আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি/স্কলারশীপ এবং (প্রস্তুতি পর্ব)
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
প্রথমেই বলে নেই , এই পোস্ট কোন গবেষনা নয়, স্রেফ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লেখা । নিজের কাজে খোঁজ করতে গিয়ে যা দেখেছি তাই লিখে দিলাম। দ্বিতীয়ত , এই লেখায় শুধুমাত্র উচ্চশিক্ষার জন্য, তার মানে ব্যাচেলর নয়, তদুর্ধ্ব শ্রেনীর বৃত্তি নিয়ে লেখা । তৃতীয়ত , এখানে আমেরিকা বলতে উত্তর আমেরিকার দেশ মূলত আমেরিকা এবং কানাডা , অস্ট্রেলিয়া বলতে নিউজিল্যান্ডসহ এবং ইউরোপ বলতে ইউরোপের ধনী ও পরিচিত যে দেশগুলোয় বাংলাদেশ থেকে মানুষ পড়তে যায়, তাদের কথাই বলা হয়েছে । পড়ার সময় সেইভাবে ধরে নেবেন। আর শেষ কথা হলো, আপনার পড়ালেখাতে যদি বায়োলজি বিষয়টা না থাকে তো এই সব স্কলারশীপ আপনার জন্য নয়, আপনার ভাই বোন বন্ধুর কাজে লাগতে পারে । তবে , প্রস্তুতি পর্বটা সবার জন্যই কমন।
শুরু বা পরিকল্পনা পর্যায় ঃ
১। সময় ঃ আপনার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি যাই হোক না কেন , আপনি যেই মহাদেশেই যান না কেন , কিছুটা যোগ বিয়োগ করে সব কিছু ঠিক ঠাক করে নিতে প্রায় ১২ মাস লাগবেই বিশেষ করে স্কলারশিপ ও টাকা পয়সা যোগাড় ইত্যাদি। সুতরাং যখনই শুরু করুন না কেন, আগে জেনে নিন আপনি যেখানে যেতে চাইছেন , সেখানে কোন মাসে ক্লাস শুরু হয়? সেই মতে আপনার হাতে কতটুকু সময় আছে বুঝে নিন। একটা সাধারন নিয়ম হলো যেই বছর যেতে চাই তার আগের বছর থেকে কাজ শুরু করা।
২।তথ্য সংগ্রহঃ এরপর সময় নিয়ে যেই দেশে যাবেন সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ওয়েবসাইট খুটিয়ে খুটিয়ে পড়া। এর কোনই বিকল্প নাই, প্রচুর দিন, প্রচুর রাত নষ্ট হবে এই কাজটার পিছনে। কিন্তু, দিন রাত ২৪ ঘন্টা যদি লেগে থাকতে পারেন , তাহলে তার ফলও পাবেন হাতে নাতে । এমন কোন তথ্য পেয়ে যেতে পারেন যেটা হয়ত আপনার সময় , তারচেয়েও বড় কথা টাকা বাচিয়ে দেবে অনেক। সব সময়ই ওয়েব সাইটের বাইরে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে এমন কারো কাছ থেকে কেমনে কি জেনে নিন যদি সেই সুযোগ থাকে।
৩। তথ্য সাজানোঃ নির্দিষ্ট কোন বিশ্ববিদ্যালয় এর কোন কোর্স পছন্দ হলে সাথে সাথে সেই কোর্সের সমস্ত তথ্য সারাংশ , বিভিন্ন লিঙ্ক আপনার খাতা/ফাইল/কম্পিউটারে টুকে নিন। ওহ আচ্ছা, বলে রাখি, সাজিয়ে গুছিয়ে কাজ করলে সবচেয়ে ভালো। খাতা বই এর যুগ যেহেতু শেষ , কম্পিউটারে ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশের ফোল্ডার, তার ভিতরে ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোল্ডার করে তাতে কিভাবে তথ্য সাজাবেন, কি করে সে গুলো দ্রুত খুঁজে পাবেন সেভাবে পরিকল্পনা করে নিন।
কিছু ফাইল সব খানেই থাকবে যেমন,
