somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুমন এম রহমান এর প্রশ্নের জবাব (সবার জন্যে প্রযোজ্য)

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সুমন এম রহমান কিছু প্রশ্ন রেখে পোষ্ট দিয়েছেন। আমার জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে উত্তর দেবার চেষ্টা করলাম।যেহেতু আমি মুসলমান, কাজেই ইসলাম ধর্মকে মাথায় রেখেই উত্তর দিচ্ছি।
১। আচ্ছা কেউ কি বলতে পারবেন যে সৃষ্টিকর্তা আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন?
উত্তরঃ আল্লাহ মানুষ ও জিন কে একমাত্র তারই এবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।তিনি আদি, অনন্ত। তাঁর শুরু নেই, শেষ নেই, চির বিরাজমান।তার ইচ্ছে হল পৃথিবীতে মানুষ পাঠানোর তার খলিফা হিসেবে। তিনি তা করেছেন।
“আবার সেই সময়ের কথা একটু স্মরণ কর যখন তোমাদের রব ফেরেশতাদের বলেছিলেন , “আমি পৃথিবীতে একজন খলীফা- প্রতিনিধি নিযুক্ত করতে চাই ৷” তারা বললো , “আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে নিযুক্ত করতে চান যে সেখানকার ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্থ করবে এবং রক্তপাত করবে? আপনার প্রশংসা ও স্তুতিসহকারে তাসবীহ পাঠ এবং আপনার পবিত্রতা বর্ণনা তো আমরা করেই যাচ্ছি৷ ” আল্লাহ বললেন, “আমি জানি যা তোমরা জানো না ৷” (১-৩০)
তার আগে আমাদের চিনতে হবে মহান সৃষ্টিকর্তার সত্তা কে। মানুষের চিন্তা এতই সীমিত যে সে সব কিছুই তার নিজের সীমিত জ্ঞানের মধ্যে চিন্তা করে। যদি একবার আমরা বুঝতে পারি যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি মহাপরাক্রমশালী। তাঁকে কেউ সৃষ্টি করে নি। তার ইচ্ছে কে প্রশ্নবিদ্ধ করার অধিকার আমাদের নেই। তাহলে আর আমরা অবিশ্বাসী হব না। কিন্তু আফসোস আমরা হাসিনা খালেদা, এম পি/মন্ত্রী, ওয়ার্ড কমিশনার, মাস্তান দের প্রশ্নবিদ্ধ করি না।কিন্তু আল্লাহ কে করি।

২। এতে আমাদের কি লাভ?
উত্তরঃ কঠিন প্রশ্ন। যদি সৃষ্টি না হতাম ভালই হত। এটা আমারো মনে হয় কিন্তু যেহেতু আমাদের অস্তিত্ব আছে সেই আলোকে বলতে গেলে আল্লাহর এবাদত করার সুযোগ যে আমরা পেয়েছি এটিই আমাদের লাভ। ফেরেশ্তারা সর্বদা যা করছেন সে সুযোগ আল্লাহ পাক আমাদের দিয়েছেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে যদি আমরা জান্নাত লাভ করতে পারি সেদিন হয়ত আমরা বুঝব লাভটা কি।আর যদি জন্মই না হত আমার অথবা আপনার তাহলে এই প্রশ্ন বাতিল কারণ তখন তো লাভ ক্ষতি বুঝতাম না।“নাই” হয়ে থাকতাম।

৩। উনার প্রার্থনা করতে যদি সৃষ্টি করে থাকেন তো সেটা করেলে ওনার কি লাভ?
উত্তরঃ আমি অনুরোধ করব সবাইকে আল্লাহ কে মানুষের মত করে চিন্তা করবেন না। একটু প্রসারিত করে মুক্ত মন নিয়ে ভাবুন। যদিও তারপরেও আমাদের পক্ষে উনার সামান্য অংশকেও অনুভব করা সম্ভব না।কাজেই আমাদের যেমন হাত পা কান চোখ আছে, ভাবার কারণ নেই আল্লাহর ও আছে। তাঁর কোন অবয়ব চিন্তা করাটা অন্যায় হবে।লাভ ক্ষতি এগুলো মানুষের চিন্তা। তাই আমরা চুক্তি করি, ব্যবসা করি, ঝগড়া হয়, মামলা, হাজত, খুন কত কিছু। আল্লাহর লাভ নেই। উনার ইচ্ছে হয়েছে, সৃষ্টি করেছেন। আমাদের উনি ভালবাসেন।তারই ইবাদাত করে পরকালে জান্নাত পেলে আমাদেরই লাভ।কারণ আল্লাহর তরিকা অনুযায়ী চললে আমাদের কোন ক্ষতি নেই। আছে শান্তি ও সম্মান।যেমন কুরবানী সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেনঃ “তাদের গোশতও আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, তাদের রক্তও না৷ কিন্তু তাঁর কাছে পৌঁছে যায় তোমাদের তাকওয়া৷”(২২-৩৭)
এখান থেকে স্পষ্ট অন্যান্য ইবাদাতেও আল্লাহর কোন লাভের প্রয়োজন নেই। মানুষের তাকওয়া আল্লাহ চান।মানুষের আনুগত্যে তার সন্তুষ্টি।কারণ তিনি দেশের শহরের ওয়ার্ডের নন তিনি বিশ্ব জাহানের মালিক।এ কথা অনুধাবন করা কি খুব কষ্টসাধ্য।

