পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ সাধীন ভাবে জন্ম গ্রহন করে। সাধীন ভাবে বেচে থাকা এবং থাকার অধিকার সবার আছে। সৃস্টি কর্তা মানুষ সৃস্টি করেছেন এবং এই পৃথিবীতে প্রেরন করেছেন। এই পৃথিবী সবার।আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে মানুষ দুনিয়াতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসবাস করত। যদিও তারা হিংস্র জীব জন্তু থেকে অনিরাপদ ছিল তবুও তারা সান্তিতে ছিল। তারা ছিল সম্পুর্ন সাধীন। এক যায়গা থেকে আরেক যায়গায় সাধিন ভাবে বসবাস করত এবং চলাফেরা করতে পারত।একটি শিকার করলে সবাই মিলে ভাগ করে খেত এবং দলবদ্ধ ভাবে বসবাস করত। তাদের ছিল না কোন ভৌগলিক সীমারেখা। মানুষ কালে কালে সভ্য হয়েছে, দলিল নামক কিছু কাগুজে মালিকানা প্রতিস্থিত হয়েছে।পৃথিবীর সব জমি এখন ব্যাক্তিগত ও রাস্ট্রীয় মালিকানাধীন। এখন কি সম্ভব আগের দিনের মতন যেখানে ইচ্ছা সেইখানে ঘর বাড়ি বানাবেন আর থাকবেন? জমির মালিক আপনাকে উৎখাত করে দিবে। ভাড়া থাকবেন? টাকা না থাকলে বাড়ি ওয়ালা আপনাকে উৎখাত করে দিবে। রাস্তায় থাকবেন, সেইখানেও চাদা না দিলে থাকতে পারবেন না। খাবার খাবেন ? টাকা না থাকলে পারবেন না। শিকার করবেন? সব প্রানীই গৃহপালিত। বনে শিকার করবেন? আইন আপনাকে বাধা দিবে।
*** তাহলে আদিবাসি বা উপজাতিয় দের কি অবস্তা? এই বর্তমান দুনিয়াতে?
কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন তো এরুপ হয়ার কথা ছিল না। উচিত ছিল সবার সমান ভাল ভাবে বেচে থাকার কথা। আজকে বিদ্যুত, গাড়ি, কম্পিউটার, ফোন সব কিছুই ব্যাবসার অংশ। সবই টাকার খেলা।
কিন্তু মানুষ কালে কালে সভ্য হয়েছে!! নির্ধারিত রাস্ট্রীয় বাউন্ডারি হয়েছে। passport এবং visa নামক কাগজে অনুমতি চালু হয়েছে। এইটা ছাড়া বাঊন্ডারি cross করতে গেলেই গুলিতে মৃত্য বরন করবেন। চালু হয়েছে territorial integrity বা রাস্ট্রীয় অখন্ডতা নামক কিছু definition. আর রাজনৈতিক ও জীবিকার কারনে মানুষ যার যার এলাকার ভিত্তিতে দেশ গঠন করে বসবাস করছে বা করতে চাইছে। জীবন যাত্রা এবং বেচে থাকা অনেক কঠিন।
প্যারাঃ ২
এই পৃথিবীতে যতগুলা দেশ প্রতিস্থিত হয়েছে তার মধ্যে কারন গুলো হচ্ছে, ধর্ম, জাতীয়তা, ভাষা,সমাজ ও সংস্কৃতি। এই উপমহাদেশ যখন ইংরেজদের হাত থেকে মুক্ত হয় তখনো এই বিষয় গুলো দিয়েই ভারত ও পাকিস্তান ভাগ হয়েছিল। তার পর ও এই বিভাজন ঠিক ছিল না। আমাদের বাংলাদেশকে সুম্পুর্ন অন্যায় ভাবে পাকিস্তানে জুড়ে দেয়া হয়। অথচ পাকিস্তানের সাথে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতির ও সামাজিকতার সাথে কনো মিল ছিল না। আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল রাস্ট্রিয় অখন্ডতা। ভারতে আরো অনেক অন্যায় হয়েছে। কাস্মির কে জোর পু র্বক ভারত দখল করে নেয়।আসাম কখনো ভারতের অংশ ছিল না। আসাম ভারত দখল করে নেয়। পাঞ্জাবে শিখ দের আধিক্য থাকা সৎত্তেও তারা তাদের মাতৃভুমি পায়নি। ভারতের গওয়া ইংরেজদের উপনিবেশ ছিল না। কিন্তু সাধীনতার পর ভারত গোয়া দখল করে নেয়। সিকিম ও ভারত দখল করে নেয়।
** এটাই কি সভ্যতা? রাস্ট্রিয় অখন্ডতা আর অধিকারের নামে কনো এলাকার জনগনের আশা আকংখা কে হত্যা করে জায়গা দখল করে নেয়া?(কাশ্মির, সিকিম,গোয়া, আসাম,পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু)। এবং বহুদুরের কেন্দ্রিয় এলাকা থেকে বানানো(দিল্লি)রাস্ট্রিয় আইন চাপিয়ে দেয়া?
