somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ঔপন্যাসিক জিল্লুর রহমান
চোখের সামনে যেকোন অসঙ্গতি মনের মধ্যে দাগ কাটতো, কিশোর মন প্রতিবাদী হয়ে উঠতো। তার বহিঃপ্রকাশ ঘটতো কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে। ক্ষুধা ও দারিদ্রের বিরুদ্ধে, নির্যাতন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কবিতা। তারপর গল্প, উপন্যাস। এ যাবত প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা-২১ টি।

দাগ-০৯ (এই দাগ হৃদয়রে, এই দাগ সমাজের )

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাইফুল সাহেব একজন সরকারী চাকরিজীবী ছিলেন। একজন সিনসিয়ার এ্যাকাউন্টেন্ট হিসাবে ডিপার্টমেন্টে তার সুনাম ছিল। তিনি চাকরিতে যেমন হিসেবী ছিলেন তেমনি ব্যক্তি জীবনেও ছিলেন অত্যন্ত সচেতন এবং সবার প্রতি বেশ দায়িত্ববান। তারপরও একটা না পাওয়া তাকে সারাজীবন ব্যথিত করেছে। সারাজীবনের সমস্ত হিসেব সুক্ষ্ণভাবে করেও তিনি জীবনের শুরুতে ভুল করা অংকের হিসাব-নিকাশটা মিলাতে পারেননি। মাঝে মাঝেই হিসেবের গড়মিলটা তাকে ব্যথিত করে। তিনি কাউকে কিছু বলতে পারেন না। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কৈশোরের কোন হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি খুঁজে বেড়ানোকে হাস্যকর মনে হলেও সাইফুল সাহেব কাউকে না বলে যেন এখনো সেই স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান।
তার জীবনের এই বেদনা থেকে তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেছেন তাই তিনি তার ছেলে সৌরভের বিয়ের ব্যাপারে তার ইচ্ছাকে কোন যুক্তি তর্ক ছাড়াই কনগ্রাচুলেশন জানিয়েছিলেন। তার দু’ছেলে সৌরভ এবং শুভ্র। সৌরভ এম.বি.এ করে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছে। সাইফুল সাহেবের সঙ্গে দু’ছেলের সম্পর্কই অত্যন্ত বন্ধুত্বসুলভ। সৌরভ লেখাপড়া শেষ করে চাকরিতে যোগদানের পর ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে এসেছিল, শুভ্র সৌরভের কয়েকদিন আগে বাড়ীতে এসেছিল। ঈদের ছুটি শেষে দু’জনে ঢাকা যাবার আগের দিন সাইফুল সাহেব দু’জনকে নিয়ে বসেছিলেন। এটা যেন তাদের অনেকদিনের অভ্যাস। সাইফুল সাহেবের স্ত্রী বেঁচে থাকতেও যে কোন সিদ্ধান্তের জন্য সবাই একসঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনা হতো, তাদের বাড়ীটা যেন গণতন্ত্রের চর্চাকেন্দ্র।
সাইফুল সাহেব সৌরভকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কি রে চাকরি তো হলো এবার দেখেশুনে একটা মেয়েকে বিয়ে করে ফেল?
সৌরভ কিছু বলেনি।
শুভ্র বলেছিল, বাবা দেখাশুনা আর করতে হবে না, বউ দেখার কাজটা ভাইয়া নিজেই করেছে আমিও অবশ্য দেখেছি।
সাইফুল সাহেব বলেছিলেন, তবে তো অনেক কাজ এগিয়েই আছে, তবে নাম ঠিকানা বল্। বিয়ের ব্যবস্থা করি।
বাবা তুমি আমাকে কয়েকদিন সময় দাও, আমি তোমাকে সবকিছু জানাব।
মেয়েটির নাম সুরভী। নামের সঙ্গে তার সৌন্দর্যের এত মিল যে তা নতুন করে বর্ণনা গুরুত্বহীন। শুধু সৌন্দর্যই নয় ছাত্রী হিসেবেও সে ছিল মেধাবী। সুরভীর অনার্স পরীক্ষার পর উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিয়ে হয়। সুরভী তার বাবা-মা’র একমাত্র সন্তান, বাবা বড় ব্যবসায়ী। কলাবাগানে পাঁচতলা বাড়ী আছে, সাভার ই.পি.জেড-এ গার্মেন্টস্ ফ্যাক্টরী আছে। সুরভীর নামে বনশ্রীতে তিন কাঠার একটা প্লট আছে কিন্তু এতকিছুর পরেও সুরভীর আচার-ব্যবহারে কোন অহংকার নাই। সে সাইফুল সাহেবকে খুব শ্রদ্ধা করে। সাইফুল সাহেবও সুরভীকে নিজের মেয়ের মতো স্নেহ করেন। শুধু তাই নয় সুরভী সাইফুল সাহেবের কাছে বেশ খোলামেলা। সব কথা যেন অনায়াসে বলে ফেলে।
সাইফুল সাহেবের পাশের সিটে বসা ছেলেটি কয়েকবার ডাক দিল, চাচা অনেকক্ষণ থেকে আপনার মোবাইল বাজছে।
সাইফুল সাহেব রিসিভ করলেন, হ্যালো বউ মা।
অপর পাশ থেকে সুরভীর কণ্ঠস্বরভেসে এলো, আব্বা আপনি এখন কোথায়?
