
আমরা সকলেই জানি , আইএমএফ তেমন একটা সুবিধার কিছু না । এরা যেসব কতা কয়, যেসব প্রস্তাব দেয়, অগুলা ফলো করলে, দেশ আরও বাশ খায়।
আই এম এফ কেম্নে বাশ দেয় এর এক টা ধারবাহিক বিবরনি এখানে কয়েকটি পর্বে, ভুল বানানে, অসংলগ্ন গদ্য এ তুলে ধরা হবে; মন চাইলে এই বিরক্তিকর লেখা পড়তে পারেন;
প্রথমেই বলি আই এম এফ এর কাজ কি?
IMF এর কাজ হলো, দেশের মানি মার্কেট নিয়ে পর্যালোচনা করা ও উত্তম প্রস্তাব প্রনয়ন করা। ভালা কতা, IMF এডা তো করে + আরো অন্যান্য বেপারে নাক গলায়, যেমন ধরেন আর্থিক অবকাঠামো নিয়ে, যেটা world bank এর কাজ।
IMF প্রায় বলে সুদের হার বাড়াতে,
কারন ব্যাঙ্ক সুদের হার বাড়লে, বিদেশ থেকে অনেক বেশি বিনিয়োগ আসবে, ব্যাঙ্কে টাকা আসবে, আতি সল্প সময়ে, সুদ সমেত টাকা নিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারিরা সরে পড়বে।
IMF খালি লোন দিবার চায়,
কারন IMF লোন দেয়, তখন বলে, রাস্তাঘাট বানোনর জন্য, কারন রাস্তাঘাট বানাইলে বার বার ভাংবো, আবার বানাইবো, আবার লোন নিবো, ম্যাটেরিয়ালস বিদেশ থেকে আমদানি হবে, স্কুল বানাইবার লাইগা লোন চাইলে হেরা দিবো না।
IMF চায় মার্কেট খুইল্লা দিতে, তাইলে বিদেশি রা আসবো, কারখানা বানাইবো, টেকা তুইলা লইয়া যাইবো। গ্রামিনফোন লোন চাইলে চোখ বুইজ্জা দিবো, কিন্তু টেলিটক চাইলে বাশ দিবো
IMF লোনের ইন্টারেস্ট বেশি চায়
যখন country risk বানানো হয়, বাংলাদেশ রে বা নন ডেভেলাপ কানট্রি গুলারে বেশি রিস্কি দেখানো হয়, আসলে ততটুকু না, যেহেতু রিস্ক বেশি, সুদ ও চায় বেশি চায়। এহন তো জিগাইবেন, বাংলাদেশে কি কোনো পন্ডিত নাই, পন্ডিত রা IMF এর টাকায় বানানো , IMF এর কারিকুলামে পড়ালেহা কইরা আইচে
আমি একটা জিনিশ চিন্তা করি যহন বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকটা ফ্লোর world bank বা IMF রে দিয়ে দেওয়া হয়, তখন ঐ দেশের sovereignty বইলা কিছু থাকে কিনা?
চলবে.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



