নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি?

২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১

শেয়ারঃ
0 3 0

বিষয়টা নিয়ে ব্লগে আসার পর থেকে অনেক ঝগড়াঝাটি দেখেছি। লেখা হয়ে ওঠেনি। আমি টাইপ করতে পারলেও লেখার শারিরিক অভ্যাস গড়ে ওঠেনি। পাঠক হিসেবে দেখেছি সামহোয়ারইনের খোলা প্লাটফর্মের সুযোগ পেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী,সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় জঙ্গীবাদে উস্কানী দেওয়া থ্রেডের ছড়াছড়ি। ১৯৭৫ সালের আগস্ট-নভেম্বর পরবর্তী সামরিক সরকার সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থে সামরিক ফরমান দিয়ে জামায়াত-মুসলীম লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনে। পরে সেই ফরমানকে সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। লক্ষ করার ব্যাপার হচ্ছে শেখ মুজিবর রহমানের হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি প্রদান করা ফরমানটিও ৫ম সংশোধনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে সেটা সংসদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বাতিল করে। ১৯৭৬ সালের যে রাজনৈতিক দল বিধির আওতায় জামায়াত-মুসলীম লীগ হালাল হয়েছিল সেটা বাতিল করার কোন উদ্যোগ আওয়ামী লীগ নেয় নি। এর আগে ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরী, নরপিশাচ গোলাম আজমের কাছে দোয়া নিতে গিয়েছিলেন। আর তারো আগে শেখ মুজিবর রহমান যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সরাসরি অভিযোগ নেই তাদের সাধারণক্ষমা ঘোষনা করেছিলেন। প্রচলিত আছে শেখ মুজিব তখন প্রোসোভিয়েত পরিচয় ঘুচাতে সৌদী আরবের নেকনজরে পড়তে চাচ্ছিলেন। ওআইসিতে যোগদান, মাদ্রাসা বোর্ড গঠণ করে মৌলবাদী উৎপাদন কারখানা স্থাপন, গণহত্যার আরেক নায়ক জুলফিকার আলী ভুট্টোকে জামাই আদর এগুলি সবই তার অংশ। জামায়াতের হাতে নিহতদের তালিকা তৈরী করে দিয়েছিলো সি.আই.এ.। সুতরাং বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার না করতে বা প্রলম্বিত করতে শেখ মুজিবের উপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ছিল। তবে এতো কিছুর পরেও শীর্ষ রাজাকারদের নাগরিকত্ব বাতিল, জামাত-মুসলীম লীগের রাজনীতি রহিতকরণের মতো বিষয়গুলি বহাল ছিল। এই দিক থেকে দেখতে গেলে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতির মাঠে পুনরামন্ত্রণ জানিয়েছেন ১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের হর্তাকর্তাগণ। ২১ বছর পরের আওয়ামী লীগ সরকার এই আমন্ত্রণকে প্রলম্বিত করেছেন।

এগুলি সবই রাজনৈতিক চালবাজীর রকমফের। এইসব চালবাজীতে আওয়ামী লীগ নামের রাজনৈতিক দলটির জোতদার-মহাজন চরিত্র প্রকাশ পায়। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী নামক সংগঠিত খুনি চক্রের কার্যক্রম হালাল হয় না। জামায়াত জন্মলগ্ন থেকে গণহত্যার ট্রেনিং প্রাপ্ত। তাঁদের মধ্যে জোশ তৈরী করা হয়েছে নিরুপদ্রব হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য। তাঁরা সুনির্দিষ্ট মিশন চালিয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেটসহ সারাদেশে। সেদিন তীরন্দাজের একটি পোস্টে দেখলাম সমগ্র দক্ষিণ এশিয়াতে তাঁরা বড় ধরণের হত্যাযজ্ঞ চালানোর ফন্দি আঁটছেন যার নেতৃত্বে পাকিস্থানের জামায়াতে ইসলামী। হিসাব খুব সহজ। এক সাথে আফগানিস্থান থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বড় একটা কিলিং হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বোমা মেরে সেনাবাহিনি পাঠিয়ে পুরো এলাকা দখল নিয়ে বলবে তোমাদের উদ্ধার করলাম। তারপর যেই সমস্ত সামরিক-বেসামরিক আমলা-বুদ্ধিজীবিরা আজকে সচেতনভাবে জামায়াতে ইসলামীকে সংগঠিত হবার, সমর্থক বেইজ তৈরী করার সুযোগ করে দিচ্ছেন তাঁদের নিয়ে সর্ববিদ্যাবিশারদ সরকার গঠণ করে জিওপলিটিক্সের দখলদারী পাকাপোক্ত করবেন।