সাইফুল সাহেব একবার সামনে এবং পাশে তাকিয়ে বললেন, বউ মা সামনে যমুনা ব্রিজ দেখতে পাচ্ছি।
আব্বা আমি অনেকক্ষণ থেকে আপনাকে রিং দিচ্ছি, ঘুমিয়েছিলেন মনে হয়?
হ্যাঁ বউ মা।
আব্বা সাবধানে আসবেন, আমি গাড়ী পাঠিয়ে দিব, আপনি কিন্তু কাউন্টার থেকে কোথাও যাবেন না।
ঠিক আছে বউ মা।
বাস ততক্ষণে যমুনা ব্রিজে উঠেছে। সাইফুল সাহেব ব্রিজের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, তাঁর বুকটা গর্বে ভরে গেল, তিনি আপন মনে বললেন আমরা বাঙ্গালী, আমরা দেশের জন্য যুদ্ধ করতে পারি, আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করতে পারি, আমরা যমুনা ব্রিজের মতো দীর্ঘ ব্রিজ নির্মাণ করতে পারি।
যমুনা ব্রিজ অতিক্রম করার পর তিনি আবার হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।
সৌরভ গাড়ী কেনার পর সাইফুল সাহেবের সুপারিশে তাদের গ্রামের এক ছেলেকে ড্রাইভার নিয়োগ দিয়েছে।
ড্রাইভারের নাম, কুদ্দুস।
সাইফুল সাহেব বাস থেকে নামতেই কুদ্দুস সামনে এসে দাঁড়াল, চাচা আস্সালামুয়ালায়কুম।
কুদ্দুস কেমন আছ?
জি চাচা ভাল আছি, আপনি?
এই আছি আর কি কোনমতো।
চাচা আপনার লাগেজ?
সাইফুল সাহেব পকেট থেকে একটা স্টিকার দিয়ে বললেন, এই নাও স্টিকার, লকারে ব্যাগ আছে।
কুদ্দুস ব্যাগ নিয়ে গাড়ীর দিকে এগিয়ে গেল।
সাইফুল সাহেব কুদ্দুসের পিছনে পিছনে গিয়ে গাড়ীতে উঠলেন।
প্রায় আধ ঘন্টার মধ্যে গাড়ী বাসায় পৌঁছাল।
প্রান্তিক বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছিল।
কলিং বেল বাজানোর আগেই সে দরজা খুলে দিয়ে বলল, দাদু।
সাইফুল সাহেব প্রান্তিককে কোলে নিয়ে বললেন, দাদু কেমন আছ?
ভাল।
সুরভী সামনে এসে সালাম দিল।
সাইফুল সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, কেমন আছ বউ মা?
ভাল আব্বা, আপনি?
প্রান্তিক বলল, দাদু তো ভালই আছে।
সুরভী বলল, তুই কিভাবে বুঝলি তোর দাদু ভাল আছে?
ভাল না থাকলে কি দাদু পাবনা থেকে ঢাকা আসতে পারতো?
চুপ ইঁচড়ে পাকা কোথাকার? এভাবে কথা বলতে হয়?
সুরভী সাইফুল সাহেবকে নিয়ে ড্রয়িং রুমে ঢুকে বলল, বসুন আব্বা, আপনি হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিন আমি চা দিচ্ছি, প্রান্তিক তুই দাদুর সঙ্গে গল্প কর।
সুরভী রান্নাঘরে গিয়ে শুভ্রকে মোবাইল করল, হ্যালো শুভ্র।
ভাবী বল।
তুই জানিস্ না আজ আব্বা আসবে?
হ্যাঁ জানি তো।
আজ একটু তাড়াতাড়ি বাসায় আস্বি না?
ভাবী বাবা কি পৌঁচেছে?
