আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- ............ আমার প্রিয় ভৌতিক গল্প সংকলন.......... - রেজোওয়ানা
- সবাই দেখেন, কিভাবে দলে দলে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে অবৈধ ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীরা, অথচ অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে উল্টো বাংলাদেশকে অভিযুক্ত হতে হয় সবসময়। বাংলাদেশের সীমানার অভ্যন্তরে ভারতীয় অবৈধ অনুপ্রবেশের একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। - দিগন্তের পথিক
- কেমন হয় যদি আপনার মরিচ গাছে একসাথে পাঁচশত মরিচ ধরে, তাও একেকটি ছয় ইঞ্চি লাম্বা সারা বছর জুড়ে । - ময়নামতি
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- সেন্টমার্টিন যাবার ক্ষেত্রে আপনি কোন Series এ আছেন ? Windows নাকি Linux ! - এরিয়া-৫১
- মূসা ইব্রাহীমকে হারিয়ে দিয়ে এলাম
- বালক বন্ধু
- অমর একুশে:: এক রক্তাক্ত স্মৃতির ইতিহাস:: - মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী
- জিয়াকে হত্যা করাই ছিল তাহেরের প্ল্যান - নইম
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- কাঁটাতারের বেড়ায় ফেলানি। শিলার যৌবন আর মুন্নির বদনাম। - ধীবর
- RAM বৃদ্ধি না করে যেভাবে কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করবেন (Windows XP Operating System এর জন্য) - তাহমিনা৮৭৬৫
- আপনার উপকারের জন্যই বলছি, গ্রামীনফোন ইউসার হলে একটু ঢু মেরে যান - আরিফুর রহমান বাবু
- ব্লগের বিএনপি মনষ্ক ব্লগাররা :রিভার্স এলার্ট - াঢারে ালো
- আমার যতো কবিতা!! কে বলেছে আমি ভালো কবিতা লিখতে জানিনা
একবার দেখুন না প্লিজ। - ইউনুস খান
- "ট্রানজিট ফি" ও শিয়াল আর বোকা কুমিরের সাত বাচ্চার গল্প - আহসান হাবিব শিমুল
- খুজুন, কোথায় কোথায় কে কমেন্ট করেছেন।- টেকি মার্কা পোস্ট। (আমার ৫০ তম পোস্ট) - দু-পেয়ে গাধ
- ভালো থেকো কল্পনা চাকমা, ভালো থেকো মেজর মহসিন রেজা : একটি বানোয়াট ঘটনাক্রম - ফিউশন ফাইভ
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- সৌর্ন্দয্যের আধার বান্দরবন ঘুরে আসলাম [তথ্য + ছবি ব্লগ]


- টেকি মামুন
- আজ মহালয়া - মার ঘরে ফেরা
- দীপান্বিতা
- শবে বরাত নিয়ে ভুল ধারণা,ভুল সংস্কৃতি আর বিদ'আত থেকে আমাদের মুক্তি হোক - আরিয়ানা মিনু
- যখন মাস্টার ছিলাম। - মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন
- Enigma ব্যান্ড নিয়ে কিছু কথা - রাশেদ
- গাঁজা নিয়ে সুন্দর একটা গান?!? - রাকা ও আমি

গুরুতর ভাইরাস আক্রমনের পরে যেভাবে উইন্ডোজ এক্সপি রি-ইন্সটল না করে পিসি রিকভার করবেন!!! 
- ডিজে আরিফ রক্স
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
- McAfee Internet Security 2010 এর ৬ মাসের জেনুইন লাইসেন্স ফ্রি ! - আরিফ বল্গ
- সবাইকে রইলো ভূত মেলায় নেমন্ত্রণ। ~*~সেই সাথে সকল ব্লগারদের ২০১০ সালের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি~*~ - ইউনুস খান
- একটি ঐতিহাসিক রিপোস্ট দিয়ে লগআউট করলাম



- ইউনুস খান
- মা তোমার কি মনে পড়ে ? [ মায়ের কাছে সন্তানের খোলা চিঠি ] - ইউনুস খান
একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

@আরিফ জেবতিক ভাবার আছে অনেক কিছু
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
আপনার "লিঙ্গাগ্র নয় , ধর্ম ঝুলছে নাকের ডগায়" শিরোনামে লিখাটি পড়লাম। ভালো লেখা নিঃসন্দেহে, তারপরও অনেক জায়গায় দ্বিমতও রয়েছে। সেই সাথে কিছু আশংকাও মনে সৃষ্টি হয়েছে। হয়তো বলবেন কমেন্ট আকারেইতো বলে আসতে পারতাম। হয়তো পারতাম কিন্তু সেটা হতো একটা চিহ্নিত ধর্মগোষ্টীর স্লোগানে শব্দহীন কান্না।
আমরা রোজা কেন রাখি শুধু কি মাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য? না। কেউবা রাখি পরিবারের চাপে, কেউবা সামাজিকতার ভয়ে। যাক সেটা আসল কথা না। রোজা রাখা একটি সংযমের কাজ। যেমন একটা নির্ধারিত সময় না খেয়ে থাকা, সমস্ত ছোট-বড় পাপকাজ থেকে দূরে থাকা।
সারাদিন না খেয়ে থাকাটা কিন্তু একটা সহজ কাজ না। কেননা ১১ মাস বিভিন্ন রসালো খাবার খেয়ে এসে হঠাৎ করে না খেয়ে থাকাটা একটু কঠিনই বৈকি। এর মাঝে যদি আমি অথবা আমরা দেখি রাস্তার কোন রেস্টুরেন্টে মজাদার একটি খাবার বানানো হইছে আর সেটা সবাই মজা করে খাচ্ছে। তাহলে আমার মত যারা খাদক প্রকৃতির লোক আছে তাদের কাছে ব্যাপারটা সহ্য করা একটু কঠিন। আমি বলছিনা তখনি গিয়ে আমরা খেতে বসে পরবো, কিন্তু মনের অজান্তেই মুখে যে পানি এসে পড়বে এবং জ্বিহবা জানিয়ে দিবে তার চাহিদার কথা সেটা কি আমরা ইচ্ছে করলেই আ্যাভোয়েড করতে পারবো?
তার চেয়ে আমার মনে হয় রোজার মাসে হোটেল-রেষ্টুরেন্ট খোলা রেখে বাইরে থেকে পর্দার ব্যাবস্থা করা। তাতে রোজাদেরদেরও কষ্ট হবে না আর যারা বিভিন্ন কারনে রোজা রাখতে পারেনাই তাদেরও অহেতুক রোজাদারদের সামনে লজ্জায় পড়তে হবেনা।
আপনে বলেছেন "মনে আছে , চেনস্মোকার আমরা আরাম করে বিড়ি খেতে খেতে রাস্তায় চলেছি । যে রিক্সায় উঠেছি , সেই রিক্সাওয়ালাও আগুন চেয়ে নিয়েছে আমাদের কাছ থেকে ।"---------- এটা কোন কৃতিত্ব বা বাহাদুরি, বা বলার মত কথা হলোনা। কেননা আপনি যে রিক্সা করে সিগারেট খেয়ে যাচ্ছিলেন তার আশে পাশে একটি রিক্সা বা রাস্তায় দাঁড়ানো খুন ধর্মশীল একটি রোজাদার ব্যাক্তিও তো থাকতে পারতো। আবার এমনও হতে পারতো একজন চেইনস্মকারও থাকতে পারতো যে হয়তো রোজা রেখেছে আর এখন এই গন্ধ পাওয়ার পর মনে একটি ধূমপানের তীব্র আকাঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু সে অনেক কষ্ট করে তা নিবারণ করেছে। আমার প্রশ্ন হলো তাদের এমন কষ্ট করতে হবে কেন তারচেয়ে কি আমাদের আরেকটু নিরাপদ স্থানে সিগারেট টানাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়?
আমার গ্রামের বাড়িতে হিন্দু আছে অনেক। আমি এমনও দেখেছি যে আমাদের পাশের বাড়ির হিন্দুরায় এমন কোন ঝাঁঝাঁলো গ্রাণের তরকারী দিনে রান্না করে নাই যাতে আমাদের লোলুপ জিহ্ববা আকৃষ্ট না হয়। আবার এমনও দেখেছি অনেকেই রোজাদারদের কষ্ট দেওয়ার জন্যই ইচ্ছে করে তার ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।
আবার আমাদের এলাকায় যখন দুর্ঘা পূজা, কালি পূজা হয় তখন তার নিরাপত্তা দেয় আমাদের মুসলমানেরা এমন কি কয়েক জন হাফেজ, মাওলানাও তখন সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধের জন্য ঐ সময় আগাইয়া আসে।
ঐ সময় কিছু উগ্রপন্থী মৌলবাদী ওদেরকে বিভিন্ন ভাবে হেয় করার চেষ্টা করে কিন্তু আমাদের সামাজিক ভাবে সবার ধীর অবস্থানের জন্য তাদের হাউ-কাউ দুদিনেই শুণ্যে মিলিয়ে যায়। পরে দেখা যায় তারাই আবার আমাদের কাছে তাদের অতি মুন্সিয়ানার ব্যাপারে ক্ষমা চায়।
আপনি বলেছেন "এ বছর গুলশানে বিদেশী পর্যটককে পেটানো হয়েছে , রমজান মাসের পবিত্রতা ভেঙ্গে প্রকাশ্যে খাওয়া দাওয়া করার অপরাধে ।"
এইটি হলো একটি বিচ্ছিন্ন অতি উৎসাহী কিছু মানুষের ঘটনা। বা এমনও হতে পারে উনার প্রাকাশ্যে খাওয়ার ব্যাপারটাও ছিল কুরূচীপূর্ণ যা চোখে লাগার মতো।
সংবিধানে বিসমিল্লাহ বা ইসলামী রাষ্টের স্বীকৃত কোনটাই আসলে সমস্যা নয়।
আমরা যে জায়গাটা সবসময় এড়িয়ে যায় তা হলো রাষ্টীয়ভাবে যখন মৌলবাদী নামধারী কিছু গুষ্টিকে মদদ দেওয়া হয় আমরা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে উল্টো অন্য একটি মৌলবাদী জোটের সাথে হাত মেলায়।
আশা করি বুঝবেন আমি কি বুঝাইতে চাইছি।
আশংকার কথা হলো যখনি ইসলাম ধর্ম কে নিয়া কোন পোস্ট আসে তখন ঐ পোস্টে এমন কিছু নামের ব্লগারকে মন্তব্য করতে দেখি যাদের সচরাচর দেখা যায় না। তখনি সন্দেহ লাগে এরা কি ইসলাম ধর্মটাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কিনা? সেজন্য বলেছিলাম "সেটা হতো একটা চিহ্নিত ধর্মগোষ্টীর স্লোগানে শব্দহীন কান্না"।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কেএসআমীন বলেছেন:
হুমম... খুবই চিন্তার বিষয়...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এইটাই কথা। আজাইরা জুজুর ভয় দেখিয়ে নিরীহ পাবলিককে দ্বিধাগ্রস্থ করাটা বোকামি। বরং আসল ভূতের থেকে সাবধান থাকাই কাম্য।
লেখক বলেছেন: বিস্তারিত বললে সবার উপকার হতো।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
সংবিধানে বিসমিল্লাহ বা ইসলামী রাষ্টের স্বীকৃত কোনটাই আসলে সমস্যা না....কি কইলেন এইটা?
