আমার প্রিয় পোস্ট
সৌদির বর্তমান হিংস্র আইন! আইয়ামে জাহেলিয়াত কে হার মানায়!
০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ২:০৮ |
![]()
বিশ্ব বিবেক কি জেগে উঠবেনা? অসভ্য জাতি হিসাবে সৌদি আরব কোন একসময় বিখ্যাত ছিল। সেই জাহেলিয়াতের যুগ পার করে এসেছে কয়েক হাজার বছর আগে। কিন্তু ২০১১ সালের এই পৃথিবীর বুকে আজও বর্বর জাতি হিসাবে সৌদিআরব যেই কলঙ্কের তিলক তার কপালে লেপন করে রেখেছে সেটি দেখে বিশ্ব বিবেক আজ নড়ে চড়ে বসেছে। এই কেমন আইন? এটি কি আইন না অসভ্য জংলি সভ্যতা? একজন কে খুন করার অপরাধে ৮ জনের শিরশ্ছেদ! কিসের ইসলামি আইন? ইসলাম কাদের জন্য? ওই সৌদিয়ান যারা নিজেরা শরাব পান করলে গুনাহ পানাহ হয়ে যায়। আর আমাদের দেশের খেটে খাওয়া দিনমজুরেরা ৫০০০ টাকার জন্য ওই দেশে কুকুরের মত দিন রাত খেটে মরে ইসলামি আইন কি তাদের জন্য? এই দেশের মহিলা গৃহ পরিচালিকাদের ঘরের মধ্যে রেখে সৌদি পাঠাগুলো যখন তাদের ভোগ করে তখন ইসলাম কোথায় যায়? সেটি কি তখন জেনা হয় না বৈধ যৌন সঙ্গম হয়? মাথায় গোল টুপি আর কালো রঙের বেল্ট সম্বলিত গোলাকার বৃত্তে আবদ্ধ সৌদিয়ান গুলো যখন মাতাল হয় ঘরের ভেতর জেনা করে ঘরের ভেতর তখন ইসলামি আইন কি বলে? নেশা কিংবা জেনা বাইরে করুক আর ঘরে করুক ইসলামি আইন সব খানে সমান। কাজেই সৌদির বর্তমান আইন তাদের জন্য শিথিল করা। আর সেই আইন কেবল ফলায় তাদের দেশের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ ভিনদেশী নাগরিকদের উপর।
অপরাধ কখনো সমর্থন যোগ্য নয়। আমাদের ৮ বাংলাদেশী ভাইয়েরা যেই অন্যায় করেছে সেটি ভয়ানক অপরাধ। এক মিশরীয় কে হত্যা করেছে। কিন্তু এই কোন বিচার? একজনের জন্য আট জনের মৃত্যু দণ্ড! একটি সভ্য সমাজ ব্যবস্থায় কখনো এটি গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা। সৌদিদের এমন জংলি আইন গোটা বিশ্বে ইসলাম ধর্মকে মানুষ ভয়ংকর ভাবে দেখতে শুরু করে দিয়েছে। ইসলাম কখনো এমন সমর্থন করেনা। হত্যার বদলে হত্যা। তাই বলে প্রকাশ্য দিবালোকে কোরবানির গরুর মত মনে হয় আটটি গরুকে শুইয়ে বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবর বলে জবাই করছে! ছিঃ ছিঃ লাথি মারি সেই সভ্যতার কপালে। তামাম বিশ্ব জুড়ে যখন ফাঁসি নামক কর্মকাণ্ডকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে সেই খানে উন্মাদ মাতালের মতন আমার ৮ জন বাঙালি ভাইকে হত্যা করা হল! ফাঁসি রহিত করা হোক এমন আইন আমরা চাইনা। কেননা এই মৃত্যু দণ্ড ব্যবস্থা না থাকলে সমাজে অপরাধের সংখ্যা বেড়ে যাবে। তাই বলে ১ জন কে হত্যার জন্য ৮ জন কেন জীবন দিল? এই কেমন আইন?