হ্যাঁ।
ভাবী আমার তো আসতে দেরি হচ্ছে, তুমি মোবাইলটা একটু বাবাকে দাও তো আমি কথা বলি।
আমি রান্নাঘরে তুই তোর মোবাইল থেকে কথা বল্। আর যদি কারো সাথে জরুরী কোন কাজ থাকে তবে থাক্ দেরিতে আসলেও আব্বা কিছু মনে করবে না।
ভাবী তুমি কিন্তু আমার ওপর অন্যায় করছ, এখনো আমার অফিস আওয়ার শেষ হতে এক ঘন্টা বাকী আছে, আচ্ছা আমি বাবার মোবাইলে রিং দিচ্ছি।
সুরভীর সঙ্গে কথা বলা শেষ করে শুভ্র তার বাবাকে মোবাইল করল, হ্যালো বাবা।
কি রে কেমন আছিস্?
জি বাবা ভাল, বাবা তোমার শরীরটা ভাল তো?
এই কোনভাবে দিন চলে যাচ্ছে।
বাবা আমার অফিস শেষ হতে একটু দেরি আছে, অফিস আওয়ার শেষ হলেই আমি চলে আসব।
না, না এত তাড়াহুড়া করার কিছু নাই, তোর কাজ শেষ হলে আসিস্, প্রান্তিক আছে, সুরভী আছে আমার এখন গল্প করতে করতে সময় কেটে যাবে।
আচ্ছা বাবা ঠিক আছে।
উর্মী এতক্ষণ কাজ করতে করতে শুভ্রর কথা শুনছিল এবার কম্পিউটার থেকে মুখ তুলে বলল, শুভ্র তোমার বাবা এসেছে?
হ্যাঁ।
তোমার হাতে বেশি কাজ থাকলে আমাকে কিছু কাজ দাও, আমি করে দিব।
না বাবা বলেছে হাতের কাজ সেরে যেতে। বাবা সরকারী চাকরি করতো, চাকরি জীবনে খুব সিনসিয়ার ছিল। কাজেই আমি বাসায় যেতে দেরি হলেও কোন মাইন্ড করবে না।
কিছুক্ষণ দু’জনে কাজ করল। তারপর কাজ শেষ করে কম্পিউটার শাট ডাউন দিল।
উর্মী জিজ্ঞেস করল, চলে যাবে?
তুমিও চল না উর্মী আমার সঙ্গে।
কি বলছ তুমি?
কেন? কোন অসুবিধা নাই। তুমি গেলে বাবা খুশি হবে। তুমি তো জানো না বাবার সঙ্গে আমার কি রকম সম্পর্ক? একেবারে কোন ধরনের লুকোচুরি নাই।
আচ্ছা শুভ্র তুমি তোমার বাবাকে খুব রেসপেক্ট কর তাই না?
হ্যাঁ, এটা আবার নতুন কি? সব ছেলে মেয়েরাই তাদের বাবা-মা’কে রেসপেক্ট করে।
উর্মীর দু’চোখ ছল্ছল করে উঠল।
সে আপন মনে বলল, শুভ্র আমি যদি তোমার মতো আমার বাবাকে রেসপেক্ট করতে পারতাম?
শুভ্র উঠে দাঁড়াল, উর্মী চল উঠি।
তুমি যাও শুভ্র আমি একটু পরে যাব।
কেন?
প্লিজ শুভ্র, ডন্ট মাইন্ড।
ওকে থ্যাংকস, বলে শুভ্র চলে গেল।

রাতে খাওয়ার পর সাইফুল সাহেব কথা তুললেন, বউ মা তুমি বোধ হয় শুনেছ আমরা যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পরিবারের সব সদস্য বসে আলোচনা করি, অনেকদিন থেকে তেমন কোন ইমপোর্টেন্ট বিষয় সামনে আসেনি তাই কোনদিন আমাদের আলোচনা তুমি দেখনি।
সুরভী কিছু বলল না।
সাইফুল সাহেব প্রান্তিককে কোলে তুলে নিয়ে বললেন, এখন অবশ্য প্রান্তিকও আমাদের পরিবারের সদস্য, তাহলে এখন আমাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা কত হলো দাদু ভাই?
প্রান্তিক সবার দিকে আঙ্গুল তুলে তুলে গুণে বলল, দাদু এক, আব্বু দুই, চাচ্চু তিন, আম্মু চার আর আমি পাঁচ।
হ্যাঁ ঠিক বলেছিস্ এখন আমরা সদস্য সংখ্যা পাঁচ জন, বেজোড় সংখ্যা হয়েই ভাল হলো, জোড় সংখ্যা হলে তো আবার টস্ করতে হতো।
শুভ্র জিজ্ঞেস করল, আবার কি বিষয় বাবা?