লেখক বলেছেন: ভাই ভয়ের কিছু নাই।
আমিতো বলেছেই "আবার আমাদের এলাকায় যখন দুর্ঘা পূজা, কালি পূজা হয় তখন তার নিরাপত্তা দেয় আমাদের মুসলমানেরা এমন কি কয়েক জন হাফেজ, মাওলানাও তখন সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধের জন্য ঐ সময় আগাইয়া আসে।
ঐ সময় কিছু উগ্রপন্থী মৌলবাদী ওদেরকে বিভিন্ন ভাবে হেয় করার চেষ্টা করে কিন্তু আমাদের সামাজিক ভাবে সবার ধীর অবস্থানের জন্য তাদের হাউ-কাউ দুদিনেই শুণ্যে মিলিয়ে যায়। পরে দেখা যায় তারাই আবার আমাদের কাছে তাদের অতি মুন্সিয়ানার ব্যাপারে ক্ষমা চায়।
"
হিন্দুরাষ্ট ভারতে যে পরিমান মুসলমানের উপর অত্যাচার হয় তার সিকি পরিমাণও যদি বাংলাদেশে হতো তাইলে এই দেশ কবে আমেরিকার খাতায় মৌলবাদীদের তালিকায় উঠে আসতো।
আমি কোন রকম অত্যাচারে সাপোর্টার না। শুধু এই টুকু আবারো বলছি মুষ্টিমেয় কিছু লোক আমাদের বিরুদ্ধে লেগে আছে আর রাষ্টের প্রভুরা তাদেরকে বুঝে বা নাবুঝে সাপোর্ট করছে। আর আমরাও অসচেতন ভাবে তাদের সাথে তাল মিলাচ্ছি।
আবু সালেহ বলেছেন:
আমরা রোজা কেন রাখি শুধু কি মাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য? না। কেউবা রাখি পরিবারের চাপে, কেউবা সামাজিকতার ভয়ে। যাক সেটা আসল কথা না।
**এখানেও একটি কথা রয়ে যায় ...যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রোজা না রেখে শুধু পরিবার এর ভয়ে বা অন্য কোন কারনে রোজা রাখে তা কিন্তু রোজার স্বৃকিতি পায় না বরং তা হয়ে যায় উপবাস.
আপনার সাথে সহমত পোষন করছি....@ ইউনুস খান
লেখক বলেছেন: ছোটবেলা আমরা যদি মসজিদে নাও যেতে চাইতাম তবুও আব্বাকে দেখতাম জোড় করে নিয়ে যেতে কারন এই ভাবেই একদিন আমাদের অভ্যাস হয়ে যাবে, মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার ফযিলত জানবো, তখন নাকি এমনি এমনিই যাব।
আর বড় যারা এখনও ছোটদের মত বুদ্ধি বা বুদ্ধি লোপ পাইছে তারাও একটা জুজুর ভয়ে হয়তো রোজা রাখে। একদিন দেখবেন এরাও ঠিকই ফযিলত সম্পর্কে জানবে এবং মন থেকে রোজা রাখবে।
লেখক বলেছেন: আমিও একটু বাইরে গেছিলাম। কিছুক্ষণ আগেই আসলাম। নিচের মন্তব্যর সিরিয়ালি জবাব দিব।
অবকাশ বলেছেন:
ধন্যবাদ ইউনুস খান। +
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আমাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বড় ভাইরে রোজা রাখছে কি না জিজ্ঞাসা করনের পর সে পাল্টা প্রশ্ন করলো রোজাদার ছাত্ররে,"তুই রোজা রাখছস ক্যান?" রোজাদার ছাত্র ভক্তি সহকারে জবাব দিলো,"নেকীর আশায়" তো আমাগো বড় ভাই এই কথা শুইনা কইলো," নেকী মানে, বেহেস্তের আশায়? আমি বেহেস্তের লোভটারেও সংযম কইরা দিছি..."
লেখক বলেছেন: নারে ভাই আবার একটু কষ্ট করে পড়েন তাহলে সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
মনে করুন আপনি রোজা রেখেছেন। একটো হোটেলের পাশে বা সামনে কোন কারনে দাঁড়িয়ে আছেন। আপনার নজরে পড়লো হোটেলের সামনে সুস্বাধু কিছু খাবার। তো এমন হতে পারেনা সেই খাবার দেখে আপনার কিছুটা অস্বস্থি লাগছে।
আবার কেউবা হয়তো উনার অজান্তেই এমন ভাবে খাচ্ছে যে আপনার চোখে তা লেগে গেছে। আর রোজার সময় যারা রোজা রাখেনা তাদের কি কখনও দেখেছেন সবাইকে বলে বেড়াচ্ছি আমি রোজা রাখি নাই... বিরাট কাজ করছি.....। আসলে রোজা না রেখে সেও কিছুটা অপরাধবোধে ভোগে ফলে আমার মনে হয় সে যদি পর্দার আড়ালে তার আহার কর্ম সারে তাতে সবারই মঙ্গল।
লেখক বলেছেন: হয়তো আপনি এটা আপনার বুদ্ধি দিয়ে বলেছেন। কিন্তু আমার সামনে যদি কেউ টক জাতীয় জিনিস খায় তবে কেন জানি আমার মুখে পানি আসে। আবার কেউ সিগারেট খাইলে তার গন্ধটা নাকে আসার সাথে সাথেই আমারও সিগারেট খেতে মন চাই।
একটা কথা বলি একটা সময় ছিলো যখন আন্ডাবয়সী কেউ সিগারেট খাইলে চিন্তা করতো এই পথে সিগারেট খেলে যদি কেউ দেখে ফেলে।
আর এখন চিন্তা করে আমি সিগারেট খাচ্ছি তা তো মুরব্বীরা দেখবেই তারা এই পথে না গেলেইতো হয়।
এখন আপনি যদি মনে করেন কোন রোজাদার ব্যক্তি যদি দেখে তার চলার পথে কেউ সিগারেট খাচ্ছে, অতএব তাকে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে অথবা অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হবে তাইলে আর কি বলবো? অথচ আমরা ইচ্ছে করলেই একটা নিরাপদ জায়গায় এই কাজটা করতে পারি তাতে কারো কোন ক্ষতি হলোনা ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
বুড়ো বলেছেন:
সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
হিন্দুরাষ্ট ভারতে যে পরিমান মুসলমানের উপর অত্যাচার হয় তার সিকি পরিমাণও যদি বাংলাদেশে হতো তাইলে এই দেশ কবে আমেরিকার খাতায় মৌলবাদীদের তালিকায় উঠে আসতো।+ দিসি
লেখক বলেছেন: সেটা সত্য কথা। ভাইরে জোর যার মুল্লুক তার। এইযে আমিরিকায় প্রতিদিন যে পরিমান মানবতা লঙ্গন হচ্ছে তার হিসেব কি কেউ নেয়? নেয় না। কিন্তু বাংলাদেশের মতো গরীব রাষ্টগুলোতে কিন্তু ঠিকই সামান্য কিছুও ঘটলে তা দুনিয়ার হটনিউজ হয়ে যায়।
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
জামাল ভাস্কর , তোমার ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা লইয়া দুরে গিয়া মরো। এইখানে না বুইঝা ফাল দিও না।
লেখক বলেছেন: এইভাবে বলতে নেই
এক শ্রেনি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে নেকির কাজ মনে করে। তাদের মাইনসা।
আরেক শ্রেনি ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু করাকে ক্রেডিট মনে করে। তাদেরও মাইনাস।
দুইদলেরই বুদ্ধিমতা সাধারনের থেকে একটু বেশি। কমলে ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন ধন্যবাদ।
লাল দরজা বলেছেন:
ব্রাদার ইউনুস কোনটা সত্য জোর যবরদস্তি সংযম না স্বতঃস্ফূর্ত সংযম? খেয়াল করেন, জোর যবরদস্তি করলে কইলাম সঙ্গম হয় না হয় ধর্ষন আর ভালোবাইসা করলে তারে কয় সঙ্গম।
আমার সংযম করার লাইগা আমি অরেক জনরে ধইরা মুখ সেলাই কইরা দিমু আবার সেটারেই যোর কইরা কমু আমরা সংযম করছি এইটা কেমুন কথা!
নিজের ত্যাগ দেখানোর লাইগা হাটের থুন গরু ছাগল ধইরা আইন্না রাস্তার মইদ্দে ফালাইয়া গরু/ছাগল কাইট্টা রক্তারক্তি করলে কার কেম্নে কি কুরবানী হয় আমি আজও বুজতে পারি না!
আল্লাহ ধার্মীক বে-ধার্মীক আমাদের সকলের সহায় হউন। তিনি পরম করুনাময়।
লেখক বলেছেন: উদাহরনটা এই বিষয়বস্তুতে কিছুটা অপ্রাসঙ্কিকই মনে হচ্ছে।
ছোটবেলা আমরা যদি মসজিদে নাও যেতে চাইতাম তবুও আব্বাকে দেখতাম জোড় করে নিয়ে যেতে কারন এই ভাবেই একদিন আমাদের অভ্যাস হয়ে যাবে, মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ার ফযিলত জানবো, তখন নাকি এমনি এমনিই যাব।
আর বড় যারা এখনও ছোটদের মত বুদ্ধি বা বুদ্ধি লোপ পাইছে তারাও একটা জুজুর ভয়ে হয়তো রোজা রাখে। একদিন দেখবেন এরাও ঠিকই ফযিলত সম্পর্কে জানবে এবং মন থেকে রোজা রাখবে।
পরিবর্তীত আত্মোপলদ্ধি বলেছেন:
আপনার কথায় যুক্তি আছে। তবে আমার কথা হচ্ছে - আমরা একজনকে বলতে পারি কিন্তু জোর করার বিরুদ্ধে আমি। যার বিবেক আছে সে নিজে থেকেই এগুলো বুঝবে, কিন্তু যাদের বিবেক নেই তারা?আর নির্যাতনের কথা বল্লেন? চট্টগ্রামের (রাংগুনিয়া খুব সম্ভব) এক পিতার কথা ছিল এমন - "বাবারা, আমার মেয়েটা খুব ছোট। তোমরা একজন একজন করে যাও"।
ধর্ম ভিত্তিক নির্যাতন সারা দুনিয়াতে আছে, খোজ করে দেখুন।
লেখক বলেছেন: নারে ভাই জোরের কথা আসে নাই। রোজার মাসে একটু লুকিয়ে বা নিরাপদ স্থানে সিগারেট খাব সেটাতো বেসিক। আপনার হোটেলে একটু পর্দার ব্যাবস্থা করবো সেটাও বেসিক।
@চট্রগ্রামে এক মাতা এই কথাটি বলেছিলেন। সেটা এখনও মনের গভীরে রেখাপাত করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য ওদের কিছুই করতে পারিনা।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
সুপ্রিয় ইউনুস খান , আপনার পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লাম । ( এমনিতে চোখ বুলিয়ে গেলাম না , কারন আমার নামটি যখন শিরোনামে দিয়েছেন , সুতরাং আমার দায়িত্ব হচ্ছে পোস্টটি মন দিয়ে পড়া । )
আমার পোস্টটি আসলে রাসেলের পোস্টের প্রতিক্রিয়া পোস্ট , এবং আপনারটা আমারটার প্রতিক্রিয়া পোস্ট । প্রতিক্রিয়ার উপজাত শাখা বিস্তারে , বিবর্তনের সূত্র মেনেই হয়তো তাই মূল আলোচ্য থেকে অনেক দূর দিয়ে চলে গেছে বিষয়টা ।
আপনি লিখেছেন -
সংবিধানে বিসমিল্লাহ বা ইসলামী রাষ্টের স্বীকৃত কোনটাই আসলে সমস্যা নয়।
আপনি রসিক বটে ।
তবে যদি রসিকতা না করে এটা বলে থাকেন , তাহলে বুঝতে হবে রাষ্ট্রের গঠন ও তার প্রতিক্রিয়া নিয়ে আমি যা বলতে চেয়েছি , সেটি আপনার বোধগম্যতার বাইরে অবস্থান নিয়েছে । সেই নির্নিত অবস্থানের আপাত দায় আমার উপরই নিচ্ছি । পাঠকের নিজস্ব চিন্তার স্তরে অবস্থান করে আলোচ্যকে বোধগম্য করার দায় পাঠকের থেকে লেখকের বেশি , এটাই ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি । যদিও এর সাথে দ্বিমত করেন এরকম সতীর্থের দেখা অনেক বেশি পাই ।
সুতরাং রাষ্ট্রের গঠনের উপাদানের সংমিশ্রন এবং এ সংক্রান্ত স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে আপনার সাথে আলোচনাকে এই স্তরে অপ্রয়োজনীয় জ্ঞান করে সে পথে পা বাড়াচ্ছি না ।
-----------------------------
এবার আপনার পোস্টটিকে সাধারন পোস্ট বিবেচনা করে আলোচনা করা যাক ।
আপনি যা বলতে চাইছেন বলে বুঝলাম সেটি হচ্ছে , যেহেতু বেশিরভাগ মুসলমানের সংযম ক্ষমতা কম , তাই তাদেরকে পরীক্ষার চাপে ফেলা ঠিক হবে না , তাদেরকে তাদের ধর্ম কর্ম পালনের অধিকার দেয়ার সুবিধার্থে অন্যদেরকে এই সময়ে সংযম পালন করতে হবে ।
আমি মনে করি যারা আল্লাহকে সন্তুষ্ঠ করার জন্য রোজা রাখেন , তারা এসব পরীক্ষায় বিচলিত হবেন না । আমার অনেক বন্ধুবান্ধব আছেন যারা ক্লাবে অন্যদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা মারেন , কিন্তু মদ খান না । তাদের সামনে গ্যালন গ্যালন মদ খাওয়া হলেও তারা কখনোই এক চামচ মুখে দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন নি ।
আল্লাহকে ভয় করে এই যে সংযম , এটি আরোপ করে হয় না ।
আর যারা আপনার ভাষাতেই সামাজিক চাপে ও অন্যান্য কারনে রোজা রাখেন , তাদের ব্যাপারে আমার মত হচ্ছে , তাদের রোজা তো আল্লাহকে সন্তুষ্ঠ করার জন্য নয় , সুতরাং তাদের সুবিধার জন্য বাদবাকীরা স্যাক্রিফাইস করবেন কেন ?
