আমার প্রিয় পোস্ট

পরিবর্তনের জন্য লেখালেখি

কিছু প্রিয় ভিডিও , পুরো ডকুমেন্টারি আকারে দিতে পারলে ভালো লাগতো

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

শেয়ারঃ
0 5 0

" জিয়াকে (জিয়াউর রহমান) আস্তাকুঁড় থেকে তুলে এনে তাকে দিয়েছিলাম শ্রেষ্ঠ সম্মান , সে আস্তাকুঁড়েই ফিরে গেছে।"



"সর্বশেষে ট্রাইবুনাল আমার মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করে বেত্রাহত কুকুরের মত তাড়াহুড়া করে বিচারকক্ষ ত্যাগ করলো।"
" আমার কান্না এজন্য যে একজন বাঙ্গালী আপনার ফাঁসির আদেশ দিতে পারলো!"

" এই দেশদ্রোহীদের কাছে আমি প্রাণ ভিক্ষা চাইতে পারি না।"
" বিশ্বাসঘাতক ও চক্রান্তকারী জিয়া (জিয়াউর রহমান) দেশবাসীর সামনে আমাকে হেয় করার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে । "



" জেল গেটের ভিতরে তাবু গেড়ে সশস্ত্র বাহিনীর লোক মেশিন গান বসিয়ে পাহারা দিত, মেশিন গানের মুখ থাকতো জেলের ভিতরের বন্দীদের দিকে। এই সশস্ত্র বাহিনীর লোকেরা জেলের বন্দীদের সাথে উর্দুতে কথা বলতো (সাল ১৯৭৬, স্বাধীনতার ৫ বছর ও বঙ্গবন্ধু হত্যার ১ বছর পর) "

" বৃটিশের শাসিত ও বৃটিশের প্রকল্পিত সেনাবাহিনী নয় , একটু গনমুখী সেনাবাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীকে দেখতে চেয়েছিলেন। এটিই কর্নেল তাহেরের অপরাধ, আর কিছু নয়"



"এমনই একজন অকুতোভয় যে ফাঁসির দিন ব্লাড প্রেশার মাপতে গেলে দেখা যায় তার ব্লাড প্রেশার সম্পূর্ণ নরমাল।"

" ডাক্তার , আমি একজন যোদ্ধা , আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা , ১৯৭১ এই আমার মৃত্যু হয়ে গেছে।"

" আমি আমার পেশাগত জীবনে গত ১০০ বছরে বিশ্বের কোথাও , এক কর্নেল তাহেরের হত্যাকান্ড ছাড়া , একজন পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদন্ডের আদেশ খুঁজে পাইনি।"



" বঙ্গবন্ধু কিলিং এর পর কেউ বলে ১৭, কেউ বলে ২২ টি অভ্যুত্থান ঘটে । আসলে এগুলোর অধিকাংশই সাজানো ।"

"সেনাবাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী , জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী কোন বন্দী সেনা সদস্যকে এক্টিভ সার্ভিসে ফিরিয়ে নেওয়া হয় না যেটা এই বাংলাদেশে হয়েছে ।"

"পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা রিপ্যাট্রিয়টদের সংখ্যাই ছিলো বেশি । মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের সংখ্যা ছিলো নগন্য। সেনাবাহিনীর ভালো ভালো পোস্টগুলা তাদের হাতে যায়। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ২ বছরের সিনিয়ারিটি দেওয়ায় একই কোর্সে পাশ করা রিপ্যাট্রিয়ট অফিসারদেরকে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের স্যালুট করতে হচ্ছিলো । সেইটা তারা ভালোভাবে নেয়নি। ফলে প্রকাশ্যেই "মুক্তিযোদ্ধা অফিসার" ও " রিপ্যাট্রিয়ট অফিসার" - সেনাবাহিনীতে দুটি বিপরীত্মুখী দলের সৃষ্টি হয় । এবং রিপ্যাট্রিয়ট অফিসাররা ব্লু প্রিন্ট বানায় সেনা বাহিনী থেকে যেভাবেই হোক মুক্তযোদ্ধাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার । এতে সহযোগিতা করে পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স আই এস আই। "

