আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- সবাই দেখেন, কিভাবে দলে দলে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে অবৈধ ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীরা, অথচ অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে উল্টো বাংলাদেশকে অভিযুক্ত হতে হয় সবসময়। বাংলাদেশের সীমানার অভ্যন্তরে ভারতীয় অবৈধ অনুপ্রবেশের একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। - দিগন্তের পথিক
- কেমন হয় যদি আপনার মরিচ গাছে একসাথে পাঁচশত মরিচ ধরে, তাও একেকটি ছয় ইঞ্চি লাম্বা সারা বছর জুড়ে । - ময়নামতি
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সেন্টমার্টিন যাবার ক্ষেত্রে আপনি কোন Series এ আছেন ? Windows নাকি Linux ! - এরিয়া-৫১
- মূসা ইব্রাহীমকে হারিয়ে দিয়ে এলাম
- বালক বন্ধু
- অমর একুশে:: এক রক্তাক্ত স্মৃতির ইতিহাস:: - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- জিয়াকে হত্যা করাই ছিল তাহেরের প্ল্যান - নইম
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানি। শিলার যৌবন আর মুন্নির বদনাম। - ধীবর
- RAM বৃদ্ধি না করে যেভাবে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করবেন (Windows XP Operating System এর জন্য) - তাহমিনা৮৭৬৫
- আপনার উপকারের জন্যই বলছি, গ্রামীনফোন ইউসার হলে একটু ঢু মেরে যান - আরিফুর রহমান বাবু
- ব্লগের বিএনপি মনষ্ক ব্লগাররা :রিভার্স এলার্ট - াঢারে ালো
- আমার যতো কবিতা!! কে বলেছে আমি ভালো কবিতা লিখতে জানিনা
একবার দেখুন না প্লিজ। - ইউনুস খান
- "ট্রানজিট ফি" ও শিয়াল আর বোকা কুমিরের সাত বাচ্চার গল্প - আহসান হাবিব শিমুল
- খুজুন, কোথায় কোথায় কে কমেন্ট করেছেন।- টেকি মার্কা পোস্ট। (আমার ৫০ তম পোস্ট) - দু-পেয়ে গাধ
- ভালো থেকো কল্পনা চাকমা, ভালো থেকো মেজর মহসিন রেজা : একটি বানোয়াট ঘটনাক্রম - ফিউশন ফাইভ
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- সৌর্ন্দয্যের আধার বান্দরবন ঘুরে আসলাম [তথ্য + ছবি ব্লগ]


- টেকি মামুন
- আজ মহালয়া - মার ঘরে ফেরা
- দীপান্বিতা
- শবে বরাত নিয়ে ভুল ধারণা,ভুল সংস্কৃতি আর বিদ'আত থেকে আমাদের মুক্তি হোক - আরিয়ানা মিনু
- যখন মাস্টার ছিলাম। - মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন
- Enigma ব্যান্ড নিয়ে কিছু কথা - রাশেদ
- গাঁজা নিয়ে সুন্দর একটা গান?!? - রাকা ও আমি

গুরুতর ভাইরাস আক্রমনের পরে যেভাবে উইন্ডোজ এক্সপি রি-ইন্সটল না করে পিসি রিকভার করবেন!!! 
- ডিজে আরিফ রক্স
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
- McAfee Internet Security 2010 এর ৬ মাসের জেনুইন লাইসেন্স ফ্রি ! - আরিফ বল্গ
- সবাইকে রইলো ভূত মেলায় নেমন্ত্রণ। ~*~সেই সাথে সকল ব্লগারদের ২০১০ সালের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি~*~ - ইউনুস খান
- একটি ঐতিহাসিক রিপোস্ট দিয়ে লগআউট করলাম



- ইউনুস খান
- মা তোমার কি মনে পড়ে ? [ মায়ের কাছে সন্তানের খোলা চিঠি ] - ইউনুস খান
একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

মানুষ খেকো দানব [ভয়ংকর অভিজ্ঞতা] - শেষ পর্ব
