আমার প্রিয় পোস্ট

একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

মানুষ খেকো দানব [ভয়ংকর অভিজ্ঞতা] - ১

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0

[ পৃথিবীতে অনেক আলৌলিক ব্যাপার আছে যা চোখে না দেখলে হয়তো কখনো বিশ্বাসই করা যায়না।
আসলে হিউম্যান পাওয়ার বলে যে একটা কথা আছে এটি তার একটি নুমনা। ]

এস.এস.সি পরিক্ষা শেষ। কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না? একদিন আম্মা বলল চল সইয়ের বাড়ী থেকে বেড়িয়ে আসি। আমি, আম্মা, বদরুল, হাদীমামা সবাই মিলে কিশোরগন্জের পাকুন্দিয়া আম্মার সইয়ের বাড়ী বেড়াতে গেলাম। হৈ হৈ রৈ রৈ করে দিনগুলো খুব ভালই কাটছে। এর মাঝে একদিন ঐ এলাকায় মাইকে প্রচার হচ্ছে যাত্রা হবে।আমরা খুবই উৎফুল্ল। রাত্রে আমি, মামা, নয়ন ভাই, স্বপন, শরিফ, আরও তিনজন মিলে রওনা হলাম। মোটামুটি তিন কি.মি. রাস্তা। তার মাঝে নাকি আবার নদী পার হইতে হয়।

প্রচন্ড শীত। খোলা গলায় গান ছেড়ে নদীর পাড় দিয়ে চলছি। পাশের ঘন কাশবনের ফাক দিয়ে মাঝে মাঝে একজোড়া...দুই জোড়া চোখ এসে উকি দেয়। উকি দিয়েই শেয়াল গুলো পাশের ঝোপে হারিয়ে যায়। মামা বলল শেয়ালেরা রাত্রে নদীর পাড়ে আসে কাকড়া খাওয়ার জন্য।

আমরা মূল নদীরঘাটে এসে পৌছালাম। দেখি মাঝি নাই কিন্তু নৌকা আছে। আমরা মাঝিকে ডাকাডাকি করতে লাগলে কিছুক্ষণ পর মাঝিকে দেখলাম কাশবন থেকে বেড়িয়ে আসল। কিছুটা অপৃকতস্থ কি লেগেছিল? মনে নাই। নদী পার হলাম। আরও এক কিলোমিটার।

এবার কিন্তু সোজা কাশবনের ভিতর দিয়ে যেতে হবে। ছোট একটা রাস্তা। বোঝাই যাচ্ছে এটা একটা কাশবনই ছিল। মানুষ হাটতে হাটতে কিছুটা রাস্তা হয়েছে। হালকা চাদনী। দুইধারের কাশের জন্য দু্ইপাশে কিছুই দেখা যাচ্ছেনা। শুধু সামনে আর পিছনে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সামনে আর পিছনের দুইপাশে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। কেননা চাদের আলো এতনিচে এসে পৌছাচ্ছেনা। আমরা সবাই হাটছি তো হাটছিই। কুয়াশা পরে দুইপাশের কাশগুলো কিছুটা নুয়ে পড়েছে। ফলে হাটার সময় আমাদের মুখে এসে লাগছে। খুবই বিরক্তিকর একটা ব্যাপার।

অনেকক্ষণ যাবৎ আমি একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম যে কিছুক্ষণ পর পরই কাশবনের ভিতর একটা শব্দ হচ্ছে। শেষবার যখন শব্দটা শুনলাম তখন আমার মনে হলো কিছু একটা আমাদের সাথে সাথে চলছে। আর কিছুক্ষণ পরপর শব্দটা শুনিয়ে কি বুঝাতে চাচ্ছে বুঝলাম না। তবে একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর একই শব্দটা শোনা যাচ্ছে। বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে করে সামনে যাওয়ার যে শব্দটা ঠিক সেই রকম। আমি কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম।তবে কারও কাছে কিছু বললাম না।
সোজা সামনে হাটছি।

চলবে...........।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: এখনি। আসল কাহিনীতো এখনও বলাই হয় নাই।

২. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪২
ইমরান মামা বলেছেন: এমিল বলেছেন: ভুই পাইসি
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: তাহলে দ্বিতীয় পর্ব না পড়াই ভাল হবে ইমরান মামা।

কেমন আছেন? গ্রামের বাড়িতে গেছিলাম। আজকেই আসলাম।

৩. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
মিলটন বলেছেন: এটাই কি আপনার সেই ভুতের গল্প?

চালিয়ে যান, অপেক্ষায় আছি। ভালো হয়েছে +
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: মিলটান ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কেমন আছেন? গ্রামের বাড়িতে গেছিলাম। আজকেই আসলাম। আপনাদের অনেক ফিল করেছি।

কোন ভূতের? মনে নাই।

৪. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
ঘাসফুল বলেছেন: ওরেখখাইছেরে-- ইডা কি ডেলিভারি দিতেছ, ডর খাইতাছি :(
বাকিটুক ছাড়ো তাড়াতাড়ি মিয়া ।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: আশা করি তারাতারি ছাড়ব। তার আগে হুযুরের দোয়া নেওয়ার কামটা সাইরা ফালাইয়েন।

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: পরে কমুন........আমনে কেডা?

৬. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৮
গ্রাউন্ড ফ্লোর বলেছেন: মুই হইতাচি আপ্নের ঐ মাঝি, জেডিতে কাশবনে বয়া নদীত ভাইসা আসা লাশ কাঁচা খায়া ফালায়;)
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: হইছেনা। অপেক্ষা করুন। koitaci আমনে কেডা?

৭. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: জায়গার বর্ননা অনেক জীবন্ত মনে হল।আহ জায়গাটা মনোরম।নিয়ে যাবেন আমাকে?
লেখা ভালো লেগেছে।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার মন্তব্য গুলো জটিল...........আমি কিন্তু বুঝতে পারি।
একদিন যাওয়া যায়.........অনেকদিন যায়না।

৮. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: আরে ভাই পুরাটাই লিখতেন আবার চলবে লিখে দিলেন কেন...:(

আপনার এমন লেখা গুলো খুব ভাল লাগে...আরো দিবেন এমন লেখা....পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দেন।
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগলো। তারাতারি দেওয়ার চেষ্টা করব।

আর অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং ভাল থাকবেন অবশ্যই।

২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: তারপর? বুকে সাহস নিয়ে বসে থাকুন। আজকে রাত্রেই হয়তো লেখাটা দিয়ে দিব।

১০. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: এটা কোন এলাকার ভুতের কাহিনী ? :)
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ভাল করে আরেকবার পড়ুন। জায়গার বর্ননা দেওয়া আছে।

১১. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৮
আবু সালেহ বলেছেন: ভুতড়ে গল্প আমার ভালো লাগে
তবে মাঝ পথে আইসা চলবে এইটা ভালো লাগে নাই...
২৭ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক বড় ঘটনাতো তাই ভাবলাম যদি দম শেষ হয়ে যায়। আজকে রাত্রেই বাকিটা দিয়ে দেব ইনশাল্লাহ।

১২. ২৭ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কাহিনী এইভাবে ঝুলায়া দিলেন ?
তাড়াতাড়ি পরেরটা ছাড়েন জ্বনাব ।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ছেড়ে দিয়েছি জনাব............।

ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৭৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.yunuscse.com/

অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্ত নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