আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
বিতর্কিত সাইন্স রিসার্চ ও সেক্স নিয়ে গবেষণা - আলফ্রেড কিনসে
১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৭
প্রশ্নটা তুলেছিলেন হার্ভার্ডের শিক্ষক রিচার্ড ক্যাশ। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় নাৎসি বিজ্ঞানীরা বন্দীদের উপর নানা রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে ছিলো । তাতে প্রচুর মানুষ মারা পড়ে । ক্যাশের প্রশ্ন ছিলো , আমরা কি ডাটা গুলো ব্যবহার করবো কি না?
নিঃসন্দেহে ক্লাস ছিলো দ্বিধাবিভক্ত । নৈতিকতার প্রশ্নে আমরা সকলেই ভীষণ ভাবে নাড়া খেয়েছিলাম। যারা বন্দীদের মৃত, ক্ষত বিক্ষত ও বিকৃত লাশ গুলো দেখেছেন তাদের কারো পক্ষেই এই রকম কিছু থেকে পাওয়া "সাইন্স" ব্যবহারের ইচ্ছা হবে না । কিন্তু অনেকেই যা বলেছেন, ক্যাশ নিজেও একমত তাদের সাথে, " যারা মরে গেছেন তাদেরকে তো ফেরানো যাবে না । যারা করেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত, হচ্ছে , হবে। কিন্তু প্রাপ্ত তথ্য যিদি মানবের কল্যাণে জ্ঞান হিসেবে ব্যবহৃত না হয় , যদি ধ্বংস করে ফেলা হয় তো কার কি লাভ?"
কথায় যুক্তি আছে কিন্তু আমার মন তাও সায় দিতে পারে না । ভীষণ খচ খচ করে ভিতরে । আমার ভয়টা ছিলো , ' আমরা যদি এই আচরণকে সাইন্টিফিক ডাটা ব্যবহারের যুক্তি দিয়ে সামান্যতম মাহাত্ম্য দান করি, তাহলে আবারও কি একই ধরনের "চয়েস" আমাদের সামনে উপস্থিত হবে কিনা!' আমার ধারনা হবে। আজকের ন্যানো টেকনোলজি, জেনেটিক্স, স্পেস সাইন্স, ওয়ার টেকনোলজি, বায়ো টেরর - নানান রুপ ও মুখোশ নিয়ে এই একই দৈত্য আমাদের সামনে এসে দাঁড়াবে। তবে আজকের পোস্ট ভবিষ্যতের ভয় নিয়ে নয় বরং অতীতের ঘটে যাওয়া " তথাকথিত বিজ্ঞান" নিয়ে । ---------------------
আলফ্রেড কিনসেকে আধুনিক সেক্সোলজির জনক বলা হয়। তাঁর গবেষণার মাধ্যমেই নাকি এই ট্যাবু বিষয়টিতে বিপ্লব ঘটেছিলো। তাঁর অবদান নিয়ে ছবিও হয়েছে হলিঊডে। কিনসে
উইকিতে পাওয়া তথ্যে জানা যায় তার বর্নাঢ্য জীবন নিয়ে আলফ্রেড কিনসে কিন্তু এর বাইরেও তাকে নিয়ে বিতর্কের কমতি নেই । ১৯৯৮ সালে প্রচারিত বৃটিশ টিভি চ্যানেল ফোর ডকুমেন্টারিতে দেখানো হয় কিভাবে কিনসে শুধু ব্যবহারই নয়, রীতিমত টাকা পয়সা ও উৎসাহ দিয়েছেন তার অধীনে কাজ করা " সাইন্টিফিক" পেডোফাইলদের। কিনসে রিসার্চ সেন্টার স্বীকার না করলেও একজন নারীর সাক্ষাৎকার আমাদের জানায় কি ভাবে কিনসে টাকা পয়সা ও " ডাটা রেকর্ড করা ও কোয়েশ্চেনেয়ার পাঠিয়ে" উৎসাহ দিয়েছিলেন এস্টারের ( ছদ্মনাম ) দাদা ও বাবাকে এস্টারের শিশু বয়স ( ৩-৪ বছর) থেকে তার উপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষন চালিয়ে যেতে । দুই পর্বের আরেকটি ডকুমেন্টারিতে আমরা দেখি কি ভাবে কিনসে ও তার কলিগরা তাদের নিজেদের রেকর্ড অনুসারে " শিশু নির্যাতনকারী পেডোফাইল" ই শুধু নয় প্রায় ৩১৭ থেকে ২০৩৫ শিশুকে ব্যবহার করেছে তাদের তথাকথিত " শিশুদের যৌনতা" রিসার্চে ।
তো কারা ছিলো কিনসের স্যাম্পল ?
১। পেডোফাইল ( একজন নাৎসী পেডোফাইল ও আছে যে শত শত শিশু নির্যাতন ও অন্তত একটি হত্যার সাথে জড়িত)
২। জেলের বন্দী ক্রিমিনাল পুরুষ
৩। যৌণকর্মী নারী
৪। এমন পুরুষ ও নারী যারা ৩৫০ প্রশ্নের একটি সার্ভে কোয়েশ্চেনিয়ার পূরণ করতে রাজি ছিলো যা পুরোপুরি তাদের সেক্স জীবনের উপর । মনে রাখবেন সময়টা ১৯৩০ , ১৯৪০ যখন স্বাভাবিক ভদ্র মানুষেরা সেক্স নিয়ে কথা বলতেন না ।
৫। অসংখ্য শিশু যাদের বয়স ২ মাস বয়স থেকে শুরু করে ১৩/১৪/১৫ ছিলো । কল্পনা করুন, ২ মাস বয়সী , ৪ বছর বয়সী শিশুর উপরে সেক্সুয়াল এক্সপেরিমেন্ট চালানো হয়েছে ।
কিনসের এই সব স্যাম্পল নারী পুরুষের ভিতরে যারা রিসার্চে সাহায্য করেছেন তারা শিশু ও বিভিন্ন পশুপাখিদের সাথে সেক্স করেছেন। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক করেছেন। আলফ্রেড কিনসে নিজেও সমকামী ও অন্যান্য প্রকার সেক্স করে দেখেছেন ( ইন দা নেম অফ সাইন্স) ও কলিগদের করতে বলেছেন এবং ঘড়ি ধরে তা রেকর্ড করতে বলেছেন।
এই ধরনের অদ্ভুত ও স্বাভাবিক ও গরিষ্ঠ সমাজের অংশ নয় ধরনের স্যাম্পলের কাছ থেকে কিনসে কি জানতে পেরেছেন ও আমাদের জানিয়েছেন?
১। বহুগামিতা স্বাভাবিক
২। শিশুরা জন্ম থেকেই যৌন অনুভূতিসম্পন্ন ও শিশুরা যৌনতা পছন্দ করে ।
৩। এডাল্টরা শিশুদের সাথে যৌন কর্ম করে শিশুদের যৌনজীবন বিকশিত করতে সাহায্য করতে পারে।
৪। যৌনতা শিশুদের খুব একটা ক্ষতি করে না সুতরাং পেডোফাইল ব্যাপারটা অত ক্ষতিকর নয়।
এই জ্ঞান নিয়ে কিনসে কি করেছেন?
