somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ঔপন্যাসিক জিল্লুর রহমান
চোখের সামনে যেকোন অসঙ্গতি মনের মধ্যে দাগ কাটতো, কিশোর মন প্রতিবাদী হয়ে উঠতো। তার বহিঃপ্রকাশ ঘটতো কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে। ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে, নির্যাতন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা। তারপর গল্প, উপন্যাস। এ যাবত প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা-২১ টি।

দাগ-০৮(০১) (এই দাগ হৃদয়ের , এই দাগ সমাজের)

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জয়পুরহাট সরকারী মহিলা কলেজের হোস্টেলে থেকে মায়ার লেখাপড়া ভালই চলছিল। সারাদিন ক্লাস, ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে মামুনের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলা। মায়া তার বাবাকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি, তাদের ভালবাসার কাছে বাবাকে দেয়া প্রতিশ্রুতির পরাজয় হয়েছিল। সেজন্য মায়ার মাঝে মাঝে আশংকা হতো কোনদিন যদি তার বাবা মামুনের সঙ্গে তার মেলামেশার কথা জেনে ফেলে তবে তার আর লেখাপড়া করা হবে না, তার মা’র স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবে, তার খালার বড় করে কথা বলার মুখ নষ্ট হবে। তারপরো মায়া নিজেকে সামলাতে পারেনি। সুযোগ পেলেই মামুন জয়পুরহাটে আসতো, সেদিন সকালবেলা মায়া হোস্টেল থেকে সারাদিনের জন্য বেরিয়ে পড়ত। দু’জনে মুক্ত আকাশে পাখির মতো ঘুরে বেড়াত কোনদিন পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কোনদিন বগুড়ার মহাস্থানগড়, কোনদিন দিনাজপুরের স্বপ্নপুরী।
একদিন মায়া অনেকক্ষণ থেকে তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলছিলি। ঠিক সেই মুহূর্তে তার মোবাইলে বার বার করে মামুনের কল আসছিল।
মায়া তার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলা শেষ করে মামুনের মোবাইলের রিং করেছিল।
মোবাইল রিসিভ করেই মামুন রাগান্বিতস্বরে জিজ্ঞেস করেছিল, মায়া তুই এত রাতে কার সঙ্গে কথা বলছিলি?
আমার এক বান্ধবীর সঙ্গে।
এতরাতে তোর বান্ধবীর সঙ্গে কী কথা থাকতে পারে?
সাজেশনের বিষয় কথা বলছিলাম।
মায়া তুই আমাকে মিথ্যা কথা বললি।
না আমি তোকে কোনদিন মিথ্যা কথা বলিনি, এখনো মিথ্যা কথা বলিনি, সারাজীবন মিথ্যা কথা বলব না।
তাহলে তোর সেই ব্ন্ধবীর মোবাইল নাম্বারটা আমাকে দে।
না ওর নাম্বার আমি তোকে দিব না।
ঠিক আছে আমি কাল জয়পুরহাট আসছি, বলেই মামুন মোবাইল রেখে দিয়েছিল।
মামুন খুব আবেগপ্রবণ ছিল। মায়াকে মোবাইল না করেই সে সত্যি সত্যি পরদিন জয়পুরহাট এসে তার হোস্টেলের গেটে দাঁড়িয়ে মোবাইল করেছিল।
মায়া মোবাইল রিসিভ করে বলেছলি, মামুন তুই কোথায়?
আমি তোর হোস্টেলের গেটে।
হঠাৎ করে চলে আসলি, আমার যে এখন কোচিং আছে।
আজ তোকে কোচিং করতে হবে না।
ঠিক আছে তুই যখন বলছিস্ তো আজ তোর জন্য কোচিং এ যাব না, তুই একটু গেটে দাঁড়া, আমি আসছি।
কিছুক্ষণ পর মায়া বের হয়ে এসেছিল।
মামুনের দু’চোখ যেন জবা ফুলের মতো লাল হয়ে গিয়েছিল, যেন যে কোন মুহূর্তে চোক দিয়ে রক্ত বের হবে।
কেউ কোন কথা বলেনি। কিছুদূর হেঁটে যাওয়ার পর দু’জনে একটা রিক্সায় উঠছিল।
তারপর হাঁটতে হাঁটতে গিয়েছলি তাদের সেই অতিপরিচিত শিশু উদ্যানে।
মামুন মায়ার মোবাইলটা হাতে নিয়ে তার মোবাইলের কল রেকর্ড দেখে বলেছিল, গত রাতে তোর মোবাইল রাত বারোটা পনেরো মিনিট থেকে বারোটা পঞ্চাশ মিনিট পর্যন্ত ব্যস্ত ছিল। অথচ কল রেকর্ডে এই সময়ের মধ্যে কোন ডায়ালড কল কিংবা রিসিভ কল নেই, তারমানে তুই নাম্বারটা ডিলিট করে দিয়েছিস।
তুই বিশ্বাস কর মামুন আমার বান্ধবীর সঙ্গে কথা বলেছিলাম, তুই বিশ্বাস কর তুই ছাড়া আমার আর কেউ নেই। কী করলে তুই বিশ্বাস করবি আমাকে বল, আমি তোর যে কোন শর্ত মেনে নিব। আসলে নাম্বারটা কীভাবে যে ডিলিট হয়ে গেছে তা আমি নিজেও জানিনা। তবে একটা মোবাইল থেকে আমার মোবাইল নাম্বারে বিভিন্ন ধরনের ম্যাসেজ আসছে, ঘন ঘন কল আসছে, নাম্বারটা আমি চিনি না। তুই আমার ম্যাসেজ ইনবক্সে দেখ।
মামুন মায়ার মোবাইলের ইনবক্স দেখে বলল, তুই এই নাম্বারটা চিনিস্ না?
