আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
কে এই রথ চাইল্ড ? ( সেই পরিবার যা সমগ্র ইউরোপকে ব্যাংকের মাধ্যমে কিনে নেয় -বিবিসি)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
মায়ের আমসেল বঊয়ার ১৭৪৩ সালে বাবা মোজেস আমসেল বউয়ার , একজন ইহুদী ঋণ ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকারের ঘরে জন্ম গ্রহন করেন । বাবা মোজেস ছেলে মায়েরকে সর্ব শক্তি নিয়োগ করে ঋণ ব্যবসা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে থাকেন। মায়ের ও ছোট বেলা থেকেই তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও প্রতিভা দেখাতে থাকেন যে কোন ধরনের অর্থ ব্যবসায় । মোজেসের ব্যবসা ছিলো জার্মানীর ফ্রাংকফুর্টে একটা দোকান , ইহুদী স্ট্রীটে । অর্থ সংক্রান্ত পরামর্শ , ঋণ ও স্বর্ণ ব্যবসায় শিক্ষার পাশাপাশি ছেলেকে র্যাবাই (ইহুদী পাদ্রী) বানানোর স্বপ্ন ছিলো বলে জানা যায়। মায়ের বাবার মৃত্যুর পরে একটা ব্যাংকে ( ওপেনহাইমার , হ্যানোভারে) কাজ নেন এবং অসাধারন কৌশল , বুদ্ধি ও চালাকি দেখিয়ে দ্রুতই জুনিয়র পার্টনার বনে যান।
এর কিছুদিন পরে ফ্রাংকফুর্টে ফিরে বাবার ব্যবসা পূনরায় কিনে নিয়ে নিজের নাম বদলে রাখেন রথচাইল্ড । আর এভাবেই বিশ্বখ্যাত ধনকুবের ও আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবসায়ী রথচাইল্ড হাউসের শুরু হয় ।
ওপেনহাইমারে কাজ করতে করতে মায়ের ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলেন জেনারেল ভন এস্টর্ফ যিনি জার্মানীর প্রিন্স উইলিয়াম অফ হানুউ এর কোর্ট এ ছিলেন । উইলিয়ামের বিরল মেডাল ও কয়েন সংগ্রহের বাতিক আছে জেনে মায়ের বেশ কিছু বিরল মেডাল, কয়েন দিয়ে উইলিয়ামের সাথে ঘনিষ্টতা গড়ে তোলেন। এভাবে কিছুদিনের মধ্যেই মায়ের ইউরোপের প্রায় প্রতিটা প্রাসাদ ও রাজকীয় পরিবারের সাথে ব্যবসা শুরু করেন। তবে তার সবচেয়ে ঘনিষ্ট প্রশ্রয়দাতা উইলিয়াম ছিলেন যাকে বলে " মাংসের কারবারী" । উইলিয়ামের মূল ব্যবসা ছিলো ইউরোপের বিভিন্ন রাজকীয় পরিবারের কাছে যুদ্ধের সৈন্য সরবরাহ করার মধ্য দিয়ে উপার্জন করা । মারা যাবার সময় সেই আড়াইশ বছর আগে উইলিয়ামের সম্পদ ছিলো ২০ কোটি । এই উইলিয়াম যখন ডেন্মার্কে পালিয়ে যায় , তখন রথ চাইল্ডকে ৬০ হাজার পাউন্ড দিয়ে যায় যার মূল্যমান তখনই প্রায় ৩ মিলিওন ডলার । ( মানুষের মাংসের ব্যবসা চরম লাভজনক দেখা যায়) ! উইলিয়ামের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিলো বৃটিশ মোনার্কি , আমেরিকার কলোনী গুলোকে সাইজে রাখতে প্রায়ই তাদের সৈন্যের দরকার হতো ।
রথচাইল্ড ঐ ৬০ হাজার পাউন্ড মেরে দেয় এবং ছেলেকে লন্ডন পাঠায় মার্চেন্ট ব্যাংক খোলার জন্য । উল্লেখ্য , রথ চাইল্ডের ছিলো ৫ ছেলে । ইউরোপের সর্বত্র ব্যাংকিং বা সোজা ভাষায় ঋণ ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য আনতে রথ চাইল্ড ইউরোপের ঐ সময়কার সবচেয়ে সমৃদ্ধ শহর গুলাতে নেপলস (ইটালি), প্যারিস (ফ্রান্স) , ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া) ও লন্ডন (ইংল্যান্ড) এ একটি করে ছেলে পাঠিয়ে দেয় । এক ছেলে ফ্রাঙকফুর্ট থেকে যায় ব্যবসা দেখার জন্য । এই পাঁচটি শহর থেকে ইউরোপের সমস্ত রাজকীয় পরিবারের সাথে রথচাইল্ডরা ব্যবসা গড়ে তোলে । উপায়টা খুব সোজা । রাজায় রাজায় যুদ্ধ করবে। রথচাইল্ডরা দুইপক্ষের রাজাকেই উচ্চ সুদে ঋণ , বন্ড ইত্যাদি দেবে এবং যেই পক্ষই হারুক জিতুক সেই ঋণ শোধ করতে হবে । শোধ করতে না পারলে জমি জমা , ধন সম্পদ ইত্যাদি বন্ধক রেখে আরো উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হবে । ( মানে , যুদ্ধের ফল যাই হোক , লাভ একা রথচাইল্ডের!)
