একটা সহজ কথা বলি। সিআইএ'র সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো। বিন লাদেন জীবিত থাকা অবস্থা সেই ছিলো আমেরিকার নাম্বার ওয়ান শত্রু। বিন লাদেনের অনুপস্থিতিতে বর্তমানে আমেরিকার প্রধান শত্রু কে? উত্তরটা নিজেই জেনে নিন। ভিডিওর প্রথম দুমিনিটই যথেস্ট
উত্তরটা অনেকটাই এরকম: বিন লাদেন জীবিত থাকা অবস্থায়ও আমেরিকার কোন শত্রু ছিলো না। এখনো নেই। আমেরিকা নিজের প্রয়োজনে শত্রু তৈরি করে।
বিষয়টা চিরন্তন সত্যের মতো। আমেরিকা এমন এক দেশ যারা নিজ হাতে গড়ে পিঠে শত্রু তৈরি করে। আগে টার্গেট সিলেক্ট করে, দ্যান ট্রেইনিং দিবে, দ্যান, দু একটা সফলতার স্টরি বানাবে। দ্যান বলবে তুমি টেরোরিস্ট। দ্যান সেই হবে তাদের প্রথম শত্রু। বাংলাদেশে আওয়ামী সরকারের অবস্থানটা অনেকটাই এরকম।
ওদের টার্মে হুজি ভারত থেকে ট্রেইনিং নিয়া এদেশে আসলো, টাকা পয়সাও ভারত থেকে আসলো, তারপর দুটা তথাকথিত সফলতার কাহিনী তৈরি হলো যেমন হুমায়ুন আজাদকে কুপানো, কবি শামসুরের বাসায় ককটেল ছোড়া। দেখুন একটাও ওরগ্যানাইজ না। হুমায়ুন আজাদকে কিন্তু মারতেও পারেনি। কবি শামসুরের বাসা একটা টিকটিকিও মরেনি। তবুও ওরা আতংকজনক হয়ে গেলো। তারপর আওয়ামীলীগ ই বললো বাংলাদেশ জংগীদের আস্তানা হয়ে গেছে। আমরা জংগী নির্মুল করতে চাই। আমাদের ক্ষমতায় বসাও। গেইম টা খুব সহজ আর সুন্দরও বটে।
এবারো সেইম নাটক। হিজবুতি ঢুকেছে সেনা বাহীনিতে, সেনাবাহীনিতে এবার শুদ্ধি অভিযান চালাও। ২৫ ফেব্রুয়ারীতে ৫৭ জন চৌকষ সেনা অফিসার মারার পর আর যে কজন দেশপ্রেমিক অফিসার আছে তাদেরকে এবার জড়াও হিজবুতিয়াদের সাথে। তারপর বিডিআর বিদ্রোহের সময় যে সতেজ সজীব সেনাবাহীনিকে হত্যা করা হয়েছে সেটাকে এবার দাফন করার ব্যাবস্থা করো।
আর জামাত, জামাত এতো ভোদাই এখনো হয়নি। যদিও ওরা ভোদাইর দল। যে সরকার যখন এমনিই বিপাকে আছে সেখানে ১০ জন নিয়া ক্যু করাবে। তবে গোলাম আজমের ছেলে যেহেতু আর্মীর সর্বকালের সেরা অফিসার ছিলো বলে ধারনা করা হয়। তখন এই আতংক থেকে আওয়ামীরা ছড়াতেই পারে সে এসব করাচ্ছে যাতে এই আব্দুল্লা আযামিকে আরো একটু পচানো যায়। আর বিএনপি কে জড়ানোর বিষয়টা এতোটাই হাস্যকর যে গোপাল ভাঁড়ের কৌতুকও এতো হাস্যকর নয়। চট্টগ্রামের জনস্রোত প্রমান করে বিএনপি বাংলাদেশের আপামর মানুষের দল। তো বিএনপির সাপোর্ট যখন এ পর্যায়ে তখন ১০ জনের ভোদাই দিয়ে অভ্যত্থান ঘটানোর প্লান বিএনপির মতো দল কখনৈ করবেনা। বিএনপি শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধরে রেখে বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় দল হয়ে আছে। তাদের আওয়ামীদের মতো লে. জে. নাসিমের মতো ক্যু প্রচেস্টা বা খালেদ মোশার্রফের মতো ক্যু করে ক্ষমতায় আসতে হয়না। জিয়া নিজেও ক্যু করে ক্ষমতায় আসেন নি।
জন্মদিনের আলোচনায় রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরা : জিয়ার আদর্শ ধারণ করে সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে লড়াই করতে হবে
একটা কথা মনে রাখতে হবে অভ্যত্থান হয় তখন যখন ৭ ই নভেম্বরের মতো সিপাহী জনতা বেরিয়ে আসে সতস্ফুর্তভাবে। যখন তাদের দিক নির্দেশনা দেয়ার জন্য জিয়াউর রহমানের মতো মেধাবী, ত্যাগী, দেশপ্রেমিক সিপাহী থাকে নেতৃত্বে। এমন নেতা বাংলাদেশে এখনো জন্ম নেয়নি নিঃসন্দেহে বলা যায়।
আওয়ামীলিগকে আহ্বান করছি মিথ্যাচার, আর ভারতের পদলেহন ছেড়ে দিয়ে সঠিক ও দূরদর্শী রাজনীতি করুন। আজ যে নীচ ব্যাক্তি ও দলীয় স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য নব্য সম্রাজ্যবাদী ও ইসরেলের পরে পৃথিবীতে দ্বিতীয় মানবতা বিরোধী রাস্ট্র ভারতের পদলেহন করছেন তা আগামী কালই হয়তো আপনাদেরও ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াবে। কারন ক্লাইভেরা সবসময়ই মীর জাফরদের নিজ স্বার্থে ব্যবহার করে। মীর জাফর, উমি চাঁদ, রাজ বল্লভদের স্বার্থ কি তা তাদের বিবেচ্য কখনোই নয়।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