ক) একটা ফাইলে সব কয়টা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন তারিখ ( এপ্লিকেশন, স্কলারশীপ, রেস্পন্স, সেমিস্টার ডেট ইত্যাদি) , পুরোটা পড়েছেন কিনা, কাগজ পত্র পাঠানো হয়েছে কি হয়নি ধরনের ম্যাট্রিক্সসহ একটা ইন্ডেক্স পেজ।
খ) আরেকটা ফাইল থাকবে ঐ মহাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সাধারনত কোন কাগজ গুলো কি ভাবে চায় তার লিস্ট । একেক জায়গায় একেক ভাবে চাইতে পারে । কমন বাদ দিয়ে যেইটা ব্যতিক্রম সেইটা লাল কালিতে উল্লেখ করে রাখলেই ভালো ।
৪। কাগজ পত্র তৈরীঃ একাডেমিক সমস্ত কাগজ এর মূল এবং দরকার হলে ইংরেজী কপি (এটাও মূল) তৈরী রাখুন। বিভিন্ন সার্টিফিকেট বলতে আমরা যা বুঝি ( এস এস সি, এইচ এস সি , মেডিকেল/ডেন্টাল/ইউনি , ডাক্তারদের বি এম ডি সি রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি) তার বাইরে কিছু কাগজ নিয়ে মহা ঝামেলা লাগে । যেমন,
ক)ট্রান্সক্রিপ্ট- এইখানে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় একটা কাগজেই আপনি কি কি বিষয় পড়েছেন, সেই সবের মেজর মাইনর, কত অংশ তাত্ত্বিক আর কত অংশ প্র্যাক্টিকাল বা ল্যাব/ ক্লিনিকাল করেছেন তার ঘন্টা ও বিষয়সহ উল্লেখ, আপনার সমস্ত গ্রেড/রেজাল্ট , আপনি সার্বিক বিচারে আপনার ক্লাসের টপ ১০% এ পড়েন কিনা জাতীয় তথ্যসহ এক নজরে একটা ছক আকারে দিয়ে দেবে। দুঃখের কথা হলো, এই ট্রান্সক্রিপ্ট জিনিসটা খায় না মাথায় দেয় সেইটা অনেক সরকারী ও বনেদী মেডিকেল কলেজ কিংবা বায়োলজি শিখানেওয়ালা বিশ্ববিদ্যালয় জানবেই না । জানলেও যা দেবে সেইটা আপনার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা চেয়েছে তার ধারে কাছে নাও থাকতে পারে। এত ডিটেইলস বেশির ভাগ সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়/মেডিকেল/ডেন্টাল দেয় না।
ঠেকায় পড়লে নিজেই বানিয়ে নিন। তারপর অফিসিয়াল প্যাডে প্রিন্ট করে অফিস থেকে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন ছিল ছাপ্পর, সাক্ষরসহ। খেয়াল রাখবেন, ওরা খোঁজ করলে এইদিকে কেউ যেন রেফারেন্স হিসেবে সত্যতা প্রমান দিতে পারে । কথা হলো, আপনার কাগজ আপনার বানানো হইলে সমস্যা নাই যতক্ষন পর্যন্ত আপনার সব কিছু অফিসিয়াল প্যাডে থাকে আর সংশ্লিষ্ট লোক জন জানে এই রকম একটা কিছু কোথাও পাঠানো হয়েছে । বলা যায় না, আল্লাহ করে তো আপনারটা দেখেই হয়ত ওরা নিজেদেরটা বদলে নেবে। আপনার ট্রান্সক্রিপ্ট যদি আপনাকেই বানাইতে হয় তাহলে সেইটার কয়েক কপি মেডিকেলের/ইউনির অফিসে দিয়ে রাখবেন।