ঐ তিন মিলিয়ন ডলারের ব্যাপারটাও রক্তাক্ত । বৃটিশ মোনার্কি জেনারেল হেসকে ওই টাকা দেন তার ও তার সৈন্যদের বেতন হিসেবে যেটা প্রিন্স উইলিয়াম মেরে দেন এবং উইলিয়াম থেকে মেরে দেন রথচাইল্ড । এই টাকা দিয়ে নাথান, মায়েরের বড় ছেলে বাবার নির্দেশে লন্ডনে ব্যবসা খুলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে সোনা কিনে নেয় । এবং এই নাথান লর্ড ওইয়েলিংটনের সাথে বণ্ডের ব্যবসায় চার ধাপে বিপুল লাভ করে নেয় । মজার ব্যাপার হলো , নেপোলিয়নের ফ্রেঞ্চ সাম্রাজ্য আর বৃটিশ সাম্রাজ্যের তখন লাভের গুড় নিয়ে চরম লড়াই চলছে । নেপোলিয়ন হুমকি দিচ্ছেন " হেস -ক্যাসেল " এর ভিত্তি ভেঙে দেবেন চিরদিনের জন্য , যেই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে রথচাইল্ড পরিবারের ব্যাংকিং ব্যবসা । কিন্তু রথচাইল্ডদের কোন ভ্রুক্ষেপই নেই । কিছুদিন পরে দেখা গেলো বৃটিশ আর ফ্রেঞ্চ জাহাজগুলো যখন পরস্পরের নৌ ও অন্যান্য ব্যবসার পথ গুলো আটকে রেখেছে , একটা মাছিও গলতে পারছে না , কেবল একটা কোম্পানি যাতায়াত করছে নির্বিঘ্নে ! জ্বি , ঠিকই ধরেছেন , রথচাইল্ড দুইপক্ষেরই অর্থের যোগান্দাতা ! ( নাথান রথচাইল্ড লন্ডনে, জেকব রথচাইল্ড প্যারিসে, মনে আছে তো? )
ইউরোপের ৫টি শহর , সবচাইতে ধনী পরিবার/মোনার্কির সাথে ব্যবসার পাশাপাশি সারা ইউরোপ জুড়ে নিজেদের গোয়েন্দা নেটোয়ার্ক গড়ে তোলে রথচাইল্ডরা । ফলে , অর্থনৈতিক দুনিয়ার কোথায় কি ঘটতে যাচ্ছে সেইটা আঁচ করার পাশাপাশি পরবর্তী "ঘটনাটি" ঘটানোর কাজটাও খুব ভালো ভাবে করেছে এই ধনাঢ্য পরিবার । এদের স্পাই ছিলো না এমন কোন কোর্ট , ব্যাংক , প্রাসাদ , এমন কি পথচারীদের "ইন" পর্যন্ত ছিলো না । সব জায়গা থেকেই এই স্পাইরা খবর সংগ্রহ করতো আর রথচাইল্ডরা নিজেদের টাকা, সম্পদ বাড়ানোর কাজে তা ব্যবহার করতো ।
এদের এই সাফল্যের মূলে ছিলো গোপনীয়তা আর কঠোর নিয়ম কানুন। রথচাইল্ডরা কোন ভাবেই কারো সাথে সত্যিকারের বন্ধুত্ব গড়ে তুলতো না । যাকে দরকার তাকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিত ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে । যেমন, মায়েরের উইলে উল্লেখ করা ছিলো , ব্যবসা কোনভাবেই পরিবারের বাইরে যাবে না । পরিবারের বড় ছেলে হবে ব্যবসার প্রধান । মেয়েরা কোন ম্যানেজমেন্ট জাতীয় কাজ করতে পারবে না। মেয়েদের কাজ হলো পুরুষদের দেখভাল করা । রথচাইল্ডরা বিয়ে করতে পারবে শুধুমাত্র কাজিনদের । পরিবারের বাইরে বিয়ে করা যাবে না । যারা (মেয়েরা সহ) অর্থ ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত নয় তারা নিয়মিত মাসোহারা পাবে । রথচাইল্ড পরিবারের প্রকৃত অর্থসম্পদের পরিমান কোন বাইরের লোক জানতে পারবে না , পরিবারের কেউ জানাতে পারবে না । কেউ জানালে তার মাসোহারা বন্ধ করে দেওয়া হবে । ( মানে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ)
ইউরোপ এর অর্থনীতি কিনে নেওয়া ঃ
