দাগ-০৮(০২) (এই দাগ হৃদয়ের, এই দাগ সমাজের)
মায়া ভয়ে কাঁপছিল, লতা সাপ।
কোথায় সাপ?
লতা একটা সাপ আমাদের তাড়া করছিল, আমরা দু’জনে দৌড়ে পালাচ্ছিলাম, তুই দৌড়ে পালিয়ে গেলি আর আমি পড়ে গেলাম তখন সাপটা আমাকে কামড় দিল, দেখ, দেখ আমার পা দিয়ে বোধ হয় এখনো রক্ত ঝরছে।
লতা লাইট জ্বালিয়ে দিয়েছিল, না কিছু নাই তো।
মায়া হাঁপাতে হাঁপাতে বলেছিল, লতা আমাকে এক গ্লাস পানি দে তো।
পরদিন সকালবেলা মায়া জযপুরহাট গিয়েছিল কিন' মায়া আর আগের মতো মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করতে পারছিল না। প্রায় দিনই লতা মোবাইল করে তার ছোট মা’র তাকে নির্যাতনের কথা জানাত।
মায়া লতাকে সবকিছু তার বাবাকে জানাতে পরামর্শ দিচ্ছিল। লতাও সবকিছু তার বাবাকে বলতো কিন' কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না তারা দু’বোন মিলে তার বাবাকে মিথিলার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বিশ্বাস করাতে পারছিল না।
এতদিন লতার ওপর মিথিলার অত্যাচারের কথা মায়াকে ব্যথিত করতো কিন' দূর থেকে তার কিছু করার ছিল না সে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাত দূরে থাকার জন্য।
মায়ার এইচ.এস.সি পরীক্ষা চলছিল একদিন সন্ধ্য্যায় তার বাবা মোবাইল করেছিল, মায়া তো অবাক। তার বাবা তো তাকে কোনদিন মোবাইল করে না। সে নিজে মোবাইল করলে দু’য়েক কথা বলে তাড়াতাড়ি মোবাইল রেখে দেয় যেন শেষ করতে পারলেই বাঁচে।
মায়া মোবাইল রিসিভ করেছিল, হ্যালো বাবা।
হ্যাঁ মা কেমন আছিস্?
মায়া আরো অবাক হয়েছিল, বাবার এত স্নেহসুলভ কথা।
সে জবাব দিয়েছিল, জি বাবা ভাল আছি, তুমি?
হ্যাঁ মা ভাল, মা তোর পরীক্ষা যেন কবে শেষ?
আগামী রবিবার।
তাহলে তুই কি সেদিনই বিকেলে আসবি? নাকি সোমবার?
আমি সোমবার আসব বাবা।
ঠিক আছে মা ভালভাবে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ী আসিস্।
আচ্ছা বাবা।
মায়ার মাথায় যেন নতুন চিন-া ভর করেছিল। বাবা পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে তো কোনদিন মোবাইল করেনি, কোনদিন মোবাইল করে ভালভাবে পরীক্ষা দেওয়ার কথাও বলেনি, বাবার নতুন কোন মতলব নাই তো। থাকতেও পারে বাবার মতলব তো আর বাবার চিন-া শক্তি না, মিথিলার কোন কুবুদ্ধি।
বাবার সঙ্গে কথা বলা শেষ করে সে লতাকে মোবাইল করেছিল, লতা।
কি রে? কি খবর?
মায়া তার সঙ্গে বাবার মোবাইলে কথা হওয়ার কথা বলে জিজ্ঞেস করেছিল, লতা তুই কিছু জানিস্ বাবা হঠাৎ করে এভাবে বদলে গেল কেন?
লতা বলেছিল, না তো আমি তো কিছু জানি না।
মায়া নিজেকে সান-্বনা দিয়েছিল, মানুষ পরিবর্তনশীল হঠাৎ করে বাবা বদলে যেতেও তো পারে।
মায়া পরীক্ষা দিয়ে গ্রামে ফিরেছিল কিন' লতা বাড়ীতে ছিল না।
সে তার বাড়ীর কাজের মেয়েকে জিজ্ঞেস করেছিল, এই লতা কই রে?