খ) মোটিভেশন লেটার- আপনি কেন পড়তে চান, পড়িলে কি করিবেন, পাশ দিয়া আল্লাহর দুনিয়াতে কি কি বিপ্লব করিবার ইচ্ছা রাখেন সহ আরো অনেক কিছু উল্লেখ করে এই লেটার লিখতে হতে পারে । সুতরাং, আগে দেখে নিন যাকে পাঠাবেন সে কোন ফর্ম আগেই দিয়ে রেখেছে কিনা। অনেক সময় ফর্ম না থাকলেও আগের বছরের সাকসেস্ফুল কুতুবেরা কি লিখিয়াছিলেন তা দেওয়া থাকে। ঐ সব পড়ে জ্ঞানী হইয়া তারপর লিখেন। নিশ্চিত থাকেন যে এই লেটার আপনার গন্ডায় গন্ডায় পারমুটেশন কম্বিনেশন করে শ’খানেক লিখতেই হবে। এক একটা এক এক জায়গার ইউনির জন্য।
গ) আগের গবেষনা কিংবা কাজের অভিজ্ঞতার বর্ননা ( যদি প্রযোজ্য হয়) – এইটার সারাংশ থেকে শুরু করে কাকে কবে চোখ মেরেছিলেন জাতীয় ডিটেইলসসহ চাহ্নেওয়ালা লোকও এই দুনিয়ায় আছে। সুতরাং, যেখানে যা চায় যেভাবে চায় খেয়াল করে এইটার বর্ননা লিখুন এবং নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোল্ডারে সেভ করুন।কি নিয়ে গবেষনা করেছিলেন, কারো ফান্ড জিতেছিলেন কিনা, ডিজাইন থেকে কন্ডাক্ট ও রিপোর্ট রাইটিং পুরোটাই আপনার নিজের কুকাম কিনা এই সব উল্লেখ করতে হইতে পারে।
ঘ) রেকমেন্ডেশন লেটার- অনেক জায়গায় সাধারন কাগজে প্রিন্ট করে প্রফেসর , বস ইত্যাদির সাইন নিয়ে নিজে পাঠালেই চলে। তবে আজকাল বেশির ভাগ ইউনি নির্দিষ্ট ফর্ম দিয়ে দেয়। ওয়েব সাইট থেকে প্রিন্ট করে সেইটা যেই প্রফেসর কিংবা বস রেকমেন্ড করবেন তিনি নিজে পূরণ করবেন, সম্পূর্ন গোপনীয়তা রক্ষা করে সিল গালা মেরে তিনিই পাঠাবেন। মানে আপনার নিজের সেইখানে কিছু করার নাই। তবে, ইউনি তো আর এসে দেখে যাচ্ছে না। সুতরাং, ব্যস্ত প্রফেসরের পিছনে না ঘুরে যা করার করে নেন, তারপর তাকে ভালো করে দেখিয়ে সাইন করে অবশ্যই অবশ্যই অফিসিয়ালি , মানে অফিসের খামে , সিল সহ পাঠান।এই কান্ঠামিটা করতে বলতে খারাপ লাগছে কিন্তু ভুক্তভোগী হিসেবে জানি রেকমেন্ডেশনের মত একটা অতি জরুরী কাজ অনেক প্রফেসর হয় বোঝেনা, নয় করতে চায় না। এইসব ব্যাপারে লাক আর ব্যক্তির উপর নির্ভর করে সময়মত ভালো জিনিস পাবেন কিনা।
ঙ) ইংরেজী কিংবা মাতৃভাষা ভিন্ন অন্য ভাষার লেভেল – আগে দেখে নিন ভাষার ব্যাপারে ওরা কি চাচ্ছে। টোফেল, জি আর ই, আই ই এল টি এস ইত্যাদির গ্রেডিং এর পদ্ধতি ওদের নিজের । ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষার ব্যাপারে অফিসিয়াল সার্টিফিকেট (কোন অথরিটি থেকে পরীক্ষা দিয়ে পাওয়া) না থাকলে রিডিং, রাইটিং, স্পোকেন, লিসেনিং এই ভাবে ভাগ করে নিজেই গ্রেড দেওয়া লাগতে পারে । সেক্ষেত্রে দেখে নিন গ্রেডিং এর বর্ননা বা স্ট্যান্ডার্ড কোথাও ব্যাখ্যা করা আছে কিনা। আপনার নিজের লেভেল কোন গ্রেডের সাথে মেলে। গুগুল করলেই পাবেন।যেমন- বাংলা ইংরেজির বাইরে আমি হিন্দী কেবল বলতেই জানি, লিখতে পড়তে পারি না ইত্যাদি। বায়োলজির জন্য আলাদা জি আর ই আছে। বাংলাদেশ থেকে দেওয়া যায় কিনা জানি না। না গেলে জেনারেলটাই সই। উল্লেখ্য, জি আর ই পড়তে কয়েক মাস থেকে বছর খানেক সময় লেগে যেতে পারে । সুতরাং যেই মহান ভোরে বাইরে পড়তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিবেন, সেই দিন থেকেই কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়তে শুরু করে দিন।
