somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এতো বছর পরও জানা হলো না সালমান শাহের বুকের জমিনে কি এতো বেদনা বাসা বেধেঁছিলো?

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"তোমার প্বার্শে বসে কাটিয়ে দিতে পারি হেমন্তের অজস্র রুপালী রাত। তোমার হাতে হাত রেখে হারিয়ে যেতে পারি উত্তাল বাতাসের সমুদ্রে। তোমার বুকে মাথা রেখে চোখ বুঝে দেখতে পারি স্বর্গের সবকয়টা খোলা জানালা।" --- সালমান ভক্তদের এই আকুতি দূরে ফেলে অভিমানে চলে গেলো একজন নায়ক সালমান শাহ না ফেরার দেশে।

আজ নায়ক সালমান শাহ মৃত্যুবার্ষিকী। উনার বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। স্মরন করছি বাংলা সিনেমার জন্য অসামান্য অবদান, সৃষ্টিশীল অভিনয়।

বাংলা সিনেমা যখন "জাফর ইকবালের" মৃত্যুর পর সত্যিকারের একজন সুদর্শন নায়কের খড়ায় ভুগছে তখনি সালমান শাহ আবির্ভূত হলেন "কেয়ামত থেকে কেয়ামত" ছবি নিয়ে। প্রথম সিনেমাতেই রাখলেন অসামান্য অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর। ফলশ্রুতিতে প্রথম ছবিই চরমভাবে হিট।

নিষ্টাজ্ঞান, অসম্ভব প্রতিভাকে সঙ্গী করে এগিয়ে চললো সালমানের পথচলা। প্রযোজন, পরিচালকদের সময়মতো শিডিওল, অভিনয়ের প্রতি তীব্র বাসনা/আকাঙ্কা তাকে বসিয়ে দিলো সবার মনিকোঠরে। ফলশ্রুতিতে একের পর এক ছবি হিট হতে লাগলো।

যত হিট ছবি ততই নাকি অভিনয় শিল্পীদের জীবনে আসে বিশৃষ্খলতা, অনিয়ম। সালমান শাহও পারিনি এই সবকে পায়ে ঠেলে চলে যেতে। শুভাকাঙ্কীদের ভীর, পরামর্শের বন্যা সালমান শাহকে করে দিলো লক্ষ্যচ্যুত। শুরু হলো প্রযোজক- পরিচালকদের সাথে দ্বন্ধ। এতো কিছুর পরও বেশ এগিয়ে চলতে লাগলো তার পথ চলা।

কিন্তু ধীরে ধীরে শিডিউল দিয়েও সময়মতো না যাওয়া, শুটিং এ সবাইকে বসিয়ে রেখে হাওয়া হয়ে যাওয়া, পারিশ্রামিক বাড়িয়ে দেওয়া সহ শুরু হলো সাংসারিক ঝামেলা। ফলে চলচিত্রেও একজন সালমান শাহ কদর কমতে লাগলো। শুরু হলো কঠিন যুদ্ধ।

মৃত্যুর আগের দিন রাতে পরিচালক মতিন রহমানের সাথে দেখা হলে অভিমানী সালমান শাহ বলেছিলেন, "বাবা, আমি ভালো হয়ে গেছি। আগামীকাল থেকে আর কাউকে কষ্ট দিবোনা। তোমাদের চেষ্টায় আজ আমি ইমন থেকে সালমান। আগামীকালের সকাল হবে সবার জন্য প্রিয় সকাল।" উল্লেখ্যযে, নায়ক সালমান শাহ পরিচালক মতিন রহমানকে বাবা বলে ডাকতো।
পরেরদিন সকাল বেলা চলে গেলো সালমান চিরতরে ভালো হওয়ার পথে। অথচ এতো বছর পরও জানা হলো না সালমান শাহের বুকের জমিনে কি এতো বেদনা বাসা বেধেঁছিলো?


Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×