" বঙ্গবন্ধুর কিলিং এর পরে জিয়াউর রহমানের কিছু পলিসির কারনে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারেরা ক্ষেপে যায়। রিনাউন্ড রাজাকার যে কিনা জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ভাষন দিয়ে এসেছে , জিয়া তাকে বানায় প্রধানমন্ত্রী । জয়পুরহাটে ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী আব্দুল আলিমকে বানায় মন্ত্রী । মুকুল কমান্ডারের মত রাজাকারকে বানায় মন্ত্রী। পাকিস্তানের দালাল মসিউরকে বানায় সিনিয়ার মন্ত্রী । মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে এরশাদের মত কুলাঙ্গার যে মুক্তিযুদ্ধে যোগ না দিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষে যোগ দেওয়া এরশাদকে বানায় আর্মির সেনাপ্রধান । ক্লাস্মেট ফ্রেন্ড বলে চৌধুরীকে বানায় ডি জিএফ আই ( তিন বাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগ) এর প্রধান। "

" মুক্তিযোদ্ধাদের এলিমিনেশনের জন্য তাই নাটক সাজাইতে থাকে"।



"ভাগ্য আমার ভালো আমার কোর্ট মার্শাল ছিলো একটা টেস্ট কেস যে বাইরের লইয়ার রাখতে দিলে কি হয় সেইটা স্টাডি করার জন্য । "
"যেমন ১৯৭৭ এ জাপানী প্লেন হাইজ্যাক করে সিপাহী বিপ্লবের নাটক সাজানো হয় যাতে সেনাবাহিনীর ভিতরে থেকে কোন বিপ্লবী জার্ম আছে কিনা , মুক্তিযোদ্ধাদের এলিমিনেশনের প্রসেসের অংশ হিসেবে ।"

" তোমার নাম কি? বাপের নাম কি? ইউনিট কত? যাও তোমার ফাঁসি।"

" সব ক্যুতে দেখা যায় শুধু মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদেরই ফাঁসি হয় আর চাকরী চলে যায় , কিন্তু একটাও রিপ্যাট্রিয়ট অফিসারের ও ফাঁসি হয় না , চাকরী চলে যায় না।"

" চিটাগাঙের ঘটনায় (জিয়াউর রহমান হত্যা) তো বহু রিপ্যাট্রিয়ট অফিসার পোস্টিং ছিলো , কারো তো চাকরী গেলো না । কারো তো ফাঁসি হলো না । হলো কাদের? মুক্তিযোদ্ধাদের ।"

" বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত যত ক্যু / অভ্যুত্থান হয়েছে , ইনক্লুডিং বঙ্গবন্ধুর কিলিং , তার সবগুলাই পূর্ব পরিকল্পিত এবং সব গুলার ভিক্টিম হলো মুক্তিযোদ্ধারা।




---------------------------------------------

এই ভিডিও গুলি দেখার পরে আর বেশি কিছু বলা লাগে না । আপনারা নিজেরাই তো বুঝতে পারছেন যে এই সমস্ত তথাকথিত "ক্যু " এর নামে বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা বাহিনী থেকে মুক্তিযোদ্ধা দেশপ্রেমিক অফিসারদের সম্পূর্ন নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার যে ঘটনা গুলো ঘটেছে , শাস্তির নামে যত গণহত্যা হয়েছে সেই সবগুলা ঘটনার তদন্ত দরকার । সমস্ত সত্য প্রকাশ করা দরকার ।
-----------------------------------------------

আমার মনে অনেক দিন ধরে একটা প্রশ্ন ছিলো যে গোলাম আযমের মত স্বঘোষিত পাকিস্তান প্রেমী , বাংলাদেশ বিদ্বেষী , যুদ্ধাপরাধীর ছেলে কি করে বাংলাদেশকে রক্ষা করবে যেই বাহিনী , সেই সেনাবাহিনীতে চান্স পায়?

এর উত্তর মনে হয় আপনারাও এখন জানেন । কারণ পাকিস্তান থেকে যেই সব সেনা অফিসার রিপ্যাট্রিয়ট হয়ে এসেছিলো , জেনেভা কনভেনশনের সমস্ত নিয়ম ভঙ্গ করে তাদের আবার সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেওয়া হয় । ( জেনেভা কেন দিতে মানা করে এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন!) এরাই মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে মোটামুটি মুক্তিযোদ্ধা মুক্ত করেছে । যে কয়টা প্রাণে বেঁচে গেছে , তারা কিছু করার ক্ষমতা রাখে না । গো আর ছেলেকে সেনাবাহিনীতে ঢুকানোর কৃতিত্বও এদের । একটু মনে করিয়ে দেই , কর্নেল তাহের , মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ১১ এর কমান্ডার, কে বিচারের নামে হত্যার সময় যে সমস্ত সেনাবাহিনীর লোক জেল খানা পাহারা দিত , তারা উর্দুতে কথা বলতো । সালটা ১৯৭৬ । দেশটা বাংলাদেশ ।
-------------------------------------------