চ) এর বাইরে কিছু কাগজ লাগলেও লাগতে পারে । সাধারনত লাগে না । যেমন- বার্থ সার্টিফিকেট যদি যেখানে জন্মাইছিলেন সেইখানে যাওয়া লাগে তো বিরাট ক্যাচাল। সিটিজেনশীপ (নাগরিকত্ব) এর সার্টিফিকেট লাগে না, লাগার কথা না কারন আপনার পাসপোর্ট প্রমান করে আপনি বাংলাদেশের নাগরিক। ম্যারেজ সার্টিফিকেট হইলো সবচেয়ে ঝামেলার।কাজীর অফিস থেকেই রেজিষ্ট্রির জন্য পাঠিয়ে দেবে। দায়িত্ব নিয়ে উঠানোর দায় আপনার। তারপর অবশ্যই ফরেন মিনিষ্ট্রি থেকে সত্যায়িত করে নিবেন। আল্লাহর রহমতে পরিচিত কেউ না থাকলে এইটা করতে বছর কাবার না হয়ে যায়, এইটা মনে রাইখেন। যারা শহীদ হইয়া বাইরে যাইতে চান ও বউ/স্বামী সাথে লইবেন ভাবেন, তারা বিবাহের পরে হানিমুন বাদ দিয়া আগে এই কাজটা করবেন। অনেকে দেখি পুলিশ ভেরিফিকেশন, এন ও সি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। এই সব লাগে ভাই মাইগ্রেশন করতে। পড়তে যাওয়ার জন্য এই সব লাগে না।
ছ) কাগজ পত্তর সব রেডি হয়ে গেলে সব কয়টার স্ক্যান করে পি ডি এফ বানায় সেভ করে রাখেন। আখেরে অনেক কাজে দিবে।
জ) যেই সব এক্সট্রা কারিকুলার কাজ, কর্ম, শখরে আমাগো আব্বা আম্মা কিংবা চাচা -মামারা পাত্তাই দেয় না , সেই সবের দাম বাইরে অনেক বেশি। বুকিশ পাব্লিক কেউ চায় না, পছন্দও করে না। স্কলারশীপ পাইতে হইলে যা যা করেন, করেছেন সেইটার একটা কাগুজে বা প্রমান করা যায় ডকুমেন্ট রাখতে পারলে ভালো। খেলা ধুলা, গান বাজনা , প্রতিযোগিতা তো আছেই, আপনি যদি ভলান্টিয়ার, অর্গানাইজার হোন তাইলে ছবি তুলেন, পত্রিকায় প্রকাশ হইলে কাইটা রাখেন, অন লাইন ম্যাগাজিন হইলে লিঙ্ক সেভ করেন, স্কুল কলেজের ওয়েব সাইট বা বই পত্তরে ছাপায়ে রাখেন। কখন যে কোনটা কাজে লাগবে, কিছুই বলা যায় না। টেরিফক্স রান, নিখিল বাংলাদেশ কুত্তা রক্ষা কমিটি, গাছপ্রেমী যাই হোন না কেন, আপনার সদস্যপদ সি ভিতে উল্লেখ কইরেন। তবে, আগে বুইঝা নিবেন কে কি চায়, আর কে কি একেবারেই চায় না।
সবার শেষে সবচেয়ে জরুরী জিনিস এপ্লিকেশন। ফর্ম সব কয়টা ইউনির ওয়েব সাইটেই পাবেন। আজকের দুনিয়াতে অন লাইন এপ্লিকেশন করা ডাল ভাত। অনেক ইউনিতেই এই ব্যবস্থা আছে। আবার অনেক ইউনি কমন একটা ওয়েব এপ্লিকেশন নেয়, আলাদা আলাদা করে করার দরকার হয় না। পূরণ করলে আপনাকে নাম্বার দেবে একটা পাসোয়ার্ড , একাউন্ট ইত্যাদি সহ। দরকার হইলে পরে ঢুকে আরো তথ্য যোগ করতে পারবেন। অনেক জায়গায় একাডেমিক কাগজ পত্র পি ডি এফ চায়। সেইগুলা আপ্লোডাইতে পারবেন। পাশাপাশি হার্ড কপি মেইল করে দিতে হবে। অবশ্যই রেজিস্ট্রি মেইল করবেন, অন লাইন ট্রাকিং করা যায় এমন জায়গা থেকে মেইল করবেন। এই সব মেইল হারানো গেলে জীবনটাই বিলা!