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,
'এ ক্ষেত্রে হয়তো বলা হবে আইন মেনেই সবকিছু করা হচ্ছে; কিন্তু একজন আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মী হিসেবে আমি বলতে চাই, আইন একজন মানুষকে ভুল শোধরানোর সর্বোচ্চ সুযোগ দেয়। যদি এ ধরনের শাস্তি দেওয়াটাই আইনের মূল উদ্দেশ্য হয়, তাহলে সে ধরনের আইনের নৈতিকতা এবং মানবিকতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তোলা যায়।'
আর এ প্রকাশ্য শিরশ্ছেদের সমালোচনা করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন,
‘একজন ব্যক্তির শিরশ্ছেদ যেভাবে করা হয়, তাতে তার মানবসত্তা ভূলুণ্ঠিত হয় এবং সে কারণেই এটি অগ্রহণযোগ্য।’ তিনি মনে করেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ ক্ষেত্রে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল তা জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতি দেওয়া উচিত।'
আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে লন্ডন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অবিলম্বে শিরশ্ছেদ বন্ধ করতে সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। অ্যামনেস্টি বলেছে,
'সৌদি আরবের বিচারব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের চেয়ে অনেক নিচে। সে অবস্থায় একই সঙ্গে আটজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা গভীরভাবে অস্বস্তিকর।'
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আরও জানায়,
'ভাষা গত সমস্যা এবং কূটনীতিক সমস্যার কারণে ৮ বাংলাদেশী আইনি সহায়তা নিতে পারেনি। চরম অপরাধীদের ও আইনি সহযোগিতা পাওয়া তাদের মানবিক অধিকার। সেইখানে কেন আমার ৮ বাঙালি ভাইয়েরা আইনি সুবিধা নিতে পারেনি?'
সৌদি তার নিজস্ব শাসন ব্যবস্থায় চলে। আল কোরআনের আইন তারা মেনে চলে বুঝলাম। তবে শিরশ্ছেদ করার পর তার দেহ কেন অপরাধীদের পরিবার পরিজনদের কাছে হস্তান্তর করেনা?
কোরআনের কোথায় বলা আছে এমন আইন এর কথা? একজনের শাস্তি কেন দুই বার হতে যাবে? একবার তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অন্য দিকে তার পরিবার পরিজনদের কাছে থেকে তার লাশটি হস্তান্তর না করে আর এক মহা পাপ তারা করছে। ইসলামি আইন ব্যবস্থা কেন নীরব এইখানে?
অ্যামনেস্টির মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আমেরিকা বিষয়ক উপ-পরিচালক হাসিবা হাদজ শাহরাবি বলেন,
'সৌদি সরকারকে অবশ্যই মৃত্যুদণ্ড সম্পূর্ণ বন্ধ করার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।'
কট্টর ইসলামী দেশ সৌদি আরবে মৃত্যু দণ্ড প্রাপ্ত আসামির আইনজীবী থাকেনা কেন?।আসামিরা আরবিতে আদালতের কার্যক্রমও বুঝতে পারেন না। তাদের বিরুদ্ধে আইনি কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তাও তাদের জানানো হয় না। খুব কম সময়ই তারা আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ পান। এই কেমন আইন? এটি কি আইন না খোদার গজব?