অনেক দিন গেছে । আমি কষ্টে দুমড়ে মুচড়ে গেছি। বার বার ভেবেছি , বাংলাদেশের কপালে এমন শনির দশা কেন? কেন বাংলাদেশে এত অশান্তি ? কেন বার বার দিন বদলের স্বপ্ন কেবল রাতের পায়ে থুবড়ে পড়ে ?

আজকে আমি জানি কেন । শত শত মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার বিচার আমরা করিনি । তাদের রক্ত হাড় চুষে খেয়ে চলেছি শুধু। তাদের বিধবা স্ত্রীদের কান্না , তাদের অকালে এতিম সন্তানের বুক ভাঙা কষ্টের প্রতি ফোটায় আমাদের গায়ে অভিশাপ লেগেছে ।

যতদিন না যুদ্ধাপরাধের বিচার হচ্ছে , যতদিন না মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার বিচার হচ্ছে , ততদিন বাংলাদেশ শান্তি পাবে না । আমরা শান্তি পাব না । এ পাপ মোচন হবে না !




----------------------
আপলোডারদের ধন্যবাদ , ইউটিউব ধন্যবাদ ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশমাতৃভূমিমুক্তিযুদ্ধরাজাকারসেনাবাহিনীক্যুঅভ্যুত্থানগণহত্যাকর্নেল তাহেরআনোয়ার কবিরসামরিক বাহিনী(১৯৭৭-১৯৮১) ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩০
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।তাহেরে ভিডিও আর সাথে আরো কিছু ডকু আমিও জোগার করতেছিলাম নভেম্বরের জন্য,

যাক সুন্দর ভাবে উপস্থাপনের জনয অসংখ্য ধন্যবাদ।প্রিয়তে
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আনোয়ার কবিরের করা পুরো ডকুমেন্টরিটা কেউ আপ্লোড করতে পারেন?

এইটা আসলে সকল মানুষের দেখা দরকার ।

আপনাকেও ধন্যবাদ । তাহেরের হত্যাকান্ডের ( এটাকে হত্যাকান্ডই বলবো) মামলার নথিপত্র প্রকাশ হওয়া দরকার ।

৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
ইউনুস খান বলেছেন: ধন্যবাদ সাথে প্লাস।
কর্ণেল তাহেরের নথিপত্র প্রকাশ হওয়া দরকার।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: অবশ্যই

৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
প্রদীপ কুমার রায় বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।

৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অনেক আগে একবার বলছিলাম, আমাদের দেশে পাকিস্তানী ভূত সবচাইতে বেশি যে প্রতিষ্ঠানে সেটা হলো সেনাবাহিনী। অনেকেই আমার সে কথা প্রোটেস্ট করছে সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমের ধোয়া তুলে। আমি বলি নাই যে পুরো সেনাবাহিনীর সবাই কালপ্রিট। অধিকাংশ সৈনিক আর অফিসার দেশপ্রেমিক হলেও লিডিং অফিসাররাই কালপ্রিট বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।(ডিফেন্সের মোটামুটি সবাই জানে, মেজর হবার পরের সব প্রমোশন পলিটিকাল, সিনিয়রিটি অথবা দক্ষতা না) আর সেনাবাহিনী যেহেতু ডিসিপ্লিন্ড ফোর্স, কালপ্রিটদের আন্ডারে থাকা ভালো সেনারা কালপ্রিটদের অর্ডার মেনে চলতে বাধ্য। শেষ পর্যন্ত একটা জবাবদিহিতাহীন অমেরুদন্ডী সেনাবাহিনী রয়ে যায় আমাদের দেশের জন্য, যারা নির্দ্বিধায় মানুষ মারতে এক্সপার্ট--শান্তিতে, সমরে নয়।

