somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যমুনা কি বলতে পারে ?

১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যমুনা কি বলতে পারে
কত বার কেঁদেছে রাধা ?
আনমনে চলতে গিয়ে কোন পথে পেয়েছে বাধা !

অঙ্গে সোনা ছিলো যত
কলঙ্কে দ্বিগুণ তত
সে কালি চন্দন হতো অবিরত
কালিন্দীর ওই কালো জলে ভেসে গেলো নিরব কাঁদা ।

ধন্য প্রেমে জরজর
আনন্দ অধিক আরো
পিরীতি সুন্দরতর মনোহর
গুণধর রুপ লাগি দিবানিশি হয়েছে সাধা ।

"এইটা খেয়ে নে।" মা কোন ফাঁকে পিছনে এসে দাঁড়িয়েছেন বোঝেনি বর্না । শাড়ি, ওড়না, মাথা ভরা ফুল আর জড়োয়া গয়নার ভিড়ে টুক করে মুছে নিতে তাও সমস্যা হয় না । একটু ঝুকে পড়ে , যেন অনেক কঠিন , অনেক ঝামেলার এই পরিবর্তন , এমন ভাবেই বর্না মুখ ঘুরিয়ে মায়ের দিকে তাকায়। হাসি মুখে দাঁড়িয়ে একটা ছোট্ট খাট্ট মহিলা । ঢাকার একটা প্রায় অন্ধকার পাড়ার ঘিঞ্জি ফ্লাটের চারদিক বদ্ধ রুম। কোন দিক থেকেই বাতাস কিংবা আলো ভুলেও ঢোকে না। যদি আর বেরুতে না পারে ? সেই ঘরেই ছড়ানো ছিটানো উপহার, শাড়ি , কাপড় এটা সেটার এক পাশে বউ এর সাজে সজ্জিত বর্না । লালচে কমলা কাতানটা ওর নিজের পছন্দ করে কেনা । মাকে যা মানিয়েছে ! প্রায় তিরিশ পয়ত্রিশ বছর ধরে প্রয়োজন আর প্রাপ্তির হিসেব ঘানি টেনে মায়ের দুধে হলুদ গায়ের বরণের কিছুই অবশিষ্ট নেই। তবু মায়ের দিকে মুগ্ধ চোখে চেয়ে থাকে বনু । তার কারন মায়ের অমলিন হাসি । অনেক, অনেক দিন পরে মা আজকে সূর্যের মত ঝলমল করছেন । একলাই সব অন্ধকারকে ঠেলে সরিয়ে দেবেন তিনি যেন! যেমনটা করেন তিনি রোজ সকালে তার দুই হাত বাই পাঁচ হাতের ছোট্ট রান্না ঘরে । কোন মতে এক মানুষ সমান চিলতে বারান্দায় । ঐটুক জায়গায় এমন সর্বশক্তি দিয়ে ঝাড়ু চালনা করতে দেখলে যে কারো সন্দেহ হবে উনি সিটি কর্পোরেশনের বেতনভূক ঝাড়ুদার, ঢাকা পরিষ্কারের দায় একলাই তার!
" বনু, ওরা যেতে মনে হয় সময় নেবে রে। শরবতটা খেয়ে নে। আর পারলে আমি একটুস ভাত চুরি করে পাঠিয়ে দেব। " মা ফিস ফিস করে বলেই রুম থেকে বেরিয়ে যান, পাছে সমস্ত পৃথিবী জেনে যায়, বর্না অতিথিদের ফেলে ভাত খেয়ে ফেলেছে ।

