ঝড়-বৃষ্টির শুরুর মুহূর্তে ছাদে মেলে দেয়া কাপড় ওঠাচ্ছো যখন,
এক দৌড়-হাওয়া তোমার শাড়ির আঁচল উড়িয়ে দিলো,
তোমার খোলা বুক সেই-তো প্রথমবার দেখে ফেলেছিলো
তোমার স্বপ্নের কাঁধ ছুঁয়ে হাঁটা তোমার কলেজ পড়ুয়া দেবরটি।
এরপর সেই ছেলেটি তুমি সামনে এসে পড়লেই চোখ নামিয়ে
যত দ্রুত সম্ভব আড়াল হয়ে যেতো।
সেই ছেলেটি তোমার খোলা ছাদে একা একা বাংলা সীনেমার
বৃষ্টি ভেজা দৃশ্যে একদিন খুব ভালো করে দেখেছিলো তোমাকে,
তারপর তোমাকে দেখলে আর দৃষ্টি সরাতেই চায় না,
নানান বাহানা করে কাছে ঘেষে থাকতে চায়, এখন তোমাকেই
চোখ নামিয়ে দ্রুত সরে গিয়ে পালিয়ে বাঁচতে হয়।
কোন একদিন ফাঁকা হয়ে যাওয়া বাড়িতে
একা হয়ে যাওয়া মুহূর্ত
শাড়ির আঁচল খসিয়ে তোমাকে নিয়ে গিয়েছিলো বাথরুমের ভেতর,
সেদিন তোমাকে নগ্ন হতে হয়েছিলো
লজ্জার মাথা খাওয়া ছেলেটির সামনে,
সাওয়ারের জলের তলে দুটি নগ্ন দেহ ভিজেছিলো
হয়তো অনেকক্ষণ,
এরপর কি ঘটে থাকবে জানতে পারেনি সেদিনের সেই বৃষ্টির দুপুর;
লাবণ্য, তোমাকে ফোন করে এসব কথা কি জিজ্ঞেস করা যাবে
কখনও, জিজ্ঞেস করা কি উচিত হবে?
কোন এক বৃষ্টির দুপুরে আমরা পাড়ার ছেলেরা হয়তো
ভিজতে ভিজতে
সারা শরীরে মেখে নিতে পারি বজ্র-বিদ্যৎ, হীম হয়ে যেতে পারি।
তোমাকে জিজ্ঞেস করা যেতে পারেÑ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির
দিনগুলোতে সীমিত আয়ের সংসারে তোমরা সবাই কেমন আছো?
বড় জোর জিজ্ঞেস করা যায়Ñ তোমাদের দুপুরগুলোতে
মাঝে মাঝেই কি বৃষ্টি নামে?
৩১.০৫.২০১১, ঢাকা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