স্বাধীনতার পর থেকে সেনাবাহিনীর সব অপরাধের বিচার হওয়া প্রয়োজন, প্রয়োজন সকল প্রকার ইনডেমনিটি বাতিল করা। তাহেরের মতো রথী-মহারথীর পাশাপাশি ক্লিন হার্টে সিভিলিয়ান হত্যার বিচারও হতে হবে। তাদের দেখিয়ে দেয়া প্রসেসে আজকে র‌্যাবও ক্রসফায়ার শুরু করছে, শুধুমাত্র নামের মিল থাকার কারণে মরতে হচ্ছে নির্দোষদের। জন্মই আমাদের আজন্ম পাপ...
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতার পর থেকে সেনাবাহিনীর সব অপরাধের বিচার হওয়া প্রয়োজন, প্রয়োজন সকল প্রকার ইনডেমনিটি বাতিল করা। তাহেরের মতো রথী-মহারথীর পাশাপাশি ক্লিন হার্টে সিভিলিয়ান হত্যার বিচারও হতে হবে। তাদের দেখিয়ে দেয়া প্রসেসে আজকে র‌্যাবও ক্রসফায়ার শুরু করছে, শুধুমাত্র নামের মিল থাকার কারণে মরতে হচ্ছে নির্দোষদের। ---- সহমত


জন্মই আমাদের আজন্ম পাপ...---- না। বিচার না করে সহ্য করে যাওয়াটা পাপ , আমাদের পাপ।

৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
লুকার বলেছেন:

কিন্তু জিয়া তো মুক্তিযোদ্ধা ছিল, তাহলে সে কেন পাকিস্তানপ্রেমীদের পুণর্বাসন করল, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করল? আসলেই কি জিয়া মনে প্রাণে মুক্তিযোদ্ধা ছিল?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: অনেকেই বলেন জিয়া আসলে কালুর ঘাট এর দিকে যাচ্ছিলো পাকিস্তান বাহিনীকে সাপোর্ট দিতে । পরে , পথিমধ্যে দাবা উলটে যায় । জিয়া পাকিস্তান বাহিনীর ইনফিল্ট্রেটর হিসেবে সুযোগের অপেক্ষায় রয়ে যায় । পরে সেই সুযোগ এলে পুরোমাত্রায় কাজে লাগায় ।

বাংলাদেশের সব কয়টা বাহিনী এবং সরকার যন্ত্রে প্রচুর গুপ্তচর ছিলো । পাকিস্তানী গুপ্তচর তো বটেই , আমেরিকান গুপ্তচরও ছিলো । বাংলাদেশের প্রতি জিয়ার আদৌ প্রেম ছিলো না আত্মপ্রেমটাই বেশি ছিলো , এই গুলা প্রশ্ন থাকতে পারে । কিন্তু জিয়া যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পাশাপাশি জামাত ও রাজাকারদের লালন, পালন ও পুনর্বাসন করে গেছে , এই ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নাই ।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ভাষন দেওয়া লোককে জিয়া প্রধানমন্ত্রী করেছিলো , জিয়া কেমন করে মনে প্রাণে মুক্তিযোদ্ধা হয় ?

আমার নিজের মতে জিয়া মুক্তিযোদ্ধার মুখোশধারী পাক-আমেরিকান গুপ্তচর ।

৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: এই কমেন্টটা মুছিতব্য।

এই পোস্টের শিরোনাম দেখে বুঝার উপায় নাই ম্যাটেরিয়ালস এরকম। তাই অনুগ্রহ করছি পাল্টে দেবার। তাতে ফেসবুকে শেয়ার করতে সুবিধা হবে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: কি দেব শিরোণাম ?

৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
জলদাস পাঠক বলেছেন: আহা রাগ বহুদিন পর আইসেন একটু কোলাকুলি করি। অন্তরালের আধিঁ ফুটিয়া ওঠিয়াছে অত্র লেখাটায় ধন্যবাদ না দিয়া পারিতেছি না। আর স্তব্ধ হইয়া যাইতেছি। আহা পুরা দেশটা আগুন জ্বালাইয়া পোড়াইয়া যদি আবার শুরু করা যাইত। রন্দ্রে রন্দ্রে রাজাকার। এরা এদেশে বাস করিতেছে সেই প্রতিশোধ বুকে ধারণ করিয়া। তীব্র গতিতে ভাইরাস ছড়াইয়া যাইতেছে। মাগো দেশটাতো সেনারাই চালাইতেছে। ওখানেই তো ভেজাল রাক্ষসগণ আজিও রহিয়া গিয়াছে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: কিছুই বুঝলাম না ।

মানে?

৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
লাল দরজা বলেছেন: ভিিডও দেখছি, এ মুহুর্তে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। ধন্যবাদ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্বাদ , এখন একটা নাম দেন। আমি শিরোনাম খুইজা পাইনা।

১১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ +

ভিডিও গুলো দেখে মন্তব্য করবো ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা

১২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭
মুরুববী বলেছেন: কর্ণেল তাহেরের নথিপত্র প্রকাশ হওয়া দরকার
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: এমনি ত বের করবে না । টাইনা বের করতে হবে আমাদেরকেই ।

১৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩১
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: স্যালুট টু কমরেড কর্নেল তাহের।

ইমন, আপনি কি শাহাদুজ্জামান এর ক্রাচের কর্নেল পড়েছেন?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ডাক্তার ও লেখক জামান ভাই?

নাহ, বইটা পড়িনি।

১৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: ভাঙা পেন্সিল চমৎকার কমেণ্ট করছে ।

ভিডিও গুলা হলে হলে/জনে জনে ছড়ান দরকার । সবার স্পিড এত ভাল না । রাজনৈতিক ভিডীও কেউ নামাতেও চায় না ।
আজকে আমি জানি কেন । শত শত মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার বিচার আমরা করিনি । তাদের রক্ত হাড় চুষে খেয়ে চলেছি শুধু। তাদের বিধবা স্ত্রীদের কান্না , তাদের অকালে এতিম সন্তানের বুক ভাঙা কষ্টের প্রতি ফোটায় আমাদের গায়ে অভিশাপ লেগেছে ।

যতদিন না যুদ্ধাপরাধের বিচার হচ্ছে , যতদিন না মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার বিচার হচ্ছে , ততদিন বাংলাদেশ শান্তি পাবে না । আমরা শান্তি পাব না । এ পাপ মোচন হবে না !

সহমত । আমিও প্রায় ই বলতাম । আমাদের ইতিহাস নিয়ে টানা হেচড়া হয় । আমাদের রইল টা কি?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: আনোয়ার কবিরের ডকুমেন্টারীটা প্রদর্শনের ব্যবস্থা কেউ নিতে পারবে না?

১৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৩
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
হ্যাঁ, ডাক্তার।
বইটা কর্নেল তাহেরকে নিয়ে একটা ঐতিহাসিক উপন্যাস এবং খুব্বি ভালো। আশা রাখছি পড়বেন। সবখানে পাওয়া যায়।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা পড়বো।

১৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৭
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন: আমি আগেই জানতাম, জেনেছি। ভিডিওগুলো দেখবার পারি নাই। প্রিয়তে নিলাম পরে দেখে নেব।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

১৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৮
প্রদীপ কুমার রায় বলেছেন: আগামী ৭ই নভেম্বর ২০০৯, তারিখে ডকুমেন্টারীটা দেখানোর ব্যবস্থা করা যায় কিনা, তা নিয়ে কর্ণেল তাহের সংসদ ও আনোয়ার কবিরের সাথে আলাপ-আলোচনা করা যেতে পারে। আলাপ-আলোচনার দায়িত্ব আপাতত আমিই নিচ্ছি। আপনারা কেউ আগ্রহী হলে আরো ভাল হয়। যদি ডকুমেন্টারীটা দেখানো যায়, তাহলে আপনাদের অবশ্যই আমন্ত্রণ জানানো হবে।
আবারো ধন্যবাদ সবাইকে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: খুবই ভালো উদ্যোগ । মনে প্রাণে দোয়া করি এই উদ্যোগ সফল হোক ।

পাবলিকলি দেখানো খুবই দরকার , খুউব ।

১৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:০২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: লেখক বলেছেন:

কিন্তু জিয়া যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পাশাপাশি জামাত ও রাজাকারদের লালন, পালন ও পুনর্বাসন করে গেছে , এই ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নাই ।
===============

মুজিবকে যদি জিয়া হত্যা করে থাকে এব; আপনার কোনই সন্দেহ না থাকে তবে হাসিনার সাথে যোগাযোগ করে জিয়াকে আসামি করা হোক|

আর রাজাকার পুনর্বাসনের ব্যাপারে একটু বলি:

রাজাকারদের রাজনীতি শুধু নয়, সাথে জিয়া শেখ হাসিনাকে দেশে এসে রাজনীতি করার অনুমতি দিয়েছিলেন| এটা স্বীকার করলে জাত যাবে না.....!!! অবশ্য "র" য়ের ট্রেনি; পাওয়া হাসিনা দেশে পা দেয়ার ১ সপ্তাহের মধ্যে আরেক "র" প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এরশাদ জিয়াকে খুনের কাজটা সেরে ফেলেন|

লেখক বলেছেন:

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ভাষন দেওয়া লোককে জিয়া প্রধানমন্ত্রী করেছিলো , জিয়া কেমন করে মনে প্রাণে মুক্তিযোদ্ধা হয় ?


