা শুইনা তো মনে হৈলো... কোন এক শেখ বাঙলা লিখতে শিখ্যা তাগো সব মানসিক আবর্জনা এই পোস্টে আইনা ঢাইলা দিলো! আর তা যদি নাও হয়, তুমি যদি পরের পয়সায় দেশের গীবৎ গাওনের মতো কুলাঙ্গার হইতে পারো... তাইলে বলো... এইটা লিখতে কয় রিয়াল পাইছ?
লেখক বলেছেন: বড় ভাইজান, সত্যি কথা বললে যদি দেশের গীবত গাওয়া হয়, তাইলে গীবত আমি নিজের ইচ্ছাতেই গাইবো, এই জন্য আমারে পয়সা দেওয়ার দরকার হবে না।
আমি যেইটা কইতে চাইছি সেইটা হইলো আমাগো চরিত্র বদলানো দরকার। বিদেশে বইসা বাঙ্গালি হিসেবে নিজের পরিচয় দিতে আমার যেইরকম লজ্জ্বা পাইতে হয়, আমার পোলাপানরে যাতে সেই লজ্জ্বা পাইতে না হয়, সেই জন্যই কাজটা ফ্রি তে করমু।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
কিরিটি রায় বলেছেন: ........এসব ব্যপার দেখার জন্যতো বড় বড় মন্ত্রনালয় আছে... কোটি কোটি টাকার বাজেট বরাদ্ধ আছে.. আছে না? সচিব আমলা, কামলা কতজন ইয়া বেঢপ সাইজের বেতন ভাতা নিচ্ছে এই বিষয় গুলো মনিটরিং করার জন্য।....ভাই জুতা মারতে হলে তাদের গালে মারুন।নাকি তারা ক্ষমতাবান বলে সব গোস্বা গরীব আর অসহায়ের উপর!!!
এই বিষয়ে কিছূ বলেন??
লেখক বলেছেন: বলছি।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
বাঙালী হঠকারিতার মাশুল গুনছে।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
হাসিব ভাইআবার বলেন। আমি আমার কাইলকা রাইতের পুস্টের কমেন্টে অলরেডি কইসি।
কাপা ফ্যান কেলাব নিয়া আইজকা নতুন পুস্ট দিমু কি না বলেন। আপনারে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব দেওয়া হইলো। ভাইয়ার আমল থাইকা ওইটাই তো দেশের সবচেয়ে বড় পদ।
আমি না হয়, পাবলিসিটি সেক্রেটারি র পুস্টটাই নিলাম।
নির্বাক সুশীল বলেছেন:
আরিফুর রহমান, আপনি তাড়াতাড়ি কাপা ফ্যান কেলাব এ যোগ দেন।
কাপালিক বলেছেন:
সর্বনাশ..আমার নামের অর্ধেকতো দেহা যায় আসলেই ক্রস ফায়ারে পড়ছে..পাবলিক কি এইবার আমারেই ক্রসফায়ারে ফালানের ধান্দায় নামলো!
ইউনুস খান বলেছেন:
এটার উপর একটা পোস্ট দিয়া দিব ভাবছি।
লেখক বলেছেন: দিয়া দেন।
আখসানুল বলেছেন:
+
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
দুরো মিয়া, ওরা কি মানুষ নাকি আমাদের মতো|
রাস্তা সাফ করে বকরি চরায় দোকানে জিনিষ বেচে|
ওদের ঘায়ে ঘামের গন্ধ, থুঃ
শার্ট টাও ইন করতে পারে না,
এয়ারপোর্টে আবালের মতো ইতিউতি তাকায়|
ওদের জন্য বাইরে বাংলাদেশী পরিচয় দিতেও লজ্জা লাগে|
আমরা এসিতে চড়ি, সুশীল সমাজ|
অস্ত্বিত্ববাদ অনস্ত্বিত্ববাদ নিয়ে গলা ফাটাই|
মাঝে মাঝে সেমিনার, ফাও লাঞ্চ|
আমরা বিদেশে পাঠাই ভূড়ি আর ভাবের দূতদের|
দূতেরা 'শিক্ষিত' ব্যাক্তি, তাদের পোলাপাইন কর্ণফ্লেক্স খায়, এ লেভেল ও লেভেল পড়ে|
তাদের বউয়েরা রেভ্লন মেখে শপিং এ যায়|
ওই ঘামে ভেজা আবালগুলা মরলে তাদেরই কি, আমাদেরই বা কি|
ওইগুলারে জতা পেটা করা দরকার|
আবালগুলা আইন জানে না বোঝে ও না|
কাম ও জানে না|
কাম যে জানতে হয় ওইটা ও জানে না|
কি বলেন? আমরা জানাবো?
