ভাড়াটে বর
২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাঝেমধ্যে তিনি বর সাজেন। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নব পরিণীতাকে ঘরে না এনে বরং তাঁর বাড়িতেই জামাই আদরে কাটান কয়েক দিন। তারপর তালাক দিয়ে পত্রপাট বিদায় নিয়ে ফিরে আসেন নিজ বাড়িতে। বিয়ে ও তালাক দেওয়ার ফাঁকে গুণে নেন তার প্রাপ্য মজুরি। আসলে তিনি ভাড়াটে বর, তিনি হিল্লে বিয়েতে বরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। নাম মো. নুরজামাল। বয়স প্রায় ৭০। এ পর্যন্ত ভাড়াটে বর হিসেবে বিয়ে করেছেন দুই ডজন। অবশ্য মিথ্যে বিয়ের ফাঁকে সত্যিকারের বিয়ে করেছেন দুবার। এক স্ত্রী মারা গেছেন, অন্যজন এখনো বর্তমান। নুরজামালের বাড়ি ছিল ধরলা পাড়ের চন্দনপাটে। ধরলা সব কিছু গিলে খাওয়ার পর আশ্রয় নিয়েছেন সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের তালুককালোয়া গ্রামের একটি রাস্তার ওপর। আট ফুট দৈর্ঘ্য ও ছয় ফুট প্রস্থের একটি ঝুপড়িতেই তাঁর সংসার। এখন দিনমজুরি করেন। তবে কাজ মেলে না প্রতিদিন। তাই অনাহার লেপ্টে আছে জীবনের সঙ্গে। নুরজামাল জানান, একসময় তিনি ভাড়াটে বর হিসেবে মাঝেমধ্যে 'খ্যাপে' যেতেন। বিয়ের পর দু-তিন দিন শাহী খানাপিনা আর আনন্দে কাটত। ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা হাদিয়া গুণে নিতেন। উপরি হিসেবে লুঙ্গি আর পাঞ্জাবি উপহার মিলত। একসময় বাইন তালাক দিয়ে সটকে পড়তেন কন্যার বাড়ি থেকে। তখন রাগের মাথায় তালাক দেওয়া আগের স্বামীর সঙ্গে আবার বাস করতেন হিল্লের স্ত্রী। তিনি জানান, এখন আর হিল্লে বিয়ের জন্য ডাক পড়ছে না। তাঁর ধারণা, বয়স হয়েছে বলে কদর কমে গেছে তাঁর। তাই এখন ১০০ টাকা হলেই তিনি বর সাজতে রাজি। কিন্তু তার পরও কেউ ডাকে না। স্মৃতির দরজা খুলে দিয়ে তিনি অকপটে জানান, মানুষের অনুরোধ আর নিজের প্রয়োজনে তিনি হিল্লে বিয়ের বর সেজেছেন। তিনি বলেন, 'হামার দ্বারায় অনেক মানষের উপকার হইছে। ভাঙা সংসার জোড়া নাগছে। হামার অনেক ছওয়াব হইছে।' তিনি আরো জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যেত। খাতিরতোয়াজ করত। এখন বুড়ো হয়েছে বলে কেউ খবর নেয় না। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে, একমাত্র ছেলে চাচার বাড়িতে থাকে ভিনগ্রামে। এখন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কোনো রকমে দিন কেটে যাচ্ছে তাঁর।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।
মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো...
...বাকিটুকু পড়ুনআমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।
রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।
বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম...
...বাকিটুকু পড়ুন