ভাই, ভুল করেও মূল কপির ফটোকপি নোটারি কিংবা বোর্ড, মিনিস্ট্রি এই সব জায়গায় সত্যায়িত করতে দৌড়াবেন না। মূলকপি সাথে থাকা মানেই এক সাথে দেখে যিনি দেখলেন তিনি নিজেই সত্যায়িত করে দিতে পারবেন। সেইটা এম্ব্যাসির লোক নিজেই হইতে পারে। সুতরাং, ভালোভাবে জেনে নিন সত্যি সত্যি ভেরিফিকেশন লাগবে কিনা। কেউ মাতবরি করতে চাইলে ভদ্র কিন্তু শক্ত ভাষায় চ্যালেঞ্জ করুন। কাগজ পত্র রেডি? এইবার তাহলে , পাঠানোর পালা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, বিদেশ, স্কলারশীপ, আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি, আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাগ ইমন বলেছেন:
টেস্ট
লেখক বলেছেন: 
বিপ্লব কান্তি বলেছেন:
অন্য কেউ এ নিয়মে কিছু করায় বারন কেনো ?
লেখক বলেছেন: কোন বারন নাই। এডিট করে দিলাম ।
লেখক বলেছেন: দুনিয়ার সবচে বেশি স্কলারশীপ বেবায়োলজিদের জন্যই । আপনাকে অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । কারো কাজে লাগ্লেই এই পোস্ট সার্থক।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আফা, এইচ.এস.সি.'র পর বায়োলজী মুখো হইনাই আর ! আমার কি তাইলে উচ্চশিক্ষা নেওন হইলো না !!!!! লেখক বলেছেন: তুমি তো অলরেডি তালগাছে ! আর কত ?
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আপনি কৈ যাচ্ছেন ?
লেখক বলেছেন: দেখি আল্লাহ কই নেয় !
লেখক বলেছেন: তাইলে ভাই বেরাদর অন্য কারো কাজে লাগবে হয়ত ।
প্রিন্ট করিয়া বিলি করিতে পারেন ।
ডিএইচ৫০০ বলেছেন:
ডাক্তারদের কি স্কলারশিপের সুবিধা বেশী না কম?
লেখক বলেছেন: ক্লিনিকাল সাব্জেক্টে নাই।
নন ক্লিনিকাল সাব্জেক্টে খুবই সামান্য । মাইক্রোস্কোপ দিয়ে সারা বছর লেগে থাকলে গুগুল মামা সদয় হলে পাইতেও পারেন।
বায়োকেমিস্ট্রি, ফার্মা, সেলুলার বায়োলজি , মলিকিউলার বায়োলিজি, জেনেটিক্স, বায়ো টেকনোলজি, বায়ো ফিজিক্স , ম্যাথেমেটিকাল বায়োলজির এখন জয় জয়কার ।
পরের পর্বটা পড়ে দেখতে পারেন।
অক্টোপাস বলেছেন:
অনেক কষ্ট করে পাওয়া মূল্যবান তথ্যগুলো আবারো কষ্ট করে লিখে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। রেটিং দেয়ার অনুমতি পেলে 'সুপার প্লাস' দিতাম!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । কাজে লাগলে আমি সার্থক। জীবনের একটা বছর নষ্ট হইলো শুধু কেমনে কি বুঝতে
টোনা বলেছেন:
"আর শেষ কথা হলো, আপনার পড়ালেখাতে যদি বায়োলজি বিষয়টা না থাকে তো এই সব স্কলারশীপ আপনার জন্য নয়, "এই কথাটা বুঝলাম না .. আমি কম্পিউটার সাইন্স , তবে বায়োইনফরমেটিক্স এ পড়শোনা করার স্কোপ আছে , আমি কি এর মধ্যে পড়ি ??
লেখক বলেছেন: তার আগে বলো বায়ো ইনফরমেটিক্স কি আসলে সাধারন বায়োতে পড়ে ?