বৃটিশ ও ফ্রেঞ্চ সাম্রাজ্য তখন মুখোমুখি । ওয়াটার লুতে দুই পক্ষ সমগ্র শক্তি নিয়োগ করে যুদ্ধ করছে । যুদ্ধের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে কে নিয়ন্ত্রন করবে পৃথিবী জুড়ে ( ভারতের খনিজ, কাপড়, মসলা ; বার্মার রুবি; আফ্রিকার সোনা ও ডায়মন্ড ; তেল , তুলা , দাস ব্যবসা ইত্যাদি) অর্থনীতি । রথচাইল্ড যুদ্ধের দুইপক্ষেরই অর্থ যোগান দিচ্ছে , নানা রকম খবর সংগ্রহ করছে , যুদ্ধের প্রতিদিনের ফল লন্ডোন এক্সচেঞ্জের বন্ড এর দাম ওঠা নামা করাচ্ছে ( এখনো জানেন না ? যুদ্ধও একটা ব্যবসা , বহু আগে থেকেই) । জুন ১৫, ১৮১৫ - রথচাইল্ডের স্পাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর নিয়ে এলো নাথানের কাছে , খবরে চোখ বুলিয়ে নাথান তীরবেগে ফিরে গেলেন লন্ডনে । পরদিন সকালে নির্বিকার ভাবে বিক্রি করতে শুরু করলেন বৃটিশ কন্সাল । স্টক এক্সচেঞ্জে মহামারী লেগে গেলো ( রথচাইল্ড নিশ্চয় কিছু একটা জানে , বৃটিশরা হেরে গেছে) কনসাল বেচার । অল্প সময়ের ভিতরে পানির দামে সব বিক্রি হয়ে গেলো । এইবার , এক্সচেঞ্জ বন্ধ হবার একটু আগে রথচাইল্ডের নির্দেশে তার সমস্ত লোক চুপ চাপ পানির চেয়েও কম দামে সমস্ত কন্সাল কিনে নিলো । নাথানের লন্ডন ফেরার ২০ ঘন্টা পরে জানা গেলো বৃটিশদের জয়ের কথা । একদিনেই নাথানের সম্পদের পরিমান বেড়ে গেলো ২০ গুণ । নাথান রথচাইল্ডের হাত দিয়ে প্রথমে বৃটিশ অর্থনীতি ও পরে সমগ্র ইউরোপের অর্থনীতি চলে এলো একটি মাত্র পরিবারের হাতে ।
বৃটিশদের হাতে ভালো রকম মার খাওয়ার পরে ফ্রেঞ্চ অর্থনীতি নড়বড়ে হয়ে পড়ে । ফ্রেঞ্চ সরকার ধার করতে শুরু করে ব্যাংকের কাছ থেকে । সরকারী বন্ড বিক্রি ও টাকা সংগ্রহের কাজে রথচাইল্ডের প্যারিস ব্রাঞ্চকে ইচ্ছে করেই বাইরে রাখা হয় । রাশভারী ও আভিজাত্যের অহমিকায় অভ্যস্ত ফ্রেঞ্চ এরিস্ট্রোকেটরা রাস্তার ক্ষ্যাত রথাচাইল্ডদের পাত্তা দিতে চায়নি । হয়ত শত্রুপক্ষের অর্থ যোগানের ইস্যুটাও ছিলো । এরিস্ট্রোকেটদের মন যোগাতে রথচাইল্ডরা অভিজাত পার্টি, উপহার , শিল্পকলার কেনা কাটা ইত্যাদি করেও যখন পাত্তা পাচ্ছিলো না তখন একটা খেলা খেললো । ১৮১৮ সালের অক্টোবরে তারা দ্রুত কিনে নিতে শুরু করলো ওউভ্রার্ড আর বেয়ারিং ব্রাদার্সের সরকারী বন্ড । ফলে বন্ডের দাম বেড়ে গেলো বহুগুনে । এর পর হঠাৎ করেই ৫ই নভেম্বর ১৮১৮ তে তারা একসাথে সব বন্ড বাজারে ডাম্প করাতে ফ্রেঞ্চ অর্থনীতির বারোটা বেজে গেলো । এইবার ফ্রেঞ্চ রাজা বাধ্য হলেন রথচাইল্ডদের পায়ে মাথানত করতে । পৃথিবীর দুটো প্রধান অর্থনীতি , বৃটিশ ও ফ্রেঞ্চ , চলে গেলো হাউস অফ রথচাইল্ডের হাতের মুঠোয় ।
ইউরোপের তথাকথিত মোনার্কি বা রাজপরিবার গুলো কেবল নামেই স্বাধীন রইলো । অর্থনৈতিক সমস্ত নিয়ন্ত্রন মোটামুটি নিয়ে নিলো রথচাইল্ড ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক গুলো । এরাই ঠিক করে দিতে লাগলো কে ক্ষমতায় থাকবে আর কে ক্ষমতায় থাকবে না । পলিটিক্স , যুদ্ধ , শান্তি , রাজতন্ত্র , কমিউনিজম সবই আসলে নিয়ন্ত্রিত হতে শুরু করলো যার হাতে টাকা , অর্থাৎ রথচাইল্ড ও তাদের এলাইদের হাতে ।