আপা লতা কই যেন গেছে জানি না তো।
মায়া লতাকে মোবাইল করেছিল, না লতার মোবাইল বন্ধ।
মায়া ভীষণ দুশ্চিন-ায় পড়েছিল।
তার পরদিন সে তার বাবার পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছিল, স্বয়ং তার বাবার মুখেই।
অত্যন- স্নেহসুলভ ভঙ্গীতে মোস-াফিজ সাহেব বলেছিলেন, মা অনেকদিন থেকে আমরা তোর বিয়ের জন্য ছেলে খুঁজছিলাম, ভাল বংশের শিক্ষিত এক ছেলে পাওয়া গেছে, আলাপ-আলোচনা চলছে, শীঘ্রই বিয়ে।
মায়া যেন বুকে প্রচন্ড আঘাত পেয়েছিল। তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছিল। তার বুক চিরে অষ্ফুটস্বরে একটা আর্তনাদ বের হয়েছিল, বাবা।
মায়া তার ঘরে এসে তার মোবাইলটা খুঁজছিল, না কোথাও তার মোবাইলটা নাই। সে বুঝতে পেরেছিল তার মোবাইলটা লুকিয়ে রাখাও পরিকল্পিত।
তারপর একটানা কয়েকদিন মায়াকে বাসা থেকে বের হতে দেয়া হয়নি। তাদের বাড়ী বিশাল উঁচু বাউন্ডারী ওয়াল দ্বারা বেষ্টিত। শুধু বাউন্ডারী ওয়ালটাই উঁচু নয় তারচেয়ে উঁচু এবং অপ্রতিরোধ্য তাদের বংশ মর্যাদা এবং আভিজাত্য। মানুষ হিমালয় বিজয় করেছে কিন' তাদের বংশের কোন ছেলেমেয়ে তাদের আভিজাত্য পরাজিত করতে পারেনি। আভিজাত্যর অহংকার অনেকের হৃদয় ভেঙ্গেছে কিন' কেউ এই আভিজাত্যর দেয়াল ভাঙ্গতে পারেনি।
যেদিন তার বাবা প্রথম মায়াকে ঘরে বন্দি রেখে বাইরে দরজায় তালা দিয়েছিল সেদিনই সে বুঝতে পেরেছিল তার এ ঘরের বাইরে বের হওয়া হবে একেবারে কনে সেজে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া কোন ছেলের সঙ্গে। মায়া সব সময় তার ঘরে বসে কৌশিকের কথা ভাবত কিন' সমস- ভাবনাগুলো যেন এলোমেলো করে দিত একটা অচেনা প্রতিচ্ছবি। একদিন মায়া দুঃস্বপ্নের মধ্যে চিৎকার করে উঠেছিল, না, না আমি মামুনকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না। মামুন ছাড়া অন্য কারো সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে দিলে আমি আত্মহত্যা করব।
দরজা খুলে তার বাবা তার ঘরে ঢুকেছিল, মায়া, কি হয়েছে মা?