১। সেক্স অফেনডার বা যৌন নির্যাতনকারীদের শাস্তি কমিয়েছেন (আইন)
২। শিশুদেরকে যৌন নির্যাতন / ধর্ষন কারীদের শাস্তি কমিয়ে দিয়েছেন।
৩। পর্ণ ইন্ডাস্ট্রিকে বিশাল হাতিয়ার দিয়েছেন , " ইহা কাউকে ক্ষতি করে না" ।
৪। এবরশনকে "নিরাপদ" আখ্যা দিয়ে এবরশনকে লিগাল করার আন্দোলনে ঘি জুগিয়েছেন।
৫। তার "তুলনাহীন" জ্ঞান যা তিনি আহোরন করেছেন শিশুদের ধর্ষনকারীদের পার্সোনাল ডায়রী থেকে , সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে রকফেলার ফাউন্ডেশনের সাথে হাত মিলিয়ে আমেরিকার " সেক্স এডুকেশন" ভিডিও বানিয়েছেন।
এই সেক্স রিসার্চার কিনসের অবদান কি?
১। সেক্স অফেন্ডার বা যৌন অপরাধের অভিযুক্তরা ৩-৫ বছর জেল খেটে বেরিয়ে এসে আমাদের শিশুদের আবার ধর্ষন করতে পেরেছে ।
২। শিশুদের যৌন পণ্য বানিয়েছে ।
৩। যে সব শিশু নিজেদের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা ধর্ষিত হয়েছে তাদের জীবনকে আরো বেশি দুঃসহ , মূল্যহীন ও অপমানিত করেছে।
৪। আজকের কর্পোরেট আমেরিকায় সেক্স যেভাবে যত্র তত্র ডাল ভাতের থেকেও সস্তা , অতি ব্যবহৃত ও বিকৃত হয়ে উঠেছে , তার পুরো ক্রেডিট কিনসের ।
--------------------------
কথা শুরু হয়েছিলো রিসার্চের এথিকাল সাইড নিয়ে । কিনসের পরে রিসার্চ মেথোডলজি , রিসার্চে এথিক্স নিশ্চিত করণ , রিসার্চের স্যাম্পলদের ক্ষতি না হয় তা নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়া অবশ্যই এগিয়েছে । এখন চাইলেই কারো হাত -পা কেটে, পানিয়ে ডুবিয়ে মেরে, অক্সিজেন বন্ধ করে কিংবা চোখের ভিতর নিডল ঢুকিয়ে প্রোটিন খোঁজার নামে রিসার্চ করা যায় না । কিন্তু , সূক্ষ পথে গরীব দেশের মানুষ কিংবা নিজের দেশের অবুঝ সমাজকে অজ্ঞানতার অন্ধকারে রেখে ক্ষতিকর রিসার্চ কি হয় না? এখনো হয় বই কি। তবে মেথড ও এথিক্সের ক্ষেত্রে কিনসে পেডোফাইল ও শিশুদের টিস্যু পেপারের মতন ব্যবহার করেছেন সেইটা যদি আমি বাদও দেই, তারপরেও কিনসের রিসার্চ এর বিরুদ্ধে ভয়ংকর অভিযোগ আছে । রিসার্চ মেথডের কিছুই না মেনে মন গড়া ডাটাকে " সত্য " বলে চালিয়ে দেওয়া এই ম্যাজিশিয়ান কেবল হাজার হাজার শিশুর জীবন নষ্টই করেন নাই , মিথ্যাচারের পরকাষ্ঠা দেখিয়েছেন। যেই ডাটা আগে থেকেই "স্কিউড" ( যাকে কিছুতেই মূল সমাজের প্রতিনিধি বলা তো যায়ই না বরং সমাজের স্খলিত ও অপরাধী অংশের দেওয়া তথ্যকে তিনি " সবার জন্য সত্য" বলে চালিয়ে দিয়েছেন।
তাই এই ধরনের তথাকথির রিসার্চ শুধু অন্যায়, অমানবিক ও অত্যাচারীই নয়, ভুল তথ্য ও ইনফারেন্সে ঠাঁসা । আলফ্রেড কেনসি, তার রিসার্চ সেন্টার ও রকফেলার ফাউন্ডেশনকে তাই বিচারের কাঠ গড়ায় দাঁড় করিয়ে কিনসে ইন্সটিটিউটের সমস্ত ডাটা পাবলিক করে দেওয়া উচিত । নাম ও ঠিকানা গোপন রেখে ডাটা পাবলিক করে দিলে নিঃসন্দেহে কনফিডেনশিয়ালিটি এক্টের লংঘন হয় না । কিন্তু তারপরেও কিনসের বন্ধু ও ইন্সটিটিউটের ঢাক ঢাক গুড় গুড় থেকে বুঝা যায় ঐ গর্তে আরো নাম না জানা সাপ রয়েছে নইলে ডাটা পুড়িয়ে ফেলার হুমকি কেন বার বার?
শত শত , হাজার হাজার শিশুর জীবন সেক্স এক্সপেরিমেন্টের নামে ধ্বংস করে দিয়ে কিনসের মত রিসার্চাররা আর কতকাল সোনার মেডেল গলায় ঝুলাবে আর আমাদেরকে ভুল আর মিথ্যা গিলিয়ে ঘুরে বেড়াবে?
---------------------
তথ্য সূত্র ঃ ইন্টারনেট
পরিশেষঃ ঘুরে ফিরে যত রকমের নোংরা ষড়যন্ত্রে কিছু অরগানাইজেশনের নাম ফিরে ফিরে আসে কেন?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা, সাইন্স, রিসার্চ, এথিক্স ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি, আমার দিনকাল বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
Kinsey ছবিটা দেখেছি, কিন্তু এই ব্যাপারটা জানা ছিলো না। মুভিতে ওনাকে দেবতার মত করেই দেখানো হয়েছে কিনা।
লেখক বলেছেন: আমিও জানতাম না । এই বিরাট সেক্স বীরকে আরেকটু ভালো ভাবে জানার জন্য একটু পড়ালেখা করতেই থলের বিড়াল বেরিয়ে গেলো । কিনসেকে ফেরেস্তা বানানোর পেছনে যারা , তারাই তাকে রিসার্চের অর্থ জুগিয়েছিলো । কিনসের রিসার্চ হোমোসেক্সুয়ালদের পক্ষে যায় বলে ( সমকামিতা স্বাভাবিক ও আমেরিকানদের ৫% সমকামী - এইটা কিনসের রিসার্চের তথ্য) সমকামীরা তাকে আবার খুব পছন্দ করে।
কিনসে ছবির পরিচালক সমকামী । সমকামিতা নিয়ে কিছু বলতে চাই না , কিন্তু শিশুকে ধর্ষন করাটা যার রিসার্চের অংশ তাকে ফেরেস্তা বানানোর উদ্যোগ দেখে ঘেন্নায় বমি এসেছে।
লিয়াম কেন রাজি হলেন? আমি এই অভিনেতার দারুন ভক্ত ছিলাম। ধ্যাত!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
রীতিমতো আতংকজনক। এ ধরনের অসুস্থ এক্সপেরিমেন্টগুলো বিনা বাধায় চলে কিভাবে???সবচেয়ে ভীতিকর লাগলো এক্সপেরিমেন্টের জন্য নিজে সে শিশুদের সাথে সেক্স করেছে এই খবরটাতে।
খুবই খারাপ লাগলো।
লেখক বলেছেন: ঘটনা ১৯৩০ থেকে ১৯৫০ সালের । তখন রিসার্চ আজকের মতন সুগঠিত ও নিয়ন্ত্রিত ছিলো না । আর যুদ্ধবন্দীদের দিয়ে সব কিছুই করা হত ।
জার্মানীকে গালি দেই আমরা নাৎসি রিসার্চের জন্য , অথচ সেই রিসার্চের পয়সা জুগিয়েছে আমেরিকার রকফেলার ফাউন্ডেশন ( স্টোন ওয়েল কোম্পানির ভালো মানুষি সংগঠন , এখন নাম এক্সন)
লেখক বলেছেন: নিজে মুভিটা দেখছিলাম । কিনসেকে নিয়ে পড়তে গিয়ে দেখি মুভির সাথে মিলে না ।
কিনসে খুঁজতে গিয়ে সাপ বেরিয়ে গেলো ।
কেন, প্রশ্নটার পিছনে কোন নির্দিষ্ট কারণ?