আপনি আরো বলেছেন :
আমরা যে জায়গাটা সবসময় এড়িয়ে যায় তা হলো রাষ্টীয়ভাবে যখন মৌলবাদী নামধারী কিছু গুষ্টিকে মদদ দেওয়া হয় আমরা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে উল্টো অন্য একটি মৌলবাদী জোটের সাথে হাত মেলায়। আশা করি বুঝবেন আমি কি বুঝাইতে চাইছি।
দূ:খের সাথে জানাচ্ছি , আপনি আসলে কী বুঝাতে চেয়েছেন , সেটি পরিষ্কার বুঝতে পারিনি বলে আশংকা করছি ।
যদি বুঝাতে চান যে , এই দেশে মৌলবাদীরা আসলেই সংখ্যালঘিষ্ট , কিন্তু রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপাদান যথা মিডিয়ার কারসাজিতে তারা শক্তিশালী , তাহলে বলতে হবে আপনার সাথে আমার কোন মতপার্থক্য দৃশ্যমান হচ্ছে না ।
আমিও বলতে চাইছি যে , ধর্মীয় উন্মাদনায় মত্ত মানুষজন খুব কম , কিন্তু রাষ্ট্র এদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে বা যাচ্ছে , যার ফল আমাদের ভোগ করতে হচ্ছে এবং আগামীতে আরো হবে । রাষ্ট্র ধর্ম , শুক্রবারের সাপ্তাহিক বন্ধ ইত্যাদি সবই রাষ্ট্রের সেই পৃষ্ঠপোষকতারই বিভিন্ন ধাপ মাত্র ।
আমার পোস্টটি কষ্ট করে পড়ে মতামত দেয়ার কষ্ট করেছেন বলে আবারও আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ।
আপনাকে ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনার জবাব সময় মতো দিতে পারলাম বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আসলে ইফতারির পর খবর পেলাম আমার এক বন্ধুর চাচা মারা গেছে। ঐ বন্ধু আবার ঢাকা পুলিশে চাকরী করে। তাকে বুঝিয়ে বাসে তুলে এসে বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলায় পড়ে জবাব টা লিখার পরও প্রকাশ করতে পারিনি। বরং যা লিখেছিলাম তাও হারিয়ে ফেলেছি।
আমি আপনার যে কথার প্রেক্ষিতে বলেছিলাম "সংবিধানে বিসমিল্লাহ বা ইসলামী রাষ্টের স্বীকৃত কোনটাই আসলে সমস্যা নয়", সেই কথাটি যদি পাঠক সমাজ বুঝতে না পারে সেই দায় একান্তই আপনার। কেননা এই রকম জটিল বিষয় আপনে এক কথায় শেষ করে দিলে পাঠক সমাজ নিজেদের মত করেই সেটা নিয়ে নিবে। তাতে হয়তো আপনে যা বুঝাতে চেয়েছিলেন তা বুঝতে পারিনি। এবং সেটার দায়ভার আপনে নিয়েছেনও বটে। সেটা হয়তো আপনার একান্তই মহানুভুবতা। তবে আমি যে কথাটি বলেছি সেটা একটা যুক্তির উপর ভর করেই বলেছি। এই যেমন আমাদের প্রতিবেশী এক রাষ্ট্র নিজেদেরকে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু আমরা কি দেখি সেই দেশে মুসলমানদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়, সেই দেশে গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আর এই সবের নেতৃত্বে মূখ্যমন্ত্রীদের মধ্যেও একজন আছে যাকে কিনা কিছুদিন আগে ইউকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সেই জন্যই বলেছি আসলে ঘোষনাটা বড় কিছু না, তারচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আমরা কিভাবে আচরণ করছি। কিভাবে আমার প্রতিবেশী ভাইদেরকে দেখছি, দেশের মানুষকে দেখছি।
আপনে লিখেছেন আপনার অনেক বন্ধু-বান্ধব রয়েছে যারা ক্লাবে বা বারে বসে আড্ডা দেয় কিন্তু কখনও এতটুকুও মদ পান করেনা। হাসালেন। আপনি কেন ভুলে গেলেন এই কথাটিও যে সঙ্গ দোষেই সঙ্গী নষ্ট হয়। ওদের মধ্যেই যে একজন একদিন এক ফোটা - দু ফোটা করে মদ খাবেনা সেই গ্যারিন্টি কি আপনে দিতে পারেন?
আচ্ছা আপনি কি সুবোধ বালকের মতো ছেলেবেলা পড়ার সময় পড়া, খাওয়ার সময় খাওয়া বা খেলাধুলার সময় খেলাধুলা করতেন। নাকি এর বেত্যয়ও ঘটত? তখন কি আপনার মা-বাবা বা পাড়ার প্রতিবেশী কোন বড় ভাই, চাচা আপনাকে উপদেশ দিয়ে সময়ের কাজ সময়ের করার কথা বলত না। অর্থাৎ ঠিকমতো পড়াশোনা করার কথা বলতো না। সেইজন্য কি বাবা-মা আমাদের গায়ে হাত তুলতনা। এখন যদি কেউ বুঝে বা না বুঝে রোজা না রাখে তারপর চাপে পরে রাখলো তাহলে ব্যাপারটি খুব দৃষ্টিকটু দেখাবে? আর আপনে ওদেরকে স্যাক্রিফাইস না করার কথা বললেন। সেটা হয়তো একান্তই আপনার মনোভাব থেকে বলেছেন। কিন্তু জনাব আপনে কি ওদেরকে কখনও আলাদা করতে পারবেন? যদি পারতেন তাহলে না হয় আমিও দুটান দিয়ে নাকের উপর ধোয়া ছেড়ে বলতাম চাপে পড়ে নয় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখবা বুঝছ। যাক তবে ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই অমানবিক মনে হয়। কেননা দেখবেন একদিন এরাই হয়তো রোজার ফযীলত জেনেই রোজা রাখা শুরু করবে।
আমার এই কথাটি আপনি বুঝতে পারেন নি "আমরা যে জায়গাটা সবসময় এড়িয়ে যায় তা হলো রাষ্টীয়ভাবে যখন মৌলবাদী নামধারী কিছু গুষ্টিকে মদদ দেওয়া হয় আমরা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে উল্টো অন্য একটি মৌলবাদী জোটের সাথে হাত মেলায়।
আশা করি বুঝবেন আমি কি বুঝাইতে চাইছি"। ------- আসলে আমি বলতে চেয়েছিলাম আমরা যাদেরকে আজকে মৌলবাদী হিসাবে চিহ্নিত করেছি তাদের উত্থানের জন্য আমাদের, এই রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রের তথাকথিত নায়কদের ভূমিকাও মোটেই কম নয়। এই যেমন ৯৪ সালে বিএনপি সরকারকে পতনের জন্য আওয়ামীলীগ ও জামাত এক সাথে মিটিং মিছিল করলো তখন কিন্তু শাহরিয়ার হোসেনের মতো বুদ্ধিজীবিরাও কোন কথা না বলে মুখে কুলুপ এটে বসেছিলো। আমরা যারা আওয়ামীপহ্নী জনগণ তারাতো নেত্রী ক্ষমতায় যাবে সেই সপ্নেই বিভোর ছিলো। আবার ২০০১ সালে এসে সেই বিএনপিই আবার ঐ জামাত সহ আরো কিছু ধর্মীয় উগ্রপহ্নী দলের সাথে জোট করলো ক্ষমতার লোভে তখন কিন্তু সেটাও আমরা মেনে নিয়েছি। ২০০৭ সালে আওয়ামীলীগ আবার কিছু কঠিন চুক্তি মেনে নিয়েও আবার কিছু চিহ্নিত দলের সাথে জোট করলো। তাতে কি হলো এই সব তথাকথিত মৌলবাদিদের উত্থানের পিছনে আমাদের দায়ভারও কম নয়।
জেবতিক ভাই আলোচনা করতে গিয়ে হয়তো অনেক অপ্রাসঙ্গিক বিষয় উঠে এসেছে তাতে যদি আপনে বা আপনারা কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তবে আমি একান্ত ভাবেই ক্ষমাপ্রার্থী। ভালো থাকবেন।
এইটা কি হুমকী দিলেন নাকি?
আমি ভাই ধর্মনিরপেক্ষ চেতনারেই মানবতা মনে করি...আর জোর কইরা হোটেল কিম্বা খাদ্য সরবরাহ বন্ধ অথবা প্রকাশ্যে খাওনদাওনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ আমার কাছে অমানবিক...
আপনের হোদল কুঁত কুঁত চেতনায় চেতনায় আমারে হুমকী দিতে চাইলে আমি চ্যালেঞ্জ নিতে রাজী আছি...