মায়া কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিল, বাবা আমি মামুনকে ছাড়া বাঁচবো না, তুমি অন্য কারো সঙ্গে আমাকে বিয়ে দিলে আমি আত্মহত্যা করব।
মোস-াফিজ সাহেব মায়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ছিঃ মা এভাবে বলতে হয় না, আমাদের পরিবারের কোন ছেলে মেয়ে গার্জিয়ানদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করে না।
গার্জিয়ানদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করে না এমন না বাবা আসলে তোমরা তোমাদের ছেলেমেয়েদের মতামতকে কোন গুরুত্ব দাও না। তুমি দেখ বাবা আমি কিন' সবার মতো মনের মধ্যে মামুনের ছবি নিয়ে অন্য কারো সঙ্গে সংসার করব না। তোমাদের বংশের আভিজাত্য আমি ধুলোয় মিশিয়ে দিব। তোমরা লজ্জায় মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারবে না। তা যদি না পারি তবে আমি আত্মহত্যা করব।
মোস-াফিজ সাহেব আর কোন কথা বলেননি, নীরবে মাথা নত করে তার ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।
কয়েকদিন পরের কথা।
একদিন সন্ধ্যায় মায়া তার রুমে বসেছিল। পাশেই ড্রয়িং রুম থেকে অনেকগুলো লোকের কথা ভেসে আসছিল। মায়ার মনে হয়েছিল তার বিয়ের আয়োজন চলছে।
সত্যি সত্যি তার বিয়েরই আয়োজন চলছিল। মায়া দরজা খোলার চেষ্টা করেছিল, হ্যাঁ দরজাটা খুলে গিয়েছিল। কি জানি হয়ত কেউ দরজাটা বন্ধ করতে ভুলে গেছে।
মায়া দরজায় উঁকি মারতে ঘটককে তার চোখে পড়েছিল।
মোস-াফিজ সাহেব মায়াকে দেখে রেগে গিয়েছিলেন, মায়া তুই তোর ঘরে যা, এসব তোর শোনার দরকার নাই।
মায়া মুখে কিছু বলেনি অনেক কষ্টে একটা শুষ্ক হাসি হেসে মনে মনে বলেছিল, বাবা আমার বিয়ে আর আমারই শোনার দরকার নাই।
মায়া তার রুমে এসে খুব মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছিল।
ঘটক এক এক করে পাত্র পক্ষের দাবির কথা বলছিল আর সবাই শুনছিল।
সবকিছু শুনে মায়ার এক চাচা বলেছিল, তারমানে পাঁচ লাখ টাকা ডিমান্ড?
মোস-াফিজ সাহেব বলেছিলেন, ঠিক আছে ঘটক সাহেব আমরা দু’য়েকদিনে আপনাকে আমাদের মতামত জানাব।
মায়ার ছোট চাচা মুরাদ মায়াকে খুব স্নেহ করতো।
সে বলেছিল, ভাইজান আমি একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম?
তুই আবার কি বলবি?
ভাইজান মায়া মামুনকে ভালবাসে, ছেলেটা বুদ্ধিমান ওকে সাপোর্ট দিলে একদিন অনেক বড় হবে। আমাদের মায়ার মনেও কোন কষ্ট থাকবে না।
মোস-াফিজ সাহেব ধমক দিয়েছিলেন।
মুরাদ মোস-াফিজ সাহেবের ধমকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল, ধমক দিও না ভাইজান, এই একই কারণে আমরা আমাদের এক বোনকে হারিয়েছি, তোমাদের মধ্যে যদি এরকম স্বৈরাচারী না থাকত, তোমরা যদি তাকে জোর করে তার পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দিয়ে অন্য ছেলের হাতে তুলে না দিতে তবে সে আত্মহত্যা করতো না। মায়ার ক্ষেত্রেও আমি তাই দেখছি আমরা যদি তাকে জোর করে বিয়ে দিই আর সেও যদি আত্মহত্যা করে তবে এ বংশের কোন মেয়েকে আর কেউ বিয়ে করতে চাইবে না।
মোস-াফিজ সাহেব বলেছিলেন, ওসব বাজে কথা বল্বি না।
না আমি বলছিলাম আমাদের বয়স হয়েছে আর কয়েক বছর পর হয়ত আমরা চলে যাব কিন' মায়ার জীবন কেবল শুরু সে যাকে নিয়ে সারাজীবন কাটাবে সেটা আমাদের চেয়ে তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা না হয় ওর জন্য এটুকু সেক্রিফাইজ করলাম।
তাই বলে একটা ফকিরের বাচ্চার সঙ্গে আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দিব।
ভাইজান যে ছেলেটার সঙ্গে মায়ার বিয়ের কথাবার্তা চলছে সেই ছেলেটাও তো বেকার, হতে পারে ধনী মানুষের ছেলে কিন' নিজে বেকার হলে আর বুদ্ধিমান না হলে সে তার বাবার সম্পত্তি রক্ষা করতে পারবে না। মামুন বুদ্ধিমান ছেলে পাঁচ লাখ টাকা ঐ ধনী মানুষের ছেলেকে ডিমান্ড না দিয়ে মামুনকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। তুমি বিষয়টা একটু ভেবে দেখ ভাইজান?