আজকে রথচাইল্ড পরিবারের হাতে হাজারো ইন্ডাস্ট্রি , কমার্সিয়াল কোম্পানি, মাইনিং কোম্পানি ও টুরিস্ট কোম্পানি থাকলেও কেউই রথচাইল্ড নামটা ব্যবহার করে না । একটা কোম্পানিও তাদের ব্যালেন্স শীট পাবলিশ করতে বাধ্য নয় এবং করেও না যেহেতু তারা প্রাইভেট পার্টনারশীপ । তাই পৃথিবীর কারো ক্ষমতা নেই বের করবে এই পরিবার তাদের প্রাইভেট পার্টনারশীপের মাধ্যমে এই পৃথিবীর অর্থ সম্পদের ঠিক কত অংশের মালিক এবং আরো কত অংশ নিয়ন্ত্রন করে । তবে বলা হয় , ফ্রেঞ্চ রেভুলুশন , বিশ্বযুদ্ধ ১ ও ২ নাকি রথচাইল্ড ও আন্তর্জাতিক ব্যাংক গুলোর হাতে তৈরী করা । ৩য় বিশ্বযুদ্ধও এরাই তৈরী করবে । নিজেদের লাভের খাতিরে । রথাচাইল্ডরা মানবিকতার ধার একেবারেই ধারে না । নিজে ইহুদী হলেও প্যালেস্টাইন তৈরীর জন্য রথচাইল্ড হিটলারকে অর্থ যোগান দিয়েছে । আবার হিটলার বিরোধী পক্ষকেও ! হলোকাস্টের অর্থের যোগান দাতা আবার ইজরায়েলের প্রতিষ্ঠাতা !
আপনার কি ইচ্ছে করে না জানতে এরা আসলে কি চায়? এদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি? কারা এদের বন্ধু?
[ পাঠক চাইলে চলবে । এর পরের পর্ব আমেরিকা ও বিশ্ব নিয়ন্ত্রন]
http://news.bbc.co.uk/2/hi/uk_news/389053.stm
Click This Link
http://en.wikipedia.org/wiki/Rothchilds
http://www.biblebelievers.org.au/slavery.htm
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): টাকা, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ধনকুবের পরিবার ;
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপা । লেখা কি বেশি বড় হয়ে গেলো ?
দিনযাপন বলেছেন:
চলুক....
লেখক বলেছেন: চলতে গিয়ে আমার অবস্থা খারাপ । প্রচুর পড়লাম এই নিয়ে।
সায়েম হক বলেছেন:
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: পরের পর্বের পেক্ষায় রইলাম। +++++
লেখক বলেছেন: আজকে দেব
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
ফ্রেঞ্চ রেভুলুশন ! ---------???? !!!!! ?????
লেখক বলেছেন: শুধু তাই না , সব কয়টা যুদ্ধ ।
লেখক বলেছেন: আজকে দেব। বহু সময় গেল পড়ালেখা করে জানতে বুঝতে ।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
চমৎকার। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিতা । আজকে পরের পর্ব দেব , পড়বেন আশা করি।
প্রচ্ছদ বলেছেন:
দারুন পোষ্ট। পর্যবেক্ষনে রাখলাম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । দুঃখিত দেরীর জন্য , কিন্তু আপনাদের উৎসাহ আরো জানতে সাহায্য করেছে ।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আজকেই
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
প্রিয়েতে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভিতরের কাহিনী আরো ভয়ংকর।
নওশাদ বলেছেন:
ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ। পরবর্তী পর্বের অপেখ্খায়
লেখক বলেছেন: আজকেই
জুমানজি১১ বলেছেন:
কঠিন জিনিস দিসেন আফামনি...বঙ্গানুবাদ করার জন্য ও ধইন্না। ইহুদি জাতিডারে এইজইন্য আমি আনলাইক করি...
