আমার প্রিয় পোস্ট
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা - কাক ভুষুন্ডি
- অস্থির কথোপকথন-২ - চিটি (হামিদা আখতার)
- আমার ছেলের কথা বলছি শোনো - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- প্রজাপতি বালকের ডানা ভাঙা অথবা মেঘবালিকার রাত্রি হবার গল্প - কঁাকন
- বাংলার কয়েকটি বিষাক্ত উদ্ভিদ (২) - রাজামশাই
- আত্নহনন..................... - অদ্ভুত আঁধার এক
- আমার আমি নাই রে, আমার আমি নাই - হাসিন
- ওপেন আইডি-১ - অজন্তা
- ইয়াহু মেসেনজার মাল্টিপল লগিন - শিমুল
- ফটোশপের দারুন একটি বই - একদম ফ্রি। তাড়াতাড়ি করুন - মেহেদী হাসান আরিফ
- গণতন্ত্রের বেশী বেশী চর্চা নাকি আগে ধর্ষণকারীদের লিঙ্গ কেটে ফেলা কোনটা আগে করতে হবে? - ইউনুস খান
- নাম সমাচার [ চিকনমিয়া ][ একটি রম্য রচনা ] - ইউনুস খান
- সুরঞ্জনা, ওই খানে যেও নাকো তুমি - ইউনুস খান
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (৪) - ত্রিভুজ
- মা তোমার কি মনে পড়ে ? [ মায়ের কাছে সন্তানের খোলা চিঠি ] - ইউনুস খান
- রক্তখেকো [ ভয়ংকর এক রাক্ষসীর কাহিনী ] - ইউনুস খান
- ভূত নিয়ে একটি সত্য ঘটনা..... - ইউনুস খান
- ভূত নিয়ে দ্বিতীয় সত্য ঘটনা..... - ইউনুস খান
- ভূত নিয়ে তৃতীয় সত্য ঘটনা..... - ইউনুস খান
- মানুষ খেকো দানব [ভয়ংকর অভিজ্ঞতা] - শেষ পর্ব - ইউনুস খান
- সাধু সাবধান! প্রতারনার নতুন কৌশল। - ইউনুস খান
- বীরাঙ্গনা - ইউনুস খান
- কদম ফুল এবং বৃষ্টির জন্য কান্না - ইউনুস খান
- হায়রে দেশপ্রেম!!!!!!!!! - ইউনুস খান
- হিট না পাইলে অনেকেই ফিট হইয়া যায় - ইউনুস খান
- অনলাইন ফ্রিল্যান্সি আউটসোর্সিং -ঘরে বসে বিপুল আয়ের উপায় - রাজ্
অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্তি নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে দেয়া হয়।

কদম ফুল এবং বৃষ্টির জন্য কান্না
০৩ রা জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
কদম ফুল ফুটতে দেখলেই আমার মনটা একটু অন্য রকম ভাললাগায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।
কদম ফুল ফুটতে দেখলেই আমার মনটা বেদনার কষ্টে নীল হয়ে যায়।
কেউ হয়তো আমাকে পাগল মনে করবেন।কিন্তু এটাই সত্যি।
আমি গ্রামে বড় হয়েছি।আমার একটা বন্ধু সার্কেল ছিল।আমদের কাজ ছিল সারাদিন আড্ডা, হৈ চৈ করে ঘুরে বেড়ানো।এই গাছ, ঐ গাছের ফল চুরি করে খাওয়া।কারও গরু বাধা থাকলে সেটা ছেড়ে দেওয়া।আরও কত কি?
এই করে কিভাবে যে সময় চলে যেত বুঝতেই পারতামনা।
আমাদের স্কুলে যাওয়ার পথে নদীর পাড়ে একটা বিশাল কদম গাছ ছিল।এই জন্য আমরা তাকে কদমতলী বলে ডাকতাম।জায়গাটা অনেক অনেক সুন্দর।
ঐ সময়কার কথা। একদিন স্কুল থেকে আসার সময় আমরা দেখলাম কদমতলীর কদম গাছে অনেক কদম ফুল ফুটেছে।আমাদের সে কি খুশি।সবাই মিলে গাছে উঠে অনেক কদম ফুল পারলাম।তারপর সবাই মিলে ঝগড়া।কে আগে দেখেছে?সবাই বললতে লাগল আমি...আমি।আমিও বলতে লাগলাম আমি।শেষে সবাই মিলে একমত হইলাম যে আমিই দেখেছি প্রথম।তখন আমার সে কি আনন্দ।কারণ সেই সময় আমাদের ভিতর একটা নিয়ম ছিল যে প্রথম দেখবে সেই হবে সেটার মালিক।কেউ তাকে না জানিয়ে একটি ফুলও ছিড়তে পারবেনা।তখন আমার কি যে সুখ।
আসলে ছোট ছোট কিছু আনন্দ মানুষকে কতটুকু সুখী করতে পারে এই প্রথম অনুভব করলাম।
বাসায় এসে মাকে কদমফুল দেখাতেই বলল এখন বর্ষা আসবে, দিন-রাত বৃষ্টি হবে।মার কাছে কারন জানতে চাইলে বলল কদম ফুল নাকি বৃষ্টির আগমনী বার্তা নিয়ে আসে।সেই সময় থেকে কদম ফুল দেখলেই বৃষ্টি,বর্ষা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠত, ভেসে উঠে।