লেখক বলেছেন: পোস্টের ফোকাস কিন্তু কিনসে এবং তার রিসার্চ । নাৎসি রিসার্চ নয় ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
না, এমনিই। এই বিষয়গুলো এমনিতেই সেন্সেটিভ এবং কদর্য। হঠাৎ করে কিনসে সাবজেক্ট হওয়ায় অবাক হয়েছিলাম। আর কিছু না।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা । ধন্যবাদ ।
মুভি দেখি মন মেজাজ খারাপ থাকলে ।
নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন:
ঘুমাতে যাবার আগে লেখাটি পড়ে ঘুম অনেকটা কেটে গেল।
লেখক বলেছেন: সবটুকু জানলে হয়ত আর ঘুমাতেই পারবেন না ।
যাই হোক , ভালো ভালো নিউজও পড়ুন।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
পেছনের এতো এতো কথাগুলো জানা ছিলো না। মুভিটা দেখেছিলাম, পাশ্চাত্যের যৌনতা আর সাংস্কৃতিক গড়নের সাথে আমাদের মানসিকতার এতো বেশি ফারাক যে এই বিষয়ে আর মাথা ঘামাইনি।ঘৃণা লাগলো। গ্রীকদের নিয়ে, রোমানদের নিয়ে যে যৌনবিষয় সম্পর্কিত কৌতূক প্রচলিত, একটা সময়ে আমাদের এই সভ্যতা নিয়েও কি তেমন কোন বিকৃত কৌতুক চালু হয়ে যাবে?
লেখক বলেছেন: পুরো ঘটনাটাই আসলে আমেরিকাকে এবং সাথে সাথে আমাদের সবাইকেই বিকৃত ও প্রেমহীন , ভালোবাসাহীন, পাশবিক সেক্সে অভ্যস্ত করানোর ১ম ধাপ ।
এইটা এখন বাংলাদেশেও শুরু হয়েছে ।
বেশি বেশি নেগেটিভ ( খুন, ধর্ষণ , টিজিং, চুরি , ডাকাতি) খবর পরিবেশন করে আমাদেরকে নেগেটিভেই অভ্যস্ত করে তোলা ( যেন সারা বাংলাদেশে কোন ভালো খবরই নাই!)
জাতি হিসেবে আমাদের বিষন্ন ও হতাশাগ্রস্ত করে তোলা।
বিভিন্ন মিডিয়াতে সেক্সকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় এমন অনুষ্ঠান খবর, বিজ্ঞাপন প্রচার করা ।
কিনসে'র অবদান তো বললেন না। যৌনতা সম্পর্কে সমাজের ট্যাবু ভেঙ্গেছেন, নিজের একান্ত গোপন কথা মানুষ অনেক স্বাভাবিকভাবে অন্যের সাথে শেয়ার করায় গবেষণায় যে সুবিধা হয়েছিল সেটা তো আপনি উড়িয়ে দিতে পারবেন না।
গবেষণায় আমাদের কাঙ্খিত ফল আসলে তবে গ্রহণ করা যাবে, না হলে সেটা বর্জনীয় কোন বিজ্ঞানীই মনে হয় সেটা ভেবে কাজ করেন না।
লেখক বলেছেন: আপনি কি বলতে চাইছেন কিনসে যেই পথে এগিয়েছেন সেই পথ ছাড়া আর কোন পথ ছিলো না?
হায় রে মানুষ!
তাইলে দুর্ভিক্ষের কিংবা যুদ্ধের অবদান সম্পর্কে বলতে হয় , সমস্যা কি? জনসংখ্যা তো কমছে! সেই জন্য যুদ্ধ কিংবা দুর্ভিক্ষ এর ভালো দিক তুলে ধরতে হবে?
কিনসের আগে ও পরে অনেক বিজ্ঞানী সমাজের ট্যাবু ভেঙ্গে সমস্যাকে তুলে ধরেছেন। তার জন্য শিশুদের উপর যৌণ এক্সপেরিমেন্ট চালানোর দরকার হয়নি। এখনো হয় না ।
সত্যি কথা বলতে , কিনসের কাজ ও অর্থায়ন সম্পর্কে আরো বেশি করে জানার পরে তার কিংবা তার বসদের আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমি সন্দিহান হয়ে পড়েছি ।
আপনাকে বুঝতে হবে,
ফ্রি সেক্স আর সেক্সকে ফ্রি করা এক জিনিস নয়।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
আজবতো, এরকম একটা ব্যাপার আমি জানতামইনা।মানে বলতে চাইছি কিনসের ব্যাপারটা।রিসার্চ এথিকস এমনিতেই একটা বিতর্কিত বিষয়।রিসার্চ এথিকসের উপরে আমাদের লেকচার শুনতে হয়েছিলো অক্সফোর্ডের প্রফেসর রজার জোয়েলের।ভীষণ মন্ত্রমুগ্ধের মতো ছিলো তার লেকচার।লড হাম্ফ্রের বিখ্যাত/কুখ্যাত রিসার্চ 'টীরুম সেক্স' সহ আরও অনেক উদাহরন দিয়ে আমাদের বুঝিয়েছিলেন সমাজের জানতে চাওয়ার প্রয়োজনে ব্যক্তির শয়ন কক্ষে প্রবেশের এথিক্যাল দ্বন্দ্ব, কোভার্ট রিসার্চ, ওভার্ট রিসার্চ ইত্যাদির দ্বন্দ্ব নিয়ে।এবং মোদ্দা কথা বলেছিলেন যে, রিসার্চের এথিকস যদি রিসার্চার নিজের বিবেচনা দিয়ে নির্ধারন না করেন পৃথিবীর কোন ডক্ট্রিন নেই যা রিসার্চে এথিকস এর নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে পারে।তবে আশ্চর্য যে কিনসের ব্যাপারটা একবারও এসেছে বলে মনে পড়ছেনা।ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য, জানা হলো।আর রকফেলার ফাউন্ডেশনকে দোষ দিয়ে লাভ আছে বলে মনে হয়না।ওরা হয়তো ভালোর জন্যই ফান্ড করেছিলো।তখনতো রিসার্চ করতে এখনকার মতো এতো কাঠখড় পোহাতে হতোনা। এখন একটা রিসার্চের প্রোপোজালে মেথডলজিটাই হচ্ছে মেইন সেকশন যেখানে কি ভাবে রিসার্চটা করা হবে তার বর্ণনা থাকতেই হয়।তখন হয়তো এতো ডিটেইলস ছিলোনা বিষয়গুলি।রকফেলার যতদূর জানি জনহিতকর কাজেই নিয়োজিত আছে, এমনকি বাংলাদেশেও মা ও শিশু স্বাস্থ্যের এক সময়কার বড় দাতা সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিলো ওরাই।ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে মুদ্রার অপর পিঠ জানাতে পেরে ভালো লাগছে । এই রকম অনেক কিছুই আমাদের জানতে দেওয়া হয় না । সিঙ্গেল স্টোরীর সেই ইউ টিউব ভিডিওটা দেখেছিলেন?