তাইলে শালা আমাদের কাজ করবে কে?
দেশ নিয়ে পলিসি নিয়ে মাথার ঘাম মাথায় ফেলছি|
তার চাইতে আবালগুলারে জুতা মারতে মারতে মেরে ফেলেন|
ঝামেলা বিদায়|
আমরা রেমিটেন্সের পরিসংখ্যান পুছি না|
লেখক বলেছেন: "কি বলেন? আমরা জানাবো?
তাইলে শালা আমাদের কাজ করবে কে?
দেশ নিয়ে পলিসি নিয়ে মাথার ঘাম মাথায় ফেলছি
তার চাইতে আবালগুলারে জুতা মারতে মারতে মেরে ফেলেন
ঝামেলা বিদায়
আমরা রেমিটেন্সের পরিসংখ্যান পুছি না।"
একমত না। রেমিটেন্সের পরিসংখ্যান পুছি বইলাই জুতা মারার কথা কইছি, শুধুমাত্র উশৃঙ্খলতার কারনে সেইটা নষ্ট করার জন্য। মাইরা ফেলার কথা কই নাই।
"রাস্তা সাফ করে বকরি চরায় দোকানে জিনিষ বেচে|
ওদের ঘায়ে ঘামের গন্ধ, থুঃ
শার্ট টাও ইন করতে পারে না,
এয়ারপোর্টে আবালের মতো ইতিউতি তাকায়|
ওদের জন্য বাইরে বাংলাদেশী পরিচয় দিতেও লজ্জা লাগে|"
এই কারনে লজ্জ্বা লাগে না, অশিক্ষা হেগো দোষ না। বিদেশে বইয়া হেগো পরিচয় দিতে লজ্জ্বা লাগে হেগো স্বভাব-চরিত্র-কাজ-কর্মের কারনে। আবাল হইলে পরিচয় দেয়ার লজ্জ্বা নাই, সেইডা হেগো দোষ না, সেই দোষ দেশের সরকারের যে তারে শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হইছে। কিন্তু যেই স্বভাব চরিত্র এবং কাম কাইজ হেরা করে, হেইডা তারা নিজ গুনে শিখছে। এই গুনের ফিরিস্তি দিতে গেলে এই পোষ্টের মিনিমাম দশ গুন বড় পোষ্ট লেহন লাগবো, এত ধৈয্য নাই। হেই কারনেই হেগো লাইগা মাথা কাটা হেগো চরিত্র দোষে।
কবিতা ভালা হইছে, তয় কাপালিকের লাইগা প্রযোজ্য না, কারন কাপালিক এহনো এলিট শ্রেনীতে উইঠা আইতে পারে নাই (তয় চেষ্টার কোন ক্ষ্যামা নাই!)।
সরপ বলেছেন:
পেলাস। কুয়েত ফেরত বাঙ্গালী শ্রমীকদেরকে ক্রুশফায়ারে দেয়া হোক।
লেখক বলেছেন: একবারেই ক্রুশফায়ারে দেওন যাইবো না, অন্তত সাত টা কেইস হওন লাগবো।
সরপ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বিদেশে বইসা বাঙ্গালি হিসেবে নিজের পরিচয় দিতে আমার যেইরকম লজ্জ্বা পাইতে হয়, আমার পোলাপানরে যাতে সেই লজ্জ্বা পাইতে না হয়, সেই জন্যই কাজটা ফ্রি তে করমু।>>>> আপনার পোলাপান বিদেশে নিজেদেরকে বাঙ্গালি পরিচয় না দিলে সেইটা সত্যের বরখেলাপ হবে না।
