ফাইল ও প্রেজেন্টেশন গুলো ইংরেজিতে বলে দুঃখিত। এই ফাইল গুলো মূলত টেলিমেডিসিন বা কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে চিকিৎসার উপরে কিছু প্রাথমিক ধারণা নেওয়ার জন্য। ডাউন লোড করে পড়ে নিন।
EhealthGuidebook.pdf
telemedicine_bennoor.pdf
Bangladesh_eHealth_status.pps
বাংলাদেশের শিশু বয়সের ( নবজাতক থেকে শুরু করে স্কুলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ) বাচ্চাদের রোগ ও রোগের প্রতিকার সম্বলিত বিভিন্ন গাইড বুক। এলাকার স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজে লাগতে পারে। জিজ্ঞেস করে জেনে নিন, এই বই গুলোর বাংলা ভার্শন কোথা থেকে পাওয়া যায়।
কমিউনিটি -ইন্টেগ্রেটেড ম্যানেজমেন্ট অফ চাইল্ডহুড ইলনেস (শিশুকালের রোগ প্রতিকারের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা)
অনেক এন জি ও আছে যাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের ট্রেনিং দিতে হয়। আবার ট্রেনিং প্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের বার বার রিফ্রেশার ট্রেনিং দিতে হয়। এই সব ট্রেনিং এ মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে ভিডিও, ছবি , পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদির সাহায্যে ট্রেনিং দিলে কাজটা সহজ ও আরো ফলপ্রসূ হয়। এছাড়া , ট্রেনিং এর কাজে আপনাদের মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করতে দিয়ে আয় করতে পারবেন।
ঢাকা বা হেড অফিস থেকে প্রায়শই এই সব স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় বড় ডাটা ফাইল পাঠানো হয়। গাইড বই, বিভিন্ন ফর্ম ও পুস্তিকা পাঠানো হয়। আবার স্বাস্থ্যকর্মীদেরকেও নিয়মিত বিভিন্ন ডাটা হেড অফিসে বা জেলা অফিসে পাঠাতে হয়। এই সমস্ত কাজে আপনারা এন জি ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরকে যদি ব্যক্তিগত ই মেইল খুলে দেন এবং সেইটা ব্যবহার করে কি করে বিভিন্ন ধরনের ফাইল আদান প্রদান করতে হয় তা শিখিয়ে দেন তাহলে এই সেবার বিনিময় আয় করতে পারবেন।অনেক এন জি ও কর্মী আছেন যারা কম্পিউটার ব্যবহার জানেন না । তাদেরকে কম্পিউটার ব্যবহার করে কি ভাবে তথ্য পাঠাতে হয় তা শিখিয়ে এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিয়ে কেন্দ্রের আয় বাড়াতে পারেন।
বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে ইউনিয়ন লেভেলে অনেক খবর, ঘোষণা, তথ্য ও নির্দেশ পাঠানো ও প্রচারের দরকার হয়। এই ধরনের তথ্য গুলো সরকার আপনাদের কাছে পাঠাতে পারে। এবং আপনাদেরকে স্বল্প টাকার বিনিময়ে সে সবের প্রচারে কাজে লাগাতে পারে। এই ধরনের কাজ করার জন্য আপনার ইউনিয়নে কয়টি খানা (পরিবার) আছে, তাদের সম্পর্কে কিছু তথ্য সহ একটা তালিকা সব সময় হাতের কাছে রাখুন। পারলে যাদের মোবাইল ফোন আছে, তাদের টেলিফোন নম্বর এবং দরকারী সমস্ত সরকারী অফিসের নম্বর সহ।
একই ভাবে, ইউনিয়ন পর্যায়ের অনেক ধরনের তথ্য সরকার নিয়মিত সংগ্রহ করে। এইগুলাকে বলে জরিপ। সেই সবের মধ্যে এলাকার স্বাস্থ্যের তথ্য, কৃষি তথ্য, পশু পাখির তথ্য, শিক্ষার তথ্য, রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন উন্নয়ন্মূলক কাজের তথ্য ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনারা ইউনিয়ন কেন্দ্রের মাধ্যমে কর্মীদের এই তথ্য পাঠানোর কাজে সাহায্য করতে পারেন। আপনারা যদি শিখে নেন জরিপ কি ভাবে করতে হয় তাহলে, তাহলে খুবই ভালো হয়। এইগুলা খুব কঠিন কিছু না। যেমন ধরুন, আদমশুমারি। প্রতি ১০ বছর পর পর বাংলাদেশ সরকার দেশের লোকসংখ্যা গুণে। কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। কিন্তু তাও সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। আপনারা সারা বছর ধরে একটু একটু করে আপনার ইউনিয়নের পারিবারিক তথ্য ও তালিকা তৈরী করতে পারেন। স্রেফ পরিবারের সংখ্যা, পরিবারে সদস্যের সংখ্যা = মানে এলাকায় মোট কতজন লোক বাস করে - শুধু এই তথ্য আপনার কাছে থাকলেই একটা জরিপের কাজ হয়ে গেলো। জরিপের বিনিময়ে জাতীয় ডাটাবেজে তথ্য পাঠিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।