যেই সৌদি তার নিজের চেতনায় বিশ্বাসী। যেই সৌদি আজও বর্বরতায় বিশ্বাসী, সেই সৌদির কোন নৈতিক অধিকার নেই বাংলাদেশের যুদ্ধ অপরাধ বিষয়ক কর্মকাণ্ডের বিচারে নাক গলানোর। এটি আমাদের ব্যাপার। মানব সভ্যতার এই উৎকর্ষের স্বর্ণ যুগে সৌদির এহেন কর্মকাণ্ড কোন বিবেকবান, দেশ প্রেমিক সচেতন নাগরিক প্রতিবাদ না করে থাকতে পারেনা।
আসুন আমরা হিংস্র, বর্বর, জংলি সৌদির এমন কর্মকাণ্ডকে ঘৃণা জানাই।
[ বি ডি ব্লগের ফিচার পোস্ট থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে]
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রতিবাদীকন্ঠ০০৭ বলেছেন:
প্রথম বারের মত সৌদির আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের পতনের জন্য আল্লাহ র কাছে দোয়া করছি।আল্লাহ তাদের হেদায়াত করুক।
জাহাঁপনা। বলেছেন:
আমি সাপোর্ট করি । আপনার বাবা কে কেউ হত্যা করলে আপ্নিও নিশ্চয়ই তার এরকম এ শাস্তি চাইবেন। আমি ত চাইব
জাফর০০৭বেসট বলেছেন:
পোষ্টি স্টিকি করা হোক......
রাতুল রেজা বলেছেন:
মৃত্যুদন্ড ফাসিতেও দেয়া যায়, শিরচ্ছেদ চরম বর্বরতা, একটা মানুষ এভাবে মরার অধিকার রাখেনা।
রবিন-৭৭ বলেছেন:
পোষ্টি স্টিকি করা হোক.
ত্রিশোনকু বলেছেন:
কেননা এই মৃত্যু দণ্ড ব্যবস্থা না থাকলে সমাজে অপরাধের সংখ্যা বেড়ে যাবে।যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদন্ড আছে, ডেনমার্কে নেই। ডেনমার্কে ওপরাধের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক অনেক কম।
বিষাদ বর্ণন বলেছেন:
প্রতিবাদীকন্ঠ০০৭ বলেছেন: প্রথম বারের মত সৌদির আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের পতনের জন্য আল্লাহ র কাছে দোয়া করছি।আল্লাহ তাদের হেদায়াত করুক।
রাকি২০১১ বলেছেন:
আপনি যদি অমুসলিম হন, তাহলে আমার বলার কিছু নেই।আর যদি মুসলিম হন তাহলে ইসলাম থেকে নিজের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার আগে ইসলামের কোড অব কন্ডাক্ট তথা ঈমানের বেসিক জিনিশগুলো সম্পর্কে অবগত হোন।
আর নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন
কে আপনি? আপনাকে কেন দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছে? আপনার গন্তব্য কোথায়।
আর গন্তব্যে পৌছের জন্য্ আপনাকে কি কি করতে হবে??---- নিজ দায়িত্বে জানুন।
কারন বাচতে হলে জানতে হবে।
যারা ইসলামের শাসন কায়েম করে নিজেরা মানেনা (আপনার বর্ননামতে যারা ঘরের কাজের মেয়েদের সাথে জিনা করে), তাদের জন্য এর চেয়ে হাজার/লাখো গুণ কঠিন আযাব অপেক্ষা করতেছ্বে। কারন আল্লাহ তায়ালা ন্যায় বিচারক।সুক্ষ থেকে সুক্ষ বিষয়গুলোও তাঁর বিচার হতে বাদ যায় না।
বাস্তব কথা হল আজকে আমরে মুসলমানের মৌলিক গুনবলি ছেড়ে নফসের তাবেদারী(মন মত চলা) করতেছি; তাই আজ আমাদের এত অধপতন। এই জন্যই এই কার্যকর শাস্তিগুলো আমাদের নিকট নির্মম ঠেকতেছে। আর অপরাধিদের দৌরাত্ম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই শাস্তি কার্যকর থাকলে সিমি, রিমিদেরকে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হতনা।
একজন ধর্ষক আকাম করার আগে হাজারবার এই দৃশ্যটির উপর চোখ বুলিয়ে নিত।
একজন খুনি খুন করার আগে এই দৃশ্যটি দেখত আর খুনের পরে সর্বদা এই পরিনতির জন্য প্রস্তুত থাকত।
আজকেতো একজনের বদলে ৮ জনের খুনের জন্য মায়া হচ্ছে; কিন্তু এই ৮ জনই শত লোকের মৃত্যুর কারন হত যদি তারা কোন রকম বাধা ছাড়াই অপারেশন সাকসেসফুল করতে পারত।
সেই একশ জনের জন্য কি আপনি স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেন না?
