গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর সীমান্তে বাংলাদেশের ভিতরে প্রবেশ করে বিএসএফ বিডিআরের হাবিলদার আব্দুল হান্নান সরকার (৫৫) ও ল্যান্স নায়েক কৃষ্ণপদ সাহা (২৮) কে পশুর মতো গুলি করে হত্যা করে। তার একদিন পর আবার রেজাউল ইসলাম (৩২) ও জয়নাল আবেদীন (৩৫)গুলি করে হত্যা করে এবং লাশ নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে কোন কথা নাই আমাদের দেশ প্রেমিক আওয়ামী লীগ বি.এন.পি অন্য
দলের নেতাদের! ঘটনা টা কি? জামাত ও কিছু কইলো না!!!? বি.এন.পি মাঝে
মধ্য কিছু বলে তাও তাদের রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য।কিন্তু আওয়ামী লীগ সব সময় চুপ থাকে! অথচ তাদেরই প্রথমে প্রতিবাদ করার কথা। কারন তারাই সব সময় বলে তারা স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি! তাহলে কি দাঁড়ায়? আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা
যারা মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক ছিলো তাদের মুখে ও দেখি কোন কথাই নাই। জিল্লু
রহমান আছে শুধু উপজেলা নির্বাচন নিয়ে। বি.এস.এফের মতো সে ও হুমকি
দিতেছে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে! স্হানীয় নির্বাচনে আপত্তির কারন কি? ভাদাকার(ভারতীয় দালাল) আর কাকে বলা যায়। রাজাকারের পরিচয় আছে ভাদাকারের
তাও নাই! তারা প্রগতি চর্চা করে নিজেদের ভাই বোনদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে!
কিন্তু প্রশ্ন হইলো ভারত বাদে অন্য কোন রাষ্ট্র যদি এমন আচরণ করতো আমাদের সাথে তাহলে তারা কি করতো? আবার যদি সে রাষ্ট্র মুসলিম রাষ্ট্র হতো। এদের মধ্য আর রাজাকের মধ্য পার্থক্য কি? শুধু ১৯৭১ আর ২০০০ ছাড়া। রাজাকারের মতো ভাদাকারদের ও তালিকা করা উচিত। এ সব ভন্ড প্রগতিবাদীদের কীর্তন বর্জন করা উচিত। এ দেশ শুধু মাত্র দেশ প্রেমিকদের জন্য কোন রাজাকার ভাদাকারদের
জন্য নয়। একবার(৫/৬ বছর আগে) আওয়ামী লীগের আব্দুল জলিল উন্মুক্ত সমাবেশে ভারতীয়দের আবেদন জানিয়ে ছিলো(সাহায্য করা জন্য) স্বাধীনতা রক্ষার জন্য! আমাদের স্বাধীনতা নাকি চলে যাচ্ছে কোথায় ! ৭১ রের মতো সাহায্য যেন আবার করে। একটা স্বাধীন দেশের নেতা কিভাবে এমন আবেদন করে? যদি না সে ভারতীয় দালাল না হয়। স্বাধীনতা না ক্ষমতা পাইতে ছিলো না তার জন্য যদি এমন আবেদন করতে পারে একটি রাজনৈতিক দলের সাধারন সম্পাদক তাহলে বুঝা যায় এরা কারা। আবার তারাই বলে সে দল নাকি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি! সত্যেই এর চেয়ে বড় ভাদাকার শুধু একজনই আছে। কত রাজা গোলাম বিবির কার্ড খেইলা এখন সে সিংগাপুরে হাওয়ায় সাদাচুল আরো সাদা করিতেছে! আমাদের সাথে তারা
(ভরতীয়োরা) দাবা খেলবো আর আমরা উপজেলা নির্বাচন রুক্ষে দেয়ার হুমকি
দিমু! এর চেয়ে বড় দেশ প্রেমিক চেতনার ব্যপারীর কে হইতে পারবো? অথচ
৪ জন বাংলাদেশীর মৃত্যুতে তাদের কোন বক্তব্যোই নাই!যত মুখোশ পরা
ভাদাকার আছে সব গুলার আসল পরিচয় কি তা তো এখন প্রমান হইতেছে।
সা.ইনের অনেক কুলীন ব্লগার সারাদিন রাত দেশ প্রেমের ধোঁয়া তুলে রাজাকার তাড়ানোতে ব্যস্ত থাকে অথচ তারা এখন নিঃশ্চুপ কারনটা কি? শুধু কি রাজাকারের বিপক্ষে লিখে দেশ প্রেমিক হওয়া যায়? আর কি কোন দায়িত্ব কর্তব্য নেই?
চেতনার আলোক রশ্মি কি ভারত প্রেমের আলোতে গিয়ে হারিয়ে যায়?
দেশের জন্য ক্ষতি কারক ট্রানজিট নিয়ে যখন ভারতের চাপ চাপি শুরু হয়
তখন দেখা যায় আমাদের কুলীন বুদ্ধির ঢেকিরা চুপ থাকে কিসের আরাধনায়?
প্রশ্ন তো হাজার আছে সে বোবা ঢেকিরা তো উত্তর দিবে না! তবে মৌসুমী বাতাসে আবার তারা মরা ঝরা পাতার মতো ছন্দ বিলিয়ে যাবে বাংলার আকাশে বাতাসে
এসো হে বৈশাখ.... গান্জিকা সেবন করে পান্জবী পরে হারিয়ে যায় একদিনের
একুশের চেতনায়! একুশে হলো আমাদের স্বাধীনতার মন্ত্র! কিন্তু অতি
আশ্চার্যের বিষয় হলো সে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যারা সীমান্তে সীমান্তে রাত
কি দিন অন্তত প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে তাদের অস্বাভাবিক নির্মম মৃত্যুতে
কোন শব্দের ছন্দময় মন্ত্র তাদের মুখ দিয়ে বাহির হয় না! যাদের বাহির হয়
তাদের কে রাজাকার সাম্প্রদায়িক বিভিন্ন নীতিবাচক শব্দ দিয়ে শেকল পরানো
হয়।এরা যে কত জঘণ্য মানুষ তা মীর জাফর মীর মদনেরা দেখে ও লজ্জায়
আত্ম হত্যা করতো হয়তো। এরা হুইসকি আর ফেনেসিডিল সেবন করে দেশ
প্রেমের কথা আউলায়। আমাদের বুদ্ধি প্রতিবন্ধিরা ও এদের থেকে অনেক উন্নত
মানুষ দেশ প্রেমিক।
আমাদের জাতীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এখন কি করা উচিত? আমার মতে
ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও করে গন অনশন করা উচিত।কিন্তু এ রকম প্রতিবাদ
কি হবে?
***স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কত জন কে তারা এভাবে হত্যা করেছে আমি সঠিক সংখ্যা জানি না। কেউ যদি সঠিক তথ্য জানেন তাহলে একটু দয়া করে একটা পোষ্ট দেন।
বিঃদ্র > আমি জানি আমাকে রাজাকার বলা হবে(চেতনার রাত প্রহরীরা কেপি
টেষ্ট করবে তাতে আমার কিছুই আসে যায় না। কারন আমি জানি আমি কে।
আমি আমার দেশ কে ভালোবাসি। সেটা একজন বীরের চেয়ে কম নয়।
তবে গালির বিনিময়ে গালি দিতে... ,খারাপ লাগে না। ভাষার বিনিময় বুঝি...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