জামায়াতে ইসলামী নামক সুনির্দিষ্ট দলটিকে মাঠে ময়দানে প্রতিরোধ খুবই জরুরি। সেই প্রতিরোধ কিছুদিন পরপরই জনগণের মধ্য থেকে মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। কিভাবে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চালবাজী বাঁচিয়ে জামায়াতকে আক্ষরিক অর্থে খতম করা যায় তাঁর রাস্তা বের করার ক্ষেত্রে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নেটজগতের মুক্ত প্লাটফর্মগুলিতে, যেখানে সহজে নিবন্ধন করা যায় সেই জায়গাগুলিকে জামায়াতমনস্কতা মুক্ত রাখতে প্রথমে সেখানে জামায়াত সমর্থকদের চিহ্নিত করা এবং যে কোন মূল্যে সেখান থেকে তাদের বিতাড়ন করা। জামায়াত নিজে সাইট তৈরী করে সেখানে পীঠ চুলকাচুলকি সমিতি করলে সেটা সংগ্রাম পত্রিকার মতোই অতি নিম্ন মাত্রার প্রচারযন্ত্রের কাজ করবে। তাতে চিহ্নিতকরণ অনেক সহজ হয়।

গত দশ-বারো বছরে নেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যে হারে বেড়েছে তাতে নেট জগত খুব জরুরি মিডিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক প্রচারণা,প্ল্যান প্রোগ্রাম করতে নেটের চাইতে ভালো কোন যোগাযোগ মাধ্যম এই মুহুর্তে নেই। যুদ্ধের সময় যে কারণে ব্রীজ-কালভার্ট ধ্বংশ করা হয় সেই একই কারণে এখন যে কোন সচেতন মানুষের কর্তব্য নেটজগত থেকে ধর্মীয় জঙ্গীবাদ উপড়ে ফেলতে সহায়তা করা। বিশেষ করে যারা সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে চৈতন্যগত সংগ্রাম চালাতে চান তাঁদের অস্তিত্ব রক্ষার্থেই মওদুদী-সাইয়েদ কুতুবের অনুসারিদের প্রতিরোধ করা। মওদুদী-কুতুবের অনুসারিদের খতমের অর্থ সাম্রাজ্যবাদের খুব কার্যকর অঙ্গহানি।

যেসব চিন্তাশীল ব্যক্তিরা হালে "ইতিহাসে পরাজিত পক্ষের ভাষ্য শুনতে হবে"র ফেয়ার প্লে ফ্যান্টাসী থেকে (অথবা অর্থের বিনিময়ে, তবে বেশীরভাগই এই তালিকায় পড়বেন না।) জামায়াতকে পাবলিক ফোরামে মুখ খোলার পথ করে দিচ্ছেন তাঁরা কার্যত সাম্রাজ্যবাদকে সহায়তাই করছেন। এটা তাদের কাছে মনে হচ্ছে না কারণ বিতাড়ন শব্দটার মধ্যে ফ্যাসীবাদের গন্ধ আছে। কিন্তু আক্রমণকারীকে ভজন শুনিয়ে প্রতিরোধ করার ইতিহাস তো আমি পড়িনি। কেউ পড়েছেন বলে শুনিনি। সুতরাং আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য পালনই একমাত্র রাস্তা। আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
রাজামশাই বলেছেন: অতি চিন্তায় বুদ্ধি নষ্ট
চুল নষ্ট কাশে
মহি মিয়ার কাপড় নষ্ট
গুড়াকৃমির দোষে