৪। এগুলো কি খালি খালি করা হচ্ছে নাকি? না কোন লাভ লস আছে?কারো কোন লাভ না হলে কেন প্রার্থনা করতে যাব?
উত্তরঃ ২ ও ৩ নং এর উত্তরই যথেষ্ট মনে করছি।

৫। মানুষের সময়ের মূল্য সুষ্টিকর্তার কাছে কতটা?
উত্তরঃ ইসলামের বিশ্বাস আমাদের শরীর, আত্মা, সম্পদ তথা এই বিশ্ব জাহানের আল্লাহই মালিক। সময়ের মালিক ও আল্লাহ। তিনি যে সম্পদ যে উপায়ে ব্যয় করতে বলেছেন দুনিয়াতে আমরা তাই করব।সময় মহামূল্যবান।আমরা হয়ত গল্প-আড্ডা-সিনেমা-গানে সময় কাটাতে পছন্দ করি। কিন্তু আল্লাহ তো দুনিয়ার বৈধ ব্যবসা চাকরি করতে মানা করেন নি। পরিবার কে সময় দেয়া, ভ্রমণ, বৈধ খেলাধুলা সব কিছুর পরে বেশী বেশী আল্লাহ কে স্মরণ করা উচিত, আর ফরয ইবাদাত তো আছেই যা কোন অবস্থাতেই বাদ দেয়া যায় না।আল্লাহ বলেনঃ “কাজেই যখনই অবসর পাও ইবাদাতের কঠোর শ্রমে লেগে যাও এবং নিজের রবেরই প্রতি মনোযোগ দাও৷” (৯৪-৭/৮)
.

৬। তিনি কি লোভী না নির্লোভ? নির্লোভ হলে কেন এত তোষামোদ পছন্দ করেন?
উত্তরঃ এই প্রশ্নের উত্তর ও কোন ভাবে উপরে এসে গেছে।আল্লাহ কে ইবাদাত করতে হবে কারণ তিনি সবকিছুর মালিক, সৃষ্টিকর্তা। তার গুণগান গাইতে সমস্যা কোথায়। হাসিনা খালেদার প্রশংসা করতে আমাদের আনন্দ লাগে কারণ দুনিয়ার লাভের জন্য।নিজের বসের গায়ে তেল ঢালি ঠিকই একটা প্রমোশনের জন্য।তাহলে তিনি সমগ্র বিশ্বের মালিক, তার নাম জপতে অসুবিধা কোথায়? আমরা কেন আগে আমাদের সমস্যাটা আলোচনা করি না? কেন আগেই আল্লাহ কে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাই।আমরা কি ভেবেছি কেন বিল গেটস থেকে নিয়ে আম্বানি যেই বিশাল সম্পদের মালিক আছে, তারা কেন পৃথিবী বানাতে পারে না? সুর্য?চন্দ্র?তারা কেন একে একে চলে যায় জগৎ থেকে?কাজেই “তোষামোদ” শব্দ বড় বেশী মানুষের সীমিত স্বার্থ আর চিন্তার সাথে যুক্ত। যিনি মহান, যার আদি নেই অন্ত নেই, যিনি সারা জাহানের মালিক তার প্রশংসা আপনি নিজে থেকেই করবেন, না করলে আপনি অবাধ্য। আপনি হাসিনা খালেদা মনমোহন বুশ ওবামার অবাধ্য হলে ক্ষতি নেই, কিন্তু এমন এক সত্তার অবাধ্য হলে আপনার আর কি থাকল?বেঁচে থেকে কি লাভ? কাজেই তোষামোদ নয়, এটি মানুষ হিসেবে আপনার নিয়তি।

