পরিমল নামের পশুটা তো এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সবার মুখে মুখে তার নাম। অবশ্য সবাই তাকে পশু হিসেবেই চেনে। একজন শিক্ষক তার শিক্ষার্থীকে শিক্ষাদানের পাশাপাশি আদব-কায়দা শিখাবে। কিন্তু তার পরিবর্তে পরিমল পশুটা শিক্ষাদানের সুযোগ নিয়ে সন্তানতুল্য মেয়েদের শ্লীলতাহানি নিয়ে ব্যস্ত।
অনেকে দেখলাম আবার মেয়েটার পোষাকের সমালোচনা করে পরিমলের পক্ষে সাফাই গাইছেন। অবাক হয়ে যাই!!! হতে পারে, মেয়েটা যে পোষাকে চলাফেরা করেছে, তা হয়ত রুচিসম্মত ছিল না। তাই বলে কি, এভাবে শ্লীলতাহানিকে আমরা সমর্থন করব!!!
যদি কোন মেয়ের চরিত্রে দোষ থেকেও থাকে, তবে একজন শিক্ষকের জন্য কি এটা শোভনীয় হবে যে, সে তার ছাত্রীদের মধ্য থেকে যৌন-আবেদনময়ী, সুন্দর মেয়েকে খুজে বের করে তার শ্লীলতাহানি করবে। এটা তো আমরা কখনোই মেনে নিতে পারি না।
তবে যে মেয়ে তার নিজের ইজ্জত, সম্মান, আব্রু রক্ষা করতে ভুলে যায়, তাদের এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বেশী। তাই, আমার পক্ষ থেকে পরামর্শ থাকবে, আধুনিকতার ধুম্রজালে পড়ে যারা নিজেদের সৌন্দর্য প্রদর্শনে ব্যস্ত, তারা একটু নিজের আত্মসম্মানবোধে সচেতন হন। আপনার দৈহিক সৌন্দর্য সবাইকে দেখানোর তো কোন প্রয়োজন নেই; হতে পারে এর মধ্যে কোন এক পরিমল আপনার দিকে কুনজর দিয়ে ফেলতে পারে।
তাই, মুসলমান হয়ে থাকলে ইসলামে যেভাবে পর্দা রক্ষা করার কথা বলা হয়েছে, সেভাবে পর্দা করে চলুন। আর অন্য ধর্মেও যেভাবে নির্দেশ রয়েছে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা সেভাবে চলে নিজেদের ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করুন। এটাই সকলের কাছে প্রত্যাশা থাকবে
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


