somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাম নিয়ে বদমাইশি (১৮+)

১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাবা-মার দেয়া নাম বিকৃত হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর যদি কিছু বিচ্ছু টাইপের পোলাপাইন থাকে তাহলে নামের যে কি দশা হবে তা অকল্পনীয়।



শরিফুল হুদা (মিলন)
অনার্সে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় শরিফুল হুদাকে(মিলন) বাশার নাম দিল শরিফুল দা হু। পরে ওর নাম হয়ে গেল শরিফুল দা ভো। এই নাম দেয়ায় বাশারে উপর মিলন প্রচন্ড রাগ করেছিল।

হেলাল
হেলালের মত গো বেচারা ছেলে খুব কমই ছিল। পোলাপাইন তার নাম দিল বঙ্কিম চন্দ্র। কারন হেলাল অর্থ নতুন চাঁদ আর নতুন চাঁদ সবসময় বাঁকা হয়। ওর আরেকটা নাম হেরেড।

মাসুদ
মাসুদকে আমরা প্রথমে বলতাম মামা। পরে হলো মামু। মামু থকে পরে লামু।

জুদান
জুদানের অবস্থা ছিল যে কোন বিষয়কে অশ্লীলের দিকে নিয়ে যাওয়া। পোলাপাইন তার নাম দিল হেন্ডারপুত, মহাদেব। তবে মহাদেব নামটা তার বেশি পরিচিত কারন যেকোন বিষয়কে অশ্লীলের দিকে নিয়ে যাওয়ার বিরল ক্ষমতার কারনে।

আশরাফুল আলম রিপন
রিপনস্টাডি ট্যুরের ম্যাগাজিনে নাবালক নামে একটি গল্প লিখেছিল। তারপর থেকে তার নাম হয়ে গেল নাবালক। ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ল্যাটকা স্বভাবের কারনে নাম হলো ল্যাটকা রিপন। ল্যাটকা থেকে পরে লেটক। তার পরে লেটক থেকে আদর করে লেটো ভাইয়া। সে এখন এই নামে ক্লাসে ব্যাপক পরিচিত।

তিন ভাই
আমাদের এলাকায় তিন ভাই হুমায়ন, লিটন আর লিও। পরে তাদের নাম হল গুমায়ন, গিওটন ও গিও।

মঞ্জুরুল আমিন
মঞ্জু কে আমরা বলতাম ওস্তাদ। কারন সব কিছুতেই সে ওস্তাদি করত। এক সময়ে তার নাম হলো ওস্তাদ মংগু খাঁ>>> মংগু খা>>> গু খা।

জনি
জনিকে প্রথম দিকে বলা হতো জেনি। এক সময় তা হলো যোনি।

সুজন
আমরা তখন থার্ড ইয়ারে পড়তাম।সুজনকে এক স্যার একবার বলেছিল এই ছেলে তুমি মাষ্টার্সে পড় নাকি? তার থেকে ওর নাম হয়ে গেল বড় ভাই। বড় ভাই থেকে তারপড় বাড়া ভাই>> বাড়া।


মিলন
এমদাদুল হক একাধিক নাম ছিল। মুরগি মিলন, গন্ডার মিলন। গন্ডার নাম তার বেশি প্রতিষ্ঠিত হয় কারন সব কিছু সে পরে টের পেত। ক্লাসে দেরি করে আসা,পরীক্ষার হলে দেরি করে আসা ইত্যাদি ছিল নিত্য দিনের ঘটনা।

মঈন
মঈন খুব ভালো ক্রিকেট খেলতো। পরে তার নাম হয়ে গেল মঈন খান। সবার দিনতো আর সমান যায় না। একদিন খারাপ খেলার কারনে তার নাম হয়ে গেল পাদের খান। পরে পাদের খান থেকে পাদু। পোলাপাইন ভেঙ্গাগতো - মঈন খান, পাদের খান, ভোত ভোত পাদের খান।

১৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×