সেইখানে একটা কথা ছিলো , আমেরিকাকে চেনার জন্য ১৭শ শতক থেকে শুরু করলে এক রকম আর আমেরিগোর আমেরিকায় পদার্পণ থেকে শুরু করলে সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারার আমেরিকা ধরা পড়বে ।
একই কথা রকফেলার ফাউন্ডেশনের বেলাতেও। রকফেলার কে, কি ভাবে তাদের শুরু , কোন কোন কাজে জড়িত ছিলো দিয়ে শুরু করুন, বুঝতে পারবেন ।
---রিসার্চ মেথডের কিছুই না মেনে মন গড়া ডাটাকে " সত্য " বলে চালিয়ে দেওয়া এই ম্যাজিশিয়ান
একজন বিজ্ঞানীকে আর যাই বলা হোক ম্যাজিশিয়ান বলা যায় না।
কারা ছিলো কিনসের স্যাম্পল ?
সাধারণ নারী-পুরুষও ছিল, যা আপনি বেমালুম চেপে যাচ্ছেন।
এই জ্ঞান নিয়ে কিনসে কি করেছেন?
গবেষণার ফলাফল যে কেউই কাজে লাগাতে পারেন সেটা মানবকল্যাণে বা অকল্যাণে হতে পারে। কিনসে একা নিশ্চয়ই সে কাজ করেনি।
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়েছে , মূল পোস্টে দেওয়া সব কয়টা ভিডিও না দেখেই আপনি এই মন্তব্য করেছেন । কে বিজ্ঞানী , বিজ্ঞান কাকে বলে আর " সাধারন মানুষ আর রিপ্রেজেন্টেটিভ স্যাম্পল" এর পার্থক্য কি - এই সব বুঝার পরে তো আপনার এই রকম মন্তব্য করার কথা না।
একজন পেডোফাইল বিশ বছর ধরে হাজার হাজার শিশু এর উপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে গেছে , তার ভিতর ২ মাস বয়সী শিশু থেকে কিশোর কিশোরী সবাই ছিলো ।
সেই পেডোফাইলের বর্ননা থেকে আমরা জানতে পারি,
" ২ মাস বয়সে একটি ছেলে শিশুর পেনিস ৩ ইঞ্চির উপরে লম্বা হতে পারে । স্টিমুলেশন দিলে এত মিনিট পরে থ্রব করতে শুরু করে । সুতরাং , দুই মাস বয়সের শিশু যৌনতা উপভোগ করে ।
আরেক বর্ননায় সেই একই পেডোফাইল বর্ননা করেছে , শিশুরা অর্গাজমের সময় চিৎকার করে , থর থর করে কাঁপে , তাদের চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং সেইটা কখনো কখনো পরিমানে এতই বেশি যে তাতে আশে পাশে সব কিছু ভিজে যেতে পারে ।"
কিনসে এই বর্ননাকে শিশুদের " অর্গাজম বা শীর্ষসুখ বলে" গ্রহন করেছেন এবং দেশে বিদেশে "শিশুদের যৌনতা উপভোগের বৈজ্ঞানিক" রিসার্চ পেশ করেছেন । একটু মিলিয়ে দেখুন তো , " ধর্ষনের সময় শিশুরা চিৎকার করে , থর থর করে কাঁপে , তাদের চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং সেইটা কখনো কখনো পরিমানে এতই বেশি যে তাতে আশে পাশে সব কিছু ভিজে যেতে পারে ।" পার্থক্য দেখতে পান?
একটা সেক্স ম্যানিয়াক ধর্ষনের কষ্টকে শিশুদের অর্গাজম বলে চালিয়ে দিলো আর কিনসে সেইটাকে মেনেও নিলো । এইটা বিজ্ঞান এর কি কাজে লেগেছে ?
এই শিক্ষা থেকে আমরা কি জ্ঞান লাভ করেছি? " কিভাবে শিশুদের ধর্ষন করতে হয়" - এ গাইড বুক ফর পেডোফাইলস?
কেন সেইটা বৈজ্ঞানিক ছিল?
কিনসের মতে এইটা একটা বৈজ্ঞানিক রিসার্চ কারণ ঐ পেডোফাইল ঘড়ি ধরে ধর্ষণ করেছে । কয়টা মেয়ে শিশু কতক্ষণ কেঁদেছে মেপেছে । কয়টা ছেলে শিশুর পেনিস কত লম্বা মেপেছে । শিশুদের পেনিস কতক্ষণ ধরে স্টিমুলেট করলে তা দৃঢ় হয় তা মেপেছে । ফিতা দিয়ে পেনিস, যোনী মেপেছে ।
নাজিম উদ্দিন,
উপরের তথ্য গুলা বিজ্ঞানের কোন কল্যাণে লেগেছে আমাকে একটু বলবেন?
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
খাইছে! আমাদের উপর না কেউ আবার প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ এক্সপিরিমেন্ট চালাচ্ছে!!! যেমন মিডিয়া..............
লেখক বলেছেন: তা তো চলছেই ।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
@নাজিম উদদীন: উদ্দেশ্য যত কল্যাণকরই হোক, পেডোফাইল আর শিশুদেরকে দিয়ে যৌন এক্সপেরিমেন্টকে মানা যায়না।ধরে নিচ্ছি শিশুদের পিতামাতাদের ঐ এক্সপেরিমেন্ট এ মত ছিলো কিন্তু তাতেই একটা অনৈতিক ব্যাপার নৈতিক হয়ে যায়না।আমাদের দেশেও এমন অনেক বাবা মা পাওয়া যাবে যাদেরকে টাকা দিলে তারাও তাদের শিশুদের উপর এ ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে দিতে রাজী হবে কিন্তু তাতে আপনি শুধু কিছু লোকের মতটাকেই কিনলেন, এথিকসের সাথে কিন্তু কোন আপোষ রফা হলোনা।
লেখক বলেছেন: আমি ঠিক বুঝলাম না , " শিশুদের সাথে যৌন সঙ্গম " করতে হবে কেন?