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
[ পৃথিবীতে অনেক আলৌলিক ব্যাপার আছে যা চোখে না দেখলে হয়তো কখনো বিশ্বাসই করা যায়না।
আসলে ম্যাগনেটিক হিউম্যান পাওয়ার বলে যে একটা কথা আছে এটি তার একটি নুমনা। ]
১ম পর্ব ছিলঃ
এস.এস.সি পরিক্ষা শেষ। কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না? একদিন আম্মা বলল চল সইয়ের বাড়ী থেকে বেড়িয়ে আসি। আমি, আম্মা, বদরুল, হাদীমামা সবাই মিলে কিশোরগন্জের পাকুন্দিয়া আম্মার সইয়ের বাড়ী বেড়াতে গেলাম। হৈ হৈ রৈ রৈ করে দিনগুলো খুব ভালই কাটছে। এর মাঝে একদিন ঐ এলাকায় মাইকে প্রচার হচ্ছে যাত্রা হবে।আমরা খুবই উৎফুল্ল। রাত্রে আমি, মামা, নয়ন ভাই, স্বপন, শরিফ, আরও তিনজন মিলে রওনা হলাম। মোটামুটি তিন কি.মি. রাস্তা। তার মাঝে নাকি আবার নদী পার হইতে হয়।
প্রচন্ড শীত। খোলা গলায় গান ছেড়ে নদীর পাড় দিয়ে চলছি। পাশের ঘন কাশবনের ফাক দিয়ে মাঝে মাঝে একজোড়া...দুই জোড়া চোখ এসে উকি দেয়। উকি দিয়েই শেয়াল গুলো পাশের ঝোপে হারিয়ে যায়। মামা বলল শেয়ালেরা রাত্রে নদীর পাড়ে আসে কাকড়া খাওয়ার জন্য।
আমরা মূল নদীরঘাটে এসে পৌছালাম। দেখি মাঝি নাই কিন্তু নৌকা আছে। আমরা মাঝিকে ডাকাডাকি করতে লাগলে কিছুক্ষণ পর মাঝিকে দেখলাম কাশবন থেকে বেড়িয়ে আসল। কিছুটা অপৃকতস্থ কি লেগেছিল? মনে নাই। নদী পার হলাম। আরও এক কিলোমিটার।
এবার কিন্তু সোজা কাশবনের ভিতর দিয়ে যেতে হবে। ছোট একটা রাস্তা। বোঝাই যাচ্ছে এটা একটা কাশবনই ছিল। মানুষ হাটতে হাটতে কিছুটা রাস্তা হয়েছে। হালকা চাদনী। দুইধারের কাশের জন্য দু্ইপাশে কিছুই দেখা যাচ্ছেনা। শুধু সামনে আর পিছনে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সামনে আর পিছনের দুইপাশে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার। কেননা চাদের আলো এতনিচে এসে পৌছাচ্ছেনা। আমরা সবাই হাটছি তো হাটছিই। কুয়াশা পরে দুইপাশের কাশগুলো কিছুটা নুয়ে পড়েছে। ফলে হাটার সময় আমাদের মুখে এসে লাগছে। খুবই বিরক্তিকর একটা ব্যাপার।
অনেকক্ষণ যাবৎ আমি একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম যে কিছুক্ষণ পর পরই কাশবনের ভিতর একটা শব্দ হচ্ছে। শেষবার যখন শব্দটা শুনলাম তখন আমার মনে হলো কিছু একটা আমাদের সাথে সাথে চলছে। আর কিছুক্ষণ পরপর শব্দটা শুনিয়ে কি বুঝাতে চাচ্ছে বুঝলাম না। তবে একটা অদ্ভুত ব্যাপার হলো একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর একই শব্দটা শোনা যাচ্ছে। বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে করে সামনে যাওয়ার যে শব্দটা ঠিক সেই রকম। আমি কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম।তবে কারও কাছে কিছু বললাম না।
সোজা সামনে হাটছি।
২য় পর্ব ছিলঃ
থেকে থেকে শব্দটা আমি ঠিকই শুনতে পাচ্ছি। একটা জিনিস খুব অদ্ভুত লাগছিল যে সবাই কেমন জানি নির্বিকার, কেউ কি কিছু শুনতে পাচ্ছেনা। তাহলে আমি কি কোন হ্যালুসেশানে আছি। মানুষের চেচামেচি শোনা যাচ্ছে। আমি আর মামাছাড়া আর বাকি সবাই দেখি দৌড় দিল। আমরাও পিছনে পিছনে দৌড় লাগালাম।
মোটামুটি সামনেই বসলাম। সবাই চিৎকার-চেচামেচি করছে। দুইঘন্টা.........। এরমাঝে আয়োজকদের একজন এসে বলে গেল চুপ করার জন্য এখনি নাকি যাত্রা শুরু হবে। ৫-১০ সেকেন্ট চুপ ছিল আবার চিল্লা-চিল্লি। এবার স্থানীয় চেয়ারম্যানের অনুরোধ। সবাই চুপ।