================

ওআইসি সম্মেলনে শেখ মুজিব শাহ আজিজকে স;গি করেছিলেন|


লেখক:

আমার নিজের মতে জিয়া মুক্তিযোদ্ধার মুখোশধারী পাক-আমেরিকান গুপ্তচর .......
================

বীর উত্তম উপাধি পাওয়া একজন মুক্তিযোদ্বাকে অসম্মান করার জন্য, আপনাকে ওয়াক থু.......।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন: মুজিব যা করেছিলেন তার খেসারত তাঁকে খুব নির্মমভাবেই দিতে হয়েছে । মুজিব অপরাধ করেন নাই কিংবা শেখ হাসিনা ধোয়া তুলসী পাতা , এই রকম তো কোথাও লিখিনি, তাই না?

তবে প্রসঙ্গের বাইরে চলে গিয়ে অফ টপিক মন্তব্য করার যে অভ্যাস আপনার আছে , আমার সেই রকম অফ টপিক পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য এই পোস্টে ছিল না , তাই অপ্রাসঙ্গিক জিনিস গুলো আসেনি ।

এই পোস্টে শেখ হাসিনা , খালেদা জিয়া , জয়, তারেক সম্পূর্ণ অবান্তর । সেগুলো নিয়ে যেদিন লিখবো বা আপনি লিখবেন সেইদিন আলাপ করা যাবে ।


জিয়া নিজে যেভাবে দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের শুধু অসম্মানই না , হত্যা করেছেন , তারপর আমার মত ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ যদি তাকে অন্ধ আবেগে পূজো না-ই করে তাহলে এত রুষ্ট হওয়াটা আপনার উচিত নয় ।


শেষ লাইনে নিজের জন্ম পরিচয় স্পষ্ট করে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ । জিয়া যাদের হত্যা করেছেন , তারা আপনার মুখে ওয়াক থু করছে , সেইটাও মনে রাখুন।

১৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: তাহের মুক্তিযোদ্বা ছিলেন, খুব কান্দাকাটি হচ্ছে.....!!!!


সিরাজ সিকদারও মুক্তিযোদ্বা ছিলেন....
মেজর ডালিম বীর উত্তম মুক্তিযোদ্বা ছিলেন....
মেজর ডালিমের ভাই ও বীর উত্তম মুক্তিযোদ্বা ছিলেন....
কর্নেল খায়রুজ্জামন ও বীর উত্তম মুক্তিযোদ্বা ছিলেন....
মুজিব হত্যায় অভিযুক্ত বাকী সব অফিসাররাই বীর মুক্তিযোদ্বা......।


সুতরা; শুধু তাহেরের জন্য কান্দাকাটির উদ্দ্যেশ্যটা কী........???

ও আপনিতো মনে করেন যতবড় মুক্তিযোদ্বাই হোক তারা যদি আলীগের লুট-পাট-ধর্ষনের সমর্থকারী না হয় তবে সে মুক্তিযোদ্ধার মুখোশধারী পাক-আমেরিকান গুপ্তচর ......!!!!!!!!!!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: বীর উত্তম , বীরশ্রেষ্ঠ এগুলো সামরিক বাহিনীর পদক । বেশির ভাগ পদকধারী তাই সামরিক বাহিনীর । দেওয়া হয়েছিলো সম্মান জানাতে , তারা বড় আর অন্যরা ছোট মুক্তিযোদ্ধা , এইটা প্রমান করতে না ।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি সামান্য পরিমান থাকতো আপনার মধ্যে কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধা - তাহলে " বাংলাদেশের হাজার হাজার পদকবিহীন মুক্তিযোদ্ধাকে ছোট মুক্তিযোদ্ধা " বলে অপমান করার মত ঘৃণ্য কাজটা করতেন না ।

৭১ এ ভূমিকা যাই থাক , ৭১ এর পরে যদি কেউ এমন কাজ করে যা বাংলাদেশের আপামর মানুষের বিরুদ্ধে যায় আর পাকিস্তান বিনিফিটেড হয় তাহলে তাকে আর মুক্তিযোদ্ধা বলা যায় না । জীবনে একটা ভালো কাজ করার পরে বাকি জীবন চুরি ডাকাতি করলে তারে নিশ্চয়ই সৎ বলেন না , নাকি?