কিনসে এসব মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখেছেন, অপরাধী হিসেবে নয়, ফলে তারা মন খুলে তার কাছে তাদের যৌনজীবন সম্পর্কে বলতে পেরেছে। তার কাছে সাধারণ মানুষ যেমন তাদের কথা বলেছে, যৌননিপীড়ণকারীরাও তাদের কথা বলেছে। তিনি তো এদের কাউকে যৌন নিপীড়ণে, শিশু নির্যাতনে উদ্ধুদ্ধ করেননি।
লেখক বলেছেন: তিনি তো এদের কাউকে যৌন নিপীড়ণে, শিশু নির্যাতনে উদ্ধুদ্ধ করেননি। ---- করেন নাই , এই সিদ্ধান্তে কি ভাবে উপনীত হইলেন?
১। নির্যাতনকারীকে পুলিশে না দেওয়া ।
২। অপরাধকে অপরাধ না ভাবা। অপরাধীকে অপরাধী না ভাবা।
৩। ২০ বছর ধরে জেনে শুনে বাধা না দিয়ে অপরাধীকে উলটা ঘড়ি ধরে , গজ ফিতা দিয়ে ধর্ষন রেকর্ড করতে বলা ।
৪। টাকা দিয়ে শিশু ধর্ষণ করানো ," রিসার্চের " নামে ।
৫। ধর্ষনের বর্ননাকে ' রিসার্চ ডাটা " হিসেবে দেখানো ।
৬। আক্রান্ত শিশুর কষ্ট ও দৈহিক প্রতিবাদকে " সুখ" হিসেবে চালিয়ে দেওয়া ।
এইগুলা অপরাধকে উৎসাহ দেওয়া না হইলে আর কি হইতে পারে ----- আপনার মাথা ঠিক আছে তো?
কঠিনলজিক বলেছেন:
লেখক কে অনেক ধন্যবাদ । এরকম একটা তথ্য বহুল লেখার জন্য । অনেকে এই পিশাচ সম্পর্কে আগে জানতেন , আমি এই প্রথম জানলাম ধাক্কার মত লাগল। সবাই পিশাচ বা তা কর্ম কান্ড কে ফোকাস করছেন আমার মনে হয় অথচ সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ অংশ হল সূক্ষ পথে গরীব দেশের মানুষ কিংবা নিজের দেশের অবুঝ সমাজকে অজ্ঞানতার অন্ধকারে রেখে ক্ষতিকর রিসার্চ কি হয় না? এখনো হয় বই কি। আমরা বাংলাদেশি না সরাসরি এর স্বিকার এবং এখনো হচ্ছি।
নাজিম উদদীন বলেছেন: মুভিটা দেখছি।
কিনসে'র অবদান তো বললেন না। যৌনতা সম্পর্কে সমাজের ট্যাবু ভেঙ্গেছেন, নিজের একান্ত গোপন কথা মানুষ অনেক স্বাভাবিকভাবে অন্যের সাথে শেয়ার করায় গবেষণায় যে সুবিধা হয়েছিল সেটা তো আপনি উড়িয়ে দিতে পারবেন না।
গবেষণায় আমাদের কাঙ্খিত ফল আসলে তবে গ্রহণ করা যাবে, না হলে সেটা বর্জনীয় কোন বিজ্ঞানীই মনে হয় সেটা ভেবে কাজ করেন না।
নাজিম উদদীন কে বলছি আমার সম্পুর্ণ ব্যাক্তিগত অভিগ্যতা এবং এই ২০১০ সালের ঘটনা।
ডিসেম্বর ২০০৯ এ ঢাকায় , আমার স্ত্রি অসুস্থ বোধ করলে ডাক্তারের কাছে গেলাম কয়েক টা অসুধের মধ্যে একটা অসুধের কোর্স হল ৩০ টা ট্যাবলেট। ৬ দিন বাকি তখন ফেরত আসার বেশি অসুধপত্র সাথে থাকলে প্রায় এয়ার পোর্টে ঝামেলা হয় তাই ঐ ঔষধ ১০ টার এক প্যাকেট কিনলাম ৪৫০ বা ৪৭০ টাকা মুল্য । ঔষধ শুরু করার ২য় দিন থেকে উপসর্গ দেখা দিল বমি আর মাথা ঘোরা।
যাই হোক এখানে আসার ২ য় দিন গেলাম ফার্মেসি তে , ফার্মেসির লোকটা খুবি অবাক !!! সে ফার্মেসীর ডাক্তার কে ডাকল তারা সলা পরামর্শের পরে যা বল্ল তা হল । এটা একটা হরমোনের ঔষধ এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পায় নাই তাই এই ঔষধ বহন করাও নিষিদ্ধ !!! পরামর্শ দিল কালকেই ডাক্তারের সাথে এপয়নমেন্ট নিতে।
ডাক্তার যা বল্ল তা হল গত সাত দিনের উপসর্গ গুলো এই ঔষধ টারই সাইড ইফেক্ট সেম ঔষধ টার বিকল্প দিল যার প্রতি ২ টা ট্যাবলেটের মুল্য বাংলাদেশি টাকায় ১১৫০-১১৮০ টাকা ।
এটা একদম আমার লেটেস্ট কাহিনী। আমি নিশ্চিত ঢাকায় কালকেও আপনি এটা পাবেন । যাচাই করতে চাইলে নাম টা খুঁজে দিতে পারি।
গরীব দেশের মানুষ কিংবা নিজের দেশের অবুঝ সমাজকে অজ্ঞানতার অন্ধকারে রেখে ক্ষতিকর রিসার্চের জলয্যান্ত প্রমান।
লেখক বলেছেন: কথা হচ্ছিলো কিনসেকে নিয়ে ।
কয়টা শিশুর অনুমতি নেওয়া হয়েছিলো তারা এই এক্সপেরিমেন্ট এ অংশ নিতে চায় কিনা?
গরীব দেশে যেটা হয় সেটা সম্পূর্ন ভিন্ন প্রসঙ্গ।
আমি লেখক যেভাবে কিনসেকে ডিমনাইজ করতেছেন সেটার বিরোধীতা করছি। পিয়ার-রিভ্যুড জার্ণালে আর্টিকেল ছাপানো একজনকে বিজ্ঞানীকে তিনি ম্যাজিশিয়ান বলছেন। কিনসে জীবিত থাকাকালে বিতর্কিত ছিলেন তাই বলে তাকে এভাবে তুলে ধরাটা মোটেই সমীচীন নয়।
উইকি থেকেঃ The New York Times: "The untimely death of Dr. Alfred C. Kinsey takes from the American scene an important and valuable, as well as controversial, figure. Whatever may have been the reaction to his findings—and to the unscrupulous use of some of them—the fact remains that he was first, last, and always a scientist.