৭। তিনি কি তৃতীয় বিশ্বের কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর মত, যে তোষামোদ করবে তাকে বেহেস্তে নেবে?
উত্তরঃ ৬ নং এর উত্তর যথেষ্ট।

৮।আপনার আমার বাসায় কেউ না খেয়ে থাকলে নিশ্চয়ই তাকে কষ্ট করে হলেও খেতে দেই। কিন্তু তার প্রথিবীতে লাখ লাখ লোক ,শিশু না খেয়ে থাকে। তার কেমন মানবতা?
উত্তরঃ ভাল প্রশ্ন। কিন্তু হাসালেন। মানবতা তো মানুষের জন্য। এখানে আল্লাহর সাথে মানুষ কে গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে। তিনি পরম করুণাময় অসীম দয়ালু। তিনি মানুষ্ কে এক পরীক্ষার ময়দানে অবতীর্ণ করেছেন। এখানে দুঃখ আছে, রোগ শোক আছে, আছে বন্যা, ঝড়, ভুমিকম্প। এর মাঝেই আমাদের তাকে স্মরণ করতে হবে। কারণ তিনি ছাড়া আর কেউ নন এ অবস্থা থেকে উন্নীত করার।বিল গেটস কেন বৃষ্টি নামাতে পারে না চিন্তা করে দেখেছেন একটিবার?কারণ সব নিয়ামত আল্লাহর দান, উনি আবার কেড়ে নেন, পরীক্ষা করেন, আমরা কতটা তার উপর আস্থাশীল দেখেন। দুনিয়াতে যে অনেক ধন সম্পদের মালিক, তার মানে এই নয় যে সে পরকালে জান্নাতবাসী অথবা আল্লাহর অনেক প্রিয় বান্দা। এমনটি আল্লাহ কোথাও বলেন নি।আল্লাহ আমাদের খাওয়াচ্ছেন, পরাচ্ছেন, সুস্থ রেখেছেন। আমাদের শুকরিয়া আদায় করা উচিত। তিনি বিপদ অনেক সময় আমাদেরই ফিতনা আর পাপের জন্য দেন। তখন তাওবা করা উচিত আর প্রার্থনা করা কর্তব্য। নিচের আয়াত গুলো বুঝুনঃ
“(হে মুসলমানগণ!) তোমাদের অবশ্যি ধন ও প্রাণের পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে এবং তোমরা আহলি কিতাব ও মুশরিকদের থেকে অনেক কষ্টদায়ক কথা শুনবে৷ যদি এমন অবস্থায় তোমরা সবর ও তাকওয়ার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকো তাহলে তা হবে বিরাট সাহসিকতার পরিচায়ক” (৩-১৮৬)
“আর নিশ্চয়ই আমরা ভীতি, অনাহার, প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে এবং উপার্জন ও আমদানী হ্রাস করে তোমাদের পরীক্ষা করবো ৷ এ অবস্থায় যারা সবর করে এবং যখনই কোন বিপদ আসে বলেঃ “আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকে আমাদের ফিরে যেতে হবে” (২-১৫৫/১৫৬)
“আর আমি জনপদগুলো ধ্বংস করি না যতক্ষণ না সেগুলোর বাসিন্দারা জালেম হয়ে যায়৷” (২৮-৫৯)
এসবের অর্থ অনুধাবন করা কি খুব কঠিন?

৯। দুইবেলা সবাইকে ভরপেট খাওয়া দিতে পারে না , তো এত এত শাস্তি র ভয় কেন দেখিয়ে রেখেছেন?
উত্তরঃ ৮ নং এর উত্তর যথেষ্ট। শুধু বলব দুনিয়াটা ফুর্তি করার জন্য নয়।আল্লাহর বাণীঃ “আসলে আমি মানুষকে কষ্ট ও পরিশ্রমের মধ্যে সৃষ্টি করেছি৷” (৯০-৪)
এটিই তো পরীক্ষা।