লেখক বলেছেন: জি
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: আজকেই
লেখক বলেছেন: দেখেছি
বাঙ্গাল বলেছেন:
চলুক।
লেখক বলেছেন: হোকে
আবুল বাসার বলেছেন:
পরের পর্ব কবে পাচ্ছি?
লেখক বলেছেন: আজকে
লেখক বলেছেন: আরো আছে
লেখক বলেছেন: চলবে
এবং এটা জর্মান নাম।
ফলে বাংলায় রোথশিল্ড বলাটাই সমীচীন।
জর্মান "sch" ফোনেটিক বাংলায় উচ্চারণ করলে "শ" এর মতন শুনাবে।
sch একসাথে ("s" বা বাংলার "স" এর বিপরীতে) "শ" উচ্চারণের প্রয়োজন দেখা দিলে ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া, জর্মান লেখা হয় ফোনেটিকে বা উচ্চারণে কেমন শোনায় সে কথা মনে রেখে; তাই কোন লুকানো লেটার ব্যবহৃত হয় না (যেমন ইংরেজিতে often অফটেন নয়, অফেন এমন কিছু জর্মানিতে নাই) অথবা দুই ধরণের উচ্চারণ হতে পারে এমন লেটার নাই (যেমন ব্যতিক্রমহীনভাবে a থাকলে আ, e থাকলে এ, ei থাকলে আই, ie থাকলে ই, o থাকলে ও - উচ্চারণ করতে হবে)। ইংরেজির মত a থাকলে "আ" হতে পারে আবার "অ" হতে পারে এমন নয়।
অতএব আমার মতে এটা, মায়ের আমশেল রোথশিল্ড।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
সাপিয়েন্স বলেছেন:
মুস্লিম আর ইহুদীদের মধ্যেই এত কাজিন বিয়ে। ভালো না।তবে গরীবের বন্ধু, ওয়েলফেয়ার অর্থনীতির অমর্ত্য সেনের তিন নম্বর বৌ (বর্তমান) একজন রটশীল্ড। ভাগ্য শুধু টাকায় নয়।
লেখক বলেছেন: ইটাত জান্তুম না !
রাগ ইমন বলেছেন:
সবাইকে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । আলাদা করে প্রে জবাব দেব। আজকে ( এবং আগামী কিছুদিন) সিরিয়াস জিনিস নিয়ে ভাবতে-লিখতে ইচ্ছা করছে না । আশা করি কিছু মনে করবেন না ।
গোলন্দাজ বলেছেন:
পরের পর্ব চাইনা মানে ! কত জোরে ! পেলাচ
লেখক বলেছেন: আজকে
লেখক বলেছেন: সমস্যা তো ব্যবসা না । সমস্যা মালিক
আমিন আসিফ বলেছেন:
পরের পর্ব লিখবেন না?
লেখক বলেছেন: আজকে
পাপী বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
গোলন্দাজ বলেছেন:
পরের পর্ব কবে?
লেখক বলেছেন: আজকে
জসীম দ্য গ্রেট বলেছেন:
ভালো লাগলো। পরের পর্ব তাড়াতাড়ি চাই, প্লীজ....
লেখক বলেছেন: আজকেই পাবেন
আনহা বলেছেন:
ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: তাও না , মুনাফা ছাড়া ব্যবসা বাঁচে না । কিন্তু তাই বলে অমানবিক মুনাফা কিংবা মুনাফা অর্জনের জন্য হত্যা, লুন্ঠন ইত্যাদি হইলো সমস্যা ।
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন:
পরের পর্বের অপেক্ষা ... দারুন পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ ।
কাজল আব্দুল্লাহ বলেছেন:
টানা তিনটা পর্ব শেষ করেই থামবো। আপনাদের মতো কয়েকজন ব্লগারের জন্য্ এখনো সামুতে আসি। নিয়মিত লিখবেন প্লিজ।
হনলুলু বলেছেন:
আপু , অনেক অনেক থ্যাঙ্কস ... এই পোস্টগুলা মিস করছি ভাবতেই খারাপ লাগছে । পরেরগুলাও শেষ করি ....
আহেমদ সািব্বর পল্লব বলেছেন:
দারূণ পোস্ট....... লাইক দিলাম।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