নুপুরের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। বাদ্যযন্ত্র বেজে উঠল। নাচ শুরু হবে মনে হচ্ছে।সে কি নাচ........নাচের তালে তালে দর্শকরা সবাই উন্মাতাল। মামার দিকে তাকিয়ে দেখি বসে বসে লাফাচ্ছে। মামা আমার দিকে তাকিয়ে কিছুটা লজ্জা পেল। কেউ কেউ টাকাও ছুড়ে মারছে। নৃত্যশিল্পী টাকা কুড়িয়ে ব্লাউজের ফাক দিয়ে বুকে রাখছে আর গা থেকে ধীরে ধীরে কাপড় খুলে ফেলছে। মামাকে দেখি বসা থেকে দাড়িয়ে দাড়িয়ে লাফাচ্ছে। এদিকে দর্শক সারি থেকে কে জানি কাগজ দিয়ে বল বানিয়ে নৃত্যশিল্পীর গায়ে মারল। শিল্পী কিছুটা বিব্রত বোঝাই যাচ্ছে।
আয়োজককারীদের মধ্য থেকে একজন এসে অনুরোধ করে যাচ্ছে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। অহেতুক জামেলা কার সহ্য হয়? কেউ একজন ঐ আয়োজককারীর গায়ে জুতা ছুড়ে মারল। সেচ্ছাসেবক দলের আট-দশজন মিলে একটা লোককে সনাক্ত করে মাইর শুরু করল। সাথে সাথে দর্শকরাও ঝাপিয়ে পড়ল। মুহুর্তের মাঝেই হাজার হাজার মানুষ দৌড়াদৌড়ি শুরু করল। শরীফ, স্বপন বলল মামা দৌড় দেন....বিরাট মাইর লাগব.......এই এলাকা খুব খারাপ।
আমরা দৌড় লাগালাম।
শরীফ, স্বপনরা সামনে দিয়া আমরা পিছনে। দৌড়াচ্ছিতো... দৌড়াচ্ছিতো...। পিছন দিয়া ধর ধর....। জইল্যারে ছাড়িসনা.........মজিত্যা কই? এরকম হাজারও চিৎকার কানে ভেসে আসছে। পিছনে তাকিয়ে দেখি হাজারও মানুষ দ্বিক-বেদ্বিক হয়ে দৌড়াচ্ছে। আমরা তখন রাস্তাছেড়ে কাশবনের ভিতর দিয়া হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে আগাচ্ছি। মামার জুতা ছিড়ে গেছে। বেচারা ঐ জায়গায় বসে জুতার জন্য শোক করা শুরু করল। মামা আবার ভীষন কৃপণতো। আমরা মামাকে ধরে টেনে হিচড়ে ভিতরে যাচ্ছি। ধীরে ধীরে ধর ধর আওয়াজটাও স্তিমিত হয়ে আসছে।
আমরা নদীরপাড়ে এসে দাড়ালাম। হালকা চাদনি। ঘাটে কেউ নেই। সহজেয় বুঝতে পারলাম ভয়ে কেউ এদিকটায় আসেনি। শরিফ বলল এখানে দাড়ানো মোটেও নিরাপদ নয়। যে কোন ভাবেই নদীপাড় হতে হবে। আমি আবার সাতার জানিনা। মামা বলল ভাগ্নে তুমি আমার কাদে উঠ। আমি রাজি হলামনা। আমি সারাজীবন সব জায়গায় মাতব্বরি করতাম শুধু পানি ছাড়া। কেননা হাজার চেষ্টা করেও যে সাতারটা শিকতে পারলামনা। আমার সবসময় ভয় বেশী পানিতে গেলে নিচ দিয়ে যদি কেউ টান দেয়। সবাই আমাকে অনেক বুঝানোর পরও রাজি হলাম না। সবাই নদীর পাড়ে দাড়িয়ে আছি। একটা অজানা আতংক সবার ভিতরে কাজ করছে।
আল্লাহু... আল্লাহু... । সবাই একটু ছড়ানো-ছিটানো থাকলেও দেখলাম মুহুর্ত্তের মাঝে একসাথে জড়ো হয়ে গেল। শব্দটার উৎপত্তি বুঝার চেষ্টা করতে লাগলাম। এর মাঝে শুনলাম 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু....। কাশবনের ভিতর দিয়ে যে রাস্তাটা চলে গেছে সে দিকে একটা ক্ষীণ আলোর রেখা কাশবনের উপরদিয়ে দেখা যাচ্ছে। আমরা সবাই সেদিকে তাকিয়ে রইলাম। আলোর তীব্রতা এবং শব্দের তীব্রতা বেড়েই চলছে।
৩য় পর্বঃ
সবাই একদৃষ্টিতে ঐ দিকে তাকিয়ে আছি। দেখি দুইজন মানুষ ঐ কাশবনের পথ দিয়ে বের হয়ে আসছে। দুইজনের হাতে দুইটি হারিকেন। পিছনে চারজনে কাদে করে একটি খাটিয়া নিয়ে আসলো। সাদা কাপড়ে ঢাকা। বুঝলাম কোন লাশ নিয়ে এসেছে। তার পিছনে আরও দুইজন হারিকেন হাতে। অবাক হয়ে গেলাম।
