আপনেরা কেউ কখনও সাপ-বেজির খেলা দেখেছেন? সে এক অসম লড়াই। হয় মরো না হয় মারো। এই পোস্টে কথাগুলো হয়তো চরম অপ্রাসঙ্কিক। পরিস্থিতি হয়তোবা আমি যেমন মনে করছি তেমন না। তারপরও ভয় হয়। কারন যখন একজন খুনী, ভূমিদূস্যুকে সামনা সামনি চরম সত্য কথা বলা হয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তখন ভয় হয়।
সাংবাদিকরা সরাসরি সব কিছু জেনেও যখন নাম উল্লেখ করে সরাসরি মূল বক্তব্য পত্রিকায় লিখি নাই তখন ভয় পাইছি। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও আপনারা ডেসটিনি ছাড়া অন্য কোন পত্রিকায় সব লিখা খুঁজে পাবেন না। আর খুঁজে পাবেননা বলেই আমার মতো ব্লগার একে ভানুমতির খেল বলে উপহাস করতে ছাড়ি নাই।
কিন্তু যখন সব সত্য উন্মোচিত হয় সবকিছু জানি তখন অবাক হই। প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান যখন নিজের বিবেকের সাথে আপোস করে নাই। শিখানো বুলি গড়গড় জনমাধ্যমের সামনে বলে নাই। বরং ভূমি দুস্যতার, অন্যায়ের ফিরিস্তি দিয়ে সব থামাতে বলেন।
তিনি আবদুস সোবহানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকিসহ ৭১টি অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগের প্রমাণও রয়েছে আমার কাছে। স্বপ্নের ঠিকানা আর বেহেশতে নিয়ে যাওয়ার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা করেন; আপনারা ঘুমান কীভাবে? অন্যের জমি নিজের নামে বিক্রি করেন, লজ্জা করে না? অন্য একজনের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো রকম শিক্ষা-দীক্ষা ছাড়াই বড় বড় কথা বলেন!
অবাক হওয়ার পালা এখানে শেষ নয়। এসব কথা বলার পর যখন আবদুস সোবহান আবার দম্ভভরে অনেকখানি পাল্টা ধমকের সুরে মন্ত্রীকে শুনিয়েও দিলেন, সেদিন সকালেই তাঁর ছেলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তখনও প্রতিমন্ত্রীকে বলতে শুনি আমি চাই আপনাদের আবাসন শিল্পী হিসেবে দেখতে। কিন্তু শিল্পীর সঙ্গে দস্যু একসঙ্গে বসবাস করতে পারে না। আপনারা হাত পরিষ্কার করে আসুন। যতটুকু জমি আপনার ততটুকু বিক্রি করুন। এ জন্য সরকার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু করবে। এ কাজে যদি কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ায়, হয় সে সরবে, না হয় আমি সরে যাব। নীতির প্রশ্নে আমাকে কেনা যাবে না। এমনকি নীতির প্রশ্নে আমি আপস করব না।
সাব্বিরের কথা কি আপনাদের মনে আছে? ঐ যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরকে ২০ কোটি টাকা দিয়ে সাব্বির হত্যাকান্ড সোবহানরা মীমাংসা করে ফেলতে চেয়েছিলো? বাবর আদালতে যখন এ কথা বললো তখন চারদিকে রি রি পড়ে গেলো। আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা নিবাচনী জনসভায় এটা নিয়ে কত কথায় বললো। অথচ আজকে সাব্বিরের খুনী আবদুস সোবহান প্রতিমন্ত্রীকে ধমক দেয়, তার ছেলে সকাল বেলা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে। তখন মনে হয় একটু টেনশন করতে হয় বৈকি। কারন উনার ফ্যামিলি আছে, আত্নীয় স্বজন আছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