লেখক বলেছেন: নারে ভাই আমি হুমকি-টুমকি দেওয়ার মতো শক্তি আমার নাই। সত্য কথায় ভাই বলেছি। আমিরিকায় প্রতিদিন যে পরিমান মানবতা লঙ্গন হয় তার সিকিভাগও বাংলাদেশে হয়না। আবার ভারতে অন্যান্য ধর্মালম্বীদের উপরে যে পরিমান অত্যাচার করা হয় তারও সিকিভাগ এই দেশে হয়না।
এই যেমন আমাদের প্রতিবেশী এক রাষ্ট্র নিজেদেরকে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু আমরা কি দেখি সেই দেশে মুসলমানদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়, সেই দেশে গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আর এই সবের নেতৃত্বে মূখ্যমন্ত্রীদের মধ্যেও একজন আছে যাকে কিনা কিছুদিন আগে ইউকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। সেই জন্যই বলেছি আসলে ঘোষনাটা বড় কিছু না, তারচেয়ে বড় ব্যাপার হলো আমরা কিভাবে আচরণ করছি। কিভাবে আমার প্রতিবেশী ভাইদেরকে দেখছি, দেশের মানুষকে দেখছি।
চ্যালেঞ্জ না জানাতেই যেভাবে চ্যালেঞ্জ নিতে আগ্রহী হলেন তাতে একটা সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে যাক সেটা এখন আর বলবোনা।
ভালো থাকা হয় যেন।
বুড়ো বলেছেন:
@ লাল দরজা। এখনও আপনি বুঝের দিক থেকে শিশু। এসব বিষয় বোঝার জন্য বিবেক ব্যবহার করুন। কোন ব্যাংকে জমা রাখছেন বিবেক। নয়তো এতো ফালতু কমন্টে করতেন না।
লেখক বলেছেন:
![]()
কঁাকন বলেছেন:
ইউনুস ভাইবার বার ঘোরাঘুরি করছিলাম আরিফ জেবতিকের মন্তব্য পড়ার জন্য
আশা করি আপনি আরেকবার ওনার পোস্ট টা পরবেন
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: জ্বি উনার পোস্ট টা তিনবার পড়েই তারপর এই লিখাটা লিখেছি।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
রুকনুজ্জামান বলেছেন:
ভালো পোষ্ট। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভাল লিখেছেন।
""আশংকার কথা হলো যখনি ইসলাম ধর্ম কে নিয়া কোন পোস্ট আসে তখন ঐ পোস্টে এমন কিছু নামের ব্লগারকে মন্তব্য করতে দেখি যাদের সচরাচর দেখা যায় না। তখনি সন্দেহ লাগে এরা কি ইসলাম ধর্মটাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কিনা? সেজন্য বলেছিলাম "সেটা হতো একটা চিহ্নিত ধর্মগোষ্টীর স্লোগানে শব্দহীন কান্না"।""""
আপনার এই কথার সাথে আমিও একমত। গালি বন্যায় পোস্ট ভেসে যায়।
লেখক বলেছেন: এইটা আমি ব্লগে প্রবেশ করেই দেখেছি।
পড়লাম..........আরিফ জেবতিক এর মন্তব্যটাও পড়লাম এখানে।
আমি আপনার সাথেই একমত.......+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাতিফ ভাই।
হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন:
দুর্গা দুর্গা এ কি বলচু বাবু জামাল ভাস্কর। তুমারে চেলেনজ করে কি সংখ্যালঘু নিরযাতনের দায় ঘারে লমু? যতই ধমমো নিরপেকখতা দেকাও বাবু, তুমরা এই দ্যাশে সংখ্যা লঘু। তুমাগরে কিচু কইতাম না চাই।
লেখক বলেছেন: উনার মন্তব্যর জবাবটা প্লিজ দেখেন।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ভাই শিশুতোষ ভীতির গল্পটা অফ রাখি। কি কন। ধর্মরে কেবল অনুভূতি আর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা দিয়া দেখন কিন্তু বিপদজনক। অতএব বাঙ্গালী মুসলমান সাম্প্রদায়িক নহে, সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার দরকার নাই এই জাতীয় বয়ান অতিসরলীকৃত। আপনার রোজদারী ব্যখ্যা অবলীলায় যে রকম মিষ্টিমধুর পাটাতনের নির্দেশ দেয় সেইটা কিন্তু রাজনৈতিক। আবারো বুইজ্জা নিয়া তারপর আলাপ হইতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনেও বুইজ্যা আসেন তারপর আলাপ করি কি কন?
মিলটন বলেছেন:
লিখা ভাল হয়েছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিলটন ভাই।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
@ শরৎ :এই সরলীকরনের সমীকরনই কিন্তু মবসাইকোলজি ।
এখানে ''বুইজ্জা নিয়া'' চাইতে '' বিশ্বাস কইরা''টার মতো প্রাক সিদ্ধান্তই নিয়ামক হয়ে পড়ে ।
লেখক বলেছেন: মবসাইকোলজি - উদ্ভুদ
বুড়ো বলেছেন:
''আমরা যে জায়গাটা সবসময় এড়িয়ে যায় তা হলো রাষ্টীয়ভাবে যখন মৌলবাদী নামধারী কিছু গুষ্টিকে মদদ দেওয়া হয় আমরা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে উল্টো অন্য একটি মৌলবাদী জোটের সাথে হাত মেলায়।''সত্য কথা। ইউনুস ভাইকে ধন্যবাদ। সঠিক সময়ে সঠিক বিষয়টি তুলে আনার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই না চাচা
![]()
নাজমুল। বলেছেন:
ইউনুস ভাই আপনার লেখা পড়লাম।ভাল লাগলো। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
তুষ।র বলেছেন: আমরা সবাই আজিব। এক শ্রেনি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকে নেকির কাজ মনে করে। তাদের মাইনসা।
আরেক শ্রেনি ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু করাকে ক্রেডিট মনে করে। তাদেরও মাইনাস।
দুইদলেরই বুদ্ধিমতা সাধারনের থেকে একটু বেশি। কমলে ভালো লাগে।
আমি এইকথাগুলোকে সমর্থন করি। তবে ইউনুস ভাইয়ের এই পোস্টটি সেই পর্যায়ে পড়েনা। তিনি তার মতটি জানিয়েছেন মাত্র। তবে আমি মনে করি, সংযম কাউকে জোর করে করানো যায়না। কেউ যদি আমার সামনে ইলিশ মাছের ডিম(আমার প্রিয় খাবার) দিয়ে ভাত খায়, স্বভাবতই আমার জিহ্বাতে পানি আসবেই। কিন্তু আমি একজন রোযাদার মুসলমান হিসেবে যদি সেই লোভটুকু সম্বরন করতে না পারলাম, তাহলে আমার রোযা থেকেই লাভ কি?
সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ইউনুস ভাই।
লেখক বলেছেন: লোভটুকু হয়তো সংবরন করলাম। তারপরওতো আমার কষ্ট হলো নাকি। আপনার কি মনে হয়না আমরা ইচ্ছে করলেই এই কষ্টগুলো না দিয়েও পারি। বিড়ি-সিগারেট একটু আড়ালে বা নিরাপদ অবস্থানে থেকে খেলাম। রসালো কিছু একটু লুকিয়ে খেলাম। তাতে রোজাদাররা কষ্ট থেকে কি রেহায় পায় না।
অপশন আছে যেহেতু, সেহেতু ইউজ করতে সমস্যা কি?
মাহিরাহি বলেছেন:
ধর্মের ব্যপারে তারাই বাড়াবাড়ি করে বেশি যারা ব্যক্তিগত জীবনে ধার্মিক না।অতএব ধর্মের ব্যপারে বাড়াবাড়িটা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
কিন্তু সমস্যা হল আরেকটি দল নিয়ে (এখানেও) যারা সংখ্যালঘু হাতেগুনা কয়জন বকধার্মিকদের আচরনকে অজুহাতে হিসাবে নিয়ে ধর্মের বিরুদ্ধাচারন করতে গিয়ে বাকসংযমসহ হারিয়ে বসে। অসহ্যরকম অশালীন এবং অসংযমী হয়ে উঠে।
এতে করে কিন্তু বাংলাদেশের সিংহভাগ ধর্মপ্রান বাংলাদেশীকেই আহত করা হয় বেশি।
লেখক বলেছেন: একমত। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অন্যের অনুভূতিকে শ্রদ্ধা জানানোর দায়িত্ববোধটুকু সবারই থাকা উচিৎ , এটা খুবই জরুরী । তারপরও ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় কেউ যদি তা লংঘন করে , শক্তি প্রয়োগটা সেখানে অগ্রহনযোগ্য ।
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। খুব ভালো বলেছেন।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
আরিফ এই জায়গারে কেবল মব সাইকোলজিরে দিয়া বুঝলে রাজনৈতিক অর্থনীতি হাওয়া হইয়া যায় কিন্তুক। আমি এইটারে দেখি উল্টা ক্ষমতা আর আধিপত্যের মধ্য দিয়া। কেবল সাইকোলজির কারণে জনগণ এইটা করে আর ঐটা করে না কইলে মনে হয় জনগণ অনেক স্বাধীন। কিন্তু জনগণরে(বা এই প্রত্যয়েরে) কে ক্যামনে ব্যবহার করে যেমন জামাত পূঁজিরে দারিদ্র্যরে ব্যবহার করে, দুই নেত্রী উত্তরাধিকার আর টাকা দিয়া এইটা চোখে পড়তে কষ্ট হয়। সব দায় চাপে জনগণের উপর ম্যানিপুলেটরের উপর না। এই জায়গা খিয়াল কইরা।অলমোস্ট একই ধরণের সাইকোলজির গল্পে কিন্তু ইউনুস নিজেই ঢুকছেন, তার কাছে রাষ্ট্রীয় সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার অনুপস্থিতি কোন বিষয় না যেমন।
এই যদি হয় শিক্ষিত ধর্মপ্রাণ রোজদারী মুসলমানের ব্যখ্যা তাইলে এই মুসলমানিত্ব নিয়া আমার খুবই দ্বিমত আছে।
লেখক বলেছেন: এই যদি হয় শিক্ষিত ধর্মপ্রাণ রোজদারী মুসলমানের ব্যখ্যা তাইলে এই মুসলমানিত্ব নিয়া আমার খুবই দ্বিমত আছে---------------হাসতেই আছি।
কি বলেছেন বুঝে বলেছেন? যদি বুঝে বলে থাকেন তাইলে আপনার মতো বুদ্ধিজীবিরও খেতা পুরি।
নাজমুল। বলেছেন:
আইনেই কিন্তূ বলা আছে প্রকাশ্যে ধুমপান নিষেধ।রমজান মাসে যখন এই আইন বাস্তবায়িত হয় তখন কি আমাদের দেশের আইনকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ না?
লেখক বলেছেন: জটিল কথা বলেছেন।
লেখক বলেছেন: এই যদি হয় শিক্ষিত ধর্মপ্রাণ রোজদারী মুসলমানের ব্যখ্যা তাইলে এই মুসলমানিত্ব নিয়া আমার খুবই দ্বিমত আছে--------- যেহেতু একমত সেহেতু এই কথাগুলোর ব্যাখ্যা দাবি করছি।
লেখক বলেছেন: না খাইয়া রোজা রাখবেন আবার একমত হবেন। কঠিন।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ধর্মপ্রাণ মুসলমানের/হিন্দুর/খ্রীষ্টানের মিথ নিয়া আর কতদিন যে জনগণ ঘোল খাইবো। যাই হোক আমার কাছে জনগণ যতনা দোষী তারচেয়েও দোষী ম্যানিপুলেটিভ ক্ষমতা কাঠামো।যেমন মনে করেন উল্টাভাবে....এইখানের অনেকের কমেন্টেই উইঠা আসছে। ধর্ম নিয়া একটি সীমা পর্যন্ত বলাবলি সহনীয় এর বেশি না। এইখানেও কিন্তু কষ্টের জায়গা আছে। মানলাম। কিন্তু আবার তথাকথিত ধর্মপ্রাণ যখন নাস্তিক মানেই মানুষ না দাবী করে সেইটা কিন্তু একই ক্ষমতার ঐ পিঠ।
আরিফ আমার চিন্তার সাথে যোগসূত্র পান এইটা ভালো লাগল। কেবল সহমত অর্থে না চিন্তাশীল অর্থেও।
লেখক বলেছেন: মজা পাইতাছি। বিস্তারির জানতে ইচ্ছে করছে। কম বুঝিতো। গুছাইয়া একটা পোস্ট দেন অথবা এখানে মন্তব্য করুন।
পারভেজ বলেছেন:
গুলশানের ঘটনাটা সম্ভবত বিচ্ছিন্ন ঘটনা। কারন,বনানী গুলশানে অনেক দোকান বা ফাস্ট ফুড শপ খোলাই থাকে। কাউকে আক্রমনাত্বক হতে দেখিনি (চট্টগ্রামে/সিলেটে যেটা স্বাভাবিক)।কিন্তু রোজাদার যদি খালি একটা পর্দা দেখেই সংযমে মতি হয়, সেই সংযমের মূল্য কি?! একজন যখন পয়সার অভাবে না খেতে পেরে ঘুরে বেড়ায়, তার আশে পাশের সব কিছু কি আড়াল করা হয়?! রোজার অর্থ মানসিক সংযম ও বটে! ঐ অভিজ্ঞতাটাও সংযম।
কোন ধরনের রাষ্ট্রিয় ঘোষণায় রোজা পালনের প্রয়োজন নেই।
এটা মুসলিম হিসাবেই তার ফরজ!