আসসালামু ওয়ালাইকুম। সবাই সালামের জবাব দিলাম।সবার চোখে-মুখে উৎকন্ঠা স্পষ্ট। আমি একটু আগ বাড়িয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি ব্যাপার বলুনতো। সবচেয়ে বৃদ্ধ যে লোকটা সে বলল "মৃত ব্যাক্তিটি হলো এই এলাকার জামাই। শশুর বাড়ীতে এসেছিল। সাপের কামড়ে সন্ধায় মৃত্যু হয়েছে। এখন ঐ পাড়ে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে দাফনের জন্য।" সবার জড়তা মনে হয় একটু কাটল।
-বাবা নৌকা নাই
-না চাচা দেখি না তো
-ঠিক আছে তাহলে আপনারা এইখানে লাশের পাশে দাড়ান আমরা গিয়ে নৌকা নিয়ে আসছি।
এইটা কি কয়? মাথাটা আবার ঝিনঝিন করে উঠল। একটু সন্দেহও লাগছিল। শেষে আমি বললাম আপনারা চারজন এবং আমর চারজন মিলে গিয়ে নৌকা নিয়ে আসব। আর বাকি সবাই এখানে থাকুক।চাচা মনে হয় আমার মনের কথা বুঝতে পারল। চাচার মুখে যে হাসিটা দেখলাম সেই হাসির রহস্য হাজার রকমের হতে পারে।
আমরা আটজন মিলে রওনা হলাম। নদীর পাড়ে ধরে হাটছি। সাথে দুইটি হারিকেন। চাচা মনে হয় মাঝির বাড়ি চিনে।সেই দেখলাম চিনিয়ে চিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। একটা জায়গায় এসে চাচা থামল। টর্চলাইট মেরে দেখলাম ঘাটে ঐ বিশাল নৌকাটা বাধা আছে। জায়গাটা অনেক অন্ধকার। নদীর পাড়ের উপরে বাড়ি ঘরও আছে। কিন্তু মনে হচ্ছে যেন মৃত্যুপুরী। কিছুটা ভয় ভয় লাগছে। একটা প্যাচা উড়ে গেল।পানিতে কিছু পড়ার শব্দ। ঐ হাইল্যা... হাইল্যারে........। বুঝতে পারলাম মাঝির নাম হালিম। কোন সারাশব্দ নাই। চাচা রাগে বলতে লাগল সবাই কি মইরা ভূত হয়ে গেছে। শেষে আমরাই নৌকা নিয়ে আসলাম।
অনেক বড় নৌকা। নৌকার ছাদ নেই। উপরে কাঠ দিয়ে মেঝে করা হয়েছে। তবে মাঝখানে চার হাতের মত জায়গা ফাকা। পানি সেচের সুবিধার জন্য এটা করা হয়। আমরা এই ফাকের এক পাশে বসলাম। অন্য পাশে ওরা। আমি নৌকার শেষ মাথায় বসলাম। নৌকা যখন ছাড়বে, ঠিক তখনি কাশবনের ভিতর থেকে একটা আওয়াজ আসল।
-বাবারা আমারে একটু নিয়া যাও।
টর্চ লাইট মেরে দেখি এক বৃদ্ধলোক। ভাবলাম এতরাত্রে আমরা নিয়া না গেলে বেচারা কিভাবে পার হবে? তাই আমিই সবাইকে অনুরোধ করলাম নেওয়ার জন্য। নৌকাটি ভাসিয়ে লোকটি লাফ দিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি দোলনার মত দোল খেতে লাগল। আমার কাছে মনে হলো সবাই নৌকায় উঠার পর নৌকাটি যতটুকু ডুবল ঐ লোকটি উঠার পর আরও বেশী ডুবল। লোকটি লাশের ঠিক পায়ের কাছে বসল। নৌকা চলতে লাগল।
খুব বেশী বড় নদী না। কিছুটা স্রোত আছে। মনের ভিতর অজানা আশংকটা যতই ভুলে থাকার চেষ্টা করছি ততই মনে পড়ছে। এই হালকা চাদনী রাতে কাশবনের উপরে কুয়াশার ধোয়া যে মায়াবী জাল সৃষ্টি করেছে তা আলিফ লায়লার কথা মনে করিয়ে দিল। ভয় কাটানোর জন্য মনে মনে গান গাওয়ার চেষ্টা করলাম। জোরকরেই কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে যেতে চাইলাম। দূরে ভেসে যাওয়া কলাগাছরুপী লাশগুলোকে একমনে দেখছিলাম।