লেখক বলেছেন: গুলাইয়া ফালাইছেন। পরিচয় না দেয়ার কথা কই নাই, লজ্জ্বা পাওয়ার কথা কইছি।
ইউনুস খান বলেছেন:
পোস্ট দিছি দেইখা নিয়েন।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
কবিতা লিখি নাই| মনের কথা কইছি|
আপনি বোধহয় 'ইনফরমেশন এওয়ারনেস' লেভেল জানেন না এইদেশে|
ওরা তো জানেই না , আপনার ওইসব 'স্যার' এরাও জানে কিনা সন্দেহ| 'স্যার' দের আবার অনেক কাজ! সময় পেলে বাস্তব উদাহরণ দেবো|
সব যদি 'ওদের'ই জানা দ্বায়িত্ব হয়ে পড়ে , তাইলে
আপনের এত্তোসব মন্ত্রণালয় কিসের মন্ত্রণা দেয়|
বেশী কিছু বলার ইচ্ছা নাই|
লেখক বলেছেন: ভাইজান, কাপালিক আপনেরে বুঝাইতে ব্যর্থ হইছে যে সে এই স্যারেগো পক্ষে না। কোন কালেই হে তাগো পক্ষে সাফাই গায় নাই। হের পয়েন্টা হইলো খালি "সহর্মীতা"। হে কোন ভাবেই হেগো সহমর্মীতা দেখানোর পক্ষে না।
মদন বলেছেন:
দারুন পোষ্ট
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
+
মুহিব বলেছেন:
রুঢ় হলেও সহমত
লেখক বলেছেন: সত্য যে রুঢ় হইলেও সত্য, এবং সেইডা স্বীকার কইরা নিজেগো শুধরানোডাই যে বুদ্ধিমানের কাম, এইডা বহুত জনেরেই বুঝাইতে পারি নাই।
রাজর্ষী বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ, আপনের পোষ্ট পড়ে অন্যপক্ষের ব্যপারে ধারনা পরিস্কার হল। আপনার লেখা যুক্তিসংগত। তবে এটাও বুঝলাম যে শ্রমিকরা অসহায়, তাদের শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব আছে। সেজন্য তারা পরিস্থিতির শিকার হয়। জুতাদান তাদের প্রাপ্য নয়। জুতাদান প্রাপ্য প্রতারক আদম ব্যবসায়ী আর তাদের সহযোগী সারমেয় শাবক কর্তৃপক্ষের।আর বিদেশীরাও বা কেন যাচাই ছাড়াই শ্রমিক নিচ্ছে? ১/২ বারেরপর ৩য় বারএ এসে তো তাদের ঐ রকম দেশ থেকে বা প্রতারক আদম কম্পানী থেকে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করা উচিত (যদি তারা ভালোমানুষ হত)। নাকি তারাও গরিবের অসহায়ত্বের সুযোগ নিচ্ছে?