২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
সাগর নীল বলেছেন: নব্য বাকশালী। বাকশালীরা যেমনে ৪ টা পেপার রাইখা আর সব ব্যান করছিল তিনিও তা করতে চান।
৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
শাহীন - চট্টগ্রাম বলেছেন: বাকশালী প্রেতাত্মা এখনো ঘাড়ে ভর করে আছে, নিজেরা যা খুশী বলতে চান অন্যরা বললে অকথ্য ভাষায় গালি দেবেন, ব্যান করবেন .... ব্লগ থেকে বিতাড়নের আবদার করবেন .... কি মনে হয় ... এটা ১৯৭৩ ? আগের সেই দিন কি আছে ... দিন বদলাইছে না ....
৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ইয়র্কার বলেছেন: এই বিষয়ে আমার দেখা ব্লগে সেরা রাজনৈতিক বিশ্লেঁষণ। আপনার বিশ্লেষণ যে সঠিক, তা রাজা কনডম, ছাগল নীল আর ছামাহীনের নির্লজ্জ মন্তব্য থেকে উদাহরণসহ প্রমাণিত হয়।
৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫
নাবিক বলেছেন: নেট এ কি আসলে কাউকে আটকানো সম্ভব?

আমেরিকা বিন লাদেনরে আটকাতে পারতাছেনা আমনে আইছেন জামায়াতরেও না এক্কেবারে জামায়াত মনস্কা খেদাইতে।

তসলিমার সব ব্যন বই নেট এ ফ্রী। আটকাবেন কেমনে?

লাদেন কাক্কু তার বাণী সবার আগে প্রচার করেন নেট এ। আটকাতে পারতাছেন?

আর আপনি আইছেন.................।
৭. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
কোবরা বলেছেন:

মনসুর হিল্লাজ আপনা কে পোস্টের জন্য ধন্যবাদ,আসুন সামহোয়্যার থেকেই প্রথম জামাত শিবির বিতাড়ন করা শুরু করি।
৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
দুঃখবিলাস বলেছেন: ভেবে দেখবার মতো বিষয়। চলুক +
৯. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আপনার পোস্টটি প্রিয় পোস্টে এড করলাম তবে এর সবগুলো বিষয়ে একমত হতে পারলাম না ।

মিডিয়াতে আপনি যদি ধর্মব্যবসায়ী কোন যুদ্ধাপরাধী দলকে প্রতিহত করতে চান , তাহলে আপনাকে তার সাথে "সংলাপে " বসতে হবে , এরকমটা আপনার মতো আমিও মানি না ।

তবে তাদের বিরুদ্ধে সবসময় প্রচুর সঠিক বিশ্লেষন সহ তথ্য , উপাত্ত , যুক্তি এগুলোকে উপস্থিত রাখতে হবে । প্রতিহত করার কাজে এটাই হবে সবচেয়ে সুন্দর ও ফলপ্রসূ উপায় ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

বস্তুনিষ্ঠ যুক্তিই তো সবচাইতে শক্তিশালী অস্ত্র। তবে আপনি নিশ্চয়ই জানেন কালক্ষেপণ বেশ কিছু জটিলতা সৃষ্টি করে । তার মধ্যে একটা হচ্ছে তথ্য জালিয়াতি আর একটা হচ্ছে ক্যাওস। দ্বিতীয়টি জামায়াতের খুব বড় ধরণের রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করছে এখন। ফরহাদ মজহার-সলিমুল্লাহ খানের মতো লোকেরা নানা কৌশলে এই ক্যাওসকে উৎসাহিত করছেন। যেখানে সরল যুক্তিতে জামাত তাড়ানো যায় সেখানে গ্রামসী-ফুকো-দেরিদা-হাবারমাসের ক্যাওস সৃষ্টি করে মূল প্রসঙ্গকে আড়াল করে ফেলেন। এতে তাঁরা কি পান আমি জানিনা। তবে জামায়াত পালাবার পথ খুঁজে নেয়। আমি বলছি না মজহার সাহেবরাই জামাতের প্রধাণ রক্ষাকর্তা। জামায়াতের প্রকৃত রক্ষক সাম্রাজ্যবাদ এবং তাঁরা সামরিক আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ববাদের মাধ্যমে সবচাইতে সফলভাবে নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকেন। এদেশে জামায়াতের জন্ম সামরিক বাহিনির সহায়তায়। প্রতিটি সামরিক শাসন তাদেরকে নতুনভাবে শক্তিশালী করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিকেও আমার কাছে ছায়া সামরিক শাসন বলেই মনে হয়। এই সময়টায় জামায়াত কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় কোন কোন বিন্দুতে স্ট্যান্ড তৈরীর চেষ্টায় আছে তার পুংখানুপুংখ সতর্ক পর্যবেক্ষণ এবং প্রকাশ্য প্রতিরোধ জরুরি। কারণ এই সময় ওরা যতটা জায়গা করে নেবে তার প্রকৃত ফায়দা তোলা হবে পরবর্তী সিভিল সরকারের সময়। সেই জায়গা থেকে আমার মনে হয় বর্তমান সময়ই বরং জামাত বিতাড়নের প্রকৃষ্ট সময়।

