somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি শিরোনাম ও আরও কয়েকটি ঘটনা।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
শিরোনাম-১ শাওন আক্তার বাঁধনকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্তরা অবশেষে খালাস পেয়ে গেছে

প্রায় ১১ বছর আগে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় শ্লীলতাহানির শিকার হন বাঁধন। একদল উচ্ছৃংখল যুবক ২০০০ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাতে শত শত মানুষের সামনে টেনেহিঁচড়ে বাঁধনের কাপড় খুলে ফেলে। শত কাকুতি-মিনতির পরও বাঁধনকে নিয়ে টানাহেঁচড়া করে ওই যুবকরা। পরের দিন বিভিন্ন সংবাদপত্রে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

১৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দিলেও বাঁধন নিজেই সাক্ষ্য দেননি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আদালতে আসামিদের শনাক্তকরণের পর চাপের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বাঁধন। এ সুযোগে
আসামিরা আইনের মারপ্যাঁচে অভিযোগ থেকে রেহাই পেয়ে গেছে।

শিরোনাম-২ এ কোন বরবরতা ? ধষর্ণের দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ !

ফরিদপুরে অস্ত্রের মুখে ১৪ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধষর্ণ করে তা ভিডিওতে ধারণ করে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। চরভদ্রাসনের আলমনগর এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটা এক ধষর্ক মোবাইলে ভিডিও করে বাজারে ছেড়েছে। পরে মেয়েটি এলাকার একটি দজির দোকানে গিয়ে ঘটনাটা শুনেছে। মামলা হয়েছে ওই যুবকদের নামে। কিন্ত আদৌ কি্ ওদের কেউ কিছু করতে পারবে। এই দেশে কি আসলেই প্রশাসন বলে কিছু আছে? আইন পুলিশ বলে কিছু আছে? আমার মতে ওই যুবকদের প্রকাশে ফায়ার স্কোয়াডে নিয়ে মারা হোক। এবং তা সারা দেশের টিভি চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার করা হোক। তাহলে এমন লোমহষক এবং পাশবিক কাজ আর কেউ করতে পারবে না।

১) মেয়েটির বয়স ১৪ এর ওপরে কিন্তু খুব বেশি নয় বোধ হয়।
২) প্রথমেই মেয়েটির গলা চেপে ধরা হয়েছে। তার পালাবার পথ ছিল না।
৩) সারাক্ষন মেয়েটি ডুকরে ডুকরে কাঁদছে।
৪) অনেক জন এক সাথে তাকে ঘিরে রেখেছে, একজন মোবাইলে ছবি তুলেছে।
৫) বার বার তার ওপরে অত্যাচার হয়েছে তার কান্নার মধ্যে।

আমাদের দেশে সম্ভবত এ রকম অনেক ঘটনা ঘটে, যা সর্বদিক বিবেচনা করে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে মেয়েটির ও পরিবারের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে।

ভিডিও বাজারে বেরিয়ে যাওয়াতে পরিবার সম্ভবত সেই গোপনীয়তা অর্থহীন ভেবে মামলা করেছে।

পুলিশ সম্ভবত ভিডিওতে প্রমাণ থকায় মামলা গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু পয়সা খেয়ে সেটাকে ধর্ষণ মামলা না করে অনেক লঘু অশ্লীল ভিডিও প্রচারের মামলা করেছে।

শিরোনা- ৩ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মধ্যযুগীয় কায়দায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তারা পৈশাচিকতা শুধু ধর্ষণ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তারা উল্লাস প্রকাশ করেছে। কিশোরী ধর্ষিতে বাদী হয়ে মামলা করলেও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। শনিবার সকালে ধর্ষিতের পরিবার বাড়ি ছেড়ে আত্মরক্ষার্থে অন্যত্র পালিয়ে গেছে।

বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আহমেদ, সখীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত শিকদারের ভাগ্নে বাবুল আজাদ ও তার নাতি আরিফুল ইসলাম আকাশ জোরপূর্বক অপহরণ করে কিশোরীকে মোটর সাইকেল যোগে সখীপুর হাজিপাড়ায় আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। পরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুলস্নাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সহযোগীরা ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। পরে আরেকজন পালাক্রমে ধর্ষণ করতে গেলে মেয়েটি সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটিকে তারা ধাওয়া করে। মেয়েটির চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে এলে ধর্ষণকারী ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

শিরোনাম-৪ পিরোজপুরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সময় ভিডিওচিত্রে সেই অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে ছাত্রলীগ ক্যাডার আহসান কবীর মামুন।

জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আহসান কবীর মামুন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় তার বন্ধুদের দিয়ে ভিডিও চিত্রটি ধারণ করেই ক্ষান্ত হয়নি পরে তা সিডি করে বাজারজাত করা হয় গত জুলাই মাসে ফরিদপুরের প্রত্যন্ত একটি গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে মোবাইল ফোন, ভিডিও সিডি আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে।ফরিদপুর জেলার সদরপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের এক কিশোরী বেড়াতে গিয়েছিলেন চরভদ্রাসনে তার নানীবাড়িতে। আর সেখানে তাকে পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে তুষার, কালামসহ চার যুবক। মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় আবার সেই ধর্ষনের ভিডিওচিত্রও তুলে রাখে তারা।