না।
তুই কোনদিন রিসপন্স করিসনি তো?
না।
ঠিক আছে, কারো সঙ্গে ঝগড়া বাধানোর দরকার নেই। চল তোকে এখনি মোবাইলের সিমকার্ডটা চঞ্জে করে দিই।
মায়া বলেছিল, মামুন এত ছোটখাটো কারণে সিমকার্ড চেঞ্জ করব?
হ্যাঁ, একটা সিমকার্ড দাম আর কত?
ঠিক আছে তুই যখন বলছিস তবে চল এখনি একটা সিমকার্ড কিনে ফেলি।
চল।
দু’জনে একটা মোবাইলের দোকানে গিয়ে একটা সিমকার্ড কিনে দোকান থেকে বরে হয়ে একটা হোটেলে ঢুকেছিল।
মায়া জিজ্ঞেস করেছিল, মামুন তুই আমাকে এত ভালবাসিস? মোবাইলটা একটু ব্যস্ত দেখলেই তোর মনে হয় কেউ বুঝি আমাকে নিয়ে গেল? সেজন্য একেবারে ধামইরহাট থেকে ছুটে এসে--
হ্যাঁ, আমি তোকে খুব ভালবাসি মায়া, আমি তোর মোবাইলটা ব্যস্ত দেখলেই সহ্য করতে পারিনা।
আর এমন কখনো হবে না মামুন, তবে আমার ওপর তোর বিশ্বাস রাখতে হ বে বিশ্বাস ছাড়া কোনদিন ভালবাসা টিকবে না মামুন।
আমি তোকে বিশ্বাস করি মায়া তবে তুই যেন কোনদিন আমার বিশ্বাসের অমর্যাদা করিস না।
মামুন মায়াকে বিশ্বাস করেছিল। আগের মতোই প্রতিদিন ক্লাস আর ক্লাসের ফাঁকে অথবা রাতে পড়া শেষে মোবাইলে চুটিয়ে আড্ডা দিত।
একদিন সকালবেলা লতা মোবাইল করে জানিয়েছিল তার মায়ের মৃত্যুর সংবাদ।
তার রুমমেট এবং পাশের রুমের মেয়রা তাড়াতাড়ি রুমে এসে সংবাদ জানার পর তাড়াতাড়ি মায়ার কাপড়-চোপড় গুছিয়ে দিয়েছিল। তারপর মায়া জয়পুরহাট থেকে গিয়েছিল তাদের বাড়ী।
মা মারা যাওয়ার কয়েকদিন পর মায়া হোস্টেলে ফিরেছিল। প্রথম প্রথম তার মা’র কথা খুব মনে পড়ত। তারপর ধীরে ধীরে মায়া মা হারানোর শোক কাটিয়ে উঠছেলি এমনসময় আরো এক দুসংবাদ পেয়ে যেন মায়ার মাথায় আকাশ ভেঙ্গেপড়েছিল।
একদিন সন্ধ্যায় লতা মোবাইল করল।
মায়া মোবাইল রিসিভ করতেই মায়ার কানে ভেসে এসেছিল লতার কান্নাভাঙ্গা কণ্ঠস্বর
মায়া জিজ্ঞস করেছিল, কী রে কাঁদছিস কেন?
মায়া বাবা বিয়ে করেছে।
হঠাৎ করেই মায়া বুকে চরম একটা ধাক্কা খেয়েছিল, সে অষ্ফুটস্বরে বলেছিল, বাবা বিয়ে করেছে?