১০। মাত্র এক বেলা সেজদা না করলে বা এক বার চার্চে না গেলে বা একটি পূজো ঠিকমত না দিলে উনি বছরের পর বছর জ্বালিয়ে মারবেন, আপনার কি মনে হয় না যে এটা খাইরুল ষ্টাইলের বিচার হয়ে গেল? এটা তো একেবারেই লঘু পাপে গুরু দন্ড।
উত্তরঃ আবারো হাসালেন। নানান দেশে নানান কাজ কে অপরাধ ভাবা হয়। কোথাও পতিতাবৃত্তি বৈধ, কোথাও সমকামীদের বিবাহ। কোথাও আবার পাবলিক প্লেসে ধুমপান করলে জরিমানা।সরকার আইন বানিয়েছে না মেনে উপায় নেই।সরকার দেশের ভালই চায়।
আর আল্লাহ তো সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা। তিনি যে বিধান দিয়েছেন সেটি পালন করে আমরা বাজারে যাব, খাব, ঘুমাব, গোসল করব, জ্ঞান অর্জন করব, বিয়ে করব।সমস্যা কোথায়। আপনি সব করবেন, মালিকের হুকুম অমান্য করবেন তা কিভাবে সহ্য করা হবে।তাছাড়া তার দয়ার শেষ নেই। প্রশ্নকর্তা বড় বেশী এক পেশে হয়ে চিন্তা করেছেন।আল্লাহ আপনাকে কোরান দিয়েছেন।পড়ার চেষ্টা করেছেন অর্থসহ?তাহলে তো নিজেই সব উত্তর পেয়ে যেতেন।আল্লাহ আপনাকে বিধান দিলেন। মালিকের বিধান জানলেন না। প্রশ্ন করে বিভ্রান্ত হয়ে নামাজ রোযা করলেন না। মালিক কেন আপনাকে শাস্তি দিবেন না? এসব বোধগম্য হতে হলে রকেট সাইন্টিস্ট হতে হয় না।
আর একটি কথা। আল্লাহর দয়ার শেষ নেই। তাওবাকারী কে আল্লাহ অনেক পছন্দ করেন যে তা মন থেকে করবে আর ভবিষ্যতে পাপ না করার পণ করবে।এমন শত বছরের পাপী কেও আল্লাহ চাইলে ক্ষমা করে দেবেন।আল্লাহর দরবারে হতাশ হয়ে ফেরার সম্ভাবনা নেই। কারণ তিনি পরম করুণাময়। দেখুনঃ
“যদি কোন ব্যক্তি খারাপ কাজ করে বসে অথবা নিজের ওপর জুলুম করে এবং এরপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তাহলে সে আল্লাহকে ক্ষমাকারী ও পরম দয়ালু হিসেবেই পাবে৷” (৪-১১০)
“আর যারা কখনো কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে অথবা কোন গোনাহের কাজ করে নিজেদের ওপর জুলুম করে বসলে আবার সংগে সংগে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়ে তাঁর কাছে নিজেদের গোনাহ খাতার জন্য মাফ চায় – কারণ আল্লাহ ছাড়া আর কে গোনাহ মাফ করতে পারেন – এবং জেনে বুঝে নিজেদের কৃতকর্মের ওপর জোর দেয় না, এ ধরনের লোকদের যে প্রতিদান তাদের রবের কাছে আছে তা হচ্ছে এই যে, তিনি তাদের মাফ করে দেবেন এবং এমন বাগীচায় তাদের প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে৷ সৎকাজ যারা করে তাদের জন্য কেমন চমৎকার প্রতিদান” (৩-১৩৫/১৩৬)
“(হে নবী,) বলে দাও, হে আমার বান্দারা যারা নিজের আত্মার ওপর জুলুম করেছো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না৷ নিশ্চিতভাবেই আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেন৷ তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু৷” (৩৯-৫৩)

কাজেই আল্লাহর করুনা ভিক্ষা করাতে লজ্জার কিছু নেই। আল্লাহ যেমন জাহান্নামের ভয় দেখিয়েছেন, সুসংবাদ ও শুনিয়েছেন জান্নাতের পরম শান্তির।এই শান্তির বিধান কে দেবে? লীগ-দল-কংগ্রেস-ডেমোক্র্যাট? না, কারণ তারা কিছুই সৃষ্টি করে না। এ বিধান হবে আল্লাহ পাকের যিনি মানুষ সহ এ বিশ্বের সব কিছুর মালিক, স্রষ্টা।আল্লাহ আমাদের হিদায়াত দিন। আমি কোন আলেম নই, মাদ্রাসায় ও পড়িনি। সামান্য জ্ঞান নিয়ে লিখলাম।যদি সুমন ভাই এবং অন্যদের বিভ্রান্তি একটু ও দূর করতে পারি অনেক ভাল লাগবে।
নিশ্চয় আল্লাহই সব জানেন।তিনি ক্ষমাশীল।
(অনেক বড় লেখা, না লিখে উপায় ছিল না।পড়ার জন্য ধন্যবাদ।নাস্তিকদের মন্তব্য আল্লাহ ক্ষমা করবেন)

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪০
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×