somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইজ্জতের যাও কিছু বাকি ছিলো তাও পানিতে ভাইসা গেছে :((:((:(( এখন যে কি হইবো :((:((

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাইলকা বসে কইলো সক্কাল সক্কাল অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য। মিটিং আছে। তাই সক্কাল বেলা বহুত কষ্ট কইরা ৯ টায় ঘুম থাইকা উঠলাম। গোসলটা সেড়ে সেইরকমভাবে মান্জা মারলাম। বডি স্প্রে দিয়া উপরে নিচে স্প্রে করলাম। ল্যাপটপটা পিঠে ঝুলাইয়া রুম থেকে বের হইতাছি আর গানে টানদিসি, "রঙ্গিলা বাতাসে হাওয়ায় মোর বডি স্প্রে উড়ে :P "
গেটের কাছে আইসা আমার আমার চৌক্ষু চড়াক গাছ। মুহুর্ত্তেই রঙ্গিলা বাতাস বিষাক্ত বাতাসে ভরে গেলো। /:) পানি আর পানি। দুনিয়ার বেবাক পানি বাসার সামনের রাস্তায়। দাঁড়াইয়া দেখলাম দু-একজন যাও হাটতাছে তাও লুঙ্গী বুকের মাঝে নিয়া :P
হঠাৎ হঠাৎ..............................................................................
দেখি একটা নৌকা যাইতাছে। আমি চিক্কুর দিয়া উঠলাম। ভাইরে একজন পানিবন্দী মানুষরে হেল্পান। মাঝি ভাইয়ের ব্যপক মায়া। ঢাক শোনার সাথে সাথেই বাসার গেইটের সামনে নৌকা হার্ড ব্রেক কসলো। কইলো ৩০ টাকা লাগবো শুকনা জায়গায় নিয়া যাইবো। আমি লাফ দিয়া উঠতে উঠতে শুধাইলাম কোন সমস্যা নাইক্কা। নৌকা ছাড়ার আগ মুহুর্ত্তে বাড়িওয়ালা চিৎকার করতে করতে সিড়ি দিয়ে নামতাছে। বলতাছে ভাইরে একটু দয়ান। মনে বড় দয়া হইলো। নৌকা ওয়ালারে থামাইতে বললাম। সাথে আরো যে কয়েকজন আছে বিরক্ত হইলো বুঝলাম X((
এইবার বাড়িওয়ালা উঠলো। নৌকা আমাদের বঙ্গোপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরের ঢুকার আগ মুহুর্তে টাইটানিক জাহাজের মতো বরফের লগে থুক্কু ড্রেইনের কাজের জন্য ইয়া মোটা মোটা যে পাইপ রাখছিলো সেইটার লগে ধাক্কা খাইলো। বাড়িওয়ালা ধপাৎ করে পানিতে পড়ে গেলো। লগে আরেকজন কেডায় পড়লো ঠিকমতো ঠাওর করতে পারলাম না।
নৌক্কার সামনের দিক দিয়া তক্তা খুইলা গেছে। পানি উঠতাছে........ নৌকার মাঝি প্রাণ পন চেষ্টা করতাছে শুকনার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ল্যাপটপের ব্যাগ ততক্ষণে আমার মাথার উপর। হাটুঁ পানি........ উড়ু পানি......... আসল জায়গায় ভিইজ্যা গেছে............ চিৎপটাং.............. বুক সমান পানি ভাইঙ্গা বাসায় ফিইড়া হইলাম :((
৪৪টি মন্তব্য ৪৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×