** বাংলাদেশিরা ইস্লামাবাদের আইন মানেনি, মানেনি চাপিয়ে দেয়া পাকিস্তানের রাস্ট্রিয় অখডতা। কারন আমাদের নিজেদের মতন বেচে থাকার অধিকার আছে। আমরা আলাদা হয়ে গিয়েছি।
**প্রতিটা ভিন্ন ভিন্ন জনগস্টির অধিকার আছে তাদের মতন বেচে থাকার।
প্যারা ৩ঃ
দেশের নাম শ্রীলংকাঃ
আয়তনঃ ৬৫৬১০ বঃকি বা ২৫৩৩২ বঃমাঃ
রাজধানিঃ কলম্বো
সাধিনতাঃ ফেব্রুয়ারি ৪, ১৯৪৮
সরকারঃ গনতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতান্ত্রিক শ্রীলংকা।
এই দেশটি ভারত ও পাকিস্তানের পরে সাধিনতা লাভ করে।এই দেশে রয়েছে সংখ্যা লঘু তামিল রা। আর বেশির ভাগ ই সিনহলিজ। তাদের আচার ব্যাবহার, ভাষা, সমাজ ধর্ম সবকিছুই আলাদা সিনহলিজদের থেকে আলাদা। সাধিনতার পর সিনহলিজরা চাকরি, ব্যাবসা-বানিজ্য সবকিছুতেই প্রাধান্য লাভ করে। তামিলরা সব কিছুতেই বঞ্চিত হচ্ছিল। তাদের অধিকার কেরে নেয়া হয়েছিল। তাই তারা আন্দোলন শুরু করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
দেখুন লিঙ্কঃ
Click This Link
আরো দেখুনঃ
http://www.eelamweb.com/history/short/
মানচিত্রে দেখুন তারা কতটুকু যায়গা চেয়ে ছিলঃ
তাদের দাবি করা যায়গার পরিমান ছিল maximam 30% of total srilanka.
কিন্তু সিনহলিজ জান্তারা যা করেছিল তা ১৯৭১ এর পাকিস্তানি জান্তা সরকারকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
দেখুন লিঙ্কঃ
Click This Link
আরো ছবি দেখুন কিভাবে শ্রীলাঙ্কানরা, তামিলদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল।
প্যারা ৪ঃ
শ্রীলাঙ্কার সামরিক শক্তি প্রায় পাকিস্তানের সমান এবং ভারতের অর্ধেক এবং বাংলাদেশের ১০ গুন বেশী।দেখুন শ্রীলাঙ্কার সামরিক বাহিনীর কিছু ছবি।
প্যারা ৫ঃ
তামিলদের ভয়াভহ দুর্দিনে ত্রানকর্তার ভুমিকায় অবতীর্ন হন তামিলদের মহানায়াক ভেলুপিল্লাই প্রভাকারান। তামিলদের উপর চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধে তিনি অস্ত্র ধারন করতে বাধ্য হন। তার সাথে হাজার হাজার তামিল অস্ত্র ধারন করে।তিনি তামিলদের সু-গঠিত করেন।তামিলরা তাকে দেবতুল্য মনে করত। অনেকের কাছে তিনি ছিলেন সুর্য দেবতা।
শুরু হয় ভয়ংকর যুদ্ধ যুদ্ধ যুদ্ধ!!!! ১৯৯৩,১৯৯৬,২০০১ এই তিন যুদ্ধে তামিলরা জয় লাভ করে। তারা মানচিত্রে উল্লেখিত জায়গা দখল করে নেয়। শ্রীলঙ্কা সরকার তামিলদের সাথে শান্তি চুক্তি করতে বাধ্য হয়। তামিলরা পেল নিজেদের ভুমি, আদালত, নিজেদের সরকার। সু-সংগঠিত তামিল সেনা,নৌ ও বিমান বাহিনী গড়ে তুলে।
কিন্তু ন্যাক্কার জনক ভাবে আমেরিকা তামিলদের সন্ত্রাসী বাহিনী হিসেবে চিন্নিত করে এবং শ্রীলঙ্কার যুদ্ধাপরাধ ঢেকে দেয়।মহান ভারত মাতা শ্রীলঙ্কার কল্যানের জন্য শান্তি রক্ষি বাহিনী পাঠায়। ভারতীয় শান্তি রক্ষি বাহিনী তামিলদের সাথে যুদ্ধ শুরু করে।
শুরু হয় আরেকটি ভয়ংকর যুদ্ধ যুদ্ধ যুদ্ধ!!!!
