দেখতে দেখতে ২৬ বসন্ত পার হলো, কেউ এলো না জীবনে। কেউ এসে হাত ধরে বললো না- এসো হে নীপবনে, এসো.........। তারপরও জীবন কেটে যাচ্ছে প্রকৃতির এক অমোঘ নীয়মে। সত্যিই কি কেটে যাচ্ছে ? হ্যাঁ কেটে যাচ্ছে রক্তপাতহীন ভাবে। বন্ধু-বান্ধবদের অনেকেই আটকা পড়ছে ভালবাসাহীন সংসার নামক যাতাকলে।
ভিতরের সুন্দর সম্ভবনাকে মাটি চাপা দিয়ে বউ নামক শাসকের অধীনে নিজেকে সমার্পন করছে। কর্মহীন মধ্যহ্নকে বাজারের হিসাব মেলাতে মেলাতে করে তুলছে কর্মমুখর। মিস্টি বিকেলের মাদকীয় আড্ডাটাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে দিব্যি সুখী দাম্পত্যের অভিনয় করে যাচ্ছে। তাদের বিরামহীন ভালবাসাবাসির সংসার দেখে আমার একদিন ইচ্ছে হলো বিয়ে করি।
কিন্তু করি বল্লেই কি করা যায়? দরকার অভিঙ্ঞ কারোর পরামর্শ। কি ধরনের মেয়ে বিয়ে করবো? প্রথম পছন্দ কি হবে-শিক্ষা না রুপ নাকি অন্য কিছু? শরনাপন্ন হলাম বিবাহিত বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে সুখি মনে হয় যাকে তার। সবকিছু শুনে বল্লো- 'বিয়ে কি একেবারে না করলেই নয়?
দুজনে তো মহা উৎসাহে আমাকে পরামর্শ দিলো। রাতে ছেলে কলিগের সাথে দেখা হতেই হাসি দিয়ে বল্লো-আর যাই করেন বিয়ে কইরেন না?
তারপরও আমার উৎসাহ মোটেই কমেনা! মহৎ কাজেতো বাঁধা আসবেই? সবকিছুইকি শুনলে চলে? তাই শুরু করলাম বিপুল উৎসাহে মেয়ে দেখা, কিন্তু সমস্যা হলো, যে মেয়ে দেখি তাকেই ভালো লাগে। পরে দেখা যাই মেয়ে আমাকে পছন্দ করছে না, কারন কি ? সেই আদি ও আসল কারন- মেয়ের প্রেম আছে। মনে মনে ভাবি বাংলাদেশের সবমেয়েই কি লাইলি হয়ে গেল?
আমার আপসোস হয় মজনু হতে না পারাই? দীর্ঘ দুই বছরের ক্লান্তহীন মেয়ের খোজ করায় আজ আমি ক্লান্ত, কেউ কি আছেন- আমি বলতে পারবো-
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিল নাটোরের বনলতা সেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