এখানে আমরা মতবিনিময় করছি ভার্চুয়াল জগতে। এটা এই মুহুর্তে খুব জরুরি প্রচার মাধ্যম। এই মাধ্যমে ক্রিয়াশীল প্লাটফর্মগুলি দখল করা জামায়াতের জন্য খুব সিরিয়াস এজেন্ডা। এই জায়গাতে তাঁদের প্রতি কোন ধরণের দাক্ষিণ্য বিতরনের পরিণাম খুব ভয়াবহ হবে। যাদের সাথে হাসিমুখে প্রাত:রাশ সারবে বিকালে তাঁর গলায় ছুরি চলবে। তখন গ্রামসী সাহেব কবর থেকে উঠে নৃবিজ্ঞানীর গালে কষে চড় মেরে বলবেন, মরলি কিন্তু নিজদোষে।

১০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
ফেলুদা বলেছেন: একদম হাছা কথা
১১. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৩
কিরিটি রায় বলেছেন: জামাত বিরোধীতা যেন ইসলাম বিরোধীতায় পরিণত না হয়্

আর এ কেমন স্ববিরোধী যুক্তি....

আর তারো আগে শেখ মুজিবর রহমান যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সরাসরি অভিযোগ নেই তাদের সাধারণক্ষমা ঘোষনা করেছিলেন। প্রচলিত আছে শেখ মুজিব তখন প্রোসোভিয়েত পরিচয় ঘুচাতে সৌদী আরবের নেকনজরে পড়তে চাচ্ছিলেন। ওআইসিতে যোগদান, মাদ্রাসা বোর্ড গঠণ করে মৌলবাদী উৎপাদন কারখানা স্থাপন, গণহত্যার আরেক নায়ক জুলফিকার আলী ভুট্টোকে জামাই আদর এগুলি সবই তার অংশ। জামায়াতের হাতে নিহতদের তালিকা তৈরী করে দিয়েছিলো সি.আই.এ.। সুতরাং বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার না করতে বা প্রলম্বিত করতে শেখ মুজিবের উপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ছিল। তবে এতো কিছুর পরেও শীর্ষ রাজাকারদের নাগরিকত্ব বাতিল, জামাত-মুসলীম লীগের রাজনীতি রহিতকরণের মতো বিষয়গুলি বহাল ছিল। এই দিক থেকে দেখতে গেলে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতির মাঠে পুনরামন্ত্রণ জানিয়েছেন ১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের হর্তাকর্তাগণ। .....

১০ লাইন কইলেন সব করছে শেখ মুজিব..
আর শেষে কইলেন ৭৫ এর সামরিক হর্তাকর্তাগণ!!!!

শত্রুরে এত সহজ ভুল কইরা সুযোগ দেয়া কি ঠিক???



১২. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৮
ঐক্যতান বলেছেন: খুব ভালো বিশ্লেষণ...
১৩. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩০
মুকুল বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ। *****
১৪. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২০
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: আপনি লিখেছেন : ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরী, নরপিশাচ গোলাম আজমের কাছে দোয়া নিতে গিয়েছিলেন।

আমার আক্ষেপ ; হায়রে ক্ষমতা প্রয়োজনে রাজাকারের কাছে যেতেও লজ্জা করে না ।
১৫. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
এস্কিমো বলেছেন: আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।


- একমত।


নাবিক বলেছেন: নেট এ কি আসলে কাউকে আটকানো সম্ভব?