লেখক বলেছেন: আপনার এই বক্তব্যকেই আমি চ্যালেঞ্জ করতে চাই ।
কিনসে সাইন্টিস্ট ছিলেন কিনা তর্কটা তো সেইটা নিয়ে নয় । আমি তাকে কোথাও "ডিমন" বা অপদেবতা বলিনি । ম্যাজিশিয়ান বলা হয়েছে কারণ তার তথাকথিত " রিসার্চ ডাটাতে" প্রচুর গোজামিল ও ভুল ছিলো যেগুলো তিনি নিজে নিজে এডিট করে আরো সঠিক বানানোর চেষ্টা করেছেন । এই রকম গ্যাটিশ মারা কাজ কর্ম আর যাই হোক , বিজ্ঞান নয় ।
তাছাড়া , ট্যাবু ভাঙতে শিশুদের যৌন নির্যাতন করা লাগে না , এইটা যে জানে না সে বিজ্ঞানী হয় কি করে?
সেক্স বুঝার জন্য তিনি নিজে ও তার কলিগদের নারী, পুরুষ ও পশুপাখির সাথে সেক্স করে দেখেছেন , দেখতে বলেছেন । শিশুর সাথে সেক্স করেছেন কিনা সেইটা এখনো জানতে পারিনি , জানলে জানাব ।
সমকাম বুঝতে হলে নিজে সমকামী হইতে হবে , শিশুরা যৌনতা বোধ করে কি না সেইটা শিশুদের জিজ্ঞেস না করে বড়দের দিয়ে শিশুদের ধর্ষন করাতে হবে --- এইটা আপনি কোন বিজ্ঞানে পড়েছেন?
স্তব্ধতা' বলেছেন:
@নাজিম উদদীন: আপনার কিনসের মনুষত্ব বোধের পয়েন্টটা ভালো লাগলো যে উনি অপরাধীদের অপরাধী হিসেবে দেখেননি।কিন্তু লেখক (রাগ ইমন) মূলত কিনসের রিসার্চের এথিক্যার কোড অফ কন্ডাক্ট এর উপর জোর দিয়েছেন (শিশু, পেডফাইলস, যৌনানুভূতি গবেষণার স্যাম্পল !!!!)।গবেষনার ফসল যাই হোক গবেষণা পদ্ধতিটার উপর নির্ভর করে গবেষণার সাফল্য বা ব্যর্থতার বিচারের মাপকাঠি। সমাজের মোটা মানুষের মৃত্যু অনুভূতি কষ্টকর বেশী না চিকন মানুষের মৃত্যুর অনুভূতি বেশী কষ্টকর এট জানার জন্য যদি আমি ল্যাবে ৫ জন মোট ও ৫ জন চিকন মানুষ নিয়ে মারার বন্দোবস্ত করে, পরে গবেষণা লব্ধ সামাজিক প্রেসক্রিপশন দেই যে, ''কম খাবেন কারণ মোটা লোকের মৃত্যু যন্ত্রণা বেশী'' এবং এরপর কেউ যদি আমাকে ম্যজিক রিসার্চার বলে (মকিং), তাদের খুব একটা দোষ কি দেয়া যাবে? হয়তো সমাজ এই জ্ঞানে উপকৃত হবে কিন্তু তার জন্য যে মূল্যটা দিতে হলো, যাদেরকে ল্যাবে নিয়ে মেরে ফেললাম তারা যে এই সুফলের অধিকারটা থেকে বঞ্চিত হলো, তার দায়ভার কে নেবে?।
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন ।
তানিয়া মুন বলেছেন:
দুবার পড়লাম। ভয়াবহ ব্যাপার। এদের অবশ্যই ধরে ধরে ফাঁসিতে চড়ানো উচিত। (এটুকু বলে মনে হচ্ছে কম বলা হয়েছে)
লেখক বলেছেন: কিনসেকে তার কৃত অপরাধের জন্য শাস্তি নয় , নোবেল দেওয়ার বন্দোবস্ত হচ্ছে ।
মানুষের ক্ষতি করে , বিশেষ করে হাজার হাজার শিশুর জীবন নষ্ট করে তিনি কারো কারো মতে নোবেল পাওয়ার যোগ্য হয়েছেন ।
আমি হতভম্ব । কিনসে মুভিতে তাকে যেইভাবে "মহান" দেখানো হয়েছে তাতে পিছন দিকে খুঁজে দেখা গেলো কিনসের রিসার্চের টাকা আর এই মুভির অর্থায়নে একই গোষ্ঠী কাজ করছে ।
তারপরেও সন্দেহ করা ঠিক না , তাই না?
লেখক বলেছেন: দয়া করে অন্যদেরও জানাও।
লেখক বলেছেন: চলে কারণ কেউ কেউ বিশ্বাস করেন এইভাবে লব্ধ জ্ঞান " মানব কল্যাণে" কাজে লাগবে।
লেখক বলেছেন: হুম
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
বিডি আইডল বলেছেন:
মানুষ বড় বিচিএ
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
পারভেজ বলেছেন:
নৈতিকতার কিছু সীমারেখা আছে, যেটা কোন অযুহাতেই পার করার সুযোগ নেই। কিনসে'র সময়কালিন সমাজ ব্যবস্থা তাকে কিছুটা সাপোর্ট দিয়েছে বলেই সে সেটা করতে পেরেছিল নিঃসন্দেহে। দুঃখের বিষয়, এমন সাপোর্ট সবসময়ই, সব সমাজে কেউ না কেউ পেয়ে থাকে।
ইউটোপিয়ান সমাজ কখনোই হবে না। কিন্তু তার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়াটাই মরালিটি।
লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত । সাপোর্ট দেওয়ার মানুষ তো এখনো কম না দেখা যাচ্ছে । নইলে তাকে মহান করে মুভি হবে কেন?