হঠাৎ যে নৌকা চালাচ্ছিল তার বিকট চিৎকার। কেউ একজন পানিতে ঝাপিয়ে পড়ার শব্দ। আমি ঘুরে তাকাতে তাকাতেই সমস্ত নৌকাটা দুলে উঠল যেন কোন নীলদড়িয়ায় নৌকাটি ঝড়ের কবলে পড়েছে। সবাই লাফিয়ে পানিতে পড়ছে। মামা চিৎকার করে পানিতে লাফ দেওয়ার জন্য বলছে। আমি উঠে দাড়ালাম। নৌকার শেষমাথায় টর্চলাইট মেরে দেখি বৃদ্ধটি লাশের একটি পা ধরে পা'র মাংস খাচ্ছে। পায়ের হারটি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি। বৃদ্ধটির মুখে আলো পড়তেই আমার দিকে তাকিয়ে রইলো। চোখ থেকে নীলআলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। মুখে রক্তের দাগের মত এ্যাবরো-থেবরো মাংস লেপটানো। বিবৎস দৃশ্য। খুব বমি আসতে লাগল। আমি জোড়করে চেষ্টা করছি সবকিছু আটকিয়ে রাখতে। তীরের দিকে তাকালাম। বুঝতে পারছি এতটুকু সাতার দিয়ে পার হওয়া আমার পক্ষে সম্ভবনা। সবাইকে দেখলাম চিৎকার করছে আর দৌড়াচ্ছে। আমি বৃদ্ধের দিকে টর্চলাইট মেরে দাড়িয়ে রইলাম। বৃদ্ধটি আমার দিকে তাকালো...... উঠে দাড়ালো.....। ঝপাৎ।
যতক্ষণ পারলাম সাতার কাটতেই থাকলাম। শেষে মাটি হাটুতে বাজল। বুঝতে পারলাম তীরে এসে পৌছেছি। দৌড় লাগালাম। চিৎকার অনুসরণ করে কাশবনের ভিতর দিয়ে দৌড়াতে লাগলাম। হাজার-হাজার মানুষের চিৎকার। চারদিকে মশাল আর মশাল। কেউ কেউ ডাকাত ডাকাত করেও চিল্লাচ্ছে। কাশবনের ঐ পাশেই একটা বাড়ী আছে সেখানে সবাই পরে রইলো। আমিও গিয়ে ঐ খানে শুয়ে পড়লাম। চারদিকে মানুষ ঘিরে ধরেছে। কেউ কেউ আমার কাছে ঘটনা জানতে চাইলো....। আমার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছিলনা। এর মাঝে একজন সবাইকে ধমক দিয়ে সরিয়ে দিল। সবার মাথায় পানি ঢালার ব্যাবস্থা করতে বলল। মামার হুশ হওয়ার পর আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল- ভাইগ্না বাইচ্যা আছ? আপা আমারে মাইরাই ফালতো। একে একে সবাই হুশ হলো। আমি সব ঘটনা খুলে বললাম। এর মাঝে দেখি শরীফের আব্বাও লোক নিয়ে হাজির। কেউ কেউ নদীর পাড়ে যাওয়ার সাহস দেখালো। শেষে আমি সবাইকে নিয়া নদীর পাড়ে গেলাম। নৌকা নাই। আমরা স্রোতের অনুকুলে হেটে যাচ্ছি। সবাই চিৎকার করে উঠল এই যে নৌকা। দেখলাম শুধু কংকালটা আছে। এর মাঝে একজন বলল দেখিতো মাটিতে রাক্ষসটার পায়ের দাগ আছে কিনা? আমরা নদীর পাড়ে কোন পায়ের দাগও পাইনি।
শেষে ঐ কংকালটিই মাটি দেওয়া হলো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাতমজুর বলেছেন:
লেখক বলেছেন: সত্যি বলবেন ভয় পাইছিলেন কি-না?
ঘাসফুল বলেছেন:
তুমিতো কৈলা হাতোড় জাননা---কেম্তে কি ?
লেখক বলেছেন: সাতার আমি জানিনা। পানিতে হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে উপরে উঠছি। মনে আছে ঐ সময় একবার নিচে ডুব দিয়ে দেখতে চেয়েছিলাম নিচে মাটি পাওয়া যায় কিনা? কিন্তু ভয়ে দেয়নি, যদি পরে উপরে আর না উঠতে পারি। শেষে হাটুতে মাটি লাগার পর বুঝতে পারলাম যে আমি টানে উঠতে পেরেছি।
আর সাতার না জানলেও আনায়াসে একজন কিছুটা জায়গা যেতে পারে? আর আমিতো অনেকবার চেষ্টাও করেছি সাতার শেখার জন্য। তাই কিছুটা যেতে পারতামই। কিন্তু সত্যিকার অর্থে যেটা বুঝায় সেই সাতার আমি জানতামনা। যেমন আমার ছোট ভাইরা ইচ্ছে করলেই দেখতাম নদী পার হয়ে যেত।
মুক্তির কথা বলেছেন:
কল্পনা না হাচা? পুরাটাই তো কল্পনা মনে হইতাছে।আমি ভুতের গল্প অনেক পছন্দ করি।
লেখক বলেছেন: ঐটা কি কখনো পড়তেন? নাকি বাসার সেল্ফ এ সাজিয়ে রেখে দিতেন?