আপনার কাছ থেকেই অন্যপক্ষগুলোর ( বিদেশী নিয়োগদাতা ও তাদের দালাল) কর্মকান্ডেরও নিরেপেক্ষ বিশ্লেষন জানতে চাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: "শ্রমিকরা অসহায়, তাদের শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব আছে। সেজন্য তারা পরিস্থিতির শিকার হয়। জুতাদান তাদের প্রাপ্য নয়। জুতাদান প্রাপ্য প্রতারক আদম ব্যবসায়ী আর তাদের সহযোগী সারমেয় শাবক কর্তৃপক্ষের।"
জুতাদান সমস্ত শ্রমীকের পাপ্য এই কথা বলা হয় নাই। এইটা শুধু কুয়েতে দাঙ্গাকারী শ্রমীকদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে। এই অবস্থার জন্য অবশ্যই সর্বপ্রথম এবং ৯৫% দায়ী আমাদের সরকার। শুধু জুতাপেটা তাদের প্রাপ্য না, সবচেয়ে ভালো হয় ক্রসফায়ার করলে। কিন্তু যেভাবেই শ্রমীকেরা বিদেশে পৌঁছাক না কেন, সেইখানে উশৃঙ্খল যেই আচরন তারা করে নিজের পরিবার এবং দেশের সুবিশাল ক্ষতি তারা করেছে, সেটার জন্য একমাত্র তারাই দায়ী, অন্য কেউ না।
আর বিদেশীদের কথা বলে কি লাভ? তারা দেখবে কত সস্তায় তারা শ্রমীক পায়। কিন্তু তাদের সাথে শ্রমীকদের নূন্যতম সুযোগ সুবিধা কি দেয়া হবে সেই এগ্রিমেন্ট করার দায়িত্ব আমাদের সরকারের, তাদের না।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
ঐসব শ্রমিক আন্দোলন করেছিল বলেই কুয়েতে নতুন আইন পাশ হয়েছে আজ খবরের কগজে দেখলাম ৷ ঐসব শ্রমিকের রক্তের বিনিময়ে নতুনরা ভাল সুজোগ পাবে৷ কুয়েত নিপাত যাক৷
লেখক বলেছেন: এই পোষ্টের বিষয়ের ভিত্তিতে মন্তব্য করেন। যেই কাজটা তারা করছে সেইটাই তাইলে ঠিক আছে?
লেখক বলেছেন: বুঝলাম এখন কুয়েত সরকার সচেতন হইছে, সব সুযোগ সুবিধা এখন থিকা দিব। কিন্তু বাংলাদেশ থিকা শ্রমীক নেয়াই যদি বন্ধ কইরা দেয়, আর পুরানডিরে দেশে ফেরত পাঠায়, তাইলে সেই সুবিধায় তাদের লাভটা হইলো কই?
তপন চৌধুরি বলেছেন:
সংগ্রাম না করে কেও কোনদিন আধিকার আদায় করতে পারে নাই৷ তবে কুয়েত আমেরিকার পা চাটা কুকুর৷ সেটাও দেখতে হবে৷
লেখক বলেছেন: "সংগ্রাম না করে কেও কোনদিন আধিকার আদায় করতে পারে নাই।"
কথা সত্য। সেইটার সাথে এই পোষ্টের কোন দ্বিমত নাই। দ্বিমত হইলো শুধু সংগ্রামের পদ্ধতি নিয়া।
লেখক বলেছেন: কোনদিক দিয়া বেশী গাইলাম?
উপরের আইন গুলো কতটুকু একটিভ?
লেখক বলেছেন: ১০০ ভাগ একটিভ, এই কথা নিশ্চিত ভাবে আপনারে বলতে পারি।
এই দেশে কেউ কোনদিন কল্পনাও করতে পারে না রাস্তায় লাল লাইট দূরের কথা, হলুদ লাইট দেইখাও কেউ গাড়ি টান দিব। বরং ভয়ের চোটে এমন জোরে ব্রেক করে যে পিছন থিকা হয়ত ৩/৪ গাড়ি মারে ধাক্কা। প্রতিটা সিগনালে রাডার এবং ক্যামেরা লাগানো আছে। সিগনাল না মানলে ক্যামেরা পটাপট ৩/৪ টা ছবি তুইলা ফালায়। সমস্ত জরিমানা দিতে হয় গাড়ীর ইস্তেমারা লাগানোর সময়, কোন মাফ নাই।
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন:
আপনার পোস্ট সুন্দর হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা আমেরিকা এসেছেন তারা প্রায় প্রত্যেকেই সে দেশের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনেছেন। বাংলাদেশীরা নির্যাতিত হলেও পুলিশ ফিরে তাকায় না - এসব। সবার সব কথা যে মিথ্যা তা বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে না।যা হোক, আমরা বাংলাদেশীরা যেহেতু খারাপ অবস্থায় আছি, সবাই সুযোগ নেবে - সেটাই স্বাভাবিক। এই পশ্চিমেও তো ৯/১১ এর পরে বাংলাদেশী মুসলিমরা মাটি কামড়ে পড়ে ছিল।
সুতরাং অন্যদের দোষ দেই না।
লেখক বলেছেন: "যা হোক, আমরা বাংলাদেশীরা যেহেতু খারাপ অবস্থায় আছি, সবাই সুযোগ নেবে - সেটাই স্বাভাবিক।"
সহমত আপনার সাথে। এই কারনেই আমার কথা হচ্ছে, নিজেরা আগে ঠিকমতো চলি। কেন অন্যদের যেচে সুযোগ দেব?