কি বিষয় মানে? সৌরভের প্রতি যাবতীয় দায়িত্ব শেষ করেছি, এখন তোর বিয়েটা দিতে পারলে আমার সব দায়িত্ব শেষ হয়।
সুরভী কৌতুহলী হলো, হ্যাঁ আব্বা আমরাও আসলে অনেকদিন থেকে ওর বিয়ের জন্য চেষ্টা করছি, আগে বল্তো চাকরি হয়নি, এখন চাকরি হওয়ার পর ওর মেয়েই পছন্দ হচ্ছে না, আমার এক কাজিন ছিল নাম নদী, মেয়েটা খুব সুন্দর, একেবারে শান্ত যেমন নাম নদী তেমনি নদীর মতোই শান্ত। কি রে সুন্দর না?
শুভ্র বলল, হ্যাঁ সুন্দর তো বটেই।
তবে কি হলো? অনেকদিন থেকে আমাদের জন্য অপেক্ষা করেছে এই তো ক’দিন আগে বিয়ে হয়ে গেল।
তারপর আর মেয়ে দেখনি? সাইফুল সাহেব জিজ্ঞেস করলেন।
দেখেছিলাম আব্বা, শুভ্র প্রায়ই বলতো বিয়ে করে খাওয়াব কি? একজনের আয় দিয়ে কি ভালভাবে সংসার চলে? তাই একটা চাকরিজীবী মেয়ে দেখেছিলাম। ওকেও শুভ্রর পছন্দ না? শেষ পর্যন্ত দেখবেন আব্বা ওর কপালে ভাল বউ জুটবে না।
শুভ্র বলল, আমার বেশি ভাল বউ লাগবে না।
এই তো ক’দিন আগে বললি তোর বউ লাগবে সুন্দর, যেন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঝিলিক দিয়ে যায়, আজ আবার বলছিস্ তোর বেশি ভাল বউ লাগবে না। তারমানে এর মধ্যেই তোর কাউকে পছন্দ হয়েছে?
হ্যাঁ।
তবে বল্।
আমাকে কিছুদিন সময় দাও বাবা।
প্রান্তিক জিজ্ঞেস করল, কিছুদিন মানে কতদিন চাচ্চু?
শুভ্র বলল, কিছুদিন মানে সাতদিন হতে পারে, পনেরো দিন হতে পারে আবার----
প্রান্তিক মন খারাপ করল।
সুরভী বলল, কি হলো প্রান্তিক? মন খারাপ করলি কেন?
তারমানে চাচ্চুর বিয়ে হচ্ছে না। সেই যে আন্টির বিয়ে হয়েছে কতদিন হলো তখন থেকে আর বিয়ে হয় না।
সৌরভ, বউ মা, প্রান্তিক তাহলে শুভ্রকে কিছুদিন সময় দেয়া হোক।
প্রান্তিক পন্ডিতের মতো বলল, দেয়া যেতে পারে।
সৌরভ তার বেড রুমে গেল।
শুভ্রও তার রুমে গেল।
সাইফুল সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, বউ মা শুভ্র কাকে পছন্দ করে তা কি বলেছে?
আব্বা সে এক সিনেমার মতো ব্যাপার সেপার।
কি রকম?
আপনার নাকি তখন ধামইরহাটে পোস্টিং ছিল। তখন ওর সঙ্গে একটা মেয়ে পড়ত নাম ছিল মায়া সেই মেয়েটাকে ওর তখন পছন্দ ছিল কিন্তু কোনদিন সেভাবে বলতে পারেনি। এখন প্রথমদিন চাকরিতে জয়েন্ট করার সময় ওর সঙ্গে এক মেয়ে চাকরিতে জয়েন্ট করেছে নাম উর্মী সেই মেয়েটা নাকি ঠিক মায়ার মতো।
নাকি কেন মেয়েটাকে দেখেনি?
মেয়েটা সব সময় বোরকা পরে থাকে কিন্তু গলার স্বরএকেবারে মায়ার মতো এবং ও নাকি কনফার্ম যে উর্মীই মায়া।
ধামইরহাটে তো আমার অনেক পরিচিত লোক আছে, আমি না হয় খবর নিয়ে দেখি। আমাকে বলবে না বোকাটা, এমনিতে তো আমাকে সব কথাই বলে আর এই কথাটাই বলতে পারছে না?
আব্বা মেয়েটা তো এখনো স্বীকারই করছে না যে সে-ই মায়া।
খুব জটিল ব্যাপার, ওতো কয়েকদিন সময় চাইল, দেখি ও কি করে?
চলবে...




১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×