শিরোনাম-৬ যশোর সদর উপজেলার একটি গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দৃশ্য ধারণকৃত শত শত ভিডিও সিডি বাজারে

ওই মেয়ের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, জঙ্গাল বাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে গ্রামের মনিরার বাড়িতে আটকে রেখে শুকুর নামে এক যুবক ধর্ষণ করে। আর ধর্ষণের এ দৃশ্য রফিকুল নামে আরেক যুবক ভিডিও করে। গত ১৪ এপ্রিল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ভিডিওচিত্র সিডি করে তারা বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয়। কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলা হবে বলে ওই স্কুলছাত্রীকে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়।

শিরোনাম-৫ যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়শা গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করে সহযোগীরা।

এতে ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে একই গ্রামের মাসুদ ও ইজাজুল স্থানীয় মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মহিউদ্দিন নামক এক ব্যক্তির পুকুরপাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করা হয়। পরে তা সিডি আকারে বাজারে ছাড়া হয়।

শিরোনাম-৬ প্রেম-ভালোবাসার ফাঁদ পেতে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র বাজারে ছেড়েছে একদল লম্পট।

ঘটনার দেড় মাস পর ব্লাকমেইলের এ ঘটনা জানাজানি হয় এবং ধর্ষকসহ ৩ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রাইভেট কোচিং পড়ার সুবাদে পরিচয় ঘটে একই উপজেলার ফুলহরি গ্রামের আকাম শিকদারের ছেলে পারভেজ শিকদারের সাথে। চলতি বছরে ১৯ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের কন্যাদহ গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই কলেজছাত্রী। এর ৩ দিন পর ২২ সেপ্টম্বর ভ্যানযোগে নিজ বাড়িতে আসার জন্য ভাটই বাজারে এলে সেখানে পারভেজ শিকদারের বন্ধু মধুর সাথে দেখা হয়। মধু তাকে মোটরসাইকেলে বাড়িতে পৌঁছে দেবার কথা জানালে সে মোটরসাইকেলে ওঠে। সে তাকে পারভেজ শিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পারভেজের আর এক বন্ধু রাসেল অপেক্ষা করছিলো। সে সময় ওই কলেজছাত্রীকে তারা উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণচিত্র মোবাইল সেটে ভিডিও করা হয়। এরপর ভিডিওচিত্র কলেজছাত্রীকে দেখিয়ে জানানো হয় কাউকে ঘটনা বলা যাবে না।

এদিকে ঝিনাইদহে ওই কলেজছাত্রীর ধর্ষণ চিত্রের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রতারকচক্র তা সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়। পারভেজের বন্ধু মধু মোবাইলের একটি মেমোরি কার্ড এনে ধর্ষণ দৃশ্যের সিডি ডিস্ক করে নিয়ে যায় দোকান থেকে।

শিরোনাম-৭ বরিশাল বিএম কলেজে এক ছাত্রলীগ নেত্রী তার রুমমেটের নগ্ন দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে।

সেই ছাত্রী তিন হাজার টাকা দিলেও রক্ষা হয়নি। আরো টাকার দাবি করে বেশ কিছু নগ্ন ছবি ছাত্রদের মোবাইলে দেয়া হয়।

শিরোনাম-৮ পটুয়াখালীতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর তার সিডি বাজারে ছেড়েছিলো।

এর আগে পিরোজপুরে স্থানীয় ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর সে দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারন করে বাজারে সিডি আকারে ছেড়েছে।

সর্বোশেষঃ শিরোনাম-৩ রাজিব বনাম রডিন (Razib should be brutally punished)

রাজিব তিনটি আইনে অপরাধ করেছে। সাইবার আইন ২০০৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ ও পেনালকোডের অধীনে।

প্রোভার জন্য আমাদের কোন সিম্প্যাথি নাই। কিন্তু রাজিবের এই অপরাধ কোন ভাবেই ইগনোর করার সুযোগ নাই। আজ একে ইগনোর করলে কাল মহল্লায় মহল্লায় ব্লুফ্লিম বানানো হবে এবং তা সিডি আকারে ও ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হবে।

এসব যে হচ্ছে না তা নয়। কয়েকদিন আগেও জনৈক ছাত্রলীগ নেতা তার দলবল নিয়া একটা মেয়েকে ধর্ষন করেছে, ভিডিও ধারন করেছে ও সিডি করে বাজারে বিক্রি করেছে উল্লাস করেছে এবং ঐ পরিবারকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।

বিদ্যমান তথ্যপ্রযুক্তি আইনেই -২০০৬ এর ৫৪ ও ৫৫ ধারায় সাইবার অপরাধের শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১ কোটি টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয়দণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে।

আমাদের প্রশ্ন— সাইবার ক্রাইম রোধে বাংলাদেশের পুলিশ, RAB বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি করছে? এর জন্যই তো ছাত্রলীগের ছেলেরা ধর্ষন করে ভিডিও বানিয়ে বাজারে ছারে। এটাকে আমলে নেয়ার মত অপরাধই মনে করে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৩
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×