অথবা এর বিপক্ষেই বা কি প্রমান আছে। যেমন মানুষ নিজেকে স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করে সেটা আসলে কতটুকু গ্রহনযোগ্য। আবার এই শ্রেষ্ঠত্ব ঠিক কোন কোন ক্রাইটেরিয়ার ওপর ভিত্তি করে হলো। অবশ্য মানুষ সভ্যতা তৈরী করেছে, আপাত দৃষ্টিতে অন্য কোন জীব এরকম কিছু করতে পারে নি। হয়তো এটা একটা কারন হতে পারে। তবে এই শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষনার আগে জীবকুলের অন্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল বলে মনে হয় না। আমার কেন জানি সন্দেহ হয় অন্যদের মতামত নেয়া হলে তারা আসলেই মানুষকে ভোট দিত কি না। আবার বুদ্ধির শ্রেষ্ঠত্বও প্রশ্নাতিত না, কারন পৃথিবীতে হয়তো মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান কেঊ নেই। কিন্তু মহাবিশ্বে পৃথিবী ছাড়া আরও গ্রহ আছে। হয়তো আমাদের গ্যালাক্সিতেই কয়েক মিলিয়ন গ্রহ আছে যেখানে জীবনের অস্তিত্ব আছে। আবার মাহবিশ্বে এরকম গ্যালাক্সিও আছে অনেক বিলিয়ন। সুতরাং আরও কত যে গ্রহে প্রান আছে তা আপাতত বলা যাচ্ছে না, সংখ্যাটা বড় হবে বলেই মনে হয়। এর মধ্যে অনেকগুলোতে হয়তো বুদ্ধিমান প্রানী আছে। এখন ওইসব এ্যালিয়েনরা যে আমাদের চেয়ে বোকা সেটা আমরা কিভাবে জানলাম? আদৌ কেঊ জানে কি না? যদি না জানে তাহলেও কি আমরা সৃষ্টির সেরা জীব? বুদ্ধিমান ব্লগারদের কাছ থেকে এর পক্ষে বিপক্ষে সুচিন্তিত মন্তব্য আহ্বান করছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


