somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষকরা কেন দশ বছরেই গাধা বনে যান।।প্রমাণ হাতে নাতে।।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগে শুনতাম দশবছর মাষ্টারি করলে তার সাক্ষ্য আর আদালতে নেওয়া হয়না।তখন সেই কথাটার মানে বুঝিনাই।আজ শুধু বুঝিইনা হাতে কলমে তার ব্যবহারিক দিতে হচ্ছে।যার মাধ্যমে নিজেকে ক্রমশ একটা উন্নততর প্রাণীতে রুপান্তরিত করছি।

একটা সমাজে শিক্ষকশ্রেনি যদি অচল হয়ে যান তাইলে পুরো জাতিই নাকি অধপাতের অতল গহবরে নিমজ্জিত হয়ে যায় এটা আগের দিনের মুরুব্বিরা বলতেন। আমি আসলে অতশত বুঝিনা।আমি টাকার জন্যে জব করি।টাকা আমার চাই অনেক টাকা।তাইত ক্লাশ হযবরল করে পার করে টিউশনিকেই প্রাধান্য দিচ্ছি।ঠিক পুজিবাজারের কল্যাণে অন্যেরা যেমন দুহাত ভরে টাকা উপার্জন করে আমারও তেমনি টাকা লাগবে।নইলে যে ফ্যামিলিতে,প্রতিবেশীদের কাছে,এমন কি সমাজে আমার ইজ্জত থাকেনা।

কেন আমি টাকা চাইবনা অভিভাবকরাওত শিক্ষকদের টাকা কম বলে তাদের আর আজকাল পাত্তা দেন না।তাইত শিক্ষকরা হাজারবার বলা স্বত্তেও তাদের কথাকে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমত মানুষ করার কথা ভাবেন।শিক্ষকের কথার চেয়ে নিজের সন্তানের ইচ্ছেকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

(কোন জাতি কখনই উঠে আসতে পারেনা, যদিনা তাদের উঠে আসার সঠিক পথ তারা না জানেন।)


আজকাল শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদের নিয়ে কোন গা করেনা।তেমনি করেননা অভিভাবকরা। তার কয়েকটা নমুনা নীচে দেওয়া হল।এগুলো শুধু ক্লাশ টাইমকেই বিঘ্নিত করেনা শিক্ষককে পাগল হতেও সাহায্য করে।
রকমারি শার্পনার।


বাহারি ইরেজার।


মি।ক্লে মার্কা কলম।


এইটারে কয় ঘড়ি।


এইটা হল পেন্সিল বক্স।


এইটাও কিছুনা তারা কেবল পেন্সিল বক্স নিয়ে খেলছে।


ভয় পাইয়েন না।এইটা আসল না দ্বিতীয় শ্রেণির বাচ্চার কাছ থেকে সীজ করা খেলনা পিস্তল।


আমি শিক্ষক ক্লাশে মনোযোগ দেইনা আর আপনি অভিভাবক এসব পাত্তা দেন না।তাই মাসুম শিশুরা এসব নিয়ে খেলাধুলা করে।কিন্তু আমি আর আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছি,এই আমি আর আপনি অভিভাবক মিলেই সাগর আর রুনিকে হত্যা করার মত অমানুষ পয়দা করছি।।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪২
২৯টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×