চুপ, বাজে কথা বলে আমার মাথাটা নষ্ট করবি না। ঠিক আছে তোরা যখন ব্যাপারটা পছন্দ করছিস্ না তখন আমিও আর তোদের ডাকব না। আমার মেয়ে আমাকেই বিয়ে দিতে হবে।
পরদিন লতা তার মামার বাড়ী থেকে এসেছিল।
মোস-াফিজ সাহেব লতাকে শাসিয়ে বলেছিলেন, লতা মায়ার দিকে খেয়াল রাখিস্, ও যেন কোন অঘটন না ঘটাতে না পারে, যদি কোন অঘটন ঘটে যায় তবে তুইও রেহাই পাবি না।
মায়ার বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল বেশ ধুম ধাম করে। মায়া তার বান্ধবীদের সঙ্গে তার রুমে বসে ছিল। মায়ার সঙ্গে তার ছোট মা’র এক ভাগ্নী এসেছিল, নাম নাসরিন। সে মায়ার সঙ্গে একরকম গায়ে পড়ে বন্ধুত্ব পেতেছিল। আসলে বন্ধুত্ব পাতানোর চালাকিটা ছিল তার ছোট মা’র। কারণ তার ছোট মা চাচ্ছিল মায়া আর লতার বিয়েটা হয়ে গেলে সংসারের পুরো কর্তৃত্বই তার হস-গত হয়।
নাসরিন তার খালার নির্দেশে মায়াকে সঙ্গ দেওয়ার নামে পাহারা দিচ্ছিল।
মায়া লক্ষ্য করেছিল। তার নানা বাড়ীর তেমন কেউ আসেনি। তার চাচা-ফুপু যারা এসেছিল তারা মায়ার কাছ থেকে দূরে দূরে থাকছিল। কেমন যেন একটা সেপারেশন। সবাই দায়সারা গোছের কথা বলছিল। কেমন যেন একটা দায়িত্ব এড়ানোর পায়তারা।
তবে বাড়ীতে যে কাজের কিংবা আনন্দ-ফুর্তি করার লোকের অভাব ছিল এমন না। তার নানা-বাড়ীর স'ান দখল করেছিল তার ছোট-মা’র বাবার বাড়ীর লোকজন। মায়ার তার মায়ের কথা খুব মনে পড়ছিল, সে আপন মনে কেঁদে উঠছিল, মা তোমার স্বপ্ন আজ চিরদিনের জন্য ভেঙ্গে যাচ্ছে তুমি কি দেখতে পাচ্ছ? মা তুমি আমাকে হেল্প কর মা। আমি আর পারছি না।
ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা বর এসেছে, বর এসেছে বলে দৌড়ে এসেছিল।
কিছুক্ষণ পর মায়াকে তার শ্বশুরবাড়ীর বিয়ের কাপড়-চোপড় পরানো হয়েছিল।
আরো কিছুক্ষণ পর কাজী সাহেব খাতা নিয়ে এসেছিল। ততক্ষণে মায়া জ্ঞান হারিয়েছিল।
যখন মায়ার জ্ঞান ফিরেছিল। তখন সে একটি প্রাইভেট কারে অপরিচিত যুবকের পাশে কনে সেজে বসে ছিল। মায়ার বুক ফেটে শুধু কান্না বেরিয়ে এসেছিল।
উর্মীর মোবাইলের রিং বেজে উঠল।
সে মোবাইল রিসিভ করল, হ্যালো কে বলছেন প্লিজ?
এই আমি হেমা গেটটা খুলে দে।
উর্মী তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গিয়ে গেট খুলে দিল।
হেমা রুমে ঢুকে ব্যাগটা বিছানার উপর রেখে জিজ্ঞেস করল, এই তোর কি হয়েছে রে? তোকে কতবার রিং দিলাম, ঘুমিয়েছিলি নাকি? আমার মোবাইল নাম্বার সেভ করা আছে আর তুই আমাকে চিনতে পারছিস্ না মানে?
হ্যাঁ একটু ঘুম এসেছিল।
হেমা উর্মীর মুখ উঁচু করে ধরে বলল, কই ঘুমাস্নি তো, নিশ্চয়ই তুই কিছু চিন-া করছিলি।
উর্মী কিছু বলল না।
চলবে...
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।