ভালো আছেনতো? কাজের চাপ কি বেশী না-কি?
অনিশ্চিত বলেছেন:
প্যারাসাইকোলজি বিশ্বাস করেন মনে হচ্ছে। তবে আপনার লেখার ধরনটা ভালো।
লেখক বলেছেন: প্যারাসাইকোলজি কি?
আমার ঘটনাটা কেমন লেগেছে?
লেখার ধরণ ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।
ভোরের আলো বলেছেন:
আমি অইলে রাক্ষসডারে যাইত্যা ধরতাম। আর তাইলে আমি রাক্ষসের আবিস্কারক অইতাম। আয় হায়! নোবেল পাওনের সুযোগ হাতছাড়া হইলো!!!
লেখক বলেছেন: আহা---লে।
বলতে পারবেন আসলে রাক্ষসটা কে অথবা কি ছিল?
মুক্তির কথা বলেছেন:
বই টা এতই ভাল ছিল যে আমি ৪/৫ বার পড়েছি পুরা টা।
লেখক বলেছেন: বই পড়ার আগ্রহ দেখে খুব ভাল লাগল। বইটা আমাকে ধার দিবেন।
চাচামিঞা বলেছেন:
অসম্ভব বালো লাগলো। +
লেখক বলেছেন: many many thanks
এমিল বলেছেন:
ওয়েল বিল্ট গল্প...গল্প বলছি কারণ ভীষণ ভয় পেলে সবকিছু আউলে যায়, আপনার মত ভৌতিক আবহ তৈরির কথা মনে থাকেনা কিংবা আগের পরের প্রকৃতির বর্ণনা এত বিশদ ভাবে আসেনা
আপনার বর্ণনার ইসটাইলে ভয় এমনিতেই জমা হয়। আর যেহেতু এ ধরণের গল্প শুনে ছোট থেকে বড় হয়েছি তার একটা ইম্প্যাক্ট তো থাকবেই তাইনা?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই থাকা উচিত। ভালো লাগলো ভাল মন্তব্য পেয়ে।
অনেক অ-নে-ক ধন্যবাদ।
ঘাসফুল বলেছেন:
মাইন্ড খাইও না মিয়া......য়েক্সপ্রেশন টা চমৎকার হৈছে ছুড থাক্তে একবার বন্যার পানিতে মাঠ আর পুকুর সব সমান হয়া গেছিলো, আমি পাড় থিকা গিয়া পর্ছিলাম পুকুরে (তহন হাতোড় জান্তাম না)। তুমারমতনই ক্যাম্নে যে আইলাম বাইচ্চ্যা, মাবুদ ধন্যবাদ তুমারে।
লেখক বলেছেন: আরে-না রাগ করি নি। ভালো লেগেছে জেনে ভাল লাগলো।
"তুমারমতনই ক্যাম্নে যে আইলাম বাইচ্চ্যা, মাবুদ ধন্যবাদ আপনারে। "
অনেক অ-নে-ক ধন্যবাদ।
রোডায়া বলেছেন:
বাহ বেশ! অনেকদিন পর নতুন ধরনের রহস্য গল্প পড়লাম৷
লেখক বলেছেন: "রহস্য গল্প" !!!!!!!!!!!!!!!!!!
???????????????????????????????????
রোডায়া বলেছেন:
এইটা কি সত্যি ঘটনা দাবি করতেছেন?
লেখক বলেছেন: আবার জিঙ্গস?
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
খুবই ভাল লাগলো ঘটনা....তবে ঐ রাক্ষস টা আসলে কি ছিল.....মানুষ নিশ্চয়ই না...আর এমন ঘটনা কি সত্যি ঘটে নাকি???...মানে মানুষ খেকো রাক্ষস বলে কিছু আছে নাকি সত্যি???...নাকি অন্য কিছু ছিল....ঘটনা যাইহোক লেখাটা অনেক অনেক ভাল লেগেছে....আরও লিখবেন এমন ঘটনা...