আরেকটা জরিপ হলো বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে। ২০০৭ সালে শেষ একটা জরিপ হয়েছে। মাত্র ১০,৮৩০ টি খানা বা পরিবারের সম্পর্কে কিছু তথ্য নিয়ে সারা বাংলাদেশের ১৫-১৬ কোটি মানুষের বয়স, পেশা, স্বাস্থ্য , আর্থসামাজিক অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করে এই তথ্য। এর মানে হইলো, ১০ জনকে দিয়ে ১০০ জনের অবস্থা আন্দাজ করার মত। বা একটা মাত্র ভাত টিপে বলার চেষ্টা করা যে হাড়ির সব ভাত সিদ্ধ হইলো কিনা। স্বাভাবিক ভাবেই এই ধরনের জরিপে, ভুল থাকতেই পারে। আবার যত বেশি মানুষের উপর জরিপ করা হবে এবং যত বেশি মানুষের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হবে - জরিপের ফলাফলে তত ভুল কম হবে। আবার এই জরিপের ফলের উপরে ভিত্তি করেই বাংলাদেশের সকল বাজেট এবং অন্যান্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই, এই ধরনের তথ্যের দাম অনেক অনেক বেশি। আপনারা যদি নিজ নিজ ইউনিয়নে একই ধরনের তথ্য নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করেন এবং তা নিয়মিত আপডেট করেন ( মানে , সাম্প্রতিকতম তথ্য যোগাড় করে রাখেন) তাহলে যখন যেই সংস্থা বাংলাদেশের মানুষের উপরে কোন কাজ করবে , তাদেরকে আপনাদের কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে। বার বার লোক জন ট্রেনিং দিয়ে বার বার জরিপ করার চেয়ে আপনাদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া সোজা এবং নির্ভুল হহওয়ার সম্ভাবনা বেশি । বিদেশে অনেক প্রাইভেট কোম্পানি এই রকম মানুষের তথ্য বড় বড় সংস্থা এবং সরকারের কাছে বিক্রি করে। আপনারাও সেবা বিক্রি করতে পারেন। ডেমোগ্রাফিক ডাটায় যে সব তথ্য যুক্ত করতে হবে তা এই ফাইল থেকে দেখে নিন। ব্লগার জয়নাল আবেদীন পারিবারিক স্বাস্থ্য কার্ড করতে চাইছেন। এই ফাইলের শেষের দিকে একটা উদাহরণ দেওয়া আছে, কি কি প্রশ্ন করা হয় এবং কি ভাবে উত্তর নেওয়া হয়। বাংলাটা পাইনি, ইংরেজিটা দেখে দেখে একই রকম প্রশ্ন পত্র তৈরী করে নিতে পারেন। এই প্রশ্ন পত্রের তথ্য অনুযায়ী ডাটা বেজ তৈরী করতে হবে। সেই ডাটা বেজ থেকে পরে যে কোন ধরনের কার্ড ( পারিবারিক স্বাস্থ্য কার্ড, ভোটার কার্ড ইত্যাদি) বানাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক এন্ড হেলথ সার্ভে
পিডিএফ ফাইলটা বড় বলে এইখানে আপলোড করলাম না। আপনারা লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। কেউ মেইল এড্রেস দিলে আমি মেইল করে দিতে পারি। ফাইলের ৩০৪ নম্বর পৃষ্ঠায় প্রশ্নপত্রটা আছে।
এছাড়া অন্যান্য ট্রেনিং যা দিয়ে কেন্দ্রের আয় বাড়াতে পারেনঃ
লেখাপড়া, ট্রেনিং ও অন্যান্য কাজে কি ভাবে মাইক্রোসফট অফিসের এপ্লিকেশন ( ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সেল, এক্সেস, ইত্যাদি) ব্যবহার করতে হয় তা শিক্ষক, ছাত্র ছাত্রী , এন জি ও কর্মীদের ক্লাস নিয়ে শিখাতে পারেন। যারা ছবি তুলেন তাদেরকে শিখাতে পারেন পিকচার ম্যানেজার ও ফটোশপ। যারা ব্যবসা করেন তাদের শিখাতে পারেন এক্সেল শিটে কি ভাবে ব্যবসার হিসাব নিকাশ করতে হয়। আপনারা নিজেরাও এই ধরনের বহু সফট ওয়ার আছে যা নিজে নিজে গুতাগুতি করতে করতে শিখে নিতে পারবেন। অনলাইনে টিউটোরিয়াল ও পাওয়া যায়। তবে বেশির ভাগই ইংরেজিতে।
যারা নতুন কিছু শিখতে চাইছে কিন্তু শেখানোর কাউকে পাচ্ছেন না , তারা গুগুলে আপনার শিখার বিষয়টির নাম লিখে সার্চ দেবেন। এরপর পেজের উপরের দিকে যেখানে Web Images Videos Maps News Shopping Gmail more এই রকম লেখা থাকে, সেখানে Videos তে ক্লিক করবেন । এতে করে, সেই বিষয়ের উপরে যে সব ভিডিও আছে, আপনার ইন্টারনেট লাইনের স্পিড ভালো থাকলে তা দেখতে পাবেন।
আজ এইটুকুই ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