শুধু একশ কেন?? এই চাক্ষুষ বিচারের কারণে হাজার হাজার সন্ত্রাশ নিপাত যাবে- বর্তমান লোকদের থেকে
ইহতিশাম আহমদ বলেছেন:
অপরাধ করলে বিচার হতেই হবে। এবং সেটা স্থানীয় প্রচরিত আইনেই হবে। বিষয়টা বিশ্বের যে কোন দেশের জন্যে প্রযোজ্য।এখানে নিজেদের দেশের লোকদের নির্দোষ ভাববার চেষ্টা অনেকেই করছেন। এটা ঠিক না। অবশ্য উক্ত দেশের আইন বা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিশ্ব বিবেকের মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে। আমাদের মাঝেও আছে। এখানে কয়েকটি বিষয় মেনে নেবার মত নয়। ১.একটি হত্যার জন্যে আট জনের মৃত্যুদন্ড দেয়া। ২. বিচার চলাকালীন আসামী পক্ষকে আইনী সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা। ৩. লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর না করা। সেই সাথে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ না করে অন্য কোন উপায়ে দন্ড প্রাপ্ত আসামীর মৃত্যু কার্যকর করার কথা সৌদি সরকারের ভাবা উচিৎ।
রবিন-৭৭ বলেছেন:
যারা সৌদি পার্ভাটদের পক্ষে দালালী করছে তাদের মাকে সৌদি আরকে কাজের বুয়া বানিয়ে পাঠানো হউক
ফয়সাল তূর্য বলেছেন:
আসুন আমরা হিংস্র, বর্বর, জংলি সৌদির এমন কর্মকাণ্ডকে ঘৃণা জানাই।
অ্যামাটার বলেছেন:
যে সব অমানুষগুলো এখনও সেই বর্বর আরবদের শরিয়া আইনের পক্ষে সাফাই গাইছে, তাদের এই ব্লগে দেখতে চাইনা। ব্লগ একটা সুস্থ আলোচনার ক্ষেত্র হতে পারে, কোনও অমানুষের বিচরণক্ষেত্র না।
কথা সত্য বলেছেন:
আমি লেখকের সাথে একমত। অন্দর মহলে বসে দুনিয়ার আকাম-কুকমা করে, ইহুদী নাসারাদের দেশে ইনভেষ্ট করে, মার্কিনিদের তোয়াজ করে, সেই তারাই যখন সুবিচারের দোহাই দিয়ে আমার ৮ ভাইকে হত্যা করল, তখন কি বলার আছে। ধিক্কার জানাই তাদের।সেই সাথে ধিক্কার জানাই রাকি২১১ কে, বড় মুসলাম হইছেন আপনে, না!
ঐ ৮ পরিবারের সংসার চালানোর জন্য তাদের পরিবারের সদস্যদের যদি এখন ডাকাতির পথ বেছে নিতে হয়, কি বলবেন তখন। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় সৌদিতে কোন গৃহকর্মী তাদের মনিবের যৌন নির্যাতনের হাত থেকে নাকি রক্ষা পায় না।
আর একটা কথা আমার মাথায় ঢুকে না, ঐ দেশে আমাদের মহানবী (সা
অপচয়কারী শয়তানের ভাই, অথচ খোজ নিয়ে দেখা যায় ঐ দেশের মানুষের মত খাবার অপচয় খুব কম মানুষই করে।
আমাদের দেশের কিছু মানুষ আছে যারা সৌদি সরকার ভালো খারাপ যাই করে সবকিছুকেই সমর্থন দেয়ার জন্য এক পায়ে দাড়ায়া থাকে। ওরাই হল কাঠ মোল্লা, মৌলবাদী চরিত্র।
আমার ভাইয়ের রক্তের গঙ্গা যখন অন্য দেশে বয় তখন যদি আমার খারাপ না লাগে তবে আমার মত কুলাঙ্গার দেশের কাজেই বা কি লাগবে।
অ্যামাটার বলেছেন:
ব্লগে এরকম কয়েকটা উগ্র মৌলবাদী জানোয়ার আছে(গালি দিতে বাধ্য হচ্ছি), গতকাল থেকে দেখছি এদের আরবপ্ররীতি উথলে উঠেছে। এগুলোকে ঘাড় ধরে ব্লগ ছাড়া করা উচিৎ। যেমন, এখানে এই রাকি২০১১ একটা।। আরও আছে, শিকদার ইত্যাদি ইত্যাদি। আর হা..হা..হা.. একটা মানসিক রোগী, এইটারে আপাতত মাফ করে দেওন যায়।
মো আব্দুল করিম বলেছেন:
এই বিচার তো দেশের আইন অনুযায়ীই করা হয়েছে; নাকি অন্য কিছু?