যদি আলীগের লুট-পাট-ধর্ষনের সমর্থকারী না হয় তবে সে মুক্তিযোদ্ধার মুখোশধারী পাক-আমেরিকান গুপ্তচর । ---------

নাহ, জিয়াকে এতবড় মহান ব্যক্তি ভাবি না যে সে শত্রুপক্ষের লুটপাটের সমর্থক হবে । বরং জিয়াকে নিজের পক্ষের লোকজন মানে জামাত , রাজাকার , আল বদর , আল শামস এর প্রমানিত লুট-পাট-খুন - ধর্ষনের সমর্থন এবং এই পাপীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষমতায়নের জন্যই জিয়াকে পাক-আমেরিকান গুপ্তচর ভাবি ।

২০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: হাসিনার মেয়ে পুতুলের বিয়ে হলো বা;লাদেশের বিখ্যাত রাজাকারের ছেলের সাথে|

সেই রাজাকার এখন মন্ত্রী হয়ে গাড়ীতে দেশের পতাকা লাগিয়ে ঘুড়ে বেড়ায়, সব দোষ জিয়ার.......???

নাকী বিয়াই সাহেবের জন্য আমিলীগ "বীর মুক্তিযোদ্বার" সার্টিফিকেট যোগাড় করে ফেলেছেন.......!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: হাসিনার মেয়ে পুতুলকে রাজাকারের ছেলে বিয়ে করার জন্য জিয়া কবর থেকে উঠে এসে প্ররোচিত করেছে ---- এই রকম কথা যদি মন্তব্যে লেখেন তখন বলতে বাধ্য হই , গাঞ্জা কয় ছিলিম টেনেছেন?

পুতুল , হাসিনা কিংবা অন্য কারো পাপের দায় তাদের নিজেদের । হাসিনা , পুতুলের পাপের দায় যেমন জিয়ার না সেই রকম জিয়ার পাপের দায়টাও অন্য কারো না ।

জিয়া নিজে যেই পাপ , হত্যা , মীরজাফরগিরি করে গেছে , সেইটা অন্য কারো দোষ দিয়ে ঢেকে ছোট কিংবা ঝাপ্সা করা যাবে না ।

পুতুল, হাসিনা , খালেদা এই পোস্টে অবান্তর ।

২১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১০
নাজনীন১ বলেছেন: চিঠিগুলো তো তথ্যপূর্ণ!!! এ চিঠি জেলের বাইরে আসতে দিলো? কন্টেন্ট চেক করেনি? গুরুত্বপূর্ণ দলিল!!


অফটপিকঃ মার্শাল ল'তে যখন বিচার হয় বা কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে যখন বিচার হয়, আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়া হয় কিনা?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: জেলের সবাই কি আর অমানুষ ছিলো আপা?

প্রশ্নটা আমার মনেও জেগেছিলো । তারপর মনে হলো , বরাহের ভিড়ে মানুষ ও তো ছিলো , তারাই দিয়েছে হয়ত । তাছাড়া এই চিঠি কোথায় কি ভাবে প্রকাশিত হবে , তার ইম্প্যাক্ট কি হবে , হতে পারে , সেই হিসাব নিশ্চয় করেছিলো ।


দুনিয়া বদলেছে । সময় বদলেছে । আমেরিকার ফরেন নীতি সামান্য হলেও বদলেছে ( আগে অন্য রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট খুন করাত , এখন কিনে নেয়) । হাতে পেলেও প্রকাশ করতে পারবে না , এই রকম ক্ষমতা ছিলো হয়ত !

জানি না , সবই স্পেকুলেশন!