যতদুর বুঝি ঐটা ম্যথ, কম্পিউটার মডেলিং এর ব্যাপার স্যাপার । বাইরের দেশ আর বাংলাদেশ এক না টোনা , সবাই সব কিছু পড়তে পারে । যার যেখানে ঘাটতি থাকে , সে সেইটার কোর্স করে নেয় ।
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে , যদি ব্যাচেলর লেভেলে কেউ ডাক্তারী বা বায়োকেমিস্ট্রি, মাইক্রোবায়োলজি জাতীয় সাব্জেক্ট পড়ে তাদের সম্ভাবনার দিকে বেশি জোর দিতে চেয়েছি আমি । বিশেষ করে যারা ডাক্তার । কারন বিদেশী স্কলারশীপের ব্যাপারে ডাক্তাররা হইলো ফাত্রা আত্রাফ। কেউ একটা ফুটা পয়সাও দিবে না ।
বুয়েটিয়ান্দের জন্য সারা পৃথিবী খোলা । সো, নো চিন্তা , ডু ফুর্তি ।
বায়োইনফরমেটিক্সে প্রচুর স্কলারশীপ পাবা।
টোনা বলেছেন:
অশেষ ধন্যবাদ আপু .. আমার এমনিতেও কোনো চিন্তা নাই .. আমারে কেউ নিবে না .. তারপরও ফাঁকেতালে কুনু জায়গায় যাইতে পারলে হয় .. দেখি কপালে কি আছে !!!
লেখক বলেছেন: হা হা হা, মজা করো না?
তোমারে নিবে নাত কারে নিবে?
টোনা বলেছেন:
আপু , একটা কথা বলবো .. ইয়ে ... মানে ... কিভাবে বলবো বুঝতে পারছি না .......
প্লিজ আপু ...........
লেখক বলেছেন: ওলে বাবা, টোনা দেখি ভীষন কিউট ( লেজটাও)
ব্যাপার না ভাই, ভুল বুঝাবুঝি হইতেই পারে ।
আর আমার এক প্রফেসরের বানী আমি সব সময় মনে রাখি,
" তুমি যা বলবা মানুষ তার ৫০% বুঝবে না , আর বাকি ৫০% যা বলতে চাইছো তার ঠিক উলটাটা বুঝবে।"
ব্যটা যে কত্ত বড় জ্ঞানী, সেইটা এই ব্লগে অহরহ টের পাই আর হাসি ।
লেখক বলেছেন: শুধু হাসি দিলা ? কিছু কইবা না ?
টোনা বলেছেন:
আসলেই আপনের কথা না বুইঝা বেশী লাফানো হইসে .. আমিও লাফানির মুডে আছিলাম .. আসলে আমিও এতো গাধা !!!
লেখক বলেছেন: বাদ দাও না ভাই, আমি নিজেও তো অনেক কিছুর উপর বিরক্ত হয়েছিলাম । নইলে এই লেখাটা দেওয়ার জন্যই ঐদিন ব্লগে ঢুকেছিলাম । অন্যকিছু লেখার ইচ্ছা ছিলো না ।
এখন এই প্রসঙ্গ না হয় থাক ? চলো ব্যাপারটা ভুলে যাই আপাতত ।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
খুবই উপকারী পোস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ। একটা প্রশ্ন ছিলো, ইংরেজী বাদে এমন কি কি ভাষা আছে যা শিখলে স্কলারশিপ পেতে সুবিধা হয়? কিংবা টাকা-পয়সা একটু কম লাগে । লেখক বলেছেন: স্কলারশীপ পাইতে ভাষা জানা থাকতে হবে , এই রকম তো পাই নাই , আর থাকলেও আমি জানি না আসলে । তবে যেই দেশে যাচ্ছেন , সেই দেশের ভাষা জানা থাকলে অবশ্যই লাভ । তার উপর যেই ভাষা জানবেন , সেই ভাষার কোর্স নিতে পারবেন । ইংরেজিতে সব কোর্স নাও পেতে পারেন । ভাষা জনিত সমস্যা বা বাধ্যবাধকতা আসলে ডাক্তারীতে আছে , অন্য কোন সাব্জেক্টে মনে হয় নাই ।