জুনাইদ কবীর তন্ময় বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: আমি কোনভাবেই পেডোফাইলদের বা শিশু নির্যাতন সাপোর্ট করিনি। কিনসে নিজেও করেছেন কিনা বলা যাবে না, সমাজে অপরাধী আছে, অপরাধের সাজা সে নিশ্চয়ই পাবে, না পেলে সেটা সমাজের ব্যর্থতা।
কিনসে এসব মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখেছেন, অপরাধী হিসেবে নয়, ফলে তারা মন খুলে তার কাছে তাদের যৌনজীবন সম্পর্কে বলতে পেরেছে। তার কাছে সাধারণ মানুষ যেমন তাদের কথা বলেছে, যৌননিপীড়ণকারীরাও তাদের কথা বলেছে। তিনি তো এদের কাউকে যৌন নিপীড়ণে, শিশু নির্যাতনে উদ্ধুদ্ধ করেননি।ভাই নাজিমউদ্দিন, আমি রাগ ইমন আপু/ আপনার মত টপিকটা নিয়ে বিশদ আলোচনায় যাবার মত নলেজ ধারণ করি না। কিন্তু আপুর পোস্ট এবং আপনার করা মন্তব্য নিয়ে কিছু না বলে পারলাম না। ইমনাপুর পোস্টের থেকে নেয়া নিচের লাইনগুলো কি আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে কিনা বুঝলাম না-
"১৯৯৮ সালে প্রচারিত বৃটিশ টিভি চ্যানেল ফোর ডকুমেন্টারিতে দেখানো হয় কিভাবে কিনসে শুধু ব্যবহারই নয়, রীতিমত টাকা পয়সা ও উৎসাহ দিয়েছেন তার অধীনে কাজ করা " সাইন্টিফিক" পেডোফাইলদের। কিনসে রিসার্চ সেন্টার স্বীকার না করলেও একজন নারীর সাক্ষাৎকার আমাদের জানায় কি ভাবে কিনসে টাকা পয়সা ও " ডাটা রেকর্ড করা ও কোয়েশ্চেনেয়ার পাঠিয়ে" উৎসাহ দিয়েছিলেন এস্টারের ( ছদ্মনাম ) দাদা ও বাবাকে এস্টারের শিশু বয়স ( ৩-৪ বছর) থেকে তার উপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষন চালিয়ে যেতে"
ডোন্ট টেক ইট আদার ওয়াইজ, আপনার মন্তব্য পড়ে আমার কেবল তর্কের খাতিরে তর্ক করার মনে হয়েছে। আর কোন বিষয়ে একটা অবস্হান নিতে হলে নিজের বিবেকের কাছে পরিস্কার থাকা প্রয়োজন। গরু-ছাগল আপরাধী হয় না, মানুষই হয়। সে ক্ষেত্রে-
"সমাজে অপরাধী আছে, অপরাধের সাজা সে নিশ্চয়ই পাবে, না পেলে সেটা সমাজের ব্যর্থতা।"
এই টাইপের মনোভাব পোষন করা আরেক প্রকার অপরাধেরই নামান্তর মাত্র। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার চোখ এড়ায়নি দেখে খুশি হলাম। অনেক ধন্যবাদ ।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
তবে এই পোস্টটার দরকার ছিলো, নইলে আমরা যারা কিনসের চরম ধাপ্পাবাজী সম্পর্কে জানিনা, তারা হয়ত পজিটিভ ধারনা নিয়ে থাকতো!! সন্দেহ নাই যে রিসার্চের ছদ্মবেশে তার এই চরম ধাপ্পাবাজী মানুষের জৈবিক অনুভূতির ব্যবসার সম্প্রসারনে ও নৈতিকতাকে ভোতা করার কাজ করেছে!!! জটিলল পোস্ট!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । প্রতিটা ঘটনারই একটা অপরপিঠ থাকে । জানলে পুরাটাই জানা দরকার ।
খন্ডিত সত্য হইলো মিথ্যার চেয়ে ভয়ংকর।
জাতিষ্মর বলেছেন:
নটরডেম কলেজের আজমল স্যার (HSC তে উনার একটা বায়োলজি বই ছিল) ম্যালারিয়া নিয়া পড়ানোর সময় ম্যালারিয়া প্যারাসাইট আবিষ্কারক স্যার রোনাল্ড রস কিভাবে ব্রিটিশ আর্মির সাধারণ সোলজারদের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা করতেন সেটা খুব রসায়ে রসায়ে বলতেন। তার আবিষ্কার আমাদের মত ট্রপিক্যাল কান্ট্রির জন্য কতটা গুরুত্বপুর্ণ সেটা মনে হয় আমরা স্বীকার করি। কিন্তু কিনসে সাহেবের কুৎসিত যৌনতা বিষয়ক আবিষ্কার আমাদের কনজারভেটিব মন মেনে নিতে পারতেছে না বইলাই মনে হ্য় তার এক্সপেরিমেন্ট গুলার এথিকস নিয়া প্রশ্ন তুলতেছি।
লেখক বলেছেন: আমাদের কনজারভেটিব মন মেনে নিতে পারতেছে না বইলাই মনে হ্য় তার এক্সপেরিমেন্ট গুলার এথিকস নিয়া প্রশ্ন তুলতেছি।------
১ম কথা হলো , অন্য কেউ করেছে তাই কিনসে মহান --- এইগুলা কুযুক্তি । অন্য কেউ করে থাকলে সেও একই অপরাধে অপরাধী ।
------------------
২য় কথা হইলো ,
একটা এক্সপেরিমেন্ট মানুষের উপর তখনই করা যায় যখন সেই মানুষ গুলা ,
১। কি ঘটতে যাচ্ছে তার সম্পর্কে খুটিনাটি সহ সমস্ত তথ্য জানে ।
২। যা জানে তার লাভ ও ক্ষতি সম্পূর্ণ বোঝে ।
৩। সব কিছু জেনে , বুঝে , ভেবে চিন্তে স্বেচ্ছায় অনুমতি দেয় ।
৪। স্বেচ্ছায় অনুমতি দেওয়ার মত যথেষ্ট প্রাপ্তমনস্ক , প্রাপ্ত বয়স্ক ও মানসিক ভাবে সুস্থ হয় ।
৫। টাকা পয়সা , ভয় ভীতি , সামাজিক বা সাস্কৃতিক দায়বদ্ধতা ইত্যাদি কোন রকম প্রভাবক ছাড়াই সিদ্ধান্ত গ্রহনে সক্ষম অবস্থানে থাকে ।
আপনার বৃটিশ সোলজাররা কি উপরের ৫ টা শর্ত পূরণ করেছিলো? না হলে রস অবশ্যই অপরাধী ।
একটা ২ মাস বয়সের কিংবা ৪ বছরের শিশু কি উপরের শর্ত পূরণ করে? কোন ভাবেই না । তাহলে , কিনসে কি করে নিরপরাধ হয়?
--------------------
৩য় কথা হইলো ,
শিশুদের যৌনতা নিয়ে কিনসে যা কিছু বলেছে তার সবটাই সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা । আপনার কি মনে হয় ? তার পদ্ধতি সঠিক হইলে আমরা ডাহা ভুল জিনিস পেলাম কেন?
-----------------
শেষ কথা ,
কিনসে যদি অপরাধ নাই করে আর ঐ পদ্ধতি যদি মানুষের ক্ষতি নাই করে তাহলে , আজকের সভ্য দুনিয়ার সব কয়টা জায়গায় কেন রিসার্চের আগে প্রমান করে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম হয়েছে ?
কেন সব কয়টা হাতি এবং পাতি বিজ্ঞানীকে এথিক্স ( উপরে উল্লেখিত শর্ত ) পূরণ করে রিসার্চ করতে হয়?
কেন " কনফ্লিক্ট ও ইন্টারেস্ট" আছে কিনা জানাইতে হয়?
এই নিয়ম গুলো কেন দরকার হয়েছে বোঝেন ?