আমেরিকা বিন লাদেনরে আটকাতে পারতাছেনা আমনে আইছেন জামায়াতরেও না এক্কেবারে জামায়াত মনস্কা খেদাইতে।


- নাবিক বলছেন জামাত বাংলাদেশের বিন লাদেন গোষ্ঠী? আপনার অবগতির জন্যে জানাই, আমেরিকার কোন মিডিয়া বিন লাদেনের নিউজ করে না - যতক্ষন না সরকার থেকে অনুমোদন আছে। না জেনে মানুষকে ভুল তথ্য দেবেন না।




১৬. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১২
মেন্টাল বলেছেন: নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ণ করা জরুরী যেকারণে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একসময় শিবির বিতাড়ণ করা জরুরী ছিল। জামাতের প্রতি আমার মূল আপত্তি তাদের ফ্যাসিবাদী আদর্শে(আদর্শ বইলা যদি সেইটারে ধরা হয়)। তাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রটা দেখা গেছে ৭১ এর ১৪ ডিসেম্বর আর স্বাধীনতার পর দেখা যাইতাছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে।
১৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১৯
রোবোট বলেছেন: ৭১এর খুনিদের বাচানো জন্য যারা চেষ্টা করে তারা ইসলামের শত্রু, মানবতার শত্রু
১৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৬
কোবরেজ বলেছেন:
আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।


- একমত।
২০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
নেমেসিস বলেছেন: +

প্রিয়পোস্ট

যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।
২১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
লাল মিয়া বলেছেন: আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।

২২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
মনসুর হিল্লাজ বলেছেন: সবাইকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

রাজামশাই, সাগর নীল, শাহিন-চট্টগ্রাম,

আমি স্বচক্ষে বহু শিবির দেখেছি এবং পিটিয়েছি। তাঁদের থট মেকানিজম আর ডুব দেবার কায়দা কৌশল গুলিও কিছু কিছু জানি।

আপনারা আসুন।
২৩. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: এইটাই কইতে চাইছিলাম।
২৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
BangladeshCiroJibiHok বলেছেন: প্রিয় লেখক আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনি যেসব বিষয় উল্লেখ করেছেন তার পাশাপাশি নিচের বিষয়গুলোও যদি আমরা বিবেচনায় নেই তাহলে বিচার নিরপেক্ষ হবে।

আমাদের প্রিয় নেতা শেখ মুজিব ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, সংবিধানের প্রাধান্য ও সংসদের কার্যকারিতা ধ্বংস করতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিয়েছিলেনঃ

১. সংসদীয় গণতন্ত্র বাদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ও নির্বাচন ছাড়াই নিজেকে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ঘোষণা

২. সকল রাজনৈতিক দল ব্যান করে একদলীয় বাকশাল কায়েম এবং নিজেকে এই দলের প্রধান ঘোষণা

৩. বাকশালের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী মনোনীত করার ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়া

৪. চারটি আওয়ামী পন্থী সংবাদপত্র রেখে সকল পত্রিকা বন্ধ ঘোষণা করে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ

৫. বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারপতিতের অপসারণের ক্ষমতা নিজের হাতে নিয়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা গলা টিপে হত্যা

৬. জনগনের মৌলিক অধীকার রক্ষায় হাইকোর্টের রিট মামলা নিষ্পত্তি করার অধিকার কেড়ে নেয়া

৭. নির্বাচন ছাড়াই ঐ সময়ের সংসদের মেয়াদ আরো পাচ বছর বাড়ানো

৮. রাষ্ট্রপতির সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি থাকার সাংবিধানিক বিধান মুছে ফেলে আজীবন রাষ্ট্রপতি থাকার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা

৯. বর্তমানে সংসদের দুই অধিবেশনের দুরত্ব সর্বোচ্চ ষাট দিন। মুল সংবিধানেও তাই ছিল। কিন্ত চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যে দূরত্ব ১৮০ দিন করে সংসদের আইন প্রণয়ের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যহত করা এবং সংসদকে পাশ কাটিয়ে নিজেই বেশি বেশি অধ্যাদেশ জারির সুযোগ সৃষ্টি