ডাক্তার, নার্স , এদের লোকাল ভাষা জানা বাধ্যতামূলক।
তবে , ইউ এন , ইউনিসেফ ইত্যাদি সহ বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট /এন জি ওদের স্কলারশীপে ভাষা জানা থাকলে অনেক ভালো ভালো ফেল্পশীপ পাবেন ।
পুরোটাই নির্ভর করছে আপনি কোথায় যাচ্ছেন তার উপর । পাবলিক হেলথ, ডেভেলপমেন্ট সেক্টরের বেশির ভাগ ফেলোশীপ এবং ফান্ড এখন যেমন আফ্রিকা , সেন্ট্রাল এশিয়ার দিকে বেশি।
আপনার ব্যাচেলরের সাবজেক্ট জানলে উত্তর দিতে সুবিধা হত ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বাইরের ছাত্রদের জন্য ইউরোপে স্কলারশীপ পাবার সবচেয়ে বেস্ট সাইট হলো: Click This Link এখানে আই ইএলটিএসে ভালো মার্কস থাকলে অনেক গুলো পাওয়া যায়, তবে কিছুক্ষেত্রে জার্নাল পেপার থাকতেই হবে সাথে গ্রেডিং!আর জার্মানীর কয়েকটি ইউনি বাদে খুব কম ইউনি আছে (ইউরোপের মূলত) যারা এ্যাম্বাসী থেকে নোটারী করাতে বলে। নোটারী পাবলিক দিয়ে নোটারী করালেও সেটা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড এক্সেপ্টেড। আর খুব কম খরচে এটা করার জন্য প্রেসক্লাবের সামনে অনেক গুলো কপি নিয়ে গেলে পার পেজ ৫ থেকে ৬ টাকার মধ্যে করানো সম্ভব!
আর ইউরোপের একটা সুবিধা হলো ঐখানে সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান স্কলারশীপ না পেলেও ঐখানে ভার্সিটি থেকে ফান্ডিং দেয়া হয়। আবার পিএইচডি করলে তাকে উল্টা ইউরো দেয়া হয় তবে পিএইচডিতে চান্স পেতে গেলে অবশ্যই মাস্টারসে ঐ প্যানেলের মনপুত হতে হয় তাবে এটা দেশ টু দেশ ভ্যারী করে। আর জার্মানীতে ডাডস, ইউনি এ্যাসিস্ট, ফিনল্যান্ডের টিকেকে স হ আরো অনেক গুলো সাইটেই দেখা যাবে ইন্ডিভিজ্যুয়াল ভার্সিটির নিজস্ব স্কলারশীপে এ্যাপ্লাই করার সুযোগ দেয়!
আর কানাডায় স্কলারশীপ পাওয়া একটু স হজ, কারন ঐখানে মাস্টারস দু ধরনের। একটা শিক্ষকতা টাইপ আরেকটা হলো এ্যাপ্লাইড টাইপ। শিক্ষকতা টাইপ হলে ফান্ডিং এর খুব একটা সমস্যা হয় না তবে অপারেশনাল বা এমইন্জ্ঞ টাইপ হলে ফান্ডিং পাওয়াটা বেশ মুশকিল। আর ভর্তি হবার আগে যদি স্যার কে কনভিন্স করানো যায় তাহলে ডিসকাউন্ট অথবা ফুম ফ্রীতে পড়া ব্যাপারস না! সেই ক্ষেত্রে রেজাল্ট ও তেমন ইস্যু না যদি প্রফেসরের সেরম হ্যাডম থাকে! এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশী প্রফেসর টার্গেট না করে আমার অভিজ্ঞতা অনুসারে কলকাতার বাঙ্গালী অথবা ইরানী অথবা ইন্ডিয়ান হলে একটু সহজ হয়!
তবে আমার এখানকার সব তথ্যই হলো টেকনিক্যাল সাইডে! নন টেকনিক্যাল সাইডে বয়াপার গুলো ডিফার করবে!