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
@নাজিমউদ্দীন ...আমাদের অনেক মানুষের মধ্যেই একটা উন্নাসিকতা লক্ষ্য করা যায়.. যে সব নিরীহ মানুষ এই ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার কারনে ধবংস হয়ে যায় আমরা নিজেদের তাদের থেকে অন্যরকম ভাবি, অবচেতন ভাবেই আমরা নিজেদের আলাদা ভাবি তাই এই ধরনের ভয়ংকর বিকৃত পরীক্ষাগুলোকেও অবলীলায় বিজ্ঞান বলি আর এদের বিজ্ঞানী বলে গদ গদ হই। কিন্তু এইসব শিশুদের জায়গায় একবার চোখ বন্ধ করে নিজের ছেলে/মেয়ের কথা কল্পনা করুন... যদি সত্যিই সেটা পারেন তাহলে পরীক্ষার নামে এই সব বিকারগ্রস্থটা সহজেই বুঝতে পারবেন।একজন নারীর সাক্ষাৎকার আমাদের জানায় কি ভাবে কিনসে টাকা পয়সা ও " ডাটা রেকর্ড করা ও কোয়েশ্চেনেয়ার পাঠিয়ে" উৎসাহ দিয়েছিলেন এস্টারের ( ছদ্মনাম ) দাদা ও বাবাকে এস্টারের শিশু বয়স ( ৩-৪ বছর) থেকে তার উপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষন চালিয়ে যেতে । দুই পর্বের আরেকটি ডকুমেন্টারিতে আমরা দেখি কি ভাবে কিনসে ও তার কলিগরা তাদের নিজেদের রেকর্ড অনুসারে " শিশু নির্যাতনকারী পেডোফাইল" ই শুধু নয় প্রায় ৩১৭ থেকে ২০৩৫ শিশুকে ব্যবহার করেছে তাদের তথাকথিত " শিশুদের যৌনতা" রিসার্চে ।
---শুধু এই কারনেই কিনসের হাজারবার ফাসি হওয়া উচিৎ, যদি সত্যিই মানবতা বলে কোন বোধ থেকে থাকে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে এমন কি " দা এন্ড জাস্টিফাইস দা মিন্স" পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না , অথচ তারপরেও আমরা কুৎসিৎ সত্যটার মুখোমুখি হইতে রাজি না।
আশ্চর্য!
কিনসে শিশুদের যৌনতা নিয়ে কি এমন " লাভ জনক" জ্ঞান আমাদের দিয়েছেন ?
তাজা কলম বলেছেন:
যে কোন গবেষণায় ইথিকস অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিনসের গবেষণা কতোটুকু সায়েন্টিফিক সে বিষয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। এ ছাড়া গবেষণার নামে শিশুদের যৌন এভাবে হয়রাণি করা নি:সন্দেহে গর্হিত অনৈতিক কাজ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
রীতিমত অসুস্থবোধ করছি!! আচ্ছা বিভিন্ন রিসার্চের এথিক্সটা কি ডিফেক্টো না ডিজুরী??মানে কনভেনশন না কমপালসারী??
লেখক বলেছেন: আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহলে কনভেনশন মানে কেউ না মানলে তাকে বয়কট করা ছাড়া শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার আলা কোন কোর্ট বা এজেন্সি নেই ।
কোন কোন দেশে তাদের নিজস্ব আইনের কারণে এইটা বাধ্যতামূলক এবং ক্ষতি প্রমানিত হলে জরিমানা ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ । আমেরিকা একটা উদাহরণ ।
এক দেশের লোক আরেক দেশে কিছু করলে তখন দুই দেশের ভিতর আইন, কানুন, চুক্তি থাকতে হবে । এখন মনে হয় খুব বেশি হইলে ইউ এন এর কাছে অভিযোগ করা যায় ।
তারপর ইউ এন বইসা বইসা পান চিবায় আর দাঁত খিলাল করে ।
এর বেশি কিছু জানি না।
জাতিষ্মর বলেছেন:
"এই নিয়ম গুলো কেন দরকার হয়েছে বোঝেন ?" এখন মানুষ কিছুটা সভ্য হইছে মনে হয়। কিন্তু একশ-আশি বছর আগে মানুষ অপর মানুষ সম্পর্কে এত উচ্চ ধারণা পোষণ করত নাহ। কিনসে সাব সেই আমলের লোক, এই আমলের নিয়ম দিয়া তো জাজ করা ঠিক হইব নাহ। "শিশুদের যৌনতা নিয়ে কিনসে যা কিছু বলেছে তার সবটাই সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা । আপনার কি মনে হয় ? তার পদ্ধতি সঠিক হইলে আমরা ডাহা ভুল জিনিস পেলাম কেন?"
এক্সপেরিমেন্ট তো এক্সপেরিমেন্টই,রেজাল্ট ঠিক,বেঠিক হইলেই কি? আর ঠিক হইলেই কি কিনসের এক্সপেরিমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করতেন?
এখনো কি কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে? মানলেও সেইটা হয়ত ছোটো কোনো ল্যাবে ছোটো কোনো এক্সপেরিমেন্টেই। কোটি ডলারের প্রজেক্টে পুরা একটা জাতির উপরেই তো এক্সপেরিমেন্ট চালানো হচ্ছে।
অপলক বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম। গোছান উপস্থাপন। ভাল লাগল।
কঠিনলজিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কথা হচ্ছিলো কিনসেকে নিয়ে । কয়টা শিশুর অনুমতি নেওয়া হয়েছিলো তারা এই এক্সপেরিমেন্ট এ অংশ নিতে চায় কিনা?
আমি এটাই মিন করেছি। বাংলাদেশের মানুষের উপর যে এরকম পরিক্ষামূলক ঔষধ গুলোর প্রয়োগ হচ্ছে অনুমতি তো অনেক পরের ব্যাপার আমাদের কে জানানোও হচ্ছেনা যে এটা পরিক্ষামূলক এবং ঘটনা কাল ১৯২০ সাল নয় ২০১০ সাল।
এর প্রতিকার কি এবং কি ভাবে?
সুবিদ্ বলেছেন:
অনেক কিছু জানা হলো.......
তাশমিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ শেয়ার করবার জন্য।
হোসেন মনসুর বলেছেন:
জঘন্য একটা লোক কিনসে।
সাহোশি৬ বলেছেন:
অত দূরে যাবার দরকার কি? বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবিতেই শিশুদের উপর বিভিন্ন রকমের সায়েন্টিফক এক্সপেৈমেন্ট চালানো হয় (সেক্স সংক্রান্ত এক্সপেরিমেন্ট নয় অবশ্য)। এই সমস্ত এক্সপেরিমেন্টের অন্যতম হল গবেষনা দ্বারা এখনো নিরাপদ প্রমাণিত হয় নি এমন টিকার কার্যকারিতা বাংলাদেশের গরীব শিশুদের উপর চালানো হয় আইসিডিডিআরবির মাধ্যমে। আরেকটি বহুল আলোচিত এক্সপেরিমেন্ট হলো কন্ট্রাসেপটিভের এক্সপেরিমেন্ট, এটা অবশ্য প্রাপ্ত বয়স্কদের উপরে চালানো হয়।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