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ভাই মতিভ্রম বড় কথা না তারচেয়ে বড় কথা হলো আমাদের হাতে অপশন থাকার পরও কেন উনাদের অনুভূতিতে আঘাত হানবো? কেন উনাদের সামনে খাব?
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
সেরাম পুস্ট । কিন্তুক মাইনাস ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অভ্যাস যায় কি মরলে?
নুশেরা বলেছেন:
পারভেজ বলেছেন:"রোজাদার যদি খালি একটা পর্দা দেখেই সংযমে মতি হয়, সেই সংযমের মূল্য কি?! একজন যখন পয়সার অভাবে না খেতে পেরে ঘুরে বেড়ায়, তার আশে পাশের সব কিছু কি আড়াল করা হয়?!"
ঠিক এটাই ভাবছিলাম। অসাধারণ মন্তব্য; এর পর কিছু বলার থাকেনা।
লেখক বলেছেন: ভাই মতিভ্রম বড় কথা না তারচেয়ে বড় কথা হলো আমাদের হাতে অপশন থাকার পরও কেন উনাদের অনুভূতিতে আঘাত হানবো? কেন উনাদের সামনে খাব?
লাল দরজা বলেছেন:
বুঝের দিক দিয়া বুড়া সবাইর চিন্তা আপ্নের মতো গরুত্ব পূর্ণ হবে তাইবা আপনে ভাবেন ক্যান! @ buro
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: দেখতাছি।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
নুশেরা বলেছেন: পারভেজ বলেছেন:"রোজাদার যদি খালি একটা পর্দা দেখেই সংযমে মতি হয়, সেই সংযমের মূল্য কি?! একজন যখন পয়সার অভাবে না খেতে পেরে ঘুরে বেড়ায়, তার আশে পাশের সব কিছু কি আড়াল করা হয়?!
রাস্তায় শত শত চব্য-চেষ্য-লেহ্য ইফতারীর বাহারী পসরা কি অশ্লীল মনে হয় না
লেখক বলেছেন: সেইরাহাম
মেন্টাল বলেছেন:
পেট ভইরা তিনবেলা খানা খাওন হইলো রোজা।
লেখক বলেছেন: তীব্র ভাবে মাইনাস।
কৌশিক বলেছেন:
বেহেশতের আশাটাও সংযম করছি! কি ক্লাসিক উত্তর! পুরা পাংখা হইয়া গেলাম!
লেখক বলেছেন: কৌশিক দা আপনেও কি এই সংযম করেছেন? করলে আল্লাহর কাছে হাত তুলে মুনাজাত করে বলবো আপনার ইচ্ছা যেন পূরণ হয়।
রাজর্ষী বলেছেন:
আমি মুসলমান তাই আমি রোজা রাখতে পারি। আমার পরিবারের সবাইকেও রাখতে হবে,মুসলিম ফ্যামিলি, রান্না হবে না। বাইরেও খাবার দোকান বন্ধ থাকবে কারন, এটা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। তাই এখানে রাষ্ট্রকেও ধীরে ধীরে রোজা রাখাতে হবে। সংবিধানকে বিসমিল্লাহ দিয়ে মুসলমান করতে হবে। রাষ্ট্রের ধর্ম গ্রহন হবে ইসলাম।ভারত হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই তারাও গরু খেতে দেবে না। তারাও বিজেপি, শিবসেনায়িত হবে ধীরে ধীরে। ভারতের টিকি হবে যেভাবে বাংলাদেশের খৎনা হইছে।
এভাবে ধর্মের ভিত্তিতে দুইটা এলাকার মেরুকরন হবে। খোচা খুচি তো এখনই হয়। পরে ওয়ার হবে। রক্ত ঝরবে।
ধর্মের কারনে ইতিহাসে রক্ত ঝরেছে অনেক। ধর্মের উদ্দ্যেশ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে আমরা এমন ভবে ধর্ম করি যাতে এটা মানষের রক্ত না ঝরায়।
ব্যাক্তি আর পারিবারিক পর্যায়ের বাইরে ধর্মের যাওয়া উচিৎ নয়।
লেখক বলেছেন: একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
হোটেলের সামনে দাড়ায়া সুস্বাদু খাবার দেখলে যায় জিহবায় পানি আসে, তারে আরেকবার খতনা দিয়া সাচ্চা মচল্মান বানানি উচিত - হালায় তো পুরা মুচলমানই না, রোজা রাকবো কেমতে...
লেখক বলেছেন: উত্তরের নমুনা দেখলেই মাথার গিলু সম্পর্কে আইডিয়া পাওয়া যায়।
পারভেজ বলেছেন:
@দ্বিতীয়নাম-রোজা খালি যে ধর্মীয় আচার তা কিন্তু নয়, এটা এখন বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক আচারেরও অন্তর্ভুক্ত। মাসব্যাপী ইদ উপলক্ষে কেনাকাটা কিংবা বেচাকেনা, যার যতটুকু সামর্থ আছে। বোনাসের আশায় সারা বছর বসে থাকা ক্ষুদ্র চাকুরিজীবি, কিংবা ফুটপাথের ব্যবসায়ী সারা বছরের মন্দা বেচাকেনাকে ভুলে থাক। সবারই অংশগ্রহন থাকে। (যারা দারিদ্রসীমার নীচে, তারা তো সব সময়ই মৌলিক অধিকার থেকেই বঞ্চিত) সবাই সাধ্যমতো ইফতারি করার চেষ্টা করে। ধানমন্ডি, গুলশান কিম্বা বনানির ঝলমলে রেস্তোরার পাশ ঘেষেই টেবিল সাজিয়ে বিক্রি হয়। হা , অস্বীকার করার যো নেই, ঐ ঝলমলে সাজানো খাবারের দৃশ্যে অশ্লীলতা খুঁজে পাওয়াই স্বাভাবিক, কিন্তু তাই বলে এই সব ছোট খাট পরিতৃপ্তির ক্ষেত্রেও কি তাই ভাবা উচিত? সমাজতান্ত্রিক চীনে "নববর্ষ' উদযাপন হয়ে আসছে সেই ৫ হাজার বছর আগে থেকে। যে যার মতো সামর্থ্য নিয়ে। এখন ওদের দারিদ্রের হার ১০ ভাগের ও নীচে। এখন উৎসব আরো সার্বজনীন হয়েছে। কিন্তু কখনোই থেমে থাকেনি কিম্বা প্রশ্নবিদ্ধ করেনি।
সবক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখাটা প্রয়োজনীয়।
লেখক বলেছেন: একজন যখন পয়সার অভাবে না খেতে পেরে ঘুরে বেড়ায়, তার আশে পাশের সব কিছু কি আড়াল করা হয়?!
(যারা দারিদ্রসীমার নীচে, তারা তো সব সময়ই মৌলিক অধিকার থেকেই বঞ্চিত)
ঐ ঝলমলে সাজানো খাবারের দৃশ্যে অশ্লীলতা খুঁজে পাওয়াই স্বাভাবিক, কিন্তু তাই বলে এই সব ছোট খাট পরিতৃপ্তির ক্ষেত্রেও কি তাই ভাবা উচিত?
স্ববিরোধীতা হয়ে গেলো না?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
'গিলু' সম্বন্ধে কি আইডিয়া পাইলা বাছাধন?
লেখক বলেছেন: আমার সামনে যদি কেউ টক জাতীয় জিনিস খায় তবে কেন জানি আমার মুখে পানি আসে। আবার কেউ সিগারেট খাইলে তার গন্ধটা নাকে আসার সাথে সাথেই আমারও সিগারেট খেতে মন চাই।
একটা কথা বলি একটা সময় ছিলো যখন আন্ডাবয়সী কেউ সিগারেট খাইলে চিন্তা করতো এই পথে সিগারেট খেলে যদি কেউ দেখে ফেলে।
আর এখন চিন্তা করে আমি সিগারেট খাচ্ছি তা তো মুরব্বীরা দেখবেই তারা এই পথে না গেলেইতো হয়।
এখন আপনি যদি মনে করেন কোন রোজাদার ব্যক্তি যদি দেখে তার চলার পথে কেউ সিগারেট খাচ্ছে, অতএব তাকে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে অথবা অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হবে তাইলে আর কি বলবো? অথচ আমরা ইচ্ছে করলেই একটা নিরাপদ জায়গায় এই কাজটা করতে পারি তাতে কারো কোন ক্ষতি হলোনা ।
আবার আমি মুসলমান অথচ রোজা রাখি নাই সেটা কিন্তু আমার জন্য লজ্জা। এখন যদি আবার সবার সামনে খাওয়া দাওয়া করি তবে সেটা আমার দৃষ্টিতে বেলাপ্পনা। কেননা আমরা ইচ্ছে করলেই কিন্তু একটু নিজেকে লুকিয়ে এই আহার কর্মটা সারতে পারি।
রোজাদার ব্যাক্তিরা খাবারের পসরা দেখলেই যে উনারা তা খাওয়ার জন্য জাপিয়ে পড়ে তা-না কিন্তু। তবে অনেকরই আবার নিজেদের সংবরণ করতে একটু কষ্ট হতে পারে।
আগের কমেন্টের জন্য দুঃখ পেলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
ভালো থাকা হয় যেনো।
লাল পিপড়া বলেছেন:
১৪০০ বছর পরেও যদি এই পর্দা টানানি রুজা রাখতে হয় তবে এই লজ্জা কার ? আর কত বছর এরম কইরা সরকারি রুজার মাস পালন করবো সবাই ? ধিক
লেখক বলেছেন: আমার সামনে যদি কেউ টক জাতীয় জিনিস খায় তবে কেন জানি আমার মুখে পানি আসে। আবার কেউ সিগারেট খাইলে তার গন্ধটা নাকে আসার সাথে সাথেই আমারও সিগারেট খেতে মন চাই।
একটা কথা বলি একটা সময় ছিলো যখন আন্ডাবয়সী কেউ সিগারেট খাইলে চিন্তা করতো এই পথে সিগারেট খেলে যদি কেউ দেখে ফেলে।
আর এখন চিন্তা করে আমি সিগারেট খাচ্ছি তা তো মুরব্বীরা দেখবেই তারা এই পথে না গেলেইতো হয়।
এখন আপনি যদি মনে করেন কোন রোজাদার ব্যক্তি যদি দেখে তার চলার পথে কেউ সিগারেট খাচ্ছে, অতএব তাকে দাঁড়িয়ে দেখতে হবে অথবা অন্য পথ দিয়ে ঘুরে যেতে হবে তাইলে আর কি বলবো? অথচ আমরা ইচ্ছে করলেই একটা নিরাপদ জায়গায় এই কাজটা করতে পারি তাতে কারো কোন ক্ষতি হলোনা ।
আবার আমি মুসলমান অথচ রোজা রাখি নাই সেটা কিন্তু আমার জন্য লজ্জা। এখন যদি আবার সবার সামনে খাওয়া দাওয়া করি তবে সেটা আমার দৃষ্টিতে বেলাপ্পনা। কেননা আমরা ইচ্ছে করলেই কিন্তু একটু নিজেকে লুকিয়ে এই আহার কর্মটা সারতে পারি।
রোজাদার ব্যাক্তিরা খাবারের পসরা দেখলেই যে উনারা তা খাওয়ার জন্য জাপিয়ে পড়ে তা-না কিন্তু। তবে অনেকরই আবার নিজেদের সংবরণ করতে একটু কষ্ট হতে পারে।
লাল পিপড়া বলেছেন:
ওহ! মাইনাচ ....
