আজ নায়ক সালমান শাহ মৃত্যুবার্ষিকী। উনার বিদেহী আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। স্মরন করছি বাংলা সিনেমার জন্য অসামান্য অবদান, সৃষ্টিশীল অভিনয়।
বাংলা সিনেমা যখন "জাফর ইকবালের" মৃত্যুর পর সত্যিকারের একজন সুদর্শন নায়কের খড়ায় ভুগছে তখনি সালমান শাহ আবির্ভূত হলেন "কেয়ামত থেকে কেয়ামত" ছবি নিয়ে। প্রথম সিনেমাতেই রাখলেন অসামান্য অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর। ফলশ্রুতিতে প্রথম ছবিই চরমভাবে হিট।
নিষ্টাজ্ঞান, অসম্ভব প্রতিভাকে সঙ্গী করে এগিয়ে চললো সালমানের পথচলা। প্রযোজন, পরিচালকদের সময়মতো শিডিওল, অভিনয়ের প্রতি তীব্র বাসনা/আকাঙ্কা তাকে বসিয়ে দিলো সবার মনিকোঠরে। ফলশ্রুতিতে একের পর এক ছবি হিট হতে লাগলো।
যত হিট ছবি ততই নাকি অভিনয় শিল্পীদের জীবনে আসে বিশৃষ্খলতা, অনিয়ম। সালমান শাহও পারিনি এই সবকে পায়ে ঠেলে চলে যেতে। শুভাকাঙ্কীদের ভীর, পরামর্শের বন্যা সালমান শাহকে করে দিলো লক্ষ্যচ্যুত। শুরু হলো প্রযোজক- পরিচালকদের সাথে দ্বন্ধ। এতো কিছুর পরও বেশ এগিয়ে চলতে লাগলো তার পথ চলা।
কিন্তু ধীরে ধীরে শিডিউল দিয়েও সময়মতো না যাওয়া, শুটিং এ সবাইকে বসিয়ে রেখে হাওয়া হয়ে যাওয়া, পারিশ্রামিক বাড়িয়ে দেওয়া সহ শুরু হলো সাংসারিক ঝামেলা। ফলে চলচিত্রেও একজন সালমান শাহ কদর কমতে লাগলো। শুরু হলো কঠিন যুদ্ধ।
মৃত্যুর আগের দিন রাতে পরিচালক মতিন রহমানের সাথে দেখা হলে অভিমানী সালমান শাহ বলেছিলেন, "বাবা, আমি ভালো হয়ে গেছি। আগামীকাল থেকে আর কাউকে কষ্ট দিবোনা। তোমাদের চেষ্টায় আজ আমি ইমন থেকে সালমান। আগামীকালের সকাল হবে সবার জন্য প্রিয় সকাল।" উল্লেখ্যযে, নায়ক সালমান শাহ পরিচালক মতিন রহমানকে বাবা বলে ডাকতো।
পরেরদিন সকাল বেলা চলে গেলো সালমান চিরতরে ভালো হওয়ার পথে। অথচ এতো বছর পরও জানা হলো না সালমান শাহের বুকের জমিনে কি এতো বেদনা বাসা বেধেঁছিলো?
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