মায়া জোরে কান্না করে হোস্টেলের মেয়েদের কাছে তার বাবাকে ছোট করেনি। সমস্ত কষ্ট বুকে জমিয়ে রেখে বোবা হয়ে গিয়েছিল।
কিছুদিন পর মায়া ছুটিতে বাড়ী গিয়েছিল।
বাড়ীতে ঢুকতেই লতা গেটের সামনে মায়াকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিল।
বাড়ীর ভিতরে ঢুকে আঙ্গিনায় তার চোখে পড়েছিল এক অপরিচিতা মহিলাকে।
লতা পরিচয় করে দিয়েছিল, মায়া আমাদের ছোট মা।
ছোট মা’র চোখে চোখ পড়তেই মায়ার বুক কেঁপে উঠেছলি।
সে সালাম দিয়েছিল।
তার ছোট মা সালামের জবাব দিয়ে মায়ার কাছে এসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেছিল, কেমন আছ মা?
মায়া কোন কথা বলতে পারেনি, তার গণ্ডদেশ বেয়ে অঝোর ধারায় পানি গড়িয়ে পড়েছিল।
তার ছোটমা মায়ার চোখের পানি মুছে দিয়ে বলেছিল, তুমি হাত-মুখ ধুয়ে আসো মা আমি তোমার খাবারের ব্যবস্থা করছি।
ভাত খেতে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোট মা হাত পাখা দিয়ে বাতাস করে দিয়েছিল। খাওয়া শেষে মায়াকে ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক কথা বলেছিল, মা আমি বুঝতে পাচ্ছি তোমাদের দু’বোনের হয়ত আমাকে মা বলে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু যেদিন আমার তোমার বাবার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে সেদিনই আমি তোমাদের মেয়ে বলে মেনে নিয়েছি। যতদিন বাঁচবো ততদিন তোমাদের মেয়ে বলেই জানবো, তোমাদের কোন অমঙ্গল চিন্তা করার আগে আমার যেন মুত্যু হয়।
মায়া কিছু বলেনি।
ছোট মা আবার বলতে শুরু করেছিল, তুমি কারো কান কথায় বিশ্বাস করবে না মা। তুমি যদি আমার সম্পর্কে কারো কাছে কিছু শোন তবে সোজাসুজি আমাকে জিজ্ঞেস করবে।
বাবার সঙ্গে মায়ার সম্পর্ক কোনদিনও বন্ধুত্বসুলভ ছিল না, বরাবরই মায়ার কাছে বাবা নামক একটা ভীতি ছিল। মোস্তাফিজ সাহেব মায়া কিংবা লতার সঙ্গে খুব একটা কথা বলতেন না। এবারও তাই হলো মায়া জয়পুরহাট যাবার আগের দিন রাতে বাবার সঙ্গে বলতে গিয়েছলি।
মোস্তাফিজ সাহেব গম্ভীরস্বরে বলেছিলেন, তোমার লেখাপড়া ভাল চলছে তো?
জি বাবা।
কত টাকা লাগবে?
তিন হাজার।
মায়ার ছোটমা’র নাম মিথিলা।
মায়া তার বাবার কাছে টাকা চাওয়ার পর মোস্তাফিজ সাহেব মিথিলা বলে ডাক দিয়েছিলেন।
মিথিলা পাশেই দাঁড়িয়েছিল।
মোস্তাফিজ সাহেব বলেছিলেন, তিন হাজার টাকা দাও তো।
মিথিলা মোস্তাফিজ সাহেবের হাতে তিন হাজার টাকা এনে দিয়েছিল।
মোস্তাফিজ সাহেব মিথিলার হাত থেকে টাকা নিয়ে মায়ার হাতে দিয়েছিলেন।
মায়া অবাক হয়ে গিয়েছিল।
মায়া শৈশব থেকে দেখেছে তার বাবা কোনদিন তার মাকে টাকা রাখতে দেয়নি, কোনদিন তার মা’র টাকার প্রয়োজন হলে চেয়ে নিত, বাড়ীর কোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কোনদিন তার মায়ের কোন কথাকে বিন্দুমাত গুরুত্ব দেয়নি। অথচ তার সেই বাবা সামান্য ক’দিনে বাইশ-তেইশ বছর বয়সের তার ছোট মা’র অনুগত স্বামীত পরিনত হয়েছে।
সেদিন বাবার প্রতি মায়ার মন ঘৃণায় মন ভরে গিয়েিছল।
সেদিন রাতে মায়ার কেন জানি খুব ভয় করছিল। সে তার রুমে ঘুমাতে গিয়ে ভয় পাচ্ছিল, তাই মায়া আর লতা দু’জনে লতার রুমে ঘুমিয়েছিল। রাতে মায়া একটা দুঃম্বপ্ন দেখে লতাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠেছিল।
চলবে...

৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×