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে বলে ভালো লাগল।
....তবে ঐ রাক্ষস টা আসলে কি ছিল.....মানুষ নিশ্চয়ই না?----- এই প্রশ্নের উত্তরটা দিয়া দিতে পারতাম। কেন দেয়নি সে কাহিনীটা অন্য একদিন বলব।
প্রথম দুইলাইনেই আসলে সব উত্তর আছে। আসলে সব 'হিউম্যান পাওয়ার'।
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন:
ভাই ভয়ে আমার পেটের ভিতর আমলাচ্ছে। এই গল্পটা নাফে এনামে পড়লে লাফাইত আর কইত, ভাই দারুন লিখেছেন। ভাইরে ভাই কাক্ষস খোক্ষস আমি যে ডর ডরাই। ওরা জিতা মানুষের কাচা মাংস খায়।
লেখক বলেছেন: হ একদম হাছা কথা..........। আমার এখনও সেই ঘটনা মনে হলে গায়ের লোমগুলো দাড়িয়ে পরে।
সাবধানে থাইকেন।
সাবধানের মাইর নাই।
আলী বলেছেন:
শেষে ঐ কংকালটিই মাটি দেওয়া হলো।
লেখক বলেছেন: কি আর করব?
অন্যকোথাও বলেছেন:
আলী বলেছেন: শেষে ঐ কংকালটিই মাটি দেওয়া হলো। মেডিকেলে দিয়া দিতে পারতেন! পুলাপাইনডি খুশী অইতো
লেখক বলেছেন: হ
লেখক বলেছেন: সেইজন্যই পর্ব করে দিছিলাম। যে হুমকি পাইছি। ২য় পর্বতে গেলে দেখতে পারবেন।
চাঙ্কু বলেছেন:
হা , একটানে সব পর্ব পড়ে শেষ করলাম । এই গল্পটার কাহিনি বর্ননা অনেক ভাল হইছে ।
আপনার গল্প লিখার হাত মনে হয় অনেক ভাল । লিখে যান , এক সময় এর চেয়ে অনেক ভাল লিখা বের হবে ।
ভাল থাকবেন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।
শুভেচ্ছা নিবেন আর আপনেও ভাল থাকবেন।
কম কোপাবেন।
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন:
নামটা মানব খেকো দানব দিলে আরও ভাল হত।
লেখক বলেছেন: জটিল বলেছেনতো। আগে মাথায় আসলে অবশ্যই দিতাম। এখন পরিবর্তন করা কি ঠিক হবে।
লেখক বলেছেন: ইয়া আল্লাহ এইডা কি কন? কোপানো না কমলে তো বিয়া হইবো না? আমি কি আপনার জন্য কিছু করব। যেমন ভূত দিয়া একটা তাবিজের ব্যাবস্থা করলাম।
গিফার বলেছেন:
ভয়ংকর ++++
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
চাঙ্কু বলেছেন:
হায় হায় , আপনি এইসব কিতা কন ?? কুপানির লগে বিয়ার কিতা সম্পর্ক ?? ভূত দিয়া তাবিজ বানাইলে তো দেখা যাইবো, ভুত বাবাজি মনের সুখে আমারে কুপানি শুরু করব । আমারে তো আপনি ভয় খাওইয়া দিলেন লেখক বলেছেন: এক্কেবারে হাছা কথা। যে হারে কুপাচ্ছেন যারে বিয়া করবেন ঐ যদি আগেই জাইনা ফালাই।
না না আমিতো ভূতরে নাই কইরা দিমু আপনারে কিছু না করতে। তয় মাল-পানি কিন্তু ঠিক ঠিক দিতে হইবো।
আরে আমি আছিনা ভয় পাইয়েন না।
চাঙ্কু বলেছেন:
আচ্ছা , আপনি যখন কইতাছেন , তখন কুপানি কমানোর টেরাই করুম ।মাগার অন্য কেঊ আমারে কুপাইতে আইলে কি করুম ?? আচ্ছা , মাল-পানির কথা মনে রাখলাম
লেখক বলেছেন: অন্য কেউ কুপাইতে আসলে সাথে সাথে আমারে জানাবেন। আমি ও আমার ভূতরা মিলে ঐডারে কুপামো।
কাপালিক বলেছেন:
জট্টিল হইছে। আমাদের গ্রামে "বেপারী সাব" বলে এক বৃদ্ধ আছে (এখনো জীবিত কিনা জানি না)। ছোটবেলায় যখন বিদ্যুৎ ছিল না, বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গ্রামের ঘরে ঘরে টিভির আগমন ঘটেনি, তখন ভরা জ্যোৎস্নার রাতে সবাই "বেপারী সাব"কে ধরে নিয়ে আসতো গল্প বলার জন্য।
জ্যোৎস্না রাতে পাটি-মোড়া-জল চাকি-পিড়ি পেতে বিশাল উঠানের পুড়োটায় মানুষ বসে পড়েছে। আর বেপারী সাব গল্প বলছে। সেকি কি পিন পতন নীরবতা। একেকটা ভুতের গল্প বলে, আর ভয়ে বুক কাঁপতে থাকে।
আপনার পোষ্টটা পড়ে বহুদিন পড় ছোটবেলার বেপারী সাবের গল্প শোনার সময়ের সেই ভয় অনুভব করলাম। সত্যিই খুব ভালো হয়েছে। লেখার স্টাইলটা চমৎকার।
ধন্যবাদ।
+৫
লেখক বলেছেন: আপনে আসবেন এই প্রত্যাশা অনেকদিন ধরেই ছিল।
অনেক ভাল লাগল এসেছেন বলে।
আমরাও অনেকের কাছে আগে ভূতের গল্প শুনতাম।
কাপালিক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বাদ দিসিলাম জবাব দিতে ![]()
লেখক বলেছেন: এত ভয় পাওয়া ঠিক না।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ইউনুস ভাই গল্পটা ভালো হইছে।আন্দামান থেকে মানুষখেকোরে বাংলাদেশে আইনা ফেলছেন।তা চাইপা ধরতেন ওরে।
অপঘাতে মৃত্যুতে বেহেশত নসিব হইত।কী কন?