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে যত গুলা মার্শাল ল হয়েছে তাতে কেউই আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পায় নাই বলেই জানি । সেইটা নুরুন্নবীর জবানেই আছে ।

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে । মামলার নথিপত্র পাব্লিক করে দেওয়া উচিত , রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্যের অংশ গুলা কালো কালিতে ঢেকে বাকিটা পাবলিক করে দেওয়া যায় ।

আমরা তো কেউ জানি না মামলার নথি পত্রে কি আছে । যা জানি , সেইটা তখন যারা ঘটনার সাক্ষী তাদের মুখ থেকে । তাই এই সব জানার দৃঢ় ভিত্তি দেওয়া যায় না ।

আইনত সমর্থনের সুযোগ থাকার কথা । তবে কাজীর উকিল কাগজেই থাকে , বাস্তবে নাই আর কি!

২২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১১
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ধন্যবাদের সাথে প্রিয়তে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকে দেখে খুব ভালো লাগলো আপা।

২৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
লীনা দিলরূবা বলেছেন: @নাজনিন, তখন সবই বিচারের নামে প্রহসন হয়।
২৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২১
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: ধন্যবাদ ,একটি ঐতিহাসিক সত্যাশ্রয়ী পোষ্টের জন্য।

জিয়া জাতির ইতিহাসে অন্যতম মধ্যসত্ত্বভোগী/ সুবিধাভোগী।

কর্নেল তাহের ছিলেন , চে - এর প্রতিমূর্তি।
তাঁর সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল আমার।
পেয়েছিলাম তাঁর সান্নিধ্য।

থাক, সে কথা ।

এই মাটি থেকে তাহেরের আদর্শ মুছে ফেলা যাবে না।

এই প্রজন্ম তাঁকে স্মরণ করবেই অসীম শ্রদ্ধার সাথে ।

আপনাকে আবারো বিনীত ধন্যবাদ ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই ।

তাহের এর কাছের মানুষ গুলো তাঁর সম্পর্কে যা বলেছেন , তাঁর চিঠির যে ভাষা - বেশি কিছু বলা লাগে না তার সম্পর্কে ।

আমাদের সবার এখন উঠে পড়ে লাগা উচিত আসল , সত্যি ইতিহাসকে জাতির সবার সামনে তুলে ধরা । ৭৫ এর পর থেকে খালি প্রোপাগান্ডাই করে গেছে শয়তানের দল ।

শত্রুর কাজ শত্রু করে গেছে , আমরাই গাফিলতি করেছি । এখন সময় সেই পাপ মোচনের ।

২৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
হনলুলু বলেছেন: নেটের স্পিড কম । ভিডিওগুলো দেখার চেষ্টা করতেছি .... সম্পূর্ন ধোয়াটে লাগে এই ব্যাপারগুলো ।

সেইসাথে অনেক কষ্ট .... অনেক ....

কিছু বলার নাই

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ধোয়াটে লাগলে ধুয়ে ফেলো , পরিস্কার হয়ে যাবে ।

" যখন হত্যাকারীকে খুঁজে পাওয়া যায় না তখন সবার আগে দেখতে হয় বেনিফিশিয়ারী কারা"।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধনিয়া

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২৯. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫২
প্রদীপ কুমার রায় বলেছেন: সাংবাদিক ও গবেষক আনোয়ার কবির নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‌সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যাঃ বাংলাদেশ (১৯৭৫-১৯৮১) এর প্রথম পর্ব প্রদর্শিত হবে আগামী ৭ই নভেম্বর ২০০৯, শনিবার বিকেল ৪টায় পাবলিক লাইব্রেরী অডিটোরিয়ামে। নির্মাতা নিজেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন। আপনারা আমন্ত্রিত!

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই । প্রথম পর্ব মানে কি? পুরাটা দেখাবে না?

৩০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
প্রদীপ কুমার রায় বলেছেন: সম্পূর্ণ ডকুমেন্টারীটা ১০.৪০ ঘন্টার। ৪ পর্বে বিভক্ত। সময়ের অভাবে শুধুমাত্র ১ম পর্বটি দেখানো হবে। এবার নির্মাতা নিজেই ডকুমেন্টারীটা দেখানোর আয়োজন করেছেন। তবে নির্মাতার সাথে কথা হয়েছে, পরবর্তী কোন এক সময়ে সম্পূর্ণ ডকুমেন্টারীটা পর পর ৪ দিন কোন উন্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করা হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১১৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
রাগ ইমন। আপাতত রাত জাগা পাখি। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নীতি প্রনয়ন (পলিসি মেকিং) এবং নাগরিক জীবন উন্নয়ন নিয়ে লিখছি। এক...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