ব্লগার পথিকের আমন্ত্রণে আজকের ব্লগ আড্ডা বেশ জমেছিলো। খানাপিনাও হইছিলো বেশ।
আজকেই প্রথম মনে হয় কোন ব্লগ আড্ডায় ব্লগার ত্রিভুজ এসেছিলো। দেখে মনে হলো একদম বাচ্চা ছেলে। কেউই বিশ্বাস করতে চাইছিলোনা উনিই ত্রিভুজ। আমি মজা করে বলেছিলাম আপনি যে ত্রিভুজ সেটার কি কোন আইডেন্টি আছে। সবাই হাসল। সবচেয়ে মজার কাজটা করেছিলো ব্লগার সুনীল সমুদ্র। উনি ত্রিভুজের একটা ছোট ইন্টারভিউ নিলো নিশ্চিত হবার জন্য। শেষে বুঝা গেলো উনিই ত্রিভুজ। খুবই প্রাণবন্ত মানুষ একজন।
রাতমুজুর সাহেবও এসেছিলো। প্রাপ্তিকে নিয়ে উনার কিছু করার ইচ্ছাটা আমার খুবই ভালো লাগলো।
ফারুকী ভাই, কালপুরুষদা আমাদের সাথে বসা একটি অপরিচিত মেয়েকে ব্লগিং এর ব্যাপারে খুবই উৎসাহ দিলো। আসলে মেয়েটি আমাদের সাথে এমন ভাবে বসেছিলো যে সবাই ভেবেছিলো সে কোন ব্লগার যে ইচ্ছে করেই পরিচয় লুকাতে চাচ্ছে। মেয়েটিও খুব ইন্টারেস্ট দেখালো।
মেসবাহ য়াযাদ ভাইয়ের প্রাণবন্ত সদালাপ খুবই ভালো লাগলো।
শফিকুল ভাই এসেই কাঁপাইয়া দিলো। সবাইরে উনার বাস্তব জীবনের মজার সিক্রেট ঘটনা শুনাইছে। ব্লগে বলতে উনার কড়া নিষেধ আছে।
অভ্র, কালাচাঁদ, শিবলী, অন্তিম এদের উপস্থিতি ব্লগ আড্ডাকে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেলো।
একরামুল হক শামীম, নাঈম এর খাবার নিয়ে ছোটাছুটি, কাড়াকারি সবাই প্রাণ ভরে উপভোগ করেছে। দুইজনই খুবই রসিক মানুষ।
আইরিন আপু উনার এক বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিলো। সবার অনুরোধে আইরিন আপু সবাইকে গান শুনিয়ে মুগ্ধ করে দিলো।
অফটপিকঃ উনার বান্ধবী তানিয়াপু দেখতে খুবই সুন্দর।
সুখী মানুষটা সত্যিই খুব মজার মানুষ।মজার মজার কথা শুনাল।
অদ্ভুদ আধার এক খুবই হাসিখুশী, সবাইরে নিয়ে জম্পেশ আড্ডা মারলো।
আরো অনেকেই এসেছিলো যাদের নাম আমি এখন মনে করতে পারছিনা, দুঃখিত।
আড্ডা শেষে সবাই চলে গেলো। আমি আর মেসবাহ ভাই পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে দাঁড়িয়ে আছি, এমন সময় প্রত্যুদার ফোন। উনি আসলেন উনার এক কলিগকে নিয়ে। শেষে আমরা চারজন মিলে আবার চা-টা সহ আড্ডা জমালাম।
অফটপিকঃ প্রত্যুদা এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে সবাই জানেন। কিন্তু এইটা কি জানেন উনি জানুয়ারীতে বিয়ের পিড়িতে বসছেন এবং সবাইকে বাতাসা খাওয়াচ্ছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

