এই চোখে তাকিয়েও না তুমি বেসরকারি হয়ে যাবে.........
দুর্নীতি দমন কমিশনের গত দুই বছরের কর্মকাণ্ড নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে গেছে বলে মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ করেছেন। তিনি বলেন, "দুদককে আর রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হবে না। আমরা চেষ্টা করছি কেউ যেন পিছন থেকে দুদককে আর ব্যবহার করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে।"
কেমনে কি?
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, "গত দুই বছরে দুদক আইনের অপ-প্রয়োগ, অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। দুদকের এসব কর্মকাণ্ড প্রতিষ্ঠানটি নিজেই পরিচালনা করেছে, নাকি পেছনের কোনো শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকে গেছে। "
প্রশ্ন গুলা কেমন? ও কি কি?
বাবর এবং ম খা আলমগীরের সমর্থকদের জনগণ বলে
গত দুই বছরে দুদকের করা মামলা প্রত্যাহার করা হবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ওই সময়ে বেশিরভাগ মামলাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেতাদের বিরুদ্ধে করা হয়েছিল।
শব্দঝটঃ- ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক:>
হাসিনা সহ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিদের সব মামলাই ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক
ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক তা আদলতেই বলতে পারে। প্রমান হইবার পুর্বেই কাদম্বিনী ভিত্তিহীনমূলক, উদ্দেশ্যমূলক, হয়রানিমূলক নিরপেক্ষতা পাইলো
তবে যেসব মামলার ভিত্তি রয়েছে সেগুলো চলবে জানিয়ে শফিক আহমেদ বলেন, "ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা দুদকের রয়েছে। কিছু কিছু মামলার ভিত্তি আছে। সেসব মামলা চলতে কোনো বাধা নেই।"
ভিত্তিযুক্ত মামলা কিভাবে নির্ধারিত হইবো?
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন-২০০৪ এর সংশোধনীর বিষয়ে মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, "মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুদক আইনের সংশোধনীতে দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।
এর ফলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত মামলার তদন্ত আর দুদককে করতে হবে না। এছাড়াও দুদকের মামলায় এতদিন রাষ্ট্রকে পক্ষ করা হতো। সংশোধিত আইনে দুদক নিজেই পক্ষ হবে।"
বেসরকারিরা দেশের মানুষ না!
"ধর্ম নিরপেক্ষতা" হৈবে মাগার আইন নিরপেক্ষ হৈবে না কারন সেক্যুলার এই রকম খাইলে খান না খাইলে পুন্ডেন
আইনমন্ত্রী জানান, দুদকের মামলা জট কমাতে প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতেই আইনের সংশোধনী আনা হয়েছে। তবে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা বহাল থাকায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলাও তদন্ত করতে পারবে দুদক।
দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারা ও তুইলা দেন
সরকারি কর্মচারীরা সরকারি নাগরিক(বেসরকারি নাগরিক নয়) তাই তাদের বিচার করা যাবে? বেসরকারিদের বিচার করা যাবে না! কারন তারা গনপ্রজাতন্ত্রিক বাংলাদেশের বেসরকারি নাগরিক
আইনমন্ত্রী বলেন, "বর্তমানে দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে যাকে সরকার নিয়োগ দিয়েছে তিনি সৎ ও দক্ষ। আমরা মনে করি তিনি দুদকের কাজকে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিতে পারবেন।"
গোলাম রহমান( সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সচিব) তিনি সৎ ও দক্ষ এ রকম সৎ ও দক্ষ তো বিচারপতি কে এম হাসান ও ছিলো
সূত্রঃ- ঢাকা, মে ০৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