লেখক বলেছেন: কি আর বলবো?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
৪টা বাজতেই যে রাস্তায় রাস্তায় এপ-তাড়ীর লাইন-পস্রা বইসা যায় সেগুলা দেখলে লুল পরে না?
লেখক বলেছেন: না পরেনা
লাল পিপড়া বলেছেন:
বুজলাম ।আপনে কপি পেস্ট রুজদার ।
লেখক বলেছেন: ভালো বুঝেছেন।
সেই রকম হাদিস বাতলাইছেন
![]()
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
পোস্টের সাথে একমত না ইউনুস ভাই...আমি সরল ভাবে বলি
আপনি বলতেসেন যে পর্দা দিয়ে সিগারেট/খাবার খেতে তাইনা? আচ্ছা পর্দা দিয়ে কি সিগারেটের ধোঁয়া আটকে রাখা যাবে? আপনার নাকে কি গন্ধ আসবেনা?
আর রোজা শুধু উপোস থাকা নয়। রোজা ব্রডার অর্থে চোখের, মনের, শরীরের এভাবে। কারো যদি সিগারেট খাবার ইচ্ছাটা দমনের মত মনের জোর না থাকে তাহলে রোজা না রাখাই ভালো।
ধরেন কোন মেয়ের দিকে তাকালেই অনেকের সেক্স করার ইচ্ছা হয়। তাহলে কি রোজার মাসে আইন করে মেয়েদের বাইরে বের হওয়া বন্ধ করে দিতে হবে?
আপনার আমার থেকে বেশী সংযমের পরিচয় কিন্তু দেয় আমাদের মা বোনরা। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারি বানাবার সময় কি তাদের খাওয়ার ইচ্ছা হয় না? তখন তো আরো বেশি ক্ষুধা লাগার কথা?
লেখক বলেছেন: রসিকতা করলেন বলে মনে হয়।
যাক আমি পর্দা দিয়ে সিগারেট খেতে বলেনি। আমি বলেছি সিগারেট একটা নিরাপদ দুরত্বে দাঁড়িয়ে খাওয়ার জন্য। আরিফ জেবতিক ভাই এক সময় রোজার মাসে রিক্সাওয়ালাকে নিয়া সিগারেট সিগারেট খেতে খেতে যেত তারই বক্তব্যর প্রেক্ষিতে এইটা। কেননা আপনে রিক্সা করে বা রাস্তায় হেটে হেটে সিগারেট খেতে খেতে যান তাহলে অনেক রোজাদার ব্যাক্তির নাকে এটা লাগবে এবং সে এতে অস্বস্ত্বি বোধ করতে পারে।
খাবার হোটেল পর্দা দিয়ে রাখার যুক্তি হলো অরোজাদার ব্যাক্তি কম। তাদের কে বেলাপ্পনার কোন সুযোগ দেওয়ায় উচিৎ না। আর সব রোজাদার ব্যাক্তিদেরই যে ইচ্ছে করবে তা কিন্তু নয়। মুষ্টিকয়েক লোককেই কেন কষ্ট করতে হবে?
লেখক বলেছেন: মেসবাহ ভাই ধন্যবাদ। তয় কাইশ্যা আওয়াজ দিলে আমার মতো নাদালের কিছুটা উপকার হইতো।
প্যান্টের যা অবস্থা নতুন আরেক না দিলে কভে যে কি হইয়া যায় কওন যায় না কিন্তুক।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
"আশংকার কথা হলো যখনি ইসলাম ধর্ম কে নিয়া কোন পোস্ট আসে তখন ঐ পোস্টে এমন কিছু নামের ব্লগারকে মন্তব্য করতে দেখি যাদের সচরাচর দেখা যায় না। তখনি সন্দেহ লাগে এরা কি ইসলাম ধর্মটাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত কিনা? সেজন্য বলেছিলাম "সেটা হতো একটা চিহ্নিত ধর্মগোষ্টীর স্লোগানে শব্দহীন কান্না"।ইউনুস ভাই, আমি এরকম একটা কথাই খুজতেছিলাম.........খুব ভাল লিখেছেন.....সেই গুটি কয়েক লোকের মন্তব্য দেখলেই বুঝতে পারবেন তারা ক্ষয়িষ্ণু কোন ধর্মের অন্তর্ভূক্ত.......নিজের ধর্ম বিশ্বাস করে না এটা তাদের ব্যাপার কিন্তু অন্যের ধর্মের পিছে লাগবে কেন!!!!!!!!ধর্ম নিরপেক্ষ বলে কেউ আছে বলে আমি বিশ্বাস করি না......যারা নাস্তিক তাদেরও একটা ধর্ম আছে সেটা হল নিজের অবিশ্বাসটাকে প্রতিষ্ঠা করতে অন্যের বিশ্বাসে আঘাত করা.....
লেখক বলেছেন: যারা নাস্তিক তাদেরও একটা ধর্ম আছে সেটা হল নিজের অবিশ্বাসটাকে প্রতিষ্ঠা করতে অন্যের বিশ্বাসে আঘাত করা.....
জটিল বলেছেন।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
খুবই দরকারি পোস্ট। আপনাকে ধন্যবাদ। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করলে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত, চাহিদা অগ্রাধিকার পাবে, এটাই পরিস্কার কথা। আমি সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস না করলেও গণতান্ত্রিকভাবে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেলে দেশের সমাজতান্ত্রিক আইন আমার সুনাগরিক হিসেবে মানতেই হবে । পশ্চিমা দেশ গুলোতে এত সহস্র মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও ঈদের দিনে কোন ছুটি নাই। কিন্তু বাংলার মুষ্টিমেয় বৌদ্ধ ও খ্রিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য সরকারিভাবে ছুটি পালন করা হয়।বাংলাদেশের মত অসাম্প্রদায়িক জায়গায় আমরাই তালিবানি জুজু খুজে বেড়াই। এটা ধর্মের ব্যাপারে বিশেষ মহলের প্রবল রিপালসন ও ফোবিয়ার কারণেই।
যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ "নিরবতা" পালন করছে, সেখানে গিয়ে "হাউ কাউ" করে "ব্যক্তি স্বাধীনতা" জাহির করা বা যেখানে সংখ্যাগরি্ষ্ঠ মানুষ "অভুক্ত থেকে সংযম" করছে সেখানে দাড়িয়ে আয়েশ করে সিগারেটে সুখ টান দেয়া (যেটা পাবলিক প্লেসে এম্নিতেও করা দন্ডনীয় অপরাধ) একটা চরম প্রতিক্রিয়াশীল, উস্কানিমূলক অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ বলেই আমার মনে হয়।
লেখক বলেছেন: যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ "নিরবতা" পালন করছে, সেখানে গিয়ে "হাউ কাউ" করে "ব্যক্তি স্বাধীনতা" জাহির করা বা যেখানে সংখ্যাগরি্ষ্ঠ মানুষ "অভুক্ত থেকে সংযম" করছে সেখানে দাড়িয়ে আয়েশ করে সিগারেটে সুখ টান দেয়া (যেটা পাবলিক প্লেসে এম্নিতেও করা দন্ডনীয় অপরাধ) একটা চরম প্রতিক্রিয়াশীল, উস্কানিমূলক অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ বলেই আমার মনে হয়।
ধারুন বলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে। শুভেচ্ছা নিবেন।
পাপী বলেছেন:
ভালো পোস্ট। প্লাস দিলাম!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া
শফিকুল বলেছেন:
জটিল বিষয়।
লেখক বলেছেন: হ ভাই বড় জটিল।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
সংখ্যাগরিষ্ট হৈলেই সংখ্যালঘিষ্টের উপ্রে সব মতামত চাপায়া দিবেন? দেশ বা মহাদেশের রাজনৈতিক ভুগোল বাদ দিয়া একটা এলাকার কথা ধরেন যেখানে অমুসলিমের সংখ্যা অনেক বেশী এবং সেখানে প্রকাশ্যে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে কোন বিধিনিষেধও নাই। তার মানে কি সেখানকার মুসলমানদের পক্ষে রোজা রাখা সম্ভবনা?
লেখক বলেছেন: যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ "নিরবতা" পালন করছে, সেখানে গিয়ে "হাউ কাউ" করে "ব্যক্তি স্বাধীনতা" জাহির করা বা যেখানে সংখ্যাগরি্ষ্ঠ মানুষ "অভুক্ত থেকে সংযম" করছে সেখানে দাড়িয়ে আয়েশ করে সিগারেটে সুখ টান দেয়া (যেটা পাবলিক প্লেসে এম্নিতেও করা দন্ডনীয় অপরাধ) একটা চরম প্রতিক্রিয়াশীল, উস্কানিমূলক অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ বলেই আমার মনে হয়।
পারভেজ বলেছেন:
স্ববিরোধীতা কেন?!!!একটা ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে সামাজিক আচারের জন্ম হতেই পারে। জোর করে ধর্ম পালন করাতে হবে কেনো?!!
আবার সামাজিক আচরণের সবকিছুকেই ধর্মের জুজুর ভয়ে উড়িয়ে দিবো কেনো?!
দিনের বেলা ধর্ম রক্ষার নামে খাবার দোকানে পর্দা ফেলাটাও অশালিন। আবার ভরপেট আয়োজনের বিজ্ঞাপনও সবার কাছে শোভন নয়।
আপনি চান দিনের বেলা সব ব্ন্ধ থাক আবার সন্ধ্যা হলেই সব জায়েজ হয়ে যাক? কেন?!
যারা রোজার বিরোধীতা করে তারা চায়- এইসব আচার আচরণ সবই ধর্মের আফিম, বন্ধ হয়ে যাক। এটা যে ধর্মের গন্ডি পেরিয়ে সামাজিক আচরণের সাথেও জড়িয়ে গেছে এটা স্বীকার করতে চাননা!
আর আমি সমাজবাদী নই। যে নিজ যোগ্যতায় অর্জনের মাধ্যমে বিলাস করার অধিকার রাখে- করুক। হ্য়তো দীর্ঘশ্বাস ফেলবো, কিন্তু অধিকার গেলো গেলো বলে ধুয়া তুলবো না!
লেখক বলেছেন: কানের পাশ দিয়ে চলে গেলো। কাকে কোন কথার উপর ভিত্তি করে কি বললেন কিছুই বুঝলাম না।
দুঃখিত সেটা আমার সামান্য জ্ঞানের কারনেও হতে পারে।
পারভেজ বলেছেন:
সিগারেটে সুখ টান দেয়া আর যারা শ্রমিকের কাজ করে ভাত খেতে বসে দুপুর বেলা, পার্থক্য আছে বৈকি! দুদলকেই এক ভাবে বিচার করা হয়ে গেলো না?!
