যাইহোক, নিউজ পেপারের অনলাইন ভার্সন গুলোতে নিউজের নিচে পাঠকের মন্তব্য নামে একটা কলাম থাকে যেখানে পাঠকরা নিউজ পরে তাদের নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। তবে এই মতামত সবসময় মডারেশনের তীক্ষ্ণ নজর পেরিয়ে অন্যন্য পাঠকের পড়ার জন্য উপযোগী হতে হয়। মডারেশন নিয়ন্ত্রন করে পাঠকের মন্তব্যগুলো। পড়ার অনুপযোগী মন্তব্য মডারেটররা ডিলিট করে দেন। কিন্তু যখন বর্নবাদী বা জাতি বিদ্বেষী মন্তব্য মডারেটরদের হাত ধরে পাঠের উপযোগী হয়ে প্রকাশিত হয় তখন মন্তব্যকারীর থেকে ঐ পত্রিকার ও তার মডারেটরদের দায়ী করতে হয়। তেমনি একটি মন্তব্য প্রথম আলোর গতকালের (২৭.০১.২০১২) অনলাইন ভার্সনে ছাপা হয়েছে। যা তীব্রভাবে বর্নবাদী ও জাতি বিদ্বেষী বলে মনে করি। নিচের এই লিংকে মূল খবর রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ১০০ বাংলাদেশির তালিকা
এই খবরের নিচে একজন পাঠকের (md m rahaman) মন্তব্য দেখে আমার ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। নিচে আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো তার মন্তব্য। আমি আশ্চর্যান্বিত হয়েছি কিভাবে প্রথম আলোর হাত ধরে এমন রেসিস্ট মন্তব্য ছাপা হতে পারে। তবে কি প্রথম আলো আসলেই সাম্প্রদায়িকতা ও রেসিজমকে আশকারা দেয়?
md m rahaman
২০১২.০১.২৭ ২৩:৩৬
plese dont say they are bangladeshi, they are sylheti. Why we are proud of them. THEY dont care of us ( Bangladeshi student). please stop to encourage them.
উপরের ঐ মন্তব্যটি যে কেউ পড়লে বুঝতে পারবে কত ঘৃনা রয়েছে সিলেট অঞ্চলের লোকজনের প্রতি ঐ এম. রহমান নামের পাঠকের। যেখানে তিনি সিলেট অঞ্চলের লোকজনকে বাংলাদেশী বলতেই নারাজ এবং প্রথম আলোকেও আহ্বান করছেন যেনো তারাও সিলেট অঞ্চলের লোকদেরকে বাংলাদেশী না বলে। আর প্রথম আলো পত্রিকার উনার আহ্বানে সারা দিয়ে তার এই মহান!! মন্তব্যটি প্রকাশ করেছে অন্যান্য পাঠকের জন্য যাতে করে তারাও সিলটে বিদ্বেষে প্রভাবিত হন।
এই ধরনের মডারেশান ও সাংবাদিকতাকে হলুদ সাংবাদিকতা বলে কিনা জানিনা। তবে এই মন্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে প্রথম আলো যে তার চরম সাম্প্রদায়িক, রেসিস্ট ও অপেশাদারসুলভ বিদ্বেষপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলো তা আমাদের সাংবাদপত্রের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। সিলেট অঞ্চল থেকে আসা একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমি প্রথম আলোর এই ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডের জন্য অন্তর থেকে ঘৃনা প্রকাশ করছি। আর এটা উপলব্দি করছি প্রথম আলো আসলেই বদলে দাও বদলে যাও শ্লোগানে বিশ্বাস করে যেমন তারা নিরবধি সংবাদ বদলে সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেস্টা করে আসছে পত্রিকাটি তার জন্মলগ্ন থেকেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