" চাঁদ তারা সূর্য নও তুমি, নও পাহাড়ি ঝর্ণা ,
যদি বলি ফুল, তবুও হবে ভুল , তুমি আমার বর্না।"
আবোল তাবোল গানের বাউলা ছেলেটার কথা মনে পড়ে খুব। বাম রাজনীতির একনিষ্ঠ ছাত্র , সমাজ বদল , বাংলাদেশ বদলের স্বপ্নে বিভোর ছেলেটার কথা । কি উচ্ছ্বল, কি হাসিখুশি, কি তার গানের গলা। বর্না ওকে চিনতোই না বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে পদার্পনের দুই বছর পরেও। চিনবেই বা কি করে ? ওর মত যারা পড়ালেখাকে দারিদ্র ক্লিষ্ট এক ঘেঁয়ে জীবন থেকে বের হয়ে আসার একমাত্র সম্বল করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে , যাদের টিউশনি না পেলে যাওয়া আসা কিংবা দুপুরে খাওয়ার চিন্তায় অস্থির থাকতে হয় , তাদের ঐসব সমাজ, দেশ বদল করে কে কি উদ্ধার করে ফেললো তা দেখলে চলে না । ও দেখেনি আসলে । ছেলেটাই দেখেছিলো । হুট করে কার মাথায় ঢুকলো আবৃত্তি সন্ধ্যা করতে হবে এবং সেখানে অংশ গ্রহন করতে হবে সবাইকেই । এইটা সর্বজন বিদিত সত্য যে হলের অনুষ্ঠান গুলোতে দর্শক সংখ্যা বাড়াতে হলের দারোয়ান , রান্নার লোক আর দুই চারটা পুলিশ ভাড়া করে আনতে হয় । ফিরি খাওয়ার ব্যবস্থা ছাড়া আবৃত্তি প্রতিযোগিতার প্রতিযোগীই হয়ত পাওয়া যাবে না । সুতরাং , পাল্লায় পড়ে বর্নাকে একটা কবিতা মুখস্থ করতে হলো । সেটা দাঁড়িয়ে বলতে হলো আর পুরস্কার ও জুটে গেলো কারন বাকি আবৃত্তিকারদের একজনের ডেটিং পড়লো ঐদিন আর অন্যজন খাবার কিনতে গিয়ে জ্যামে পড়েছিলো । তারপরেও প্রতিযোগী বলে কথা , ঘটা করে পুরস্কার দিয়েছিলো রঞ্জন । জয়িতার ক্লাসে মুরাদ আর নাইম যত রকমের বাদরামি করে তার আসল পরিকল্পক হিসেবে রঞ্জনের নাম খুব শুনা যেত । কেউ কখনো দেখেনি । ঐ সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথির পদ অলংকৃত করে রঞ্জন এলো । সাথে আরো আড্ডাবাজ বন্ধু বান্ধব নিয়ে । সেইখান থেকে বর্নার বান্ধবী জুটে গেলো জেবীন, সাকি, আইরিন , শামীমা। শামীমা রঞ্জনের দোস্ত মুরাদক্কে বিয়ে করে বর্নাদের ঐদিকেই বাসা নিলে ওদের আড্ডাতে বর্নার উপস্থিতি সহজ হয়ে ওঠে ।বর্নাকে দেখে রঞ্জনের ভালো লেগেছিলো কিনা সঠিক কেউ জানে না । যদিও পরের দিকে ওর অনেক কবিতা কিংবা গানে ঘুরে ফিরে বর্না শব্দটা কেন আসতো এটা অনেকেই হাসি ঠাট্টায় বলতে ছাড়েনি ।

কোন রকমের ইঙ্গিতেই বর্না সাড়া দেয়নি কখনো । প্রতিবাদও করেনি । বাড়ির বড় মেয়ে ও। যে কোন দিন বিয়ে হয়ে যেতে পারে । সেটা জানতো বলেই স্বপ্ন দেখার সাহস ওর কোন্দিন হয়নি । রঞ্জন ঠিক উলটো । ও যেন জন্মই নিয়েছে স্রেফ স্বপ্ন দেখার জন্য । নিয়মিত আড্ডার অংশগ্রহনকারী হওয়ার পর বর্না নিজেই যেন ওর নিবিষ্ট শ্রোতা হয়ে উঠেছিলো। একটু একটু করে ওর কাছে দুনিয়াটা বড় হচ্ছিলো । মায়ের রান্না ঘর , বাবার হিসেবের টানাটানি আর টিউশনির বাইরেও যে একটা পৃথিবী আছে , ওখানে মানুষ খাওয়া আর টাকার চিন্তা ছাড়াও অন্যকিছু ভাবে , আবিষ্কার করে , বাঁচে - এইটা বর্নার চিন্তাজগতে ঢুকে পড়ছিলো । বর্না নিয়মিত বই ধার নিতে শুরু করে । ওরা আলোচনায় যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করে , সেই সবের খবরও রাখতে শুরু করে । কথা না বললেও বুঝার চেষ্টা করে এবং এক সময় আবিষ্কার করে ও আসলেই অনেক চট করে অনেক কিছু বুঝতে পারে । সমাজ, সংসার , জীবন , পৃথিবী , বিজ্ঞান - ওর চোখে বদলাতে শুরু করে । বর্না পড়ালেখায় বরাবরই ভালো । ঐ যে , পিন্ডি যোগাড়ের তাগিদ ! কিন্তু এইবার ওর ভালো ফলাফল কিংবা ছাত্রীত্বের পাশাপাশি কিছু নতুন লক্ষ্য যোগ হয় । উৎসাহ বাড়ে । বর্না নিরবেই নিজেকে শানিত করে । চিন্তায়, চেতনে , মননে , দৃষ্টিভঙ্গীতে ও নিম্নমধ্যবিত্তের ভীতি আর অল্পসন্তুষ্টির বেড়া কেটে সার্বজনীন হয়, তুখোড় হয় , আন্তর্জাতিক হয়।