লেখক বলেছেন: আমার পোস্ট টি কয়েকটি নির্ধারিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সেই প্রেক্ষিতে বললে আরো ভালো লাগত।
একটা ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে সামাজিক আচারের জন্ম হতেই পারে। জোর করে ধর্ম পালন করাতে হবে কেনো?!!
আবার সামাজিক আচরণের সবকিছুকেই ধর্মের জুজুর ভয়ে উড়িয়ে দিবো কেনো?!
এইখানেইটো স্ববিরোধীতা স্পষ্ট।
ত্রিভুজ বলেছেন:
পোস্টটা পড়েছিলাম... সময়ের অভাবে মন্তব্য করা হয়নি.. ভাল লাগলো.. সাথে প্রিয় পোস্টে যুক্ত হলো। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ ভাই। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
পোস্ট আগেই পরসিলাম, কমেন্টগুলা পড়লাম। আসলে ইউনুস ভাই আপনে ব্যাপারটা এইভাবে দেখেন যে রমজান মাস সংযমের মাস কেন? এই মাসটাতে আল্লাহ তার বান্দাদের হয়ত পরীক্ষা করে সে কতটা সংযমী। সেহরী থেকে ইফতার পর্যন্ত এক ফোটা জল ছাড়া একটা মানুষ যদি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় রোজা রাখে তবে বলতে হবে সে যথেষ্ট সংযমী এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।কিন্তু যার এক গ্লাস ঠান্ডা জ্বল দেখলেই রোজা মাকরুহ হয়ে যায়, একটা অশ্লীল ছবি দেখলেই কামভাব জেগে উঠে, একটা বার্গার দেখলেই সস দিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে আমি বলব সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রোজা রাখেনি। সে রোজা রাখছে সমাজকে দেখানোর জন্য,হয়ত পরিবারে সবাই রাখছে তাই, তার মনে আল্লাহর পরীক্ষার কোনো ভয় নেই, তার মনে শুধু চিন্তা ইফতার করতে আর কতক্ষন? কিন্তু সত্যিকারের আল্লাহর সংযমের পরীক্ষায় সে অনুত্তীর্ণ।
আপনি উল্লেখ করেছেন একটা আমলকী খেতে দেখলে আপনার জিভে জ্বল এসে যায় , এখানে আমি বলব আপনার মনে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ বা রমজান মাস সংযমের মাস এইগুলো কিছুই নেই, আপনার মনে শুধু চিন্তা যে না জানি আমলকীর স্বাদটা কত মজার।
সংযমটা নিজে নিজেই করতে হবে। যেমন ইউরোপ আমেরিকাতেও তো মুসলমানেরা রোজা রাখে, কিন্তু সেখানেও তো স্কার্ট পড়া মেয়ে মানুষ হরহামেশা দেখতে হয়, আবার বার্গার পিজা শপে হাজার হাজার মানুষ খাচ্ছে। কই সেখানে তো মুসলিমদের সমস্যা হচ্ছে না। এত প্রতিকুলতার ভীড়েও তো এনারা রোজা রেখে যাচ্ছেন।
আরেক্টা কথা চিন্তা করুন, আপনি বলছেন অন্য ধর্মের লোকেরা পর্দা ঘেরা রেস্টুরেন্টে খান, সমস্যা নেই। এটা কি সত্যিই সমধর্মীয় কথা? এক ধর্মের লোকেরা ২ টা বাজলেই ইফতারীর নানা পসরা বিক্রীর জন্য বসবে, অথচ কোনো বিধর্মীর যদি ঐ ইফতারী খেতে ইচ্ছে হয় তাকে চলে যেতে হবে পর্দার আড়ালে। এটা কি সম-স্বাধীনতা?
লেখক বলেছেন: ধার করা একটি মন্তব্য পেস্ট করলাম-----------
যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ "নিরবতা" পালন করছে, সেখানে গিয়ে "হাউ কাউ" করে "ব্যক্তি স্বাধীনতা" জাহির করা বা যেখানে সংখ্যাগরি্ষ্ঠ মানুষ "অভুক্ত থেকে সংযম" করছে সেখানে দাড়িয়ে আয়েশ করে সিগারেটে সুখ টান দেয়া (যেটা পাবলিক প্লেসে এম্নিতেও করা দন্ডনীয় অপরাধ) একটা চরম প্রতিক্রিয়াশীল, উস্কানিমূলক অসুস্থ মানসিকতার লক্ষণ বলেই আমার মনে হয়।
কালকে পুরা একটা জবাব দিবো আশা করছি। আজকে চরম বিজি।
অ্যামাটার বলেছেন:
ওরেব্বাপসসস!!! ব্যাপক উচ্চমর্গীয় পোষ্ট, পরে পড়ব...তবে শিরোনামটা দেখে আন্দাজ করতে পারি, হুমম...সহমত...আমি আরিফ ভাইয়ের পোষ্টটা পুরোটাই পড়েছিলাম...মাত্রারিক্ত একপেশে ...তাই কোন মন্তব্য করি নি।
লেখক বলেছেন: এইখানে জটিল একটা মন্তব্য আশা করছি আপনার কাছ থেকে।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ব্যাক্তি আর পারিবারিক পর্যায়ের বাইরে ধর্মের যাওয়া উচিৎ নয়।
লেখক বলেছেন: তাহলে আমরা ঘরের ভিতর নামাজ পড়বো আর বাইরে গিয়ে ল্যাংটা হয়ে নাচবো কি বিমা ভাই ![]()
দস্যু বনহুর বলেছেন:
আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গু খাওয়া ধরলে আপনেরও তাই খাইবেন।... আরেকটা কথা, নিজে কিছু লিখতে চেস্টা করেন। কপিপেস্ট দিয়া আর কত? কমেন্টের রিপ্লাইটাও অন্যের কাচতন ধার কর্তে হৈব?
লেখক বলেছেন: আপনার ব্লগ দেখে আসলাম বিরাট মৌলিক লেখক আপনি ![]()
একটা মন্তব্যর জবাব যদি অন্য কেউ আগেই দিয়ে থাকে, আর তারপরও যদি কোন ব্লগার ঐ প্রশ্নটাই করে বা ঐ বিষয় নিয়েই কথা বলে তাহলে এখানে সেই জবাবটা কপি পেস্ট করে আনা দোষের কিছু নয়।
যেই লাউ সেই কদু
দস্যু বনহুর বলেছেন:
লোকজন প্রশ্ন কর্তাসে আর আপনে উত্তর নাদিয়া লাদির মতন কপিপেস্ট মাইরা যাইতাসেন... একটা নমুনা দেন দেখি যেজাগায় আপনের রিপ্লাই প্রাসংগিক হৈসে...
লেখক বলেছেন: দয়া করে চোখে চশমা পরে প্রথম মন্তব্য থেকে পড়া শুরু করেন। তারপরও যদি কপিপেস্ট ছাড়া কিছু না দেখেন চোখের চিকিৎসা করেন।
@পারভেজ এর একটা মন্তব্যর @নুশেরা কপিপেস্ট মেরেছে, সেখানে আমিও আমার জবাব কপিপেস্ট করেছি।
@লাল পিপড়া ৫১ এ যে মন্তব্য করেছে তার জবাব সেই কপি পেস্টই ঠিক আছে।
প্রাসঙ্কিক কি হইলো?
লাল পিপড়া বলেছেন:
সেইটাই কইসিলাম দস্যু বনহুর । লেখক হইল কপি পেস্ট রুজাদার ।
লেখক বলেছেন: হ তুমিও এরাহাম একটা কপি পেস্ট কইরা দেখাইয়া দাও।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হিন্দুরাষ্ট ভারতে যে পরিমান মুসলমানের উপর অত্যাচার হয় তার সিকি পরিমাণও যদি বাংলাদেশে হতো তাইলে এই দেশ কবে আমেরিকার খাতায় মৌলবাদীদের তালিকায় উঠে আসতো।মগবাজারে প্রক্রিয়াজাত। কেপি টেস্ট পজিটিভ।
লেখক বলেছেন: আপনি কোত্থেকে এসেছেন ভাই একটু বললে ভালো লাগতো?
যখন গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মুসলমান জীবন্ত পুড়িয়ে মারলো তখন প্রতিদিন কেন একবার করে নরেন্দ্র মোদীর খেতা পুরতেন?
যখন মা-বাবা-ভাই-বোনের সামনে একটা ৮ মাসের অন্তসত্ত্বাকে ধর্ষন করা হলো তখন কেন বোনের কষ্টে চোখের পানি ফেলতেন?
যখন বাবরী মসজিদ উড়িয়ে দেওয়া হলো তখন কেন নিজেদের অসহায় মনে করতেন?
কিছুদিন আগে যখন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি গীর্জা পুড়িয়ে দেওয়া হলো তখন কেন মানবতা নিয়ে শঙ্কিত হয়েছিলেন?
আর বাংলাদেশে যদি ঐ ভাবে কিছু হয়তো তবে ঠিকই এতদিনে আপনারাই বাংলাদেশকে ভারত অথবা আমিরিকার হাতে তুলে দিতেন।
কেননা আমি যেমন মগবাজারী প্রক্রিয়াজাতকরন(আপনার ভাষায়। আর আপনারা যখন কোন যুক্তি-তর্কের সাথে কুলিয়ে উঠতে পারেন না তখনি আমাদেরকে একটা গোষ্টীর লোক বলে স্লোগান তুলেন।), আমার মনে হয় আপনেও তেমন শাখারী প্রক্রিয়াজাতকরন।
লাস্ট প্যারার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। তবে আমি যে দৃষ্টিতে কথা বলেছিলাম সেটা আশা করি এখন আপনি বুঝতে পারবেন। যদি পারেন তবে আমি আমার মন্তব্য মুছে ফেলবো।
পারভেজ বলেছেন:
স্ববিরোধীতা কই হলো, এখনো আমার মাথায় ঢুকাতে পারলাম না!!!আমি ধর্ম মানি, সামাজিক আচার মানি!
আমি চাইনা, আমাকে পুলিশ দিয়ে ধর্ম পালন করতে বাধ্য করা হোক।
আমি চাইনা একসাথে ইফতারী করার বা দিন শেষে ইফতারীর ( ছোট কিংবা বড়) আয়োজন কে কেউ ধর্মের আফিম বলুক!!
এবারেও যদি স্ববিরোধীতা মনে হয়!! তাহলে এই আলোচনায় মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
[আপনি কিন্তু জবাব দেননি সিগারেট খাওয়ার অধিকার (কেউ কেউ বলেন ইসলামে মাকরুহ/হারাম) আর শ্রমিকের দুপুরের খাবার অধিকার কে এক কাতারে ফেলা যায় কিনা!!]