লেখক বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ । ইঞ্জিনিয়ারদের স্কলারশীপ নিয়ে আমার কোন ধারনা নাই।
আমার পোস্ট মূলত ডাক্তার , নার্স , ফিজিওথেরাপিস্ট দের জন্য । বটানি, জুওলজি, বায়োফিজিক্স/কেমিস্ট্রি/ মাইক্রোবায়োদের কাজে লাগ্লেও লাগতে পারে ।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
@লেখক- আমি আসলে টেকনিক্যাল লাইনের ছাত্র। কম্পিউটার সায়েন্স।
লেখক বলেছেন: ওহ, তাহলে ব্লগে আরো অন্য মানুষ আছে যারা বেশি সাহায্য করতে পারবেন হয়ত ।
কাব্য বলেছেন:
বায়োলজির কিচ্চু পারতাম না।এস.এস.সি তে কুনোমতে লেটার পাইছিলাম
তারপর ঐ সাবজেক্টের দিকে আর ঘুর্নাক্ষরেও পা বাড়াই নাই
লেখক বলেছেন: যার যেইটা ভালো লাগে !
এখন আমার প্রশ্ন হলো সত্যি কি লিমিটেড? কেউ কি জানেন? হলে কতদিন সেটা?
টেনশনে আছি, সব সার্টিফিকেট ইয়া বড় বড় সিল মেরে ফালফালা করে দিয়েছে...
লেখক বলেছেন: মূল সার্টিফিকেট ?
আবার তুলে নেন ভাই। মূল কপিতে কোন রকম সিল, এটেস্টেট করতে নাই।
আরেকটা কথা, ভুলেও ল্যামিনেট করবেন না
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পোস্টের টাইটেলে জনগুরুত্বপূর্ণ পোস্ট বোল্ড কইরা লেখা উচিত ছিল।
লেখক বলেছেন: উত্তম প্রস্তাব !
কিন্তু জনগনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে না হইলে?
জাহিদ আহমেদ বলেছেন:
রাশিয়ার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
সিপন মাহমুদ বলেছেন:
উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য ছাড়া চাকুরীর অভীজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাইরে যেতে চাইলে কিভাবে তা সম্ভব? জানা থাকলে লিখে জানালে কৃতার্থ হবো।
লেখক বলেছেন: ভাই, আমি তো এই সব নিয়ে পড়ালেখা করি না, সুতরাং আমি হয়ত এই লাইনে সাহায্য করতে পারবো না। তারপরেও, আপনি যদি ডাক্তার হোন, আমি সামান্য তথ্য আপনাকে দিতে পারি। অন্য কোন পেশা হলে পারবো না।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। কাজে লাগলেই আমি খুশি।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক দোয়া করি যে কাজে লাগুক।ঃ)
লেখক বলেছেন: া হা হা হা হা হা , গুড জোক।
স্মরন বলেছেন:
ঐ কাম তো প্রায় শেষের দিকে, এবার চাকরির কথা কন বইনডি !!!
লেখক বলেছেন: কোন লাইনের চাকুরী? কিসে মাস্টার্স করলেন?
নীরা.. বলেছেন:
++
অদীত বলেছেন:
ভাই সুপার প্লাস
কথা কম বলেছেন:
+
সামাউন খালিদ কলিন্স বলেছেন:
আমি সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল এ পড়ছি। আগামী বছর ইন্টার্নী শুরু হবে। ক্লিনিক্যাল লাইনে আমার আগ্রহ তেমন একটা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফসহ বিশ্বমানের এনজিওগুলোর প্রতি আমার আগ্রহ অনেক বেশী। অর্থাৎ পাবলিক হেলথ এ পড়াশোনা করতে চাই। আমার ফ্যামিলি টাকা পয়সার ব্যাপারে খুব বেশী সাহায্য আমাকে করতে পারবেনা। সেকারনেই স্কলারশীপের দিকে আমার আগ্রহ। কবে থেকে এ ব্যাপারে কাজ শুরু করতে হবে?? কোন কোন দেশে আমি কি রকমের স্কলারশীপ পেতে পারি জানাবেন প্লিজ। আর আপনি কি পেশায় ডাক্তার?? আমি ডাক্তারদের ব্যাপারে এধরনের কোনো পোস্ট আর কোথাও পেলাম না। সো, আপনি যা বলবেন সে অনুযায়ী কাজ করতে চাই। জানাবেন....
হাবিবুর রহমান তারেক বলেছেন:
ভালো একটি পোষ্ট। অনেক শিক্ষার্থীর কাজে আসবে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















