চুপ-চাপ কখনও বারান্দায় দাড়িয়ে সকালে কর্মব্যস্ত মানুষের কর্মস্থলে যাওয়া দেখেছো, অথবা শেষ বিকেলে ক্লান্ত দেহে প্রিয়জনের কাছে ফেরা? গভীর রাতে একাকী বারান্দায় দাড়িয়ে আকাশের তারাগুলো দেখেছো, অথবা পূর্ণিমার চাঁদ?
আমি খুব বেশী কল্পনা বিলাসী যদিও আমার কল্পনাগুলো বাস্তবে খুব কমই রুপ নেয়, তাতে কি....!
জানো আমি না খুব স্বপ্ন দেখতাম আর দশটা মেয়র মতই আমার একটা সংসার হবে। কি যে রঙ্গীন ছিল সে স্বপ্ন তুমি হয়ত ভাবতেও পারবে না! সকালবেলা তাড়াহুড়ো করে তোমাকে রেডী করিয়ে দেবো। তুমি এটা পাবো ত ওটা পাবে না, শেষ-মেষ আমাকেই ডাকতে হবে। নাস্তা বানানো রেখে কপট রাগ দেখিয়ে খুজে দেবো কাংখিত জিনিসটি। হাসিমুখে বিদায় দেবো তোমাকে।
তোমাকে বিদায় করে দিয়ে আমার যে কত্ত কাজ সে খবর তো আর তোমার নেই। সঅঅঅঅঅব কাজ একাই করে ফেলবো। তার পরে যথারীতি আামার হালকা সাজুগুজু করে বিকেল থেকে শুরু করবো তোমার জন্যে অপেক্ষা করা।
একটু দেরী হলেই অভিমানের মেঘ জমতে থাকবে। চুড়ান্ত পর্যায়ের আগেই দেখা গেল হাসি মুখে তুমি হাজির।
তার পরে মান-অভিমানের পালা শেষ হলে ফ্রেশ হলে তোমার আমার গল্পের ডালি নিয়ে বসবো।
আরো কত্ত কি সব রংঙীন স্বপ্নের জাল যে বুনেছিলাম, জানোনা তো। জানবে কি করে। সবই ঠিক ঠাক ছিলো। হঠাৎ যে কি হয়ে গেল....স্বপ্নের জাল ছিন্ন হয়ে সব রং ফ্যাকাশে হয়ে গেল!
শেষ দিন তুমি বলেছিলে, তুমি যদি কখনও বিয়ে না করো, যদি পাগল হয়ে যাও তবে তার জন্যে দ্বায়ী থাকবে তোমার ফ্যআমিলির মানুষ আর আমি!
থাকলাম না হয় দ্বায়ী। আমার দোষ -ই ত বেশী ছিল, কেন কনভিন্স হয়ে হয়েছিলাম তোমার কথায়। কিন্তু এটা ত তুমিও জানো যে মানুষ কে কনভিন্স করার ক্ষমতা তোমার অনেক বেশী। তাহলে তোমারও কি একটুও দোষ নেই!
তুমি বিয়ে না করতে পারো, তুমি পাগল হতে পারো, কিন্তু আমি হবো না। আমি স্বাভাবিক জীবন যাপনই করবো। অন্তত সবাই তাই দেখবে.......!!
এখনও বারান্দায় দাড়িয়ে মানুষ দেখি, দেখি রাতের আকাশ। কিন্তু মুশকিলটা কি জানো? স্বপ্নগুলো আগের মতন দেখতে পারি না, হঠাৎ করেই বেরসিকের মতন সুতো ছিড়ে যায়!
তার পরেও ভাল আছি.....অনেক ভাল!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