অপরাধের বিচার তো অবশ্যই হওয়া উচিত।
সজল৯৫ বলেছেন:
বিশ্ব জুড়ে মানবতা আজ ভুলুন্ঠিত। আমার মনে হয় দুষিত বাতাস যার সাথে শিসা ডুকে মানুষের মনকে শিসা বা তার চেয়ে কঠিন কোন পদার্থে পরিনত করে দিয়েছে। হৃদয়ে কোমলতার ছিটে ফোঁটাও আজ আর অবশিষ্ট নেই।
জলধি রায় বলেছেন:
আপনি যদি অমুসলিম হন, তাহলে আমার বলার কিছু নেই।---রাকি২০১১-এর এই দৃষ্টিভঙ্গিটাই ভুল । আধুনিক কালে একটা দেশে সব ধর্মের মানুষই বসবাস করেন, কাজেই ধর্মকে যদি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে টেনে আনা হয় তাহলে ধর্মের সমালোচনা করার অধিকার রাখেন সকলেই । কারণ রাষ্ট্র সবার এবং রাষ্ট্র সমালোচনারই জায়গা ।
রাকি২০১১ বলেছেন:
@জলধি রায়, আপনি কি লক্ষ্য করেন নি আমি কি লিখেছি?
আমার লেখাগুলো একজন মুসলমানের জন্যই প্রযোজ্য।
যে সব মুসলিম আল্লাহ তায়ালার নিয়ম কানুনের বিরোদ্ধ মনোভাব পোষন করে , ইসলামে তাদের অবস্থান কোথায় - আপনি কি তা জানেন?
যদি জানতেন তাহলে এ কথা বলতেন না।
ইসলামকে নিয়ে যারা তামাশা করবে তারা মুসলিম থাকে কি করে??
@অ্যামাটার, ভাষা সংযত করুন। নিজের বংশের দিকে খেয়াল রাখুন।
মৌলবাদ বলতে কি বুঝিয়েছেন?? আপনি মুসলমান হলে, মুসলিম ধর্ম কি মানবেন না? আমার বক্তব্য ভালভাবে লক্ষ্য করুন। যারা নিজেরা অন্যায় করে অথচ অন্যদের ক্ষেত্রে বিচারের নামে প্রহসন করে তাদের কথাতো বলেই দিয়েছি। সৌদি আরব শরীয়া ভিত্তিক দেশ; সে দেশে শরীয়তের আইন ই চলবে। হ্যাঁ, তারা যদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম করে সেটা তাদের দায়। কিন্তু শরীয়তকে বর্বর, অমানবিক বলার অধিকার কেউ রাখে না।
রাকি২০১১ বলেছেন:
@কথা সত্য,দেখুন বুঝার চেস্টা করুন। আমি সৌদিদেরকে কখনও স্ট্যান্ডার্ড বলতে চাইনা।
কিন্তু মুসলমান হিসেবে আপনি শরীয়া আইনকে অস্বিকার করতে পারেন কি??