লেখক বলেছেন: আজকে সকালের দেখা একটা ঘটনা বলি বাসা থেকে বের হয়ে রিক্সায় উঠলাম ফার্মগেট আসার জন্য। আমার ঠিক পিছনের রিক্সায় একটা ইউনিভার্সিটির ছেলে সিগারেট টেনে টেনে আসতেছিলো। পূর্বরাজাবাজার আসতেই জ্যামে আটকা পড়লাম। কিছুক্ষণ পরেই দেখি পিছনে হাউকাউ। ঐ ছেলের সিগারেটের ধোঁয়া পিছনের রিক্সার যাত্রীর নাকে লাগলে ঐ লোক বলেছিলো অসভ্য কোথাকার। রোজাও রাখবেনা আবার বেহায়ার মতো রাস্তায় সিগারেটও টানবে। ঐ ছেলে বলেছিলো তাহলে কি আমি আপনার জন্য সিগারেট খাবোনা? সাথে আরো কিছু রোজা নিয়ে উপহাসসূচক মন্তব্যও করলো। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি। শেষে অন্য রিক্সা যাত্রীরা, পথচারীরা ঐ ছেলেকে মারতে ঔদ্বত্য হলো।
আসলে ব্যাপার হলো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী। অনেক মানুষ যেখানে রোজা রেখে সংযম পালন করছে সেখানে গিয়ে সিগারেটে সুখ টান দেওয়া কতটুকু বেয়াদবীতে পরে সেটা আপনার বিবেচনাযোগ্য।
এক মন্দিরে ঠাকুররা পূযা করছিলো। অনেক ভক্তরা সেখানে জড়ো হয়েছে। এর মাঝে কয়েকটি ছেলে মন্দিরের পাশে বসে গাঁজা খাচ্ছিল। অনেকের মানা করার পরও তারা সেখান থেকে তারা সরলো না। ফলে পুলিশ আসতে বাধ্য হলো। আপনিই হয়তো বলবেন ঠিকইতো আছে। কারন নিজেকে অসাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে আপনি নিজ ধর্মের কালচারের বিরোধিতা করছেন। আমিও এই ঘটনায় পুলিশ আসাকে ঠিকই বলবো সেই সাথে রোজাদারদের কোষ্টের কোন আগাছাকে সরাতে যদি র্যাবও লাগে সেটাও সাপোর্ট করবো।
আমি আরিফ জেবতিকের এই কথার প্রেক্ষিতে "মনে আছে , চেনস্মোকার আমরা আরাম করে বিড়ি খেতে খেতে রাস্তায় চলেছি । যে রিক্সায় উঠেছি , সেই রিক্সাওয়ালাও আগুন চেয়ে নিয়েছে আমাদের কাছ থেকে " সিগারেট নিয়ে এতো কথা বলেছিলাম।
পারভেজ ভাই আপনি কি রোজা রাখেন? রাখলে কেন রাখেন? আচ্ছা যদি আপনি রোজা নাও রাখেন আপনে কি পারবেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুটা সিংগাড়া খেতে। পারবেন না। কেননা রোজা রাখেন নাই আবার সবার সামনে নিল্লর্জ মানুষের মতো করে খেতে আপনার লজ্জা লাগবে। কেননা অনেক উৎসুখ চোখই আপনার দিকে তাকাবে। আপনাকে নিয়া কটু কথা বলবে। সেইজন্য আমার মনে হয় হোটেল গুলোর সামনে একটা কাপড়ের পর্দার ব্যাবস্থা করলে সেটা রোজাদার ও অরোজাদার দুজনের জন্যই সুবিধা। এইটা একটা কমন থিংক। এখানে পুলিশ কোত্থেকে আসলো সেটা ক্লিয়ার না।
আপনি বলেছেন -"আপনি কিন্তু জবাব দেননি সিগারেট খাওয়ার অধিকার (কেউ কেউ বলেন ইসলামে মাকরুহ/হারাম) আর শ্রমিকের দুপুরের খাবার অধিকার কে এক কাতারে ফেলা যায় কিনা!"
আসলে এই কথাটি আপনি আমার কোন কথার উপর ভিত্তি করে বলেছেন বা আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন সেটা বোধগম্য হয়নি।
তবে খোলা চোখে বললে বলবো দুপুরে শ্রমিকের খাবার অধিকার বোধ টুকুই হয়তো বেশী। হয়তো বলছি এইজন্য যে অনেক শ্রমিক কে আমি বলতে শুনেছি একবেলা না খেয়ে থাকতে পারবো কিন্তু ভাই বিড়ি না হইলে যে চলবেনা। সেইখানে আবার বিড়ি খাওয়ার অধিকার টুকুই বেশী।
পারভেজ ভাই নিজেকে অসাম্প্রদায়িক করতে গিয়ে আবার নিজ ধর্মকে ভুলে যায়েন না প্লিজ।
আর একটা কথা আমি যা বিশ্বাস করি তাই বলি। ভুল হলে আমাকে বুঝিয়ে বলতে হবে, কিন্তু আমাকে যদি ভুল না ধরিয়ে আগেই ভুলের জন্য শাসন করা হয় সেটা আমি মন থেকে কখনো মানতে পারিনা।
ভালো থাকা হয় যেন।
পারভেজ বলেছেন:
আপনার লেখাটা ভাল লাগলো! শ্রমিকের কথাটা খুলে বলি। আমার সাইটে কাজ চলছে, ঢালাই হবে, সুপারভাইজার বল্লো ওরা সেহেরীর সময় থেকেই কাজে চলে আসবে। যাতে রাস্তায় চলাচল বাড়ার আগেই কাজ অনেক শেষ হয়ে যায়; আমার জিজ্ঞাসু দৃষ্টি দেখে বল্লো ওরা তো আর রোজা রাখবে না, তাই ওদের যে কোন সময়েই ডাকলে আসবে। ভেবে দেখুন যে কায়িক পরিশ্রম ওদের এই সময়টায় করতে হয়, এ সময় রোজা রাখার কথা বলাটা হ্য়তো অমানবিক না হলেও রূঢ়। ওদের প্রকাশ্যে তাই তাদের সাথে সিগারেটে সুখটান দেয়া ছেলেটার তুলনা হয় না! আরেকটা কথা- সিগারেট খাওয়া এমনিতেই দন্ডনীয় সেটা যে মাসেই হোক। তাছাড়া রিকশায় খেতে খেতে যাওয়া কিংবা হাটতে হাটতে খাওয়া এটাও অশোভন। এ ব্যাপারে সবাই একমত না হবার কারণ নাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো যখন সারাবছর যে কাজ দেখতে (খাবারের দোকান খোলা রাখা ) আমাদের আপত্তি নাই, আমাদের সংযম কেনো অনুরূপ পরিবেশে হবে না।? সেখানেই তো সংযমের মাহাত্য। আমি পার্টিতে যেয়ে বলতেই পারি, আমাকে লিকার দিবেন না, কিন্তু কারো যদি খেতে আপত্তি না থাকে, সে কি আমার পাশে বসে খেতে পারবেনা? (সিগারেট, বা ড্রাগস ভিন্ন ব্যাপার- এসব সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ করা উচিত)।চট্টগ্রামে শিবিরের বাড়াবাড়িতে এক মাসের উপর অনেক খাবারের দোকানই বন্ধ রাখা হয়, কর্মচারীদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারটাও চলে আসে। আমি আপনার পয়েন্টও বুঝেছি- আপনি একটা শালীনতার পর্দা কিংবা আড়ালকে সমর্থন করছেন, একজন মুসলিম হিসাবে ঐ স্বতস্ফুর্ততা দেখলে আমিও খুশী হতাম। কিন্তু কাউকে বাধ্য করতে চাইনা। ধন্যবাদ, ব্যস্ততার ভেতরেও উত্তর লিখার জন্য!
লেখক বলেছেন: পারভেজ ভাই বুঝার জন্য ধন্যবাদ। শিবিরের ঐ হারামিদের জন্যও কিন্তু আমরা অনেকেই ভুক্তভোগী। ওডেরকে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার লাইসেন্স কে দিলো? ননসেন্স।
আমি শুধু বলেছি মানবিকতার দিকে খেয়াল রেখে আর অনেক রোজাদারদের দিকটা বিবেচনা করে আমরা ইচ্ছে করলেই দোকানটা একটা পর্দা দিয়ে রাখতে পারি।
আপনার শ্রমিকদের সিগারেটে সুখটান দিতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু আপনেও হয়তো সেই সুখ সময়ে সামনে না থেকে একটা নিরাপধ অবস্থানে থাকেন। সেইজন্য আমি বলেছিলাম আমারা আমাদের বিবেক বোধ থেকেই একটু নিরাপদে এই কর্মটি সেরে আসবো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা রইলো।
শয়তান বলেছেন:
হুম । সমস্যা সবারই ।পাতলা ঈমান থাকলে কি ই বা করার আছে ।
লেখক বলেছেন: যার যামন বোজ দাড়ি ফালাইয়া রাখে মুছ
যীশূ বলেছেন:
বা ছা লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইন্সপেক্টর বলেছেন:
গোবরায়িত পোস্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সীমানাহীন বলেছেন:
সময়পোযোগী পোস্ট। ++++++++++++।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
ইউনুস ভাই, আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি কিছু ফালতু লোকের সাথে কথা বলছেন.........বেটার ডোন্ট কনটিনিউ কনভার্সেশন উইথ দোজ ষ্টুপিডস্.........
লেখক বলেছেন: কেউই আসলে ফালতু না। তবে অনেকেই অবুঝের মতো কথা বলে।
পেটানো সমর্থন করা যায় না। কুরূচীপূর্ন হলেও।
লেখক বলেছেন: পেটানো হয়েছে এ ধরনের কিছু নিউজ অথবা পত্রিকায় পাওয়া যায় নি।
আবূসামীহা বলেছেন:
অবুঝকে কেউ বুঝাতে পারেনা। তবে যারা বুঝার চেষ্টা করে তাদের জন্য উপযোগী আলোচনা কাজে লাগে। আপনার প্রচেষ্টা সুন্দর হয়েছে। যারা বুঝতে চায় তাদের কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
বন্ধনহীন বলেছেন:
বিকাল তিন-চার টা পর্যন্ত সব "মুখে লালা আসে এরকম খাদ্য" আড়ালে রাখা হয় রোজার পবিত্রতার জন্য। বিকাল তিন-চার টা পর শুরু হয় "মুখে লালা আসে এরকম খাদ্য"-এর আকর্ষনীয় প্রদর্শনী। এই সময় লালাগুলো যায় কৈ?
যদি সংযম করতে একটু কষ্ট স্বীকার করতে ইচ্ছেই না হয়, রোজা রাখার দরকারটা কি?
অনেকটা "সুযোগের অভাবে সৎ" থাকার মতো।
লেখক বলেছেন: বিষয়বস্তু আমরা ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছি।
সংযম যার যার ব্যাপার। আমার পোস্টের বক্তব্য ছিলো আরিফ জেবতিকের একটা পোস্টের প্রতিক্রিয়া স্বরুপ। দুইটা পোস্ট পড়লেই আমার বক্তব্য ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
এস্কিমো বলেছেন:
হায়রে আমার ধর্ম। বাংলাদেশের মানুষ কি আর এমনি এমনি রোজা উপলক্ষে অতিরিক্ত ঘুষ চায়, খাবারে ভেজাল মেশায় আর জিনিসের দাম বাড়ায়। লেখক বলেছেন: কেন রোজা উপলক্ষে অতিরিক্ত ঘুষ চায়, খাবারে ভেজাল মেশায় আর জিনিসের দাম বাড়ায়?
ফাউল মফিজ বলেছেন:
বিতর্কিত পোষ্ট।
এস্কিমো বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কেন রোজা উপলক্ষে অতিরিক্ত ঘুষ চায়, খাবারে ভেজাল মেশায় আর জিনিসের দাম বাড়ায়?- কারন রোজা বিষয়টা আসলে কি সেই বিষয়ে কোন ধারনা নেই - দু:খজনক ভাবে আপনিও রোজার মুল বিষয় বুঝতে ব্যর্থ।
একটা শব্দ রোজার সাথে জড়িত - "তাকওয়া" - এই শব্দটার অর্থ বুঝার চেষ্টা করুন - তাইলে রোজার দিনে আর কোন খাবার দোকানের দিকে তাকাতে হবে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