লেখক বলেছেন: আন্দামানে গেছিলেন নাকি? ঐ জায়গায়ও এই জিনিস আছে নাকি? থাকলে কইয়েন আমদানি করুমনে। অনেকেই দেখলাম এই জিনিস পালনের খুব সখ।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
এই জিনিস নারে ভাই।শার্লক হোমসের বইয়ে পরছিলাম।আন্দামানে নরখাদক মানুষ প্রজাতি আছে।তবে এরা খুব বিশ্বস্ত হয় মানাতে পারলে।
লেখক বলেছেন: মনে হয় ওদের একটা দলছুট হইয়া কিশোরগন্জে আইসা পড়ছিল।
আপনার কি মনে হয়?
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
এই গল্পটা ব্লগে না পড়ে আপনার মুখ থেকে শুনতে পারলে ডরাইতাম নিশ্চিত। গাঁথুনি মচতকার
লেখক বলেছেন: দাওয়াত রইলো মুখ থেকে শোনার।
ধন্যবাদ আপনাকে।
রেটিং বলেছেন:
+++++ জোশ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম। গা ছম ছম করছিল কিছুটা। লেখাটা পড়ার পর আমার নরখাদক খলিলুল্লাহ্'র কথা মনে হলো। যে মর্গে যেয়ে লাশ খেতো। পরে তার কী হয়েছিল সেটা আর জানা নেই। বর্ণনা অতীব চমৎকার। তবে একটা বিষয়ে খটকা লাগলো, লাশ নদীর পাড়ে রেখে নৌকা আনতে যেয়ে নৌকার ভেতর লাশ এলো কোথা থেকে? লাশতো বাকি চারজন বয়ে নিয়ে যায়নি মাঝি হালিমের বাড়ী। নৌকা ছাড়ার সময় বৃদ্ধ লোকটির নৌকায় উঠতে চাওয়াটা এবং তাকে নৌকায় সওয়ারী করাটা স্বাভাবিক। লাশের উপস্থিতিটা রহস্যজনক।
লেখক বলেছেন: মাঝি হালিমকে না পাওয়ার পর নৌকা আমরাই চালিয়ে নিয়ে আসলাম। এখানে এনে বাকি ৮জন সহ লাশকে নৌকায় উঠিয়ে যখন ছাড়তে যাব তখন বৃদ্ধার আগমন।
নরখাদক খলিলুল্লাহ্'র কাহিনীটা শুনতে ইচ্ছা করছিল।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অদ্ভুত ছেলে বলেছেন:
নরখাদক খলিলুল্লাহ্'র কাহিনী টা শুন্তে চাই!!
লেখক বলেছেন: কালপুরুষদার কাছে বলুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমরান ভাই
চিন্তা শিল্পী বলেছেন:
চাপা!!!
লেখক বলেছেন: চাপা মনে হলো কেন?
সোনালীডানা বলেছেন:
হাচানি?
লেখক বলেছেন: আবার জিগায়?
লেখক বলেছেন: Afsos ![]()
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
শায়েরী বলেছেন:
Valo laglo...bt apnar sathe e bar bar atto vuter dekha joy keno??
নিশাচর০০ বলেছেন:
ভাই আমি এইবার সত্যি সত্যি ভঁয় পাইসি । পড়ে কেমন জানি বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















