মৌঢির ভ্রম সংশোধন: জার্মানির নয়, নরওয়ের
২১ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সাপ্তাহিক মৌচাকে ঢিলের বিশেষ সংখ্যা (নভেম্বর ২০০৮) 'ভয়' প্রথম পর্বের কভারে অ্যাডভার্ড মুঙ্কের (Edvard Munch) বিখ্যাত পেইন্টিং দি স্ক্রিম (The Scream) ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু ভেতরে সম্পাদকীয়তে অ্যাডভার্ড মুংখের পরিচয়ে 'জার্মানির বিখ্যাত পেইন্টার' বলা হয়। আসলে তিনি ছিলেন নরওয়ের, জার্মানির নয়। তিনি নরওয়ের মিউনিসিপালটি লটেনের (Løten) অ্যাডাল্সব্রুক (Ådalsbruk) গ্রামের একটি খামার বাড়িতে ১৮৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৩ সালের ২৩ জানুয়ারি নরওয়ের রাজধানী অসলোতে মৃত্যু বরণ করেন। অ্যাডভার্ড মুংখ দীর্ঘদিন অ্যাংজাইটিতে ভুগেছিলেন। মূলত তিনি 'দি ইউনিয়ন অফ বালিন আর্টিস্টের' আমন্ত্রণে ১৮৯২ সালে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে যান। সেখানে তিনি তার জীবনের কর্মময় চারটি বছর কাটান। ১৮৯৩ সালে অ্যাডভার্ড তার সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি দি স্ক্রিম (The Scream) এঁকেছিলেন। তিনি এই ছবিটির একাধিক ভার্সন তৈরি করেন। তার আরেকটি বিখ্যাত পেইন্টিং হচ্ছে ম্যাডোনা (Madonna, ১৮৯৪-৯৫)। দুটো ছবিই ২০০৪ সালের ২২ আগস্ট অসলোর 'মুঙ্ক মিউজিয়াম' থেকে দিনে-দুপুরে চুরি যায়। ২ বছর ৯ দিন অক্লান্ত অনুসন্ধানের পর নরওয়েজিয়ান পুলিশ ২০০৬ সালের ৩১ আগস্ট ঘোষণা করে ছবি দুটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। দি স্ক্রিমের (১৮৯৩) প্রধান ভার্সনটি ১২ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৯৪ সালে 'দি ন্যাশনাল গ্যালারি অফ নরওয়ে' থেকে চুরি হয়েছিল, যা সে বছরই ৭ মে অক্ষত অবস্থায় পুলিশ খুঁজে পায়। মৌচাকে ঢিলের কভারে এই ছবিটিই ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য, ছবিটি চুরি করে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের জন্য চোররা একটি নোট লিখে রেখেছিল। যাতে লেখা ছিল, 'দূর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ধন্যবাদ' !
ছবি: দি স্ক্রিম, অ্যাডভার্ড মুঙ্ক, ম্যাডোনা
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
মুনতাসির, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫০
বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০
সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯

মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!
লম্বা টানা...
...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের...
...বাকিটুকু পড়ুন