বর্ষার সময় আমরা অনেক মাছ ধরতাম।রাত্রে আমরা জাল, কুচ ইত্যাদি নিয়ে বের হতাম।দিনেও জাল, বরশি দিয়ে মাছ ধরতাম।ঠিক তেমনি এক বর্ষায় আমাদের পাশের বাসায় কুষ্টিয়া থেকে কিছু আত্নীয় আসল বেড়াতে।
তাদের মাঝে বৃষ্টি নামে একটি ছোট মেয়ে ছিল।ক্লাস টুতে পড়ত।
আমরা যখন দিনে বরশি দিয়ে মাছ ধরতাম তখন সে আমাদের পাশে বসে থাকত।আমার সাথে দুষ্টুমি করত।আমি মাছ না পেলে বসে বসে কাদত।আমি অবাক হয়ে যেতাম।একসময় দেখা গেল সে প্রতিটা সময় আমার পাশে পাশে ঘুরঘুর করত।আমি যেখানে যেতাম সেখানেই যেত।আমারও খুব ভাল লাগত।আমিও তাকে আদর করতাম।
কিন্তু বেশী সুখ কপালে সইলনা।একদিন তাদের যাওয়ার সময় হলো।সেদিন কি যে বৃষ্টি।মনে হলো বৃষ্টির জন্য আকাশের কান্না, সাথে আমারও।আমি ওদের বিদায় দেখতে পারবনা বলে কদমতলীতে এসে বসে আছি।সাথে আমার বন্ধুরা।কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখি সে কিছু কদম ফুল নিয়ে এসে আমাকে বললো-ভাল থেকো ..... ভাল থেকো .....।আমার মনে আছে সেই সময় আমি দুই দিন কিছু খাইনি।আর সবসময় মন খারাপ থাকত।
এভাবে অনেক সময় চলে গেল।কত কদম ফুল ঝড়ে গেল।কত বর্ষা এলো-গেলো।সেই সাথে বৃষ্টিকেও ভুলে গেলাম।
দশ বছর পর।ময়মনসিংহ থেকে বাসায় গেলাম।আমাদের পাশের বাসায় একটি নতুন সুন্দরী মেয়েকে দেখলাম সবসময় আমার দিকে থাকিয়ে থাকতে আর মিটমিট করে হাসতে।আমি খুব রাগ করতাম।কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে যেতাম।এর পরদিন সে আমার পথ আটকিয়ে দাড়ালে, আমি তাকে খুব অপমান করি।সে কিছু বলতে চেয়েছিল, কিন্তু আমি শুনিনি।তার পরের দিন সকালে ঐ মেয়েটিকে আর দেখি না।আমি ঐ বাসার আশ পাশ দিয়ে ঘুরঘুর করি, কিন্তু তাকে আর দেখি না। নিজের কাছে খুব খারাপ লাগতে লাগল।
কিছুক্ষণ পর ঐ বাসার এক ছোট ভাই আমাকে কিছু কদম ফুল দিয়ে বলল বৃষ্টি দিয়ে গেছে।আমিতো অবাক হয়ে গেলাম।তারপর সে যা বলল তা ছিল এইরকম-"বৃষ্টি এসেছিল।আমি যে মেয়েটিকে দেখে রাগ করতাম সেই ছিল বৃষ্টি।সে এসেছিল কারণ সে আমাকে ভালবাসত।তার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিলো, তাই সে লুকিয়ে এখানে চলে এসেছিল আমার জন্য"।আজকে খুব সকালে তার বাবা-মা তাকে নিয়ে গেছে।
আমি কদম ফুলগুলো নিয়ে দাড়িয়ে রইলাম।আর মনের অজান্তেই চোখের পানিগুলো বৃষ্টি হয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগল।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ভাই গল্পটা একটু ফ্ল্যাট মনে হলো।কাহিনী খুব দ্রুত এগুলো এবং শেষ হয়ে গেল।তার পরও প্লট টি ছিল চমৎকার।তাই প্লাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক বড়করে সিরিজ হয়তো লেখা যেত।
ভবিষ্যতে আমার ছেলেবেলা নামে একটি সিরিজ লেখার ইচ্ছে আছে সেখানে হইতো সবকিছুর সাথে এটাও গুছানো পাবেন।
রেটিং বলেছেন:
কদম ফুল আমিও অনেক ভাল বাসি লেখক বলেছেন: দিয়েন না।
মুক্তির কথা বলেছেন:
পিলাচ
লেখক বলেছেন: বস আপনার পিলাচ টা অন্যরকম।
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন:
আহ! কদম ফুল! আমাদের গ্রামের বাড়ীর পিছনে একটা কদম ফুলের গাছ ছিল। বর্ষাকালে কি যে ভালো লাগতো। গল্পটা সুন্দর।+
লেখক বলেছেন: হুমম। আগে গ্রামে অনেক কদম গাছ ছিল।
মীতু বলেছেন:
আমাদের বাড়ির চারপাশ কদম গাছ দিয়ে ভরা । ফুল ফুটলে খুব ভাল লাগে ।
লেখক বলেছেন: আপনার গ্রামের বাড়ি কোথায়?
রাতমজুর বলেছেন:
৫+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতমুজুর ভাই।
লেখক বলেছেন: ![]()

















