বাবা-মার দেয়া নাম বিকৃত হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর যদি কিছু বিচ্ছু টাইপের পোলাপাইন থাকে তাহলে নামের যে কি দশা হবে তা অকল্পনীয়।
শরিফুল হুদা (মিলন)
অনার্সে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ার সময় শরিফুল হুদাকে(মিলন) বাশার নাম দিল শরিফুল দা হু। পরে ওর নাম হয়ে গেল শরিফুল দা ভো। এই নাম দেয়ায় বাশারে উপর মিলন প্রচন্ড রাগ করেছিল।
হেলাল
হেলালের মত গো বেচারা ছেলে খুব কমই ছিল। পোলাপাইন তার নাম দিল বঙ্কিম চন্দ্র। কারন হেলাল অর্থ নতুন চাঁদ আর নতুন চাঁদ সবসময় বাঁকা হয়। ওর আরেকটা নাম হেরেড।
মাসুদ
মাসুদকে আমরা প্রথমে বলতাম মামা। পরে হলো মামু। মামু থকে পরে লামু।
জুদান
জুদানের অবস্থা ছিল যে কোন বিষয়কে অশ্লীলের দিকে নিয়ে যাওয়া। পোলাপাইন তার নাম দিল হেন্ডারপুত, মহাদেব। তবে মহাদেব নামটা তার বেশি পরিচিত কারন যেকোন বিষয়কে অশ্লীলের দিকে নিয়ে যাওয়ার বিরল ক্ষমতার কারনে।
আশরাফুল আলম রিপন
রিপনস্টাডি ট্যুরের ম্যাগাজিনে নাবালক নামে একটি গল্প লিখেছিল। তারপর থেকে তার নাম হয়ে গেল নাবালক। ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ল্যাটকা স্বভাবের কারনে নাম হলো ল্যাটকা রিপন। ল্যাটকা থেকে পরে লেটক। তার পরে লেটক থেকে আদর করে লেটো ভাইয়া। সে এখন এই নামে ক্লাসে ব্যাপক পরিচিত।
তিন ভাই
আমাদের এলাকায় তিন ভাই হুমায়ন, লিটন আর লিও। পরে তাদের নাম হল গুমায়ন, গিওটন ও গিও।
মঞ্জুরুল আমিন
মঞ্জু কে আমরা বলতাম ওস্তাদ। কারন সব কিছুতেই সে ওস্তাদি করত। এক সময়ে তার নাম হলো ওস্তাদ মংগু খাঁ>>> মংগু খা>>> গু খা।
জনি
জনিকে প্রথম দিকে বলা হতো জেনি। এক সময় তা হলো যোনি।
সুজন
আমরা তখন থার্ড ইয়ারে পড়তাম।সুজনকে এক স্যার একবার বলেছিল এই ছেলে তুমি মাষ্টার্সে পড় নাকি? তার থেকে ওর নাম হয়ে গেল বড় ভাই। বড় ভাই থেকে তারপড় বাড়া ভাই>> বাড়া।
মিলন
এমদাদুল হক একাধিক নাম ছিল। মুরগি মিলন, গন্ডার মিলন। গন্ডার নাম তার বেশি প্রতিষ্ঠিত হয় কারন সব কিছু সে পরে টের পেত। ক্লাসে দেরি করে আসা,পরীক্ষার হলে দেরি করে আসা ইত্যাদি ছিল নিত্য দিনের ঘটনা।
মঈন
মঈন খুব ভালো ক্রিকেট খেলতো। পরে তার নাম হয়ে গেল মঈন খান। সবার দিনতো আর সমান যায় না। একদিন খারাপ খেলার কারনে তার নাম হয়ে গেল পাদের খান। পরে পাদের খান থেকে পাদু। পোলাপাইন ভেঙ্গাগতো - মঈন খান, পাদের খান, ভোত ভোত পাদের খান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