বর্না লুকিয়ে লুকিয়ে লিখতে শুরু করে । নিজেই লেখে নিজেই পড়ে । লেখার বিভিন্ন পয়েন্ট গুলো মাঝে মাঝে আড্ডায় উঠিয়ে দিয়ে নিজে চুপ হয়ে যায় । অন্যদের , বেশি পড়ুয়া আর বেশি জানিয়েদের তর্ক শোনে । ভেতরে ভেতরে ওর বিশ্লেষক সত্ত্বাটা বিকশিত হয় একটা বৃক্ষের মত । ফলাফলটা প্রথম টের পায় সবাই ওর গবেষনা পত্রের নম্বরে । ভূয়সী প্রশংসাসহ বিভিন্ন শিক্ষকের অভিনন্দন ওর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিলে পেপারটাকে ঘষে মেজে প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয় । ওতে বর্নার চেয়ে ওর আড্ডার বন্ধুদেরই যেন উৎসাহ বেশি । কোথায় লিখতে হবে , কোথায় কাকে ধরতে হবে -- এই সব চলে । অতি উৎসাহীরা ওর নামে এখানে ওখানে এপ্লাই ও করে ফেলে । আহা দেখাই যাক না, একটা স্কলারশীপ হতেও তো পারে! হয়েও যায় । বর্না নিজের চোখে কানে বিশ্বাস করতে পারে না । ওর মত একটা মেয়ে বিদেশ যাবে পড়তে তাও আবার কিনা স্কলারশীপ নিয়ে! বাড়ির সবাই মনে হয় খুশিতে পাগলই হয়ে যাবে। কিন্তু একটা সমস্যা দেখা গেলো স্কলারশীপের পরিমান নিয়ে । থাকা , খাওয়া , টিউশন মিলিয়ে সবটা হয় না । যেটুকু বাকি পড়ে , তা বেশি নয় । কিন্তু বর্নাদের পরিবারে ওটাই অনেক বেশি। যেখানে যেতে হবে সেখানে কোন আত্মীয় স্বজন নেই । কি যে হবে ভেবে কেউ কূল কিনারা করতে পারে না ।

এক সময় হঠাৎ করেই সমাধান হয় । বাংলাদেশে শিক্ষিত মেয়ে যারা বিদেশ যাওয়ার জন্য স্কলারশীপ পায় , তাদের সমাধান যে ভাবে হয়, সেভাবেই । এই সব সমাধানে কোন চমক নেই । আর দশটা সমাধানের মতই বর্নার সমাধানটাও একটা কাগজ, কিছু নতুন মানুষ , একটা নতুন পরিবার আর কিছু অলঙ্ঘনীয় শর্ত নিয়ে আসে । আশে পাশের মানুষের খুশি আর আনন্দের কোন সীমা নেই । অতি সাধারন গল্পের মতই তারা খিল খিল করে হাসে, কেনা কাটা করে , মিষ্টি আর উপহার আদান প্রদান করে, খুঁটি নাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া ঝাটিও করে । এবং নির্দিষ্ট সময় পরে সব খুঁটি নাটি মিটে গিয়ে আবার হাসাহাসি হয়। বাড়িটা ফুলে ফুলে সেজে ওঠে । রঙ মাখে । বাজনা বাজে ।উপন্যাস বা সিনেমার মত এখানে কোন অঘটন ঘটে না । কেউ বিষ খায় না । কেউ কাজ কর্ম ভুলে উদাস হয় না । বন্ধু মহল থেকে অজানা অচেনা কারনে কেউ বাদও পড়ে না । সকলেই হাজার গুণ উৎসাহ নিয়ে অনুষ্ঠান করে, অনুষ্ঠান শেষ করে ।

কেউ অবশ্য জানতে চায় না বর্না আর রঞ্জনের মধ্যে কোন কথা হয়েছিলো কিনা। কেউ জিজ্ঞেস করে না , ওরা আড্ডার বাইরে কোথাও কখনো দেখা করেছিলো কি না । কেউ এটাও ভাবে না ওদের দুজনের কাউকে কেমন লাগছে, কেমন আছো প্রশ্নটা করতে হবে কিনা । আরে বাবা , খুশির ঘটনা ঘটছে , নিশ্চয়ই সকলেই অনেক অনেক খুশি ।

শুধু কেউ একলা হলে কেন ভাবে " মররে তুই মরেই যা, হেথাক তোকে মানাইছে নারে , ইখেবারে মানাইছে না রে " !

যমুনা কি বলতে পারে (শিপ্রা বসু)



[ এই গল্পের কাহিনী বা ঘটনা ব্লগের কারো সাথে কোনভাবেই কোন মিল নেই। তবে পরিচিত কিছু নাম ব্যবহার করা হয়েছে । কোন কিছুরই কোন মানে নেই । আজকেই শিপ্রা আর লাল পাহাড়ির গান দুটো শুনলাম আর মনটা উদাস হলো । এই সবই উদাস মনের পাগলামি । স্রেফ গান দিতে ইচ্ছে হলো না তাই ফুট নোটের মত করে ফুট গল্প। দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী গানকে এক জায়গায় করার অপপ্রয়াস ।কিংবা , ধুত্তুরি , হবে কিছু একটা , অথবা কিছুই হয় নাই । মাইনাস]
২০টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫



ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে। এই স্থানটি খুবই নিরিবিলি। দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। এমন ফাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×