১০. সংবিধানের পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতিকে শত অপরাধ ও অযোগ্যতা সত্ত্বেও অভিসংশন করা অসম্ভব করে ফেলা



শুধু মিডিয়ায় আওয়ামী পন্থীদের একচেটিয়া অবস্থান থাকার কারনে ইতিহাসের এই সব অন্ধ দিক জনগণের অগোচরেই থেকে গেছে। অন্য সকল বিষয়ে অতি প্রতিক্রিয়াশীর আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা এইসব জঘন্য কালে বিষয়গুলোতে নির্বিকার থেকে উপভোগ করেছেন। সময় এসেছে এগুলো পুর্নমূল্যায়ন করার।

২৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: ঠিক আছে সাগরনীল, তুমাগো সব মাইনা নিমু। এইবার কও তোমার বাপেগো বিচারে রাজী আছো কিনা। আগে ৭১ তারপর ৭২ থেকে ৭৫ এর বিচার।
২৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: কিন্তু তখন যদি কও গনহত্যার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদেরও বিচার করতে হবে তখন বুঝতে হবে তুমি শুয়োর এই দেশের মাল না, তখন তো তোমার হোগা মারা ছাড়া আর কোনো উপায় দেখি না
২৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
BangladeshCiroJibiHok বলেছেন: বি:দ্র: আপনারা অন্যদের বিতাড়ন করতে চাইবেন এ আর নতুন কি? আপনাদের আগাগোড়া চরিত্র এমনই। ভিন্ন মতের প্রতি সহিষ্ণুতা দেখানো আপনার রক্তে নেই।
ভিন্নমত হওয়ায় জাসদের হাজার হাজার কর্মীকে হত্যা করেছেন
ভিন্নমত হওয়ায় স্বাধীনতার সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানি ও সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন
ভিন্নমত হওয়ায় স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান স্বপ্নদ্রষ্টা জনমানুষের নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে মরতে হয়েছে নানা আওয়ামী গঞ্জনার মধ্য দিয়ে। ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তার দল ও জোটকে জোর করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে পরাজিত করা হয়

এমন হাজারো উদাহরণ দেয়া যাবে। কিন্তু তাতে লাভ কি? এতে আপনারা আরো বেশি অসহিষ্ণু হয়ে উঠবেন
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছিনা, আপনারা বারে বারে আওয়ামী লীগকে টেনে আনছেন কেন?

২৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: বললাম তো সবই ঠিক আছে। আগে বলো তোমাদের বাবাদের বিচার চাও কিনা?
৩১. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি?


ধানক্ষেতে পোকা লাগলে যেমুন কীটনশক প্রয়োগে ছাফা করতে হয়, তেমন জরুরী!
৩২. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পোষ্ট অব দি ইয়ার - সো ফার। +
২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ওরে বাবা! ধন্যবাদ। তবে ভালো পোস্ট এখানে অনেক। জামায়াত সমর্থকদের পোস্টের নিচে চাপা পড়ে বলে চোখ এড়িয়ে যায়।

৩৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
নিকো৮১২৩ বলেছেন: লেখাটা অনেক ভালো। অনেক। আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৪. ২৫ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:১৮
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: ভাল লাগল, তবে সব বিষয়ে একমত হতে পারলাম না।
৩৫. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৪
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: এইটা এতো কাল পরে দেখলাম! সরাসরি প্রিয় পোস্ট
৩৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
চাইয়্যা দেখ! বলেছেন: মাথা আউলাইয়া গেছেনি?
নেট তোর একার?