ধন্যবাদ আপনাকে।
একজন বাংলার ছেলে বলেছেন:
আপনি একটু তাদের মত হয়ে কেন চিন্তা করছেন না।ধরে নিন আপনি একজন অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত লোক হয়ে অভাব অনটনের দায়ে দালালের ক্ষপ্পরে পরে সহায় স্বম্বল সব বেচে যখন ওখানে গিয়ে দেখলেন যে আপনি একধরনের প্রতারনার শিকার হয়েছেন এবং আপনার আর কিছুই করার নাই এমনকি আপনি জানেন ও না যে কিভাবে সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পেতে হয় এবং আসলে সরকারি সহযোগিতা পাওয়াও যায় না সেখানে কি আপনার মুখ বুজে সবকিছু সহ্য করে যাওয়া উচিত।যদি আপনি সব কিছু সহ্য করেন তাহলে তো আপনি আপনার খানা খরচ বাদ দিয়ে আপনার পরিবারের জন্য সর্বপরি দেশের জন্য কোন রেমিট্যান্সই পাঠাতে পারবেনা।যেখানে বিশ্বব্যাপি নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিষের দাম হু হু করে বেড়েছে সেখানে তাদের বেতন ভাতা বাড়ানোটা ছিল একটি মৌলিক দাবি।কিন্তু কুয়েত সরকারের সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপই ছিল না এমনকি আমাদের দেশের সরকারতো এ বিষয়ে বরাবরের মতই ছিল উদাসিন।আর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো কতটুকু মান্য করে তা বোধকরি ওখানে যারা থাকেন তারা সবাই জানেন।এমতাবস্থায় আপনি কি করবেন।নিশ্চই ওখানে কাজ করতে আগ্রহি হবেন না এবং দেশেও আপনার পক্ষে আসা সম্ভব নয়।কুয়েত সরকার বাংলাদেশের মানুষদেরকে মানুষের মর্যাদা কিভাবে দেয় তা সেখানে যারা আছেন তাদের থেকে যেনে নিবেন। আজ বাংলাদেশিদের আন্দোলনের ফলেই সেই দেশের সরকারের যেন চৈতন্য ফিরেছে।তারা এখন শ্রমিকদের জন্য একটি নুন্যতম মজুরি নির্ধারন করতে বাধ্য হয়েছে।আপনি তাদেরকে জুতা পেটা করতে চাইছেন আর আমি বলব এটা ছিল তাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া এক জীবন যুদ্ধ।যদি জুতা পেটা করতেই হয় তাহলে তা করুন আমাদের দেশের সরকারকে কারন কুয়েততো আর আমাদের দেশ না।
লেখক বলেছেন: আমাদের দেশের সরকার কি করতে পারে সেইটা সবার জানা আছে বলেই আমি বাংলাদেশী শ্রমীকদের এই রকমের উশৃঙ্খল আচরন করে নিচের পায়ে কুড়াল মারার বিপক্ষে। প্রতিবাদ তারা অবশ্যই করবে, সেইটাই উচিত, কিন্তু কোনভাবেই উশৃঙ্খল হয়ে নিজের দেশ মনে করে রাস্তায় ভাংচুর করে না। সেটা অন্যদের মত যখন শান্তিপূর্ণ ভাবে করার কথা তাদের মাথায় আসবে, তখনই বিদেশে তাদের বাজার সম্প্রসারিত হবে, এবং তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরী হবে।