ফলাফল ভারতের পরাজয়। ১১০০ সৈন্য খুইয়ে ভারতীয় সৈন্যরা চলে যায়। কিন্তু চিহ্ণ রেখে যায় যুদ্ধাপরাধ।
তামিলরা আবার তাদের দেশের ভুখন্ড রক্ষা করতে সক্ষম হয়। তামিল নেতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরন ওয়াদা করেন, ভারতীয় সৈন্যদের ব্যাপক হত্যা কান্ডের জন্য ভারতকে চরম মূল্য দিতে হবে। ফলাফল ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী তামিল হামলায় মৃত্যু বরন করেন।
পৃথিবীর সব দেশ তামিল টাইগারদের সন্ত্রাসী ঘোষনা করে, কিন্তু উপেক্ষা করে যায় তামিল দের উপর ভারতীয় যুদ্ধাপরাধ।
বার বার পরাজয়ের পরেও সিনহলিজরা তামিল রাস্ত্রকে মেনে নিতে পারছিল না। শ্রীলঙ্কার সাহায্যে এগিয়ে আসে পাকিস্তান, ভারত, চায়না,আমেরিকা,জার্মানি সহ বড় বড় অনেক দেশ।
তামিলদের সবায় এত ঘৃনা করে কেন জানি না। সবাই চায় ওরা শেষ হয়ে যাক। সমরাশ্ত্রে বলীয়ান হয়ে শ্রীলাঙ্কা সরকার আবার তামিলদের ঊপর ঝাপিয়ে পড়ে। নেতৃতে থাকেন চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা। ফলাফল শ্রীলঙ্কা আবারো পরাজিত হয়।তামিলরা elephant pass দখল করে নেয়। কিন্তু তামিলদের ও অনেক চড়া মুল্য দিতে হয়েছে। প্রভাকরন ওয়াদা করেন তামিলদের রক্তের মুল্য বৃথা যাবে না। প্রেসিডেন্ট কুমারাতুঙ্গার উপর হামলা হয়। উনি প্রানে বেচে যান।
Norway’র মধ্যস্ততায় শান্তি প্রতিশঠা হয়।
প্যারা ৬ঃ এত হত্যা আর ধংসের মধ্যেও তামিল রা গড়ে তুলে ছিল তাদের নিজেদের বিমান বাহিনী।
প্যারা ৭ঃ
এত ধংসের পরেও দেশ প্রেমের তাগিদে তারা গড়ে তুলেছিল ইস্কুল, কলেজ, হাসপাতাল,রাস্তা-ঘাট আরও অনেক কিছু। তাদের ছিল নিজ আদালত,সরকার এবং মুদ্রা ব্যাবস্থা।সারা পৃথিবির সমস্ত দেশ তাদের বিরুদ্ধে অবরধ আরোপ করেছিল কারন তারা সন্ত্রাসী বাহিনী। তারা সাধিনতা চায়।তারপর ও তারা নিজেসশ বেতার ও টেলিভিশন ব্যাবস্থা গড়ে তুলেছিল।তাদের ব্যাংক ও ছিল। ছিল নাগরিক ভারসাম্য।তাদের শিল্পের উতপাদিত পন্যের কনো বাজার ছিল না সব অবরোধ শেষ করে দিয়েছিল। প্রবাসী তামিলদের দানে পাঠানো চাদার টাকায় দ্রুত গড়ে উঠছিল একটি সমৃধ জনপদ।
সাম্রাজ্যবাদিরা মেনে নিতে পারেনি তাদের অগ্রযাত্রা। শুরু হলো আবার আক্রমন তামিলদের উপর।
সারা পৃথিবীর সমস্ত দেশ support দিল শ্রীলঙ্কাকে।
ফলাফল, শ্রীলঙ্কা ৫ম বারের মতন পরাজিত হয়, প্রভাকরনের নেতৃতে তামিলরা বিজয়ি হয়, প্রভাকরন তামিলদের সুর্য সন্তান উপাধি পান।তবে জাফনা তামিলদের হাতছাড়া হয়।চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা সরকার থেকে বিদায় নেন।
এর পর খমতায় আসেন মাহিন্দা রাজাপাক্ষেঃ চিনে নিন এই ব্যাক্তিকে
