কাইলকা বসে কইলো সক্কাল সক্কাল অফিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য। মিটিং আছে। তাই সক্কাল বেলা বহুত কষ্ট কইরা ৯ টায় ঘুম থাইকা উঠলাম। গোসলটা সেড়ে সেইরকমভাবে মান্জা মারলাম। বডি স্প্রে দিয়া উপরে নিচে স্প্রে করলাম। ল্যাপটপটা পিঠে ঝুলাইয়া রুম থেকে বের হইতাছি আর গানে টানদিসি, "রঙ্গিলা বাতাসে হাওয়ায় মোর বডি স্প্রে উড়ে
গেটের কাছে আইসা আমার আমার চৌক্ষু চড়াক গাছ। মুহুর্ত্তেই রঙ্গিলা বাতাস বিষাক্ত বাতাসে ভরে গেলো।
হঠাৎ হঠাৎ..............................................................................
দেখি একটা নৌকা যাইতাছে। আমি চিক্কুর দিয়া উঠলাম। ভাইরে একজন পানিবন্দী মানুষরে হেল্পান। মাঝি ভাইয়ের ব্যপক মায়া। ঢাক শোনার সাথে সাথেই বাসার গেইটের সামনে নৌকা হার্ড ব্রেক কসলো। কইলো ৩০ টাকা লাগবো শুকনা জায়গায় নিয়া যাইবো। আমি লাফ দিয়া উঠতে উঠতে শুধাইলাম কোন সমস্যা নাইক্কা। নৌকা ছাড়ার আগ মুহুর্ত্তে বাড়িওয়ালা চিৎকার করতে করতে সিড়ি দিয়ে নামতাছে। বলতাছে ভাইরে একটু দয়ান। মনে বড় দয়া হইলো। নৌকা ওয়ালারে থামাইতে বললাম। সাথে আরো যে কয়েকজন আছে বিরক্ত হইলো বুঝলাম
এইবার বাড়িওয়ালা উঠলো। নৌকা আমাদের বঙ্গোপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরের ঢুকার আগ মুহুর্তে টাইটানিক জাহাজের মতো বরফের লগে থুক্কু ড্রেইনের কাজের জন্য ইয়া মোটা মোটা যে পাইপ রাখছিলো সেইটার লগে ধাক্কা খাইলো। বাড়িওয়ালা ধপাৎ করে পানিতে পড়ে গেলো। লগে আরেকজন কেডায় পড়লো ঠিকমতো ঠাওর করতে পারলাম না।
নৌক্কার সামনের দিক দিয়া তক্তা খুইলা গেছে। পানি উঠতাছে........ নৌকার মাঝি প্রাণ পন চেষ্টা করতাছে শুকনার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ল্যাপটপের ব্যাগ ততক্ষণে আমার মাথার উপর। হাটুঁ পানি........ উড়ু পানি......... আসল জায়গায় ভিইজ্যা গেছে............ চিৎপটাং.............. বুক সমান পানি ভাইঙ্গা বাসায় ফিইড়া হইলাম

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