এই ক্ষেত্রে ভারতীয়রা কতটুকু প্রফেশনাল এবং নিজের ক্যারিয়ারের উপর শ্রদ্ধাশীল সেইটা দেখেন। কয়েকদিন আগে কাতার সরকারের বিদেশ মন্ত্রী তাদের এম্বাসেডরকে জানিয়েছেন, কাতারে ভারতীয় নাগরীকের পরিমান এখন ৪ লাখের উপরে পৌঁছেছে যা কাতারের বর্তমান মোট জনসংখ্যার ৩০%। তাদের আচরনে কাতার সরকার খুবই সন্তুষ্ট হওয়ার কারনেই এটা সন্তুষ্ট হয়েছে।
জেনে রাখতে পারেন যে এদের বেশীর ভাগই হচ্ছে শ্রমীক। এবং এরাও বাঙ্গালীর মত অশিক্ষিত। পার্থক্য শুধু তাদের মানসিকতায়। ভারতীয়দের অবস্থান এখন এতই শক্ত হয়েছে যে এখানে এখন তাদের শিক্ষিত সম্প্রদায়কে রিক্রুট করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আভ্যন্তরীন বিশাল বাজার তৈরী হওয়ায় তারা বরং নিজের দেশেই তৈরী হওয়া সুযোগগুলো নিতে বেশী আগ্রহী। সুতরাং আমি এখনো আমাদের ফেরত আসা এই শ্রমীকদের জুতা পেটা করারই পক্ষপাতি।
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন:
আমাদের সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক আয় আসে রেমিটেন্স থেকে ।টোটাল রেমিটেন্সের সিংহভাগ আসে সৌদি আরব ও কুয়েত থেকে ।
গত অর্থবছরে এসেছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ।
যারা মাইনাস দিয়েছেন, তারা ভেবে দেখেছেন কি ?
অদক্ষ ও অশিক্ষিত এই জনশক্তি বিদেশে না পাঠিয়ে দেশে কি কাজ দিতেন ? যেখানে বেকার সমস্যায় আমরা জর্জরিত ।
কুয়েতের এই সম্যাসার জন্য দায়ী গুটিকতেক প্রবাসি, সরকার ও জনশক্তি রফতানীকারকরা ।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই! স্বাগতম!!
লেখক বলেছেন: সত্য যত খারাপই লাগুক, সেটা কোন দিন মিথ্যা হয়ে যাবে না। আমরা বড়জোড় মিথ্যা বলে চোখ বন্ধ করে থাকতে পারব, কিন্তু সেটা আমাদের জন্য মঙ্গল জনক না হয়ে খারাপই হবে নিঃসন্দেহে। বড়ং যত দ্রুত সম্ভব নিজেদের সংশোধন করলেই সেটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
আরো আরো অনেক এলিমেন্ট আছে পুরা ব্যাপারটাকে বোঝার জন্য।
কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য/দুভ্যার্গ হয়েছিল.....অনেক বুঝে করছে আর অনেক করছে করার জন্য।
আর কারো কারো ব্যাপার দেখে মনে হয়...মুই কি হনুরে!!!
আসলেই আমাদের রক্তের দোষ আছে মনে হয়।।
অলস ছেলে বলেছেন:
তর্ক বিতর্ক বহুত হইবেক। কিন্তু এই পোষ্টের প্রত্যেকটা অক্ষরের সত্যতা বদলাইবে না। এমনকি এই পোষ্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্তটাও একটা প্রমাণ যে, বাঙ্গালী হইল সবচেয়ে বুদ্ধিমান জাতি। এত বহুমুখী অকাজের চিপা বুদ্ধি বাঙ্গালী ছাড়া আর কারও নাই।
