তীব্রভাবে বলতেছি অবশ্যই জাবাব দিন। মুসলমান কে জানেন?? মুসলমান কখন কাফের হয়ে যায় জানেন?? বড় বুডদ্ধিমান আপনারা। নিজ দায়ীত্বে জেনে নিবেন।
"কোন ব্যক্তি যদি নামাজ না পড়ে তাহলে সে শাস্তি পাবে; কিন্তু কেউ যদি নামাজ নিয়া ঠাট্টা-মশকারী করে, অস্বীকার করে তাহলে সে কাফের সাব্যস্ত হয়ে যায়"-- বিস্বাস হয়না? প্রক্বৃত আলেমদের থেকে জেনে নিন। নিজে জানলেতো ভাল কথা।
শরীয়া আইন দেশ চালানোর জন্য আল্লাহ তায়ালার নির্ধারিত আইন। আমি আপনি তা বাস্তবায়ন করি কিনা সেটা আমাদের ব্যপার। একজন মুসলমান হিসেবে আপনার জানা উচিৎ যে, যারা আল্লাহ তায়ালার বিধান মোতাবেক রাষ্ট্র পরিচালনা করে না/ বিচার করে না তারা- জালেম, ফাসেক ও কাফের।
শরীয়া আইনকে বর্বর বলা অথবা যারা বলে তাদেরকে সমর্থন করার আগে ইসলামে নিজের অবস্থান সম্পর্কে সচেতন হোন। অবশ্য সৌদিরা কি করতেছে তা বিবেচ্য। কারন মুসলমান নামধারী হলেই তো আর মুসলমান হয় না। নবিজী (স. ) এর জামানায়ও কাফের, মুশরিক ও মুনাফিক ছিল।
মৌলবাদি বলতে কি বুঝাচ্ছেন?? আপনি কি ঈমানের বেসিক ট্যানেন্ট বাদ দিয়ে মুসলমান হতে চান??
মহসিন আহমেদ বলেছেন:
"সৌদি তার নিজস্ব শাসন ব্যবস্থায় চলে। আল কোরআনের আইন তারা মেনে চলে বুঝলাম।"সৌদি তার নিজস্ব শাসন ব্যবস্থায় চলে। এইটুকু ঠিক "কিন্তু আল কোরআনের আইন তারা মেনে চলে" এইটা ঠিক না।
জলধি রায় বলেছেন:
@রাকি২০১১ আপনি তো ভাই খুবই ঝামেলার লোক, এক কথাই দুইবার দুইভাবে বলেন । 'আমার লেখাগুলো একজন মুসলমানের জন্যই প্রযোজ্য।'---আমার আপত্তি তো এখানেই । রাষ্ট্রীয় আইন শুধু মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য হয় না সুতরাং আপনাকে কথা বলতে হবে সবাইকে লক্ষ্য করেই । এবং সবার সমালোচনা শুনতেও হবে । এবং আন্তর্জাতিক মহল মুসলিম আইন বলেই এটাকে ছেড়ে দেবে না, তারা এটাকে বিবেচনা করবে নেহাত রাষ্ট্রীয় আইন হিসাবেই । এবং সমালোচনা করবে, যেভাবে সমালোচনা করা হয় একটা রাষ্ট্রের অন্য অনেক কিছুরই ।
যাযাবরমন বলেছেন:
শিরশ্ছেদ করার পর তার দেহ কেন অপরাধীদের পরিবার পরিজনদের কাছে হস্তান্তর করেনা? আমার ধরনা শিরশ্ছেদ করার পর তার দেহ তারা খায়, কারন তাদের সম্ভবত ধারনা জবেহ করলে সব হালাল।
অসভ্য সৌদি সরকার নিপাত যাক।
পোস্টা +
রবিন-৭৭ বলেছেন:
যারা সৌদি বারবের দালালীতে মতে উঠেছে তাদের মা-বোনকে সৌদি আরবের কাজের বুয়া হিসেবে দখতে চাই
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।