
আগের কিস্তি
IMF চায় মেয়ে সাবালিকা হবার আগেই বিয়া দিয়া দিতে, পোলা গুলাও চায় আহা কচি
এখানে মেয়ে টা হইলো বাংলাদেশ এবং পোলাগুলা হইলো উন্নত দেশগুলা।
বাংলাদেশের ফিনান্সিয়াল মার্কেট এহনো অতটা এস্টাব্লিশড না।
কারনঃ
শেয়ার প্রাইস এর আপ ডাউন কোম্পনির বাস্তব অবস্থা নির্দেশ করে না।
পাব্লিক ডিপোজ়িট সুদের হার এবং প্রদও লোনের সদের হার এর মধ্য পার্থক্য অনেক বেশি।
ফিনান্সিয়াল টুলস তেমন নাই।
অডিটিং এর অবস্থা খারাপ।
মার্কেট ম্যানিপুলেশন বেশি
ইনটারন্যাশনাল একাউন্টিং স্ট্যন্ডার্ড বা আরো যেসব স্ট্যন্ডার্ড আছে, এগুলো ফলো করা হয় না বা কম ফলো করা হয়।
ইনভেস্টর রা শিক্ষিত না
স্টক মার্কেট গুলা এখনো ভালো ভাবে মর্ডানাইজ় হইতে পারে নাই
ফিনান্সিয়ল ডিসক্লোসার ফলো হয় না
কোম্পানি ডিরেক্টের দের মধ্য ফ্যামিলি আধিপাত্য বেশি
সো বলা যায় বাংলাদেশের মার্কেট এহনো সাবালিকা হয় নাই
IMF বিসসাস করে, মার্কেট খুইল্লা দিলেই বিদেশী বিনিয়োগ কারীরা, আসবে, কমপীটিশন বাড়বে, বাংলাদেশের মার্কেট তখন এস্টাব্লিশড হবে।
কিন্তু এক্টা বেপার , আমাদের কিন্তু অহনো কম্পিট করবার মত শক্তি হয় নাই, তাই এটা অনেক্টা সাবালিকার পর্যায় পরে। IMF আমাগোরে বিয়া দিবার চায়। তো আমরা যদি বিয়া কইরা ফালাই, তাইলে বুজেন কি হইবো, বলিষ্ঠ পোলা গুলা .... দিবো,
প্রমানপএঃ Chile, Indonesia, Korea, and Thailand
IMF কয় এগ্রকালচার খাতে সাবসিডি বন্ধ কইরা দিতে কয়
এই IMF খাঙ্কি র পুলা, বাংলাদেশের ক্রিসি খাত রে ধংস কইরা দিবার চায়। আগে আমরা চাল ,পেপার, চা রপ্তানি করতাম, আর এহন উচ্চমুল্য আমদানি করতে হয়, হায়রে কপাল।
বেশি বেশি গামর্ন্টেস বানাই লে IMF এর লাভ, কম দামে পোষাক আমদানি করতাছে, যদিও বিপুল কর্মসংস্থান হইতাছে, কিন্তু ক্রিসি খাতের সংগে এটারে কমপ্রোমাইজ করাটা ঠিক হবে না। রেমিট্যান্স বেশি আস্লো কিন্তু চাল আবার বেশি দামে আমদানি করতে হইলো, তাইলে তো লাভের গুড় পিপড়ায় খায়। ক্রিসি খাতরে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে হইবো, আমেরকা সবসময় বেশি সাবসিডি দিয়া অগো এগ্রকালচার খাত বাচাইয়া রাখচে, কেন? যাতে এহন বেশি দামে খাদ্যশস্য বিক্রি করবার পারে। এগুলা সবই লংটার্ম প্লান।
আজ ১৬ ই ডিসেম্বর, পাকি গো হাতের থুন মুক্তী পাইছি, আরেক টা ডিসেম্বরে IMF এর হাত থেকে মুক্তি চাই
চলবে...।
আমি উল্ডাপাল্ডা মানুশ, লেহি ও উল্ডাপাল্ডা, বানান ও উল্ডাপাল্ডা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


