আমি নিজেকে মাঝে মাঝে হারিয়ে ফেলি। কোথায় জানি না। দিগন্তরখো বরাবর হাটতে থাকি। একা একা। কিছু খুঁজি বলে মনে হয়না। আবার হাটি। কোথায় পৌঁছাই জানি না।
_____________________________
চার দিকটা খুব সুন্দর। একটিও কুৎসিত কাক নেই। যারা আছে কর্কষ স্বরে ডাকে না। সুমিস্ট কণ্ঠ ওদের। কোকিল সারা বছরই সুরের মুর্ছনা ছড়ায়। বৌ কথা কও ডাকতে থাকে বউ কথা না বলা পর্যন্ত। পেঁচাগুলোও আর গম্ভীর নয়। সূর্যের ম্নিগ্ধতা মানে জাগায় প্রশান্তি।
----------------------------------------------------
চাঁদ আর কোলো মে,ঘের সাথে লুকোচুরি করে না। খালবিলের টেংরা পুঁটি বসে বসে গল্প করে। চাঁদের সাথে মিতালী করে। বনের হরিণ চপলপায়ে চলতে চলতে পৌঁছে যায় বাঘের গুহায়। কুশল বিনিময় হয় দুজনে। বানরের মনে ঈর্শা জাগে।
-----------------------------------------------------
সবুজের মেলা যেন শেষ হয় না। কোথাও বালু নেই। মরুভুমিরা লুকোয় সমুদ্র তলায়। কালবোশেখীর হাওয়ায় জুড়োয় তপ্ত তনু। প্রাণে জাগে নতুন আশা। নদী গুলো ব্যস্ত আবাস গড়ায়।
__________________________________
মন উড়ে যায় তেপান্তরে। হাওয়ায় ভেসে ভেস। পরীর দেশে। পরীগুলো গল্প শোনায়। রাজপুত্তুর আর রাজকন্যার গল্প। রাজা-প্রজা গলাগলি করে বসে পড়ে সমুদ্রগটে। সমুদ্র ওদের পা ধুইয়ে দেয়।
__________________________________
ক্ষুধা কষ্টে আর তকউ কাতরায় না। সবারই এখন অনেক খাবার। প্রকৃতি ওদের এসে দিয়ে যায়। সব। স-ব। ওরা খায় আর গল্প করে। হতাশা নেই- দুঃখ নেই, কষ্টও নেই। শুধু আনন্দ আর আনন্দ।
_________________________________
সকালে আনন্দ। বিকালেও। রাতে ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকার নেই। নেই কোন আপদও। মশাগুলো গুনগুনিয়ে গান শোনায়। মক্ষিকা এসে দিয়ে যায় পুষ্পরেনু। তাই খেয়ে মানুষ পায় অমরত্ব। কেই কেই ফিরে পার তার মনুষ্যত্ব।
---------------------------------------------------
মানুষ ভুলে যায় হানাহানি। মারামারি। সবাই তখন ভাই। কেউ আর নয় শত্রু।
---------------------------------------------------
কোথায় এই দেশ। মনপবনের নাও কোন ঘাটে যেয়ে তাশম। বলতে পারো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