এই বাক্তি বীর তামিলদের ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন।তাই তিনি আবাও পৃথিবীর super power দের সাহায্য চাইলেন।
শুরু হলো আবারো যুদ্ধ যুদ্ধ যুদ্ধ!!!! তুমুল তুমুল তুমুল যুদ্ধ।একদিকে তামিলদের অস্তিত রক্ষা অন্য দিকে শ্রীলঙ্কার রাস্ট্রিয় অখন্ডতা।
কিন্তু হায়, এই বার বিধাতা তামিলদের পক্ষ নিলেন না।শ্রীলঙ্কান সেনারা কিলিনচ্চি(তামিল রাজধানী) দখল করে নেয়। মরন পন প্রতিরোধ গড়ে তুলে তামিলরা।পরমানু বোমা ছাড়া এমন কনো নিষিদ্ধ মারনাস্ত্র নাই যা শ্রীলঙ্কান সৈন্যরা ব্যাবহার করেনি। পিছু হটে তামিলরা।
তামিলরা আশ্রয় নেয় মুল্লাইতিভু তে।হাস্যকর ভাবে প্রিথিবির সব দেশ তামিলদের অস্ত্র ত্যাগ করতে বলে। তামিলদের জন্যই নাকি সাধারন মানুষের এই দুর্দশা।জোকের মতোন লেগে থাকে লঙ্কান সৈন্যরা। মুল্লাইতিভু ও আক্রমন করে বসে তারা।মরন পন বাজি রেখে লড়াই চালাতে থাকেন প্রভাকরন।
প্রিথিবীর অনেক বিবেকবান মানুষ প্রতিবাদ করেন এই রাস্ট্রিয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
কিন্তু না লঙ্কান সেনা(রাজাপাক্ষের সৈন্যরা)যুদ্ধ থামায়নি। এটাই সুজুগ তামিলদের শেষ করে দেয়ার।চারিদিক ঘিরে ফেলা হয়েছে তামিলদের।বাইরের দেশের কনো সাহায্য পাওয়ার আশা নাই। তাই বাঙ্কারের ভিতরে একে একে আত্তহত্যা করল তামিল বীরেরা।প্রভাকরন পালিয়ে যান্ নি।তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান। এবং মৃত্যু বরন করেন।
মৃত্যু ঘটে একটি নতুন দেশের আকাংখার।
উল্লাসিত হয় , ভারত, আমেরিকা, চায়না, জাপান,পাকিস্তান,জার্মানি,রাশিয়া।
এই যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধি গনঃ
১)বিল ক্লিনটন(আমেরিকা)
২)বুশ সিনিয়র(আমেরিকা)
৩)বুশ জুনিয়র(আমেরিকা)
৪)চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা(শ্রীলঙ্কা)
৫) মাহিন্দা রাজাপাক্ষে(শ্রীলঙ্কা)
৬) মন মোহন সিং(ভারত)
৭) জিয়াং জেমিন(চায়না)
৮) ওয়েন জিয়াবাও(চায়না)
৯) ভাদিমির পুতিন(রাশিয়া)
১০) জুনিচিরো কই জুমি(জাপান)
১১) রাজিব গান্ধি(ভারত)
১২) নরসিমা রাও(ভারত)
এবং নাম না জানা অনেক সি আই এ এজেন্ট এবং শ্রীলঙ্কান কমান্ডার গন।
উপসংহারঃ তামিলদের ও একটি দেশ পাওয়ার অধিকার ছিল।বেচে থাকার অধিকার ছিল।তথা কথিত সভ্য পৃথিবী কি দিতে পেরেছে? আজকে আমরা আমাদের মুক্তি যোদ্ধাদের মহা নায়ক বলি। কিন্তু তামিল টাইগাররা বিবেচিত হয় সন্ত্রাসী হিসেবে।
জবাব আছে আপনাদের কাছে? উপরের ১২ যুদ্ধাপরাধি গন যদি বাংলাদেশ সফরে আসেন, আমাদের তথাকথিত সাধিনতা ও গনতন্ত্রের মুখস ধারী রাজনৈতিক দল গুলা তাদের তেল মারতে লেগে যাবেন কিছু সাহায্য পাওয়ার আশায়।
জবাব আছে আপনাদের কাছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