দালাল কোথাকার?
৩৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১১
বিগব্যাং বলেছেন: "আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।"
৪০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৩
একবাল হুসেন বলেছেন: এটাই আপনাদের সীমাবদ্ভতা
৪২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২
মনসুর হিল্লাজ বলেছেন: আশা করা যায় নব্য রাজাকারদের দাপট আপাতত কিছুদিনের জন্য কমবে।
৪৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: হ
৪৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৮
হাসিব বলেছেন: ছাগামশাই কি কয় এইখানে ?
৪৬. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
অ্যামাটার বলেছেন: সহমত। সাথে আছি, তবে ইন্ডিভিজুয়ালি; এক্সট্রিমিস্ট/গালিবাজ-দের থেকে তফাতে থেকে।
৪৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++++++

ছাগামশাইয়ের কেপি পজিটিভ আগের থিকাই । এখন খোলস থিকা বাইর হৈতাছে আস্তে আস্তে
৪৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: চাইয়্যা দেখ! = ছাগুচিফ
৪৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: ছাগামশাই এর লেটেস্ খবর কী?
৫০. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২১
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ছাগামশাই খুব চামে এইসব এড়ায়া যায় , সে চাল্লু মাল। তারপরেও মাঝে মাঝে ল্যাঞ্জা বাইর হয় যায়।
ছাগামশাইরে ধরসিলাম অনেক আগে ... তখন থিকা আমি ব্যান ।
৫১. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: ছামুর এই ব্যান ব্যান খেলার বিষয়টা নিয়া ভাবতাছি
৫২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: চরি ব্যান না ... ব্লকড । মানে চাঘামশাই আমারে ব্লকে রাখছে।
৫৩. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
তামিম ইরফান বলেছেন: চাঘারে কয়দিন ধইরা দেখা যায় না......।
৫৫. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: বোলারস ব্যাকড্রাইভ বলেছেন: ঠেলা
৫৬. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পোষ্ট অব দি ইয়ার - সো ফার।

স্টিকি করা হোক
৫৭. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: ছাগামশাইয়ের ল্যাঞ্জা বের করা পোস্ট।
৫৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪২
ব্রুটাস বলেছেন: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
পোষ্ট অব দি ইয়ার - সো ফার।
৫৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
ধূসর পৃথিবী বলেছেন: অতিরন্জ্ঞিত মনে হইছে.......
৬০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১
লালসালু বলেছেন: আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: ছাগামশাইয়ের ল্যাঞ্জা বের করা পোস্ট।
৬১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৮
শয়তান বলেছেন: বিগব্যাং বলেছেন: "আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।"
৬২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৫
বিপিন চন্দ্র পাল বলেছেন: শয়তান বলেছেন: বিগব্যাং বলেছেন: "আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।"
৬৩. ২৮ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২০
শয়তান বলেছেন: বিগব্যাং বলেছেন: "আক্রান্ত ব্যক্তির কর্তব্য শত্রুকে পরাজিত করা। সেই যুদ্ধে ফেয়ার প্লে বলে কিছু নেই।"
৬৪. ২৮ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:২৭
চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: পোস্টারে রিপোস্ট করা লাগে
৬৫. ২৮ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৩২
তিনকড়ি বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি?


ধানক্ষেতে পোকা লাগলে যেমুন কীটনশক প্রয়োগে ছাফা করতে হয়, তেমন জরুরী!
৬৬. ২৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৭
শয়তান বলেছেন: চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: পোস্টারে রিপোস্ট করা লাগে
৬৭. ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৬
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: শয়তান বলেছেন: চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: পোস্টারে রিপোস্ট করা লাগে
৬৮. ১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪০
স্বপ্নকথক বলেছেন: আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন: শয়তান বলেছেন: চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: পোস্টারে রিপোস্ট করা লাগে
৬৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪২
নাহোল বলেছেন: আই লাভ ব্লগিং বলেছেন: ছাগামশাইয়ের ল্যাঞ্জা বের করা পোস্ট।
৭০. ০২ রা মে, ২০১১ বিকাল ৩:৫৩
ঊইকিলিক্স বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি?


ধানক্ষেতে পোকা লাগলে যেমুন কীটনশক প্রয়োগে ছাফা করতে হয়, তেমন জরুরী!
৭১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৬
মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ্ বলেছেন: ঊইকিলিক্স বলেছেন: আরিফুর রহমান বলেছেন: নেটজগত থেকে জামায়াতমনস্কতা বিতাড়ন কতটা জরুরি?


ধানক্ষেতে পোকা লাগলে যেমুন কীটনশক প্রয়োগে ছাফা করতে হয়, তেমন জরুরী!

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯০৩২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই