আমার প্রিয় পোস্ট

একজন ইউনুস খান বেঁচে থাকতে চান গণ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উদ্যেগ গ্রহণের মাঝে।

আজকে যারা হরতালের বিরোধিতা করেছেন তারা আমার কয়েকটি জিনিস জানুন?

২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0

১। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের লাগামহীন রাজনীতি, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ (যা এখন রামদা রাজনীতি হিসাবে পরিচিতি পাইছে), টেন্ডার ছিনতাই ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রতিমাসে গড়ে ৩ টি মেয়ে বখাটেদের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন হুশিয়ারীই দেখলামনা।

৩। বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। বিনা টেন্ডারে দলীয় লোকদের সরকারী কাজ পাইয়ে দেওয়া।

৪। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। অথচ বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান নির্লজ্জের মতো বকেই যাচ্ছে।

৫। সরকারী কাজের প্রতিটা সেক্টরে দুর্ণীতি হচ্ছে।

এসব বন্ধ করতে হবে। সচেতন মানুষ আরো সচেতন হবে সেই আশা রাখি। দিন বদলের শ্লোগান দিয়ে আজকে নিজেদের উদরপূর্তি করছে এই ডিজিটাল সরকার। এর প্রতিবাদে হরতালকে সফল করতে হবে। এটা বিএনপির কোটি সমর্থকদের প্রত্যাশা এবং অঙ্গীকার।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: আমিও জানি হরতাল দেশের জন্য মারাত্নক একটা ক্ষতিকর জিনিস। কিন্তু লক্ষ্য করুন খালেদা জিয়া কিন্তু বলেছেই এটা সরকারের জন্য একটা সতর্ক সংকেত।

সুতরাং সরকারকে অবশ্যই ছাত্রলীগের কুকর্মের বিচার করতে হবে এবং তা বন্ধ করতে হবে। (আমি ছাত্র রাজনীতির বিপক্ষে)

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করে একজন কর্মট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আনতে হবে। যে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরো ভালোভাবে কাজ করতে পারবে।

২. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮
জলকমল বলেছেন: এই ১৬ মাসে সরকারের কোন একটা সাফল্যের বিবরন দিন.
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: ছাত্রলীগের ধর্ষণ রাজনীতি
ছাত্রলীগের রামদা রাজনীতি
ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের টেন্ডার রাজনীতি
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ( গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। )
দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি
মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গিকার না রাখা।

৩. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৯
ফালতু মিয়া বলেছেন: হরতাল হলেই সরকার এসব দাবি মেনে নিবে তা কিন্তু মনে হয় না, সমস্যা থেকেই যাবে। তারপরে দেশের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে হরতালের বিকল্প দেখা উচিত।
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: আমিও জানি হরতাল দেশের জন্য মারাত্নক একটা ক্ষতিকর জিনিস। কিন্তু লক্ষ্য করুন খালেদা জিয়া কিন্তু বলেছেই এটা সরকারের জন্য একটা সতর্ক সংকেত।

সরকারকেই হরতালের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সুতরাং সরকারকে অবশ্যই ছাত্রলীগের কুকর্মের বিচার করতে হবে এবং তা বন্ধ করতে হবে। (আমি ছাত্র রাজনীতির বিপক্ষে)

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করে একজন কর্মট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আনতে হবে। যে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরো ভালোভাবে কাজ করতে পারবে।

সরকার চাইলেই সংসদে আইন করে হরতালকে বন্ধ করে দিতে পারে। যেহেতু সরকারের সংখ্যাগরিষ্টতা আছে।
কিন্তু সরকার কি সেটা করবে?

৪. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০২
হৃদয়হীনা বলেছেন: জনগনকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য দুই দলের নেত্রির কাছে আমরা আমজনতা বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

আমার মনে হয় বাংলাদেশের বৃহৎ দুই রাজনৈতিক দল মুদ্রার এপিট-ওপিট। যেই যায় লঙ্কায় সেই হয় হনুমান।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আপনের মতামতকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। চোখ রাখুন পোস্টে।

৫. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৪
নাজমুল হাসান বাবু বলেছেন: সবই বুঝলাম আপনার হরতাল প্রীতি। কিন্তু বলেন তো হরতাল করে সরকারের কয়টা গাড়ি আর সরকারে কয়টা দোকান পাট পুড়বেন? সবই তো নষ্ট হবে আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষের! তাহলে আপনি আমাদের সম্পদ নষ্ট করে প্রতিবাদ করবেন সরকারের কর্মকাণ্ডের! বড়ই অদ্ভুত। তাছাড়া যারা হরতালের সময় গাড়ি ভাঙ্গেন তাদের বাপ কি চোখে দেখেছে সেই সব গাড়ি? কোন দিন কি হতে পারবে তারা ওরকম একটা গাড়ির মালিক?
এসব চিন্তা ভাই মাথা থেকে বাদ দেন। এখন মানুষ আর হরতাল, জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর পছন্দ করে না। এসব করলে করতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু যখন জনতার হাতে ক্ষমতা আসবে তখন কিন্তু কট খাবেন। তবে হ্যা, আন্দোলন অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু সেটা যাতে শান্তিপূর্ণ হয়।
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: হরতাল আন্দোলনের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সরকার চাইলে আইন করে হরতাল বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু সরকার সেটা করবেনা। কারন শেখ হাসিনা ৯৬ এ ক্ষমতায় আসার পর বার বার বলেছিলো তারা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবেনা। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই আওয়ামীলীগ হরতাল দিলো।
এবারও শেখ হাসিনা দেড় বছরের আকাম-কুকামে বুঝতে পারতেছে সামনে তাদের হরতালকেই পাথেয় হিসাবে নিতে হবে।

আর না হলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্টতা আছে। সরকার চাইলেই সংসদে বসে হরতালকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারেন।

আশা করি ভেবে দেখবেন আমার কথাগুলো।

৬. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৬
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: মাথা ধরলে আমরা মাথায় বাড়ি দেই না। ওষুধ খাই। হরতাল কোনো সমাধান নয়। আশঙ্কার কথা এই যে দেশে বোকাদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। আফসোস!!!
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই হরতাল কোন সমাধান নয়। দেশের মানুষকে আরো সচেতন হতে হবে। দেশের মানুষকে বুঝতে হবে দলের জন্য নয় দেশের জন্যই দল। সুতরাং দলের ভালো কাজে যেমন বাহবা দিতে হবে। ঠিক তেমনি মন্ধ কাজে বাঁধা দিতে হবে, নিরুৎসাহিত করতে হবে।

মহাজোটের দেড় বছর অতিক্লান্ত হতে চলছে। কি পেয়েছি আমরা?

আজকে বিচার বিভাগ কি স্বাধীন?
আপনে জানেন গত কিছুদিন যাবৎ আইনমন্ত্রী, সুরন্জিতরা প্রাকাশ্যে বিভিন্ন সভায়, সেমিনারে, মিডিয়ায় প্রধান বিচারপতিকে হুমকি দিচ্ছে। কারন প্রধান বিচারপতি নৈতিকতার সাথে আপোস করে নাই। বিতর্কিত দুইজনকে বিচারপতি হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করান নাই।

আজকে কি আইন-আদালত দলীয় উর্ধ্বে?
আমরা দেখেছি আইন আদালত এখন সরকারের/দলের পদলেহন করতেছে। আপনি নিশ্চয় জানেন হাজী মকবুল কিভাবে সকাল বেলা জেলে গিয়ে বিকালে জামিনে বের হয়ে আসছিলো। আপনে নিশ্চয় জানেন শেখ হেলাল/তার পত্নী জেলের বদলে গুলশানে ছিলো। তারা ১৩ বছরের জেল মাথায় নিয়ে আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলো।

কিন্তু সামান্য ভ্যানিটি ব্যাগ মামলায় এহসানুল হক মিলন দিনের পর দিন কারাগারে বসবাস করতেছে। কি অপরাধ ছিলো উনার? উনি দেশ থেকে নকল উঠিয়ে দিসে এইটা কি তার অপরাধ? একের পর এক মামলা দিয়ে জয়নুল আবেদিনকে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়াচ্ছে। কেন?

সরকারের এ্যার্টনি জেনারেল আদালতে প্রাকাশ্যে হুমকি দেয়। বিচারকের দিকে অশোভন ভঙ্গিতে চোখ তুলে কথা বলে।

বিচার ব্যবস্থা পুরাপুরি ভেঙ্গে পরার পরও আপনেরা বলতে চান দেশে গণতন্ত্র আছে?


১। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের লাগামহীন রাজনীতি, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ (যা এখন রামদা রাজনীতি হিসাবে পরিচিতি পাইছে), টেন্ডার ছিনতাই ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রতিমাসে গড়ে ৩ টি মেয়ে বখাটেদের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন হুশিয়ারীই দেখলামনা।

৩। বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। বিনা টেন্ডারে দলীয় লোকদের সরকারী কাজ পাইয়ে দেওয়া।

৪। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। অথচ বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান নির্লজ্জের মতো বকেই যাচ্ছে।

৫। সরকারী কাজের প্রতিটা সেক্টরে দুর্ণীতি হচ্ছে।

তারপরও আপনে বলতে চান দেশের মানুষ ভালো আছে?

টয়লেট, নর্দমা, ড্রেন, ডাস্টবিন সবকিছুই দখল হচ্ছে।


আপনাকে আমি প্রশ্ন রাখছি বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা ছাড়া এই সরকার দেশের জন্য কি করেছে?

এই ব্লগের ভার্চুয়াল যুদ্ধারা যারা নির্বাচনের আগে বিএনপির বিরুদ্ধে সরব ছিলো। তারা আজকে কোথায়?
তারা কি ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা পোস্ট দিয়েছে? তারা কি ইডেন/আনন্দমোহনের ঘটনায় কোন পোস্ট দিসে?

দেয় নাই। সুতরাং ব্লগের আওয়ামীপন্থীরা যে হরতালের বিরোধিতা করবে সেটায় স্বাভাবিক।

এইসকল ঘটনার প্রতিবাদে আমি কোন আওয়ামী ব্লগারকে দেখি নাই কোন পোস্ট দিতে। আপনাকেও আমি কোন পোস্ট দিতে দেখি নাই।

তাহলে কি আমরা আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ হতে দেখলে আনন্দ পায়? আমরা কি চায় দেশের বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ুক? আমরা কি চায় সবকিছু চলে যাক নষ্টদের দখলে?

নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।

আসলে আমাদের মনমানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের মন ছোট হয়ে গেছে। আমরা আজকে দলীয় উর্ধ্বে যেতে পারি নাই।

তা না হলে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?


৭. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১০
বিপরীত স্রোত বলেছেন:
বিএনপি যখন সরকারে ছিল তখন তাদেরকে হরতাল বিরোধী শান্তি মিছিল বাইর করতে দেখতাম যায়যায় দিনে আমার দেশ পত্রিকয় হরতালে কি কি ক্ষটি হয় তা নিয়ে গরম গরম লেখা আসত যাউকা পুরানা জিনিস কথা এনে লাভ নাই পাবলিক দু দলরেই ভালো করে চিনে বিএনপি যতোটা না দেশের চিন্তা তার হতে বেশি চিন্তা সরকারকে গদি হতে ফেলে দেওয়া এটা দেশের আম জনতা ভালোই বুঝে । একটা কথার ব্যাপারে গ্যারান্টি দিতে পারি আপনাকে যতোই পুলিশের সাথে গিয়ে রাস্তায় কবাডি খেলেন মেয়াদে শেষ হওয়ার একদিন আগেও হাসিনা বুবু গদি ছারবে না মাঝখানে যদি আপনারা অতিরিক্ত লাফালাফি করলে জলপাই মামারা আবার ক্ষমতা দখল করবে কাজেই
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: কাজেই লাফালাফি না করে আসেন ছাত্রলীগকে আবার ধর্ষণের সেন্চুরী করার সুযোগ দেয়, টেন্ডার ছিনতাইয়ে সহায়তা করি।

শোনেন আমিও জানি হরতাল দেশের জন্য মারাত্নক একটা ক্ষতিকর জিনিস। কিন্তু লক্ষ্য করুন খালেদা জিয়া কিন্তু বলেছেই এটা সরকারের জন্য একটা সতর্ক সংকেত।

৮. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১০
কখগঘ বলেছেন: খারাপ কাজ বন্ধ করার জন্য আরেকটা খারাপ কাজ করা কি ঠিক? অন্য ভাবে করা যায় না। হাসিনা একবার বলছিল, হরতাল আর দেবে না, পরে আবার দিছে। হরতাল এর কারনে ক্ষতি কার? রাস্তায় কারা মরে। অসুবিধা কার। এইরকম হরতাল গত ২৫ বছর ধরে চলে আসলো, জনগন কি পাইলো এই হরতালের জন্য?

কোন সরকারই তো সমস্যা ঠিক করতে পারে না। কেন পারে না? আগামী ২০ বছর এই দুইদলই ক্ষমতায় থাকবে। আমার কোনভাবেই মনে হয় না দেশের কোন লাভ হবে। হইলে গত ২০ বছরে অল্প কিছু হলেও হইতো। :(
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: হরতাল কখনই সবকিছুর উর্ধ্ব হতে পারেনা। দেশের নাজুক অবস্থায় সরকার এবং তাদের অঙ্গ সংগঠনদের কার্যকীর্তি কিভাবে বন্ধ করা যায় পরামর্শ দিয়ে বাধিত করবেন।

মহাজোটের দেড় বছর অতিক্লান্ত হতে চলছে। কি পেয়েছি আমরা?

আজকে বিচার বিভাগ কি স্বাধীন?
আপনে জানেন গত কিছুদিন যাবৎ আইনমন্ত্রী, সুরন্জিতরা প্রাকাশ্যে বিভিন্ন সভায়, সেমিনারে, মিডিয়ায় প্রধান বিচারপতিকে হুমকি দিচ্ছে। কারন প্রধান বিচারপতি নৈতিকতার সাথে আপোস করে নাই। বিতর্কিত দুইজনকে বিচারপতি হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করান নাই।

আজকে কি আইন-আদালত দলীয় উর্ধ্বে?
আমরা দেখেছি আইন আদালত এখন সরকারের/দলের পদলেহন করতেছে। আপনি নিশ্চয় জানেন হাজী মকবুল কিভাবে সকাল বেলা জেলে গিয়ে বিকালে জামিনে বের হয়ে আসছিলো। আপনে নিশ্চয় জানেন শেখ হেলাল/তার পত্নী জেলের বদলে গুলশানে ছিলো। তারা ১৩ বছরের জেল মাথায় নিয়ে আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলো।

কিন্তু সামান্য ভ্যানিটি ব্যাগ মামলায় এহসানুল হক মিলন দিনের পর দিন কারাগারে বসবাস করতেছে। কি অপরাধ ছিলো উনার? উনি দেশ থেকে নকল উঠিয়ে দিসে এইটা কি তার অপরাধ? একের পর এক মামলা দিয়ে জয়নুল আবেদিনকে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়াচ্ছে। কেন?

সরকারের এ্যার্টনি জেনারেল আদালতে প্রাকাশ্যে হুমকি দেয়। বিচারকের দিকে অশোভন ভঙ্গিতে চোখ তুলে কথা বলে।

বিচার ব্যবস্থা পুরাপুরি ভেঙ্গে পরার পরও আপনেরা বলতে চান দেশে গণতন্ত্র আছে?


১। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের লাগামহীন রাজনীতি, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ (যা এখন রামদা রাজনীতি হিসাবে পরিচিতি পাইছে), টেন্ডার ছিনতাই ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রতিমাসে গড়ে ৩ টি মেয়ে বখাটেদের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন হুশিয়ারীই দেখলামনা।

৩। বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। বিনা টেন্ডারে দলীয় লোকদের সরকারী কাজ পাইয়ে দেওয়া।

৪। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। অথচ বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান নির্লজ্জের মতো বকেই যাচ্ছে।

৫। সরকারী কাজের প্রতিটা সেক্টরে দুর্ণীতি হচ্ছে।

তারপরও আপনে বলতে চান দেশের মানুষ ভালো আছে?

টয়লেট, নর্দমা, ড্রেন, ডাস্টবিন সবকিছুই দখল হচ্ছে।


কিভাবে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?

৯. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৬
বল্টু মিয়া বলেছেন: হুম... হরতাল দিলে এইগুলা আর হবে না ?
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: না হবে না। কিন্তু টনক নড়বে সরকারের। জনগণ জানতে চাইবে কিসের জন্য এই হরতাল। তারা জানবে সবকিছু। জনরোষ উঠবে। সরকারের টনক নড়বে আশা রাখি। দেশের জন্য, মানুষের কল্যাণে সবাই কাজ করবে এই আশাও রাখি।

১০. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৬
স্বপ্নরাজ বলেছেন: একটু অন্যভাবে ভাবি।
হরতাল সাধারন মানুষের কোন কল্যান করে না। কিন্তু আম্লীগরে বার বার ক্ষমতায় এনেছে এই হরতাল। ৯১এর পর থেকে লাগাতার হরতাল, ২০০১ এর পরে ও হরতাল অবোরধ , খুনোখুনি সবই করেছে আম্লীগ, ফলাফল তারা হাতেনাতেই পেয়েছে।
বাংগালী মুখে যতই হরতাল বিরোধী কথাবার্তা বলুক, আমরা শালা শক্তের ভক্ত । বিএনপির নরম পন্থার কারনেই মইন গংরা পেয়ে বসেছিল।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: একদম সত্য বলেছেন।

১১. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৬
পাগলা ভাই বলেছেন: হরতাল হরতাল হরতাল চাই, লগি বৈটা ওলাদের মুখে হরতালের বিরোধিতা মানায় না।
১২. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৭
কে. এম. মাহদী হাসান বলেছেন: সরকার কি পদক্ষেপ কম নিয়েছে নাকি? চিড়ুনী অভিযানতো থামেনাই। পুলিশসহ কোন সরকারী কর্মকর্তাতো বসে নেই। তারাতো সরকারের সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়নে রতই আছে। তারপরও কি আপনি বলবেন যে সরকার কোন পদক্ষেপ নেই নি।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? কার বিরুদ্ধে সরকার অভিযান চালাইতেছে? আইন-আদালত সবকিছু সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে গেছে। সরকারের লোকজন প্রাকাশ্যে প্রধান বিচারপতিকে হুমকি দেয়।

মহাজোটের দেড় বছর অতিক্লান্ত হতে চলছে। কি পেয়েছি আমরা?

আজকে বিচার বিভাগ কি স্বাধীন?
আপনে জানেন গত কিছুদিন যাবৎ আইনমন্ত্রী, সুরন্জিতরা প্রাকাশ্যে বিভিন্ন সভায়, সেমিনারে, মিডিয়ায় প্রধান বিচারপতিকে হুমকি দিচ্ছে। কারন প্রধান বিচারপতি নৈতিকতার সাথে আপোস করে নাই। বিতর্কিত দুইজনকে বিচারপতি হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করান নাই।

আজকে কি আইন-আদালত দলীয় উর্ধ্বে?
আমরা দেখেছি আইন আদালত এখন সরকারের/দলের পদলেহন করতেছে। আপনি নিশ্চয় জানেন হাজী মকবুল কিভাবে সকাল বেলা জেলে গিয়ে বিকালে জামিনে বের হয়ে আসছিলো। আপনে নিশ্চয় জানেন শেখ হেলাল/তার পত্নী জেলের বদলে গুলশানে ছিলো। তারা ১৩ বছরের জেল মাথায় নিয়ে আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলো।

কিন্তু সামান্য ভ্যানিটি ব্যাগ মামলায় এহসানুল হক মিলন দিনের পর দিন কারাগারে বসবাস করতেছে। কি অপরাধ ছিলো উনার? উনি দেশ থেকে নকল উঠিয়ে দিসে এইটা কি তার অপরাধ? একের পর এক মামলা দিয়ে জয়নুল আবেদিনকে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়াচ্ছে। কেন?

সরকারের এ্যার্টনি জেনারেল আদালতে প্রাকাশ্যে হুমকি দেয়। বিচারকের দিকে অশোভন ভঙ্গিতে চোখ তুলে কথা বলে।

বিচার ব্যবস্থা পুরাপুরি ভেঙ্গে পরার পরও আপনেরা বলতে চান দেশে গণতন্ত্র আছে?


১। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের লাগামহীন রাজনীতি, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ (যা এখন রামদা রাজনীতি হিসাবে পরিচিতি পাইছে), টেন্ডার ছিনতাই ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রতিমাসে গড়ে ৩ টি মেয়ে বখাটেদের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন হুশিয়ারীই দেখলামনা।

৩। বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। বিনা টেন্ডারে দলীয় লোকদের সরকারী কাজ পাইয়ে দেওয়া।

৪। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। অথচ বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান নির্লজ্জের মতো বকেই যাচ্ছে।

৫। সরকারী কাজের প্রতিটা সেক্টরে দুর্ণীতি হচ্ছে।

তারপরও আপনে বলতে চান দেশের মানুষ ভালো আছে?

টয়লেট, নর্দমা, ড্রেন, ডাস্টবিন সবকিছুই দখল হচ্ছে।


কিভাবে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?

১৪. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৮
শিলা সুলতানা বলেছেন: হরতাল করলেই যদি এই সব সমস্যা দূর হয় তাহলে সারা বছরই হরতাল করুন। ১৭ কোটি মানুষই তখন কাম কাজ বাদ দিয়ে হরতাল করবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে হরতাল কোন কাজে জিনিস নয়। তাই পারলে অন্য উপায় দেখুন। হরতালের কারণে মানুষ এখন মহাবিরক্ত নেতাদের উপর। আমি নিজে নেতা নামক প্রাণীটিকে খুব্ ঘৃণা করি।

নাজমুল হাসান বাবু বলেছেন: সবই বুঝলাম আপনার হরতাল প্রীতি। কিন্তু বলেন তো হরতাল করে সরকারের কয়টা গাড়ি আর সরকারে কয়টা দোকান পাট পুড়বেন? সবই তো নষ্ট হবে আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষের! তাহলে আপনি আমাদের সম্পদ নষ্ট করে প্রতিবাদ করবেন সরকারের কর্মকাণ্ডের! বড়ই অদ্ভুত। তাছাড়া যারা হরতালের সময় গাড়ি ভাঙ্গেন তাদের বাপ কি চোখে দেখেছে সেই সব গাড়ি? কোন দিন কি হতে পারবে তারা ওরকম একটা গাড়ির মালিক?
এসব চিন্তা ভাই মাথা থেকে বাদ দেন। এখন মানুষ আর হরতাল, জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর পছন্দ করে না। এসব করলে করতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু যখন জনতার হাতে ক্ষমতা আসবে তখন কিন্তু কট খাবেন। তবে হ্যা, আন্দোলন অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু সেটা যাতে শান্তিপূর্ণ হয়।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: সরকারকে সতর্ক সংকেত হিসাবে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে ১ মাস পর হরতাল দেওয়া হয়েছে। আশা করি এরই মাঝে সরকার এগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকরী এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে। তাইলেই হরতাল হবেনা।
আর যদি একান্তভাবে হরতাল করতে হয় তাহলে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল করা হবে। জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখা হবে গত দেড় বছরে সরকার কি করছে?

হরতাল নামক সংস্কৃতিটা আওয়ামীলীগই শুরু করেছিলো। ৯৪ এ লাগাতার হরতাল, ২০০১ এ হরতাল করে এর বেনিফিশিয়ার ছিলো এই আওয়ামীলীগই। আর আওয়ামীলীগের হরতালের কারনেই জনগণ আজ হরতালের প্রতি ব্রীতশুদ্ধ। তাই নয় কি?

১৫. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৯
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: হরতাল করলেই এসব সমস্যার রাতারাতি সমাধান হয়ে যাবে এরকম শিশুসুলভ চিন্তাভাবনা বাংলাদেশেই সম্ভব। হরতাল করলে সরকারের কোন সমস্যা হয় না, ভোগান্তি হয় আপাময় জনগণের। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব নেবার একটাই পথ আর সেটা আসে ৫ বছর পর পর ভোটের মাধ্যমে। গত ৩৯ বছরে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। এই হরতাল সংস্কৃতিরও পরিবর্তন হওয়া দরকার।

বর্তমান হাসিনা সরকারের অনেক কিছুই মনঃপুত না বা সমর্থনযোগ্য না। তাই বলে খালেদা যখন হরতাল ডেকে বসেন তখন আমার কাছে একটাই মেসেজ আসে - তুই (হাসিনা / আ. লীগ) জনগণকে আর কতটুকু ভোগাবি, দেখ আমি (খালেদা / বিএনপি) জনগণকে কতটা ভোগাই !!!
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: তাহলে ছাত্রলীগের ধর্ষণ রাজনীতি, টেন্ডার ছিনতায়, ইভটিজিংয়ের কারনে আত্নহত্যা সবকিছু হরতালের চেয়ে বেশী ভোগান্তি হয়ে গেলো?

আমার ২৩ নাম্বার মন্তব্যটা দেখার অনুরোধ রইলো।

১৬. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২০
সাজিদ বলেছেন: যারা হরতালের বিরোধিতা করছেন তাদের প্রতি আরেকটা আহবান করেন হরতাল নিষিদ্ধ করার। অথবা কোন দল হরতাল ডেকে জনগনের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করলে তাকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নির্দিষ্ট জরিমানা/ বিগ্গাপনের ফি দিতে হবে। ব্লগিয় হরতাল বিরোধিতাকারী সরকারদলীয় সমর্ঠকরা যেন সরকারের কাছে এই দাবি করে।
১৭. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২২
শিলা সুলতানা বলেছেন: অসাধারণ মন্তব্য: ক্যামেরাম্যান বলেছেন: হরতাল করলেই এসব সমস্যার রাতারাতি সমাধান হয়ে যাবে এরকম শিশুসুলভ চিন্তাভাবনা বাংলাদেশেই সম্ভব। হরতাল করলে সরকারের কোন সমস্যা হয় না, ভোগান্তি হয় আপাময় জনগণের। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব নেবার একটাই পথ আর সেটা আসে ৫ বছর পর পর ভোটের মাধ্যমে। গত ৩৯ বছরে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। এই হরতাল সংস্কৃতিরও পরিবর্তন হওয়া দরকার।

বর্তমান হাসিনা সরকারের অনেক কিছুই মনঃপুত না বা সমর্থনযোগ্য না। তাই বলে খালেদা যখন হরতাল ডেকে বসেন তখন আমার কাছে একটাই মেসেজ আসে - তুই (হাসিনা / আ. লীগ) জনগণকে আর কতটুকু ভোগাবি, দেখ আমি (খালেদা / বিএনপি) জনগণকে কতটা ভোগাই !!!
১৮. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হরতালকে না বলুন... তবে কি আমরা এই রুপ উন্নয়ন আর গণত্রন্ত্রই চাই..??

হরতাল তো এক্সট্রিম পয়েন্ট। এটা ক্ষতিকর কোন সন্দেহ নেই..

কিন্তু এর পূর্ববর্তী সমস্ত পথ যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখনই এই পথ বেছে নিতে হয়। যেমন একাত্তরে আমাদের অস্ত্র ধরা ছাড়া কোন পথ খোলা ছিল না।
আজকে তারা পৌণে দুই বছর পার করে যা যা করছে তার চার্ট নিজেই দেখুন...
জনমানষের আকাঙ্খার প্রতিফলন কোথায়?
দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে একের পর এক আন্র্তজাতিক চুক্তির নামে ভবিষ্যতকে শৃঙ্খলাবদ্দ করা....
দেশ স্বাধীনতা স্বার্ভভৌমত্বের, স্বকীয়তা বোধ আর স্বাতন্ত্রের দিক তাকান...
নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অর্থনীতি উৎপাদন ব্যবস্থার অধোগতি...
ভিন্ন মত দলনে সরকারের হিংস্রতা
শিক্ষাঙ্গনে অরাজকতা .. নিয়ন্ত্রনে ১০০% ব্যার্থতা...
গণ নারী নির্যাতনের উদ্বগজনক হার
ব্যবসা বানিজ্যের লাগাম হীনতা
বৈদেশীক বাজার সংকোচন..

এভং আরও আরো সকল বিষয়ে তাদের গা ছাড়া উদাসীনতা..
ক্ষমতাকে স্থায়ী লআসেন্স বিবেচনায়.. উন্মত্বতা সহিংসতা..

সৈরতান্ত্রিক মানসিকতায় দেশ পরিচালনা...

তারপরও কার্যকর সংসদ। খুব সুন্দর শব্দ। কিন্তু বাস্তবে যখন স্বৈরতান্ত্রিকতা ভর করে কথায় আচরনে কর্মে... তখন আর সুশীল শব্দ সমূহ কোন অর্থবহন করেনা অলংকরন ব্যাতিত...

তখন চাই শক্ত মুগর... চাই বাকা আঙুল.. চাই প্রতিবাদের কঠিনতম ভাষা...নয় কি???????
১৯. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৭
সাজিদ বলেছেন: এখানে অনেকে বলছে হরতাল করলে সমস্যার সমাধান হবে কিনা। এরকম কোন দাবি কি করা হয়েছে বিএনপির তরফ থেকে যে হরতাল করলে এসব সমস্যার সমাধান হবে? হরতাল ডাকাতে বিএনপির দৃষ্টিতে সরকারের অনেক ব্যর্থতার দিকে জনগনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হবে, যেটা সরকার বিরোধী জনমত গঠনে সহায়তা করে বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। লীগ রাজপথে পিটিয়ে মানুষ মেরে, অফিসগামীদেরকে দিগম্ব করার পরেও ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল এই জন্যই। আর না হলে সরকার পন্থি মিডিয়া তো বিএনপিকে সেভাবে কভারেজই দেয় না।
২০. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: হরতাল! হরতাল! তবে এতো দেরী কেনো। ২৭ মে হরতাল ডাকলেই হয়।

চোর চোট্টার শক্তি প্রদর্শন চলবে।
২১. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩৫
পারভেজ আলম বলেছেন: সাজিদ বলেছেন: এখানে অনেকে বলছে হরতাল করলে সমস্যার সমাধান হবে কিনা। এরকম কোন দাবি কি করা হয়েছে বিএনপির তরফ থেকে যে হরতাল করলে এসব সমস্যার সমাধান হবে? হরতাল ডাকাতে বিএনপির দৃষ্টিতে সরকারের অনেক ব্যর্থতার দিকে জনগনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হবে, যেটা সরকার বিরোধী জনমত গঠনে সহায়তা করে বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। লীগ রাজপথে পিটিয়ে মানুষ মেরে, অফিসগামীদেরকে দিগম্ব করার পরেও ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল এই জন্যই। আর না হলে সরকার পন্থি মিডিয়া তো বিএনপিকে সেভাবে কভারেজই দেয় না।

লীগ খারাপ কাজ করলে বিএনপির খারাপ কাজ করতে হবে কেন? আওয়ামীলীগ সরকার কোন কোন যায়গায় ব্যর্থ মানুষ সেইটা জানে। দুর্ভোগ রাজনৈতিক নেতাগো থেইকা জনগণেরই বেশি হয়, জবাবটা তারা ভোট দেয়ার সময় দিয়া দেয়। হরতাল কইরা জনগণরে তাগো দুর্ভোগের কথা জানাইতে হইবো, এইটা কোন গ্রহণযোগ্য কথা না।
আওয়ামীলীগ নাইলে দিনবদলের কথা কইয়া মূলা দেখাইছে। বিএনপি পারলোনা ক্যান হরতালের বিকল্প কিছু করতে। আপনের কথা শুইনা মনে হইতাছে হরতাল ছাড়া সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আর কোন উপায় নাই।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: আজকে কেনো আপনি হরতালকে ভয় পাচ্ছেন? কারন অতীত মনে করে। আওয়ামীলীগ অতীতে যে পরিমাণ হরতাল ডাকছে তার সিকি পরিমাণ হরতালও বিএনপি ডাকে নায়।

সরকারকে সতর্ক সংকেত হিসাবে বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে ১ মাস পর হরতাল দেওয়া হয়েছে। আশা করি এরই মাঝে সরকার এগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকরী এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে। তাইলেই হরতাল হবেনা।
আর যদি একান্তভাবে হরতাল করতে হয় তাহলে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল করা হবে। জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখা হবে গত দেড় বছরে সরকার কি করছে?

পত্রিকায় কলামের পর কলাম লিখে, প্রতিদিন ছাত্রলীগ হেডলাইন হওয়া স্বত্ত্বেও সরকার আজ পর্যন্ত ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয় নাই।

আমরা কি চাই সরকারের চলার পথকে মসৃণ করে দিয়ে ছাত্রলীগের ধর্ষণকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে। যেনো একদিন ছাত্রলীগ আপনের বোন-আমার বোন, মা-কন্যাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে?

যদি আপনের উত্তর না হয় তাহলে আপনাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে এর বিরুদ্ধে কি করছেন? ব্লগে, কর্মক্ষেত্রে কোন জায়গায় কি প্রতিবাদ করছেন?

নাকি বসে আছেন তিন বছর পরের অপেক্ষায় যেখানে আরেকবার জবাব দিবেন?

২২. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৩৬
রাজুবিডি বলেছেন: ছাত্রলীগ সন্ত্রাস করছে এটি সঠিক সরাস্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত, কিন্তু ছাত্রদল ক্ষমতার বাইরে থেকে বন্দুক নিয়ে গোলাগুলি করে, ক্ষমতা X(( য় গেলে তো ট্যাংক নিয়া নামবে, তখন কি করবেন ;) ? বিএন পির এই হরতাল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন কি কেন্দ্র করে দেওয়া যাতে কর্মীরা সক্রিয় হয় B-)) । এখানে জন সমস্যা অজুহাত মাত্র। এখন আসেন হরতাল দিলেই কি একদিনে আপনার উল্লেখিত সমস্যা দূর হবে?পোস্ট এ মাইনাস দিলাম।
২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: যারা হরতালের বিরোধিতা করতেছেন তারা হরতালকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলুন।

হরতাল আন্দোলনের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সরকার চাইলে আইন করে হরতাল বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু সরকার সেটা করবেনা। কারন শেখ হাসিনা ৯৬ এ ক্ষমতায় আসার পর বার বার বলেছিলো তারা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবেনা। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই আওয়ামীলীগ হরতাল দিলো।
এবারও শেখ হাসিনা দেড় বছরের আকাম-কুকামে বুঝতে পারতেছে সামনে তাদের হরতালকেই পাথেয় হিসাবে নিতে হবে।

আর না হলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্টতা আছে। সরকার চাইলেই সংসদে বসে হরতালকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারেন।

২৩. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪১
ইউনুস খান বলেছেন: যারা হরতালের বিরোধিতা করতেছেন তারা হরতালকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলুন।

হরতাল আন্দোলনের একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সরকার চাইলে আইন করে হরতাল বন্ধ করে দিতে পারে। কিন্তু সরকার সেটা করবেনা। কারন শেখ হাসিনা ৯৬ এ ক্ষমতায় আসার পর বার বার বলেছিলো তারা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবেনা। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় আসার সাথে সাথেই আওয়ামীলীগ হরতাল দিলো।
এবারও শেখ হাসিনা দেড় বছরের আকাম-কুকামে বুঝতে পারতেছে সামনে তাদের হরতালকেই পাথেয় হিসাবে নিতে হবে।

আর না হলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্টতা আছে। সরকার চাইলেই সংসদে বসে হরতালকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারেন।
২৪. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
সাজিদ বলেছেন: @ পারভেজ আলম, আওয়ামিলীগ এসব খারাপ কাজ করার পরেও যদি ৯০% আসনে মহাজোট জয়লাভ করতে পারে আপনাদের ভোট পেয়ে। তাহলে ক্ষমতায় যাবার সহজ পন্থা হিসেবে বিএনপি সেটা ফলো করতেই পারে। আর হরতালের বিকলপ বের করা শুধু বিএনপির দায়িত্ব নয়। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদরাও তো হরতাল করেছিলেন। তাই আপনাদের হরতাল ডাকার জন্য বিএনপির সমালোচনা আসলে নিজ দলের প্রতি ভালোবাস থেকে করছেন দেশের প্রতি বা দেশের মানুষের প্রতি সহানুভুতি থেকে নয়। খালেদা জিয়াকে গালি দিয়ে পোস্ট না দিয়ে আপনাদের সরকারের প্রতি আহবান দিয়ে পোস্ট দিন যেন হরতাল নিষিদ্ধ করা হয়।
২৫. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫০
রাজিবুল ইসলাম বলেছেন: অবশেষে আমি নাদান বুঝিতে পারিলাম, হ্ত্যা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ, টেন্ডার ছিনতাই, ইভটিজিংয়ের, বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি সব কিছুর একমাত্র সমাধান হরতাল।

তাই এখন আমরা দেশের সব কিছু বন্ধ করে দিয়ে শুধুই হরতাল করব। আর মাঝে মধ্যে হরতালের মত এক দুইদেনের হরতালহীন থাকব।
২৬. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫২
জনি ইংলিশ বলেছেন: আওয়ামীলীগ গত প্রায় দের বছরে যে সকল আপকর্ম করে জনগণের দূর্ভোগ সৃষ্টি করেছে সেগুলোর প্রতিবাদ জানানোর জন্য যদি হরতাল করা হয় তাহলে ঐ সকল রাজনীতিবিদ যারা জনগণের ভোটে জনগণের সেবার দায়িত্ব গ্রহণ করে এখন জুস খাচ্ছে তাদের কোনো টনকই নড়বে না, শুধু দূর্ভোগ বাড়বে জনগণের ।

সতরাং বলির পাঠা আবার সেই জনগণই হবে ।
২৭. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
মিলটন বলেছেন: সবই ঠিক আছে সবই বুঝলাম কিন্তু আমি ধ্বংসাত্বক হরতালের বিপক্ষে। আমার গণতান্ত্রিক অধিকার হরতাল করা। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে এই হরতালের দোহাই দিয়ে আমি অন্যের ক্ষতি করবো।

আমার কাজ আমি করবো না। অর্থাৎ একটা অহসহোযোগীতা। আমি আমার পেশাগত কাজ করবো না। এমনটাই হওয়া উচিত হরতালের চিত্র। কিন্তু তা না হয়ে অন্যের সম্পদের ক্ষতি করাটা উচিত নয়।

তবে সরকারের ব্যর্থতা আর নির্ভেজাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
২৮. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৫৯
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: হ্ত্যা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ, টেন্ডার ছিনতাই, ইভটিজিংয়ের, বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি

খালেদা ক্ষমতায় থাকার সময় এসবের সবগুলোই তো ছিল, তাহলে তিনি হরতাল দিবেন কিভাবে?

বস্তাপঁচা রাজনীতি নিয়ে কথা বলে ফেললাম!
২৯. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০০
পারভেজ আলম বলেছেন: সাজিদ বলেছেন: @ পারভেজ আলম, আওয়ামিলীগ এসব খারাপ কাজ করার পরেও যদি ৯০% আসনে মহাজোট জয়লাভ করতে পারে আপনাদের ভোট পেয়ে। তাহলে ক্ষমতায় যাবার সহজ পন্থা হিসেবে বিএনপি সেটা ফলো করতেই পারে। আর হরতালের বিকলপ বের করা শুধু বিএনপির দায়িত্ব নয়। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদরাও তো হরতাল করেছিলেন। তাই আপনাদের হরতাল ডাকার জন্য বিএনপির সমালোচনা আসলে নিজ দলের প্রতি ভালোবাস থেকে করছেন দেশের প্রতি বা দেশের মানুষের প্রতি সহানুভুতি থেকে নয়। খালেদা জিয়াকে গালি দিয়ে পোস্ট না দিয়ে আপনাদের সরকারের প্রতি আহবান দিয়ে পোস্ট দিন যেন হরতাল নিষিদ্ধ করা হয়।

আরে ভাই, আপনাদের এই ব্যাপারটা আমি একেবারেই বুঝলাম না। আপনেগো বিরুদ্ধে কেউ কিছু কইলেই তারে আওয়ামীলীগ বানাইতে উইঠা পইরা লাগেন ক্যান। 'আপনাদের ভোট', 'নিজের দল' 'আপনাদের সরকার' এইসব কি? আমি আওয়ামীলীগ করি এইটা আপনেরে কে কইল? আমি জানি না আপনে সক্রিয় রাজনীতি করেন কি না? আমি কোন পার্টির সাথে যুক্ত না, কিন্তু জনগণের ইস্যু নিয়া রাস্তায় নামার অভিজ্ঞতা আমার আছে। সরাসরি আওয়ামীলীগ বিরোধী রাজনীতি করার অভিজ্ঞতা আছে, তবে ইস্যু ধইরা। কোন দলের মনোবল চাঙ্গা করার লাইগা না।

আনু মোহাম্মদ যেই হরতাল ডাকছিলো সেই হরতালে আমিও অংশগ্রহণ করছি। তেল গ্যাস রক্ষা করার লাইগা হরতাল ডাকছে বা হরতালে নামছে তারা এই দেশের সংখ্যালঘু কিছু মানুষ, বড় কোন হরতাল করার সামর্থ তাগো নাই। ঐ হরতাল যারা করছে তারা তখনকার ঐ জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া দিছে, দেশের সম্পদ লুট হওয়ার চেয়ে জরুরি পরিস্থিত আর কি হইতে পারে?
তখন কিন্তু বিএনপিরে দেখা যায় নাই আন্দোলনে, বিএনপি তখন ঘর গুছাইতে ব্যস্ত। ঐ হরতালে যারা ছিল তাগো ঘর গুছান নিয়া চিন্তা ছিলো না, দেশের সম্পদ রক্ষায় তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া হিসাবে তারা ঐ হরতাল ডাকছে। বিএনপি এখন একটু গুছাইয়া নিয়া মনোবল আরো চাঙ্গা কইরা পরিকল্পনা মাফিক এক মাসের বেশি সময় হাতে রাইখা হরতাল ডাকছে।
সরকারের করা দেশের সম্পদ লুটেরা কোন চুক্তি কিংবা দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পরা কোন কার্যকলাপ লইয়া বিএনপি হরতাল ডাকুক, আমি থাকুম সেই হরতালে। কিন্তু বাস্তবতা হইলো, ক্ষমতায় গেলে এইসব কাজ কারবার বিএনপিও করে, তাই প্রকৃত জনগরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিএনপি হার্ড লাইনে যায় না।
৩০. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০২
পারভেজ আলম বলেছেন: সাজিদ বলেছেন: @ পারভেজ আলম, আওয়ামিলীগ এসব খারাপ কাজ করার পরেও যদি ৯০% আসনে মহাজোট জয়লাভ করতে পারে আপনাদের ভোট পেয়ে। তাহলে ক্ষমতায় যাবার সহজ পন্থা হিসেবে বিএনপি সেটা ফলো করতেই পারে।

হ, লীগে বিএনপি মাসতুতো ভাই। বড় ভাই গু খাইলে ছোট ভাইতো খাইবোই।
৩১. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০৪
রাজুবিডি বলেছেন: লেখক বলেছেন -কারন শেখ হাসিনা ৯৬ এ ক্ষমতায় আসার পর বার বার বলেছিলো তারা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবেনা।
শেখ হাসিনা তার প্রতিশ্রুতি ভংগ করে নিজেকে মিথ্যা বাদী প্রমান করেছেন। বি এন পি ও ক্ষমতায় থাকা কালে হরতালের কুফল নিয়া বয়ান দিত। এবং শেখ হাসিনার ভিডিও টি টিভিতে প্রচার করত। বি এন পি এই অংগীকার করে নাই তাহলে তাদের এই হরতাল কি উপকারী? একমাত্র কৃষি মন্ত্রনালয়ের কয়েকটি সিদ্ধান্ত ছাড়া সরকারের অন্য কোন মন্ত্রনালয় নিজেদের প্রতিশ্রুত ইশতেহার এর ধারে কাছে ও নেই বলে আমার মনে হয়। বিদ্যুত বিহীন ডিজিটাল বংগদেশ!!! কিন্তু এই সমস্যা গুলো সমাধানে বিএনপি কতটা দক্ষতা দেখিয়েছে? হরতালের বিকল্প আন্দোলন গ্রহনযোগ্য হতে পারে। কিন্তু এভাবে দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজিয়ে হরতালের মত জঘন্য কর্মসূচি কে ঘৃনা করি সেটা বি এনপি আর আলীগ যেই হোক না কেন।
৩২. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০৪
দাসত্ব বলেছেন: স্ট্রেইট বিএনপি সমর্থক হওয়ার পরও +/- কিসুই দিতে পারলাম না।
সরকার বাড়াবাড়ি করে ফেলসে , সহ্যের শেষ সীমায় চলে গেসে।

তবে হরতাল হলেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর যারা দিন আনে দিন খায় (হকার , চানাচুর ওয়ালা , আইসক্রীম ওয়ালা , দিনমজুর) এদের পেটে লাত্থি পড়ে।
সেইদিক থেকে বিষয়টা অমানবিক , হরতাল হোক , তবে আশাকরি বিএনপি তার রাজনীতির সহিষ্ঞু এবং পসিটিভ রাজনীতি ধরে রাখবে - মানে কাউকে জোর করে হরতাল করতে বাধ্য করবেনা ।

কোন স্টুডেন্ট যদি স্কুলে বা কোচিং এ যেতে চায় সে যাবে ,

কেউ যদি চাকরীতে যেতে চায় বিনা বাধায় যাবে ,

কোন রিকশাওয়ালা প্যাসেন্জ্ঞার ক্যারী করার সময় মারধোরের শিকার হবেনা।

সাধারন মানুষের ইচ্ছার উপর জোর খাটানো হবেনা।
এই হরতাল এমনভাবে পালিত হোক সরকারের প্রতি ঘৃণা প্রকাশিত হোক বিএনপি এবং সাধারন মানুষ সবার পক্ষ থেকে
৩৩. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:০৮
রূপক চৌধুরী বলেছেন: সহস্র বছরের গোলামির রক্ত আমাদের শরীরে। তাই আমরা লোভ সামলে রাখতে পারি না।
৩৪. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১০
Neelpoddo বলেছেন: হরতাল খারাপ।যে দলই দিক।আপনি যদি ভেবে থাকেন একটা হরতাল দেওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তাহলে বলতে হয় আপনি বোকার সর্গে বাস করছেন। এটা হ্ল জাস্ট পলিটিকাল শোডাইন ।জনগনের জন্য নয়। জনগনের জন্য আদো দরদ থেকে যদি হাসিনা খালেদা হরতাল দিত তবে হাসিনা ছাত্রলীগকে ব্যান করত আর খালেদা তার দুই ছেলেকে নিজ হাতে পুলিশে দিত।

মাইনাস।
৩৫. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১১
রাজিবুল ইসলাম বলেছেন: পারভেজ আলম বলেছেন: সাজিদ বলেছেন: @ পারভেজ আলম, আওয়ামিলীগ এসব খারাপ কাজ করার পরেও যদি ৯০% আসনে মহাজোট জয়লাভ করতে পারে আপনাদের ভোট পেয়ে। তাহলে ক্ষমতায় যাবার সহজ পন্থা হিসেবে বিএনপি সেটা ফলো করতেই পারে।

হ, লীগে বিএনপি মাসতুতো ভাই। বড় ভাই গু খাইলে ছোট ভাইতো খাইবোই।
৩৭. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৮
ইরতেজা বলেছেন: ভালো লাগে নি আপনার কথাবার্তা। একজন নেতা- নেত্রী চাইলেই দেশে হরতাল ডাকতে পারে না। হরতাল হলে নেতা নেত্রীরা ক্যাণ্টরম্যান্ট এর বাসায় বসে এসির বাতাস খাবে আর গরীব মানুষরা কষ্ট পাবে তা কি হয়। ওই এক দিনে দেশে যে ক্ষতি হবে সেটা কি উনি নিজ পকেট থেকে দেবেন?
৩৮. ২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৫০
বাতাসের ছায়া বলেছেন: দাসত্ব বলেছেন: স্ট্রেইট বিএনপি সমর্থক হওয়ার পরও +/- কিসুই দিতে পারলাম না।
সরকার বাড়াবাড়ি করে ফেলসে , সহ্যের শেষ সীমায় চলে গেসে।

তবে হরতাল হলেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর যারা দিন আনে দিন খায় (হকার , চানাচুর ওয়ালা , আইসক্রীম ওয়ালা , দিনমজুর) এদের পেটে লাত্থি পড়ে।
সেইদিক থেকে বিষয়টা অমানবিক , হরতাল হোক , তবে আশাকরি বিএনপি তার রাজনীতির সহিষ্ঞু এবং পসিটিভ রাজনীতি ধরে রাখবে - মানে কাউকে জোর করে হরতাল করতে বাধ্য করবেনা ।

কোন স্টুডেন্ট যদি স্কুলে বা কোচিং এ যেতে চায় সে যাবে ,

কেউ যদি চাকরীতে যেতে চায় বিনা বাধায় যাবে ,

কোন রিকশাওয়ালা প্যাসেন্জ্ঞার ক্যারী করার সময় মারধোরের শিকার হবেনা।

সাধারন মানুষের ইচ্ছার উপর জোর খাটানো হবেনা।
এই হরতাল এমনভাবে পালিত হোক সরকারের প্রতি ঘৃণা প্রকাশিত হোক বিএনপি এবং সাধারন মানুষ সবার পক্ষ থেকে

১০০০ / ১০০০ সহমত
৩৯. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭
রাগ ইমন বলেছেন: এসব বন্ধ করতে হবে।
------------ ইউনুস, হরতাল দিয়ে এই সব কি ভাবে বন্ধ হবে যদি একটু বুঝায় বলতা! অতীতে লীগ ও বিএনপি - দুটো দলই অপর দলের সরকারের বিরুদ্ধে "এইসব" করার প্রতিবাদে হরতাল ডেকেছে । এই সব হরতালে প্রচুর জ্বালাও , পোড়াও হয়েছে । কিন্তু ,

" ঠিক কোন পরিসংখ্যান থেকে বললা যে হরতালের ফলে তথাকথিত এই সব বা ঐ সব কোনটাই বন্ধ হয়েছে? কিংবা বন্ধ না হোক, অন্তত কমেছে? "

সচেতন মানুষ আরো সচেতন হবে সেই আশা রাখি।

------------------ এত গুলা সচেতন মানুষ , যারা হরতালের অকার্যকারিতা নিয়ে সচেতন, যারা হরতালের ক্ষতি নিয়ে সচেতন বলেই হরতাল না করে বিকল্প কিছু করতে বলছে, তাদের সচেতনতাকে স্রেফ লাত্থি মেরে এইটা কোন সচেতনতা বাড়ানোর কথা বললা?

দিন বদলের শ্লোগান দিয়ে আজকে নিজেদের উদরপূর্তি করছে এই ডিজিটাল সরকার।

------------------- মেনে নিলাম। হরতাল কি করে এই উদরপূর্তি বন্ধ করবে?
গত সরকারে থাকার সময়ে বি এন পির উদর কম পূর্তি হয় নাই। লীগকে হটালে বি এন পি এসে উদর পূর্তি শুরু করতে পারবে। এই জন্য বি এন পির কর্মী যারা বি এন পি সরকারে গেলে উদর পূর্তি করতে পারে , তাদের হরতাল করায় উৎসাহ থাকতে পারে । কিন্তু , এর বাইরে সাধারণ মানুষের উদর --- সেইটা লীগ কিংবা বি এন পি, কোন আমলেই কেউ পুরে দেয় না, নিজেরাই কষ্ট করে পুরতে হয় বা খালি পেটে থাকতে হয় , তারা কেন হরতাল সমর্থন দিব?

এর প্রতিবাদে হরতালকে সফল করতে হবে।

----------------------- প্রতিবাদে হরতালই কেন করতে হবে? বি এন পি আওয়ামী লীগের চুক্তি গুলা মিডিয়াতে প্রকাশের ব্যবস্থা কেন করে না? ডিজিটাল বাংলাদেশ এর নামে যাতে ডিজিটাল বাংলাদেশই হয় , অন্য কিছু না হয় , সেইটা মনিটরিং এর ব্যবস্থা কেন নেয় না? কোথায় কোথায় কি কি দুর্নীতি হচ্ছে সেইটা তারিখ, নাম, টাকার পরিমাণ , দুর্নীতির পদ্ধতি , ঐ পদ্ধতি বন্ধের উপায়সহ জনমানুষের সামনে কেন শ্বেতপত্র প্রকাশ করে না?

বি এন পি কেন হরতাল বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সমস্ত নেতা নেত্রীদের আয়ের উৎস এবং ট্যাক্স এর তথ্য মিডিয়াতে প্রকাশ করাটা বাধ্যতামূলক করার দাবী করে না?

১০০ টাকার উকিলের ছেলে কয়েক বছরের ভিতর কি করে কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিয়ের অনুষ্ঠান করে , সেই আয় ও ব্যায়ের উৎস প্রকাশ করার জন্য কেন ট্যাক্স অফিসের কাছে দাবী করে না?

বিদ্যুৎ -পানি -গ্যাস এর সমস্যা সমাধানে বি এন পি সঠিক কি কি পদক্ষেপ নিবে , সেইটার একটা ডিটেইল প্ল্যান - ( কোথায় , কেমনে , কিভাবে , কত ক্ষমতাসম্পন্ন প্ল্যান্ট বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে , পানি শোধন করবে , গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করবে , সেই সমস্ত প্ল্যান্ট বসানোর বাজেট কোথা থেকে কি ভাবে যোগাড় করবে , গ্রাহক পর্যায়ে এর জন্য বিল ও ট্যাক্সের পরিমাণ কত হবে ইত্যাদি ) কেন বি এনপি দিচ্ছে না?

বি এন পি সরকারে আসলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? খালেদা নিজেই তো ১০ বছর ক্ষমতায় ছিলেন । গেলো বার ক্ষমতায় থেকে ৫টা বছর কি কি নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছেন এই গ্যাস-বিদ্যুৎ- পানির সমস্যা সমাধানে যে আমরা ঝাপিয়ে পড়ে লীগ হটিয়ে তাকে বসাবো? তার আমলে উদরপূর্তি বন্ধ ছিলো? আমার তো স্পষ্টই মনে আছে হাওয়া ভবনের কীর্তি ।

লীগ , বি এন পি - দুইটাই যখন মহাচোর , তখন আর কিছু না হোক , ৫ বছর টার্ম শেষ করার কালচারটা চালু হোক। খালেদা ৩ বছর পরেই আবার ক্ষমতায় যাবেন। তার এত অধৈর্য্য হওয়ার কারণ কি?

এটা বিএনপির কোটি সমর্থকদের প্রত্যাশা এবং অঙ্গীকার।
-------------- তাই? ঠিক কত কোটি ?

কয়টা সার্ভে করে এইটা জানলা ইউনুস? তোমার বন্ধু বান্ধবেরা সমর্থন দিলেই এইটা কোটি লোকের প্রত্যাশা ও অঙ্গীকার হয়ে গেলো? এত গুলা লোক যে এই ব্লগেই বার বার বলছে লীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার কিন্তু হরতাল কোন সমাধান নয় - তারা কি বানের জলে ভেসে এসেছে? এই মানুষ গুলার কথার কোন মূল্য নাই?

আসলেই কোন সার্ভে করেছে বি এন পি ? কি করে জানলো কয়টা লোক হরতাল চায়? কয়জন চায় তা তো বার বার শুনছি , এর বিপরীতে কয়জন চায় না , সেই পরিসংখ্যানটা কই? কয়জনের সাথে কথা বলে , মতামত নিয়ে জানলা " কোটি লোক হরতাল চায়?" ১ কোটি লোকের মত নিয়েছো? আসলেই? কখন নিলা?
----------------------------------

লীগের বিরোধী দল আমলে লীগ চিল্লাইতো হরতাল ছাড়া উপায় নাই। সরকার নাকি অন্য কোন পথে কথা শুনে না ।

বি এন পির বিরোধী দলের আমলেও শুনে এসেছি এবং এখনো দেখছি বি এন পিও একই কথা বলছে ।

তার মানে কি?

তার মানে হইলো , যেই যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ । এবং সেই রাবণের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার কোন উপায় সরকারী প্রশাসনে রাখাই হয় নাই। এমন ভাবে সব কিছু ব্যবস্থা করে রাখা আছে যে সরকারে থেকে কেউ যদি দুর্নীতি করে , চুরি করে , জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে দেশী - বিদেশী চুক্তি করে , বিরোধী দল থেকে বা সাধারণ নির্দলীয় মানুষ ( সিটিজেন বা সিভিল অংশ) এসবের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার কোন আইন্সম্মত উপায় নাই ।

বাধ্য হয়ে মানুষকে পথে নামতে হয় । এবং , পথে নামা মানুষকে সরকারের পাত্তা না দিলেও চলে ।

খেয়াল করে দেখুন, আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জাতীয় পার্টি , জামাত হরতাল করে , মিছিল করে , কিন্তু উপরে বর্ণীত ব্যবস্থাটা কিছুতেই বদলায় না । বদলানো হোক বলে দাবীও করে না । কারণ তারাও জানে , কোন মতে পরের বার ক্ষমতায় যেতে পারলে এই " নিখুঁত , নিচ্ছিদ্র , জবাবদিহিতাবিহীন " ব্যবস্থাটাই তাদের নিজেদের চুরিদারি , উদরপূর্তিতে খুব ভালো ভাবে কাজে দিবে।

এই জন্যই হরতাল হয় । লীগের বিরুদ্ধে বি এন পির। বি এন পির বিরুদ্ধে লীগের। কিন্তু , " নিখুঁত , নিচ্ছিদ্র , জবাবদিহিতাবিহীন " প্রশাসনিক ব্যবস্থাটা বদলানোর জন্য কোন মিছিল কখনোই হয় না ।

এখনকার বিরোধীদল ও আগামীদিনের সরকারী দল বি এন পির কাছে আমার প্রশ্ন ,

আপনারা যেই সমস্যা গুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা বলে হরতাল ডাকলেন , আপনারা সরকারে গিয়ে যখন একই রকম সমস্যা জিয়ে রাখবেন, তৈরী করবেন বা বাড়াবেন , তখন আপনাদের " এই সব" বন্ধে বা বাধা দেওয়ার জন্য হরতাল ছাড়া অন্য কি পথ থাকবে আমাদের হাতে?

আপনারা ক্ষমতায় গিয়ে যখন একই আচরণ করবেন , আমাদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন না , তখন আপনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য হরতাল ছাড়া আর কি থাকবে আমাদের হাতে?

আপনাদের আমলে যখন দুর্নীতি সুধাসদন থেকে হাওয়া ভবনে স্থানান্তরিত হবে , তখন সেই দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য হরতাল ছাড়া আর কি উপায় থাকবে আমাদের মত সাধারণ মানুষের হাতে?

----------------------
পরিসংখ্যান বলে , মোট ভোটের হিসাবে আওয়ামী লীগ আর বি এন পির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা প্রায় সমান ।

জাল ভোট , শরীক দলের ভোট , যারা ভোট দিতে যায় না ( ১৮ বছরের নিচে কিংবা অন্য কোন কারণ) কথা বাদ দিলেও ধরে নিতে পারি দেশে লীগ ও বি এন পির সমর্থকের সংখ্যা প্রায় সমান ।

তার মানে , লীগ সরকারে থাকলে যত মানুষ ( বি এন পির) খারাপ থাকে , বি এন পি ক্ষমতায় থাকলেও ঠিক সেই পরিমাণ মানুষই ( লীগের) খারাপ থাকে।

এর বাইরে দুইটা দল আছে যারা কখনোই খারাপ থাকে না । আর, যারা সব সময়ই খারাপ থাকে । এদের সংখ্যা খুব একটা বেশি না ।

আসেন , আমরা একটু মানুষের সংখ্যার দিকে চোখ রাখি । ইলেকশন কমিশনের ভোটের হিসাব অনুযায়ী ,
সূচক -- ১৯৯১------ ১৯৯৬-------- ২০০১--------২০০৮--দলের নাম
প্রাপ্ত সিট ১৪০-------১১৬----------১৯৩------------৩০-----বি এন পি
৮৮-- ------১৪৬-----------৬২-- --------২৩০--আ লীগ
প্রাপ্ত ভোট- ১,০৫,০৭,৫৪৯ ------ ---২৩,০৭৪,৭১৪----২২,৯৬৩,৮৩৬- বিএনপি
১,০২,৫৯,৮৬৬----------২২,৩১০,২৭৬----৩৩,৮৮৭,৪৫১--লীগ
% 30.81-------33.6--------41.4---------33.20------বিএনপি
30.08-------37.44-------40.02--------49.00------লীগ
পার্থক্যঃ

সিট ৫২----------৩০-------------১৩১----------২০০
ভোট ২৪৭,৬৮৩------------------৭,৬৪,৪৩৮----১,০৯,২৩,৬১৫

% 0.73---------3.84-----------1.38--------15.8

ভোটের পার্থক্যঃ আড়াই লাখ --পৌণে আট লাখ --এক কোটি সোয়া নয় লাখ

এখন আসেন একটা আন্দাজে ক্যালকুলেশন করি।
বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী কিশোর কিশোরীর সংখ্যা প্রায় ৩৩% বা ৩ কোটি ধরা হয় । এরা কি সবাই হরতাল চায়? ঠিক আছে এদেরকে বাদ দিলাম।

সম্পূর্ণ জনসংখ্যার ১৫কোটি থেকে ৩ কোটি শিশু , ৩ কোটি কিশোর বাদ দিলাম । এদের কারো মত কিন্তু বি এন পি নেয় নাই । রইলো বাকি ৯ কোটি । ধরে নিলাম , এরা সবাই ভোটার । এদের মধ্যে বি এন পিকে ভোট দিয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ । ধরে নিলাম এদের সবাই হরতাল চায়।
কিন্তু যারা লীগকে ভোট দিয়েছে?
সেই ৩ কোটি ৩৮ লাখ মানুষের কয়জন হরতাল চায় ? এইটার পরিসংখ্যান কই?

একটু বাড়িয়েই ধরি , ৩ কোটি ৪০ লাখ প্লাস ২ কোটি ৩০ লাখ = ৫ কোটি ৭০ লাখ।

৯ লাখের বাকি যারা, আওয়ামী লীগ বা বি এন পির বাইরের লোক, মানে ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ কি হরতাল চায়?

------------------------------

ঠিক বুঝলাম না , ইউনুস, তুমি কয় কোটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিনিধিত্ব করো? বাংলাদেশের কয়জন মানুষের ইচ্ছা , প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার মুখ থেকে নিঃসৃত হয়? যেই মাঠ থেকে খালেদা জিয়া হরতালের ঘোষণা দিলেন সেইখানে মোট কয়জন মানুষ ছিলো? খালেদা জিয়া দেশের কয়টা মানুষের সাথে আলাপ করে, তাদের মতামত নিয়ে বলে দিলেন দেশের মানুষ হরতাল চায়? দেশের মানুষ মানে কি শুধুই ঐ মাঠের কিছু ভাড়া করা লোক? লীগ যদি একই ভাবে অতীতে হরতাল ঘোষণা করে থাকে , বি এন পিকেও সেই একই গু খাইতে হবে?

----------------------------

বি এন পির সব কয়জন ভোটার অর্থাৎ ২ কোটি ২৯ লাখ মানুষ - সকলেই যদি হরতাল চায় বলেও ধরে নেই , তারপরেও , বাকি আওয়ামী লীগের ৩ কোটি ৩৮ লাখ ভোটারের মতামতকে তুচ্ছ করো কি করে?

লীগ , বিএনপির বাইরের ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের মতামতকে তুচ্ছ করো কি করে?

৩ কোটি কিশোর কিশোরী যারা আগামী নির্বাচনে কিংবা তার পরের নির্বাচনে ভোট দিবে , তাদের মতামতকে তুচ্ছ করো কি করে?
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: নানী আপনার কাছে প্রথমে ক্ষমা চাচ্ছি অনেক দেরীতে জবাব দিচ্ছি বলে। সেই সাথে কিছুটা শংকিত আমার নানার অবস্থা চিন্তা করে ;) উনি যে দিনে কয়বার আপনের কাছে হাফবয়েল হয়!!

পোস্টের জবাব দেওয়ার আগে কিছু প্রাসঙ্গিকতা সেরে নিচ্ছি।

মহাজোটের দেড় বছর অতিক্লান্ত হতে চলছে। কি পেয়েছি আমরা?

আজকে বিচার বিভাগ কি স্বাধীন?
আপনে জানেন গত কিছুদিন যাবৎ আইনমন্ত্রী, সুরন্জিতরা প্রাকাশ্যে বিভিন্ন সভায়, সেমিনারে, মিডিয়ায় প্রধান বিচারপতিকে হুমকি দিচ্ছে। কারন প্রধান বিচারপতি নৈতিকতার সাথে আপোস করে নাই। বিতর্কিত দুইজনকে বিচারপতি হিসাবে শপথ বাক্য পাঠ করান নাই।

আজকে কি আইন-আদালত দলীয় উর্ধ্বে?
আমরা দেখেছি আইন আদালত এখন সরকারের/দলের পদলেহন করতেছে। আপনি নিশ্চয় জানেন হাজী মকবুল কিভাবে সকাল বেলা জেলে গিয়ে বিকালে জামিনে বের হয়ে আসছিলো। আপনে নিশ্চয় জানেন শেখ হেলাল/তার পত্নী জেলের বদলে গুলশানে ছিলো। তারা ১৩ বছরের জেল মাথায় নিয়ে আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলো।

কিন্তু সামান্য ভ্যানিটি ব্যাগ মামলায় এহসানুল হক মিলন দিনের পর দিন কারাগারে বসবাস করতেছে। কি অপরাধ ছিলো উনার? উনি দেশ থেকে নকল উঠিয়ে দিসে এইটা কি তার অপরাধ? একের পর এক মামলা দিয়ে জয়নুল আবেদিনকে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত দৌড়াচ্ছে। কেন?

সরকারের এ্যার্টনি জেনারেল আদালতে প্রাকাশ্যে হুমকি দেয়। বিচারকের দিকে অশোভন ভঙ্গিতে চোখ তুলে কথা বলে।

বিচার ব্যবস্থা পুরাপুরি ভেঙ্গে পরার পরও আপনেরা বলতে চান দেশে গণতন্ত্র আছে?


১। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের লাগামহীন রাজনীতি, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ (যা এখন রামদা রাজনীতি হিসাবে পরিচিতি পাইছে), টেন্ডার ছিনতাই ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ নিয়েছে?

২। গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে? প্রতিমাসে গড়ে ৩ টি মেয়ে বখাটেদের জন্য নিজের জীবন দিচ্ছে। অথচ এখন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন হুশিয়ারীই দেখলামনা।

৩। বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি। বিনা টেন্ডারে দলীয় লোকদের সরকারী কাজ পাইয়ে দেওয়া।

৪। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি। অথচ বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান নির্লজ্জের মতো বকেই যাচ্ছে।

৫। সরকারী কাজের প্রতিটা সেক্টরে দুর্ণীতি হচ্ছে।

তারপরও আপনে বলতে চান দেশের মানুষ ভালো আছে?

টয়লেট, নর্দমা, ড্রেন, ডাস্টবিন সবকিছুই দখল হচ্ছে।


আপনাকে আমি প্রশ্ন রাখছি বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা ছাড়া এই সরকার দেশের জন্য কি করেছে?

এই ব্লগের ভার্চুয়াল যুদ্ধারা যারা নির্বাচনের আগে বিএনপির বিরুদ্ধে সরব ছিলো। তারা আজকে কোথায়?
তারা কি ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা পোস্ট দিয়েছে? তারা কি ইডেন/আনন্দমোহনের ঘটনায় কোন পোস্ট দিসে?

দেয় নাই। সুতরাং ব্লগের আওয়ামীপন্থীরা যে হরতালের বিরোধিতা করবে সেটায় স্বাভাবিক।

এইসকল ঘটনার প্রতিবাদে আমি কোন আওয়ামী ব্লগারকে দেখি নাই কোন পোস্ট দিতে। আপনাকেও আমি কোন পোস্ট দিতে দেখি নাই।

তাহলে কি আমরা আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ হতে দেখলে আনন্দ পায়? আমরা কি চায় দেশের বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ুক? আমরা কি চায় সবকিছু চলে যাক নষ্টদের দখলে?

নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।

আসলে আমাদের মনমানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের মন ছোট হয়ে গেছে। আমরা আজকে দলীয় উর্ধ্বে যেতে পারি নাই।

তা না হলে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?

খালেদা জিয়া যে হরতাল ডেকেছে সেটা সরকারের জন্য একটা সতর্ক সংকেত। সরকাররে টাইম দেওয়া হয়েছে। সরকারের উচিত হবে নিজেদেরকে শুধরানো। তাহলে হরতাল হবেনা। আর যদি হরতাল হয়ই তাহলে সময়েই বলে দিবে সেখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা ছিলো কিনা?

আপনে বলেছেন- "বি এন পির সব কয়জন ভোটার অর্থাৎ ২ কোটি ২৯ লাখ মানুষ - সকলেই যদি হরতাল চায় বলেও ধরে নেই , তারপরেও , বাকি আওয়ামী লীগের ৩ কোটি ৩৮ লাখ ভোটারের মতামতকে তুচ্ছ করো কি করে?

লীগ , বিএনপির বাইরের ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের মতামতকে তুচ্ছ করো কি করে? "

সামহোয়্যারইন ব্লগে যারা ব্লগিং করে তারা সবাই শিক্ষিত। সেই শিক্ষিতদের ভীরেই যখণ দেখি ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে কোন পোস্ট আসলে মাইনাসের বন্যা বয়ে যায়। তখন মানুষ হিসাবে নিজেকে খুব ছোট মনে হয়। তখন সবকিছুই তুচ্ছ মনে হয়।

আপনের এই মন্তব্যের ব্যাপারে আমার আরো জবাব আছে। সময় করে দিবো।

২৫ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: " ঠিক কোন পরিসংখ্যান থেকে বললা যে হরতালের ফলে তথাকথিত এই সব বা ঐ সব কোনটাই বন্ধ হয়েছে? কিংবা বন্ধ না হোক, অন্তত কমেছে? "
-- জানি কোনটায় বন্ধ হবেনা। কিন্তু সরকারের টনক নড়তে বাধ্য। কারন বিএনপি হরতাল ডেকেছে বলেই আজকে সবাই জানতে চাচ্ছে কিসের জন্য হরতাল? কাদের জন্য হরতাল। সেই সাথে আলোচনাও হচ্ছে হরতালের ক্ষতিকর দিক নিয়ে। লোকজন চাচ্ছে হরতালের বিকল্প কিছু করতে।
আবার দেখুন মোটামুটি সবাই স্বীকার করে নিচ্ছে মহাজোটের দেড় বছরে জনগণ কিছু পায় নাই।
হ্ত্যা, ধর্ষণ, শ্লীলতাহানী, ক্যাম্পাসে গলযোগ, টেন্ডার ছিনতাই, ইভটিজিংয়ের, বিদ্যুৎতের কৃত্রিম সংকট, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এইসবের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ হওয়া উচিত। তা না হলে এক সময় জনগণই বলবে এসবের বিরুদ্ধে বিরোধীদল কি করেছে?
আপনি হয়তো বলবেন সংসদে প্রতিবাদ করতে পারে। কিন্তু কিভাবে? সংসদে কথা বলার মতো অবস্থাও নাই। যেদিনই বিএনপি সংসদে গেছে সেদিনই কেউ না কেউ জিয়ার লাশ নিয়ে টানাটানি করেছে। অথচ স্পিকার নিরব।

শেখ হাসিনা নির্বাচনী ওয়াদা করেছিলো ডিপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে দিবে সে ওয়াদাও তারা পালন করেনি। মুখে ডিজিটাল বললেই তো আর দেশ ডিজিটাল হয়না। মুখে দিন বদলের কথা বললেইতো আর দিনবদল হয়না।

২৫ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: বি এন পি কেন হরতাল বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সমস্ত নেতা নেত্রীদের আয়ের উৎস এবং ট্যাক্স এর তথ্য মিডিয়াতে প্রকাশ করাটা বাধ্যতামূলক করার দাবী করে না?

----- ১৯শে মের জনসভায় সে দাবি তুলা হয়েছে।আওয়ামীলীগকে তাদের নির্বাচনী অঙ্গিকারের কথা মনে করে দেওয়া হয়েছে।


বিএনপি খারাপ ছিলো তাই এই সরকারের সমস্ত খারাপ কাজ আমাদেরকে মেনে নিতে হবে মানতে পারলাম না। স্যরি।

৪০. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
কোর আই সেভেন বলেছেন: আপনাদের মতো সুশিক্ষিত মানুষ যখন হরতাল এর সাপোর্ট দিয়ে পোস্ট লিখে, তখন হতাশা বোধ করা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।
২৫ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: আমার ভিতরও চরম হতাশা বোধ কাজ করে। যখন দেখি আপনাদের মতো শিক্ষিতরা ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে সাহস পান না। বরং তাদের ধর্ষণে একটু একটু তৃপ্তি অনুভব করেন ধর্ষণ বিরোধী পোস্টগুলোতে মাইনাস দিয়ে।
আসলে আমাদের মনমানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের মন ছোট হয়ে গেছে। আমরা আজকে দলীয় উর্ধ্বে যেতে পারি নাই।

তা না হলে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?

৪১. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
তেলাপোকা বলেছেন:

সরকারের পা চাটা পাবলিকগুলারে দেখলে মেজাজ খারাপ হইয়া যায়। এখানে বিএনপিকেও টাইন্না আনছে। এদের পা থাকে ভুতের পায়ের মতো পেছনের দিকে। এরা যখন তর্কে হেরে যায় তখন পুরানো জিনিস এনে চিবাচিবি করে। এরা দেশকে দূরে সরায়ে দলকে সামনে নিয়ে আসে।

আমি নিজেও হরতাল সমর্থন করিনা। তাই বলে কোনো নির্দিষ্ট দলের শিশ্ম, হাত, পা, চাটি না।

৪২. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫১
তেলাপোকা বলেছেন: ইউনুসের হয়ে আমি কিছু জবাব দেই,

/*
ঠিক বুঝলাম না , ইউনুস, তুমি কয় কোটি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিনিধিত্ব করো?

---> আ.লীগ কিংবা অন্যারা ঘাসপাতা চিবায় নাকি তারা মানুষের প্রত্যাশার প্রতিনিধিত্ব করে?!


বাংলাদেশের কয়জন মানুষের ইচ্ছা , প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার মুখ থেকে নিঃসৃত হয়?

---> উপরে উত্তরে দ্রষ্টব্য। চামচামি করুম না।


যেই মাঠ থেকে খালেদা জিয়া হরতালের ঘোষণা দিলেন সেইখানে মোট কয়জন মানুষ ছিলো?

---> আসলেই কতজন মানুষ ছিল? আ.লীগে নিশ্চই বেশি থাকে! মানে সেই একটা মাঠে ১৪ কোটি সমর্থক গাদাগাদি করে থাকে। হায় বাঙালী।

খালেদা জিয়া দেশের কয়টা মানুষের সাথে আলাপ করে, তাদের মতামত নিয়ে বলে দিলেন দেশের মানুষ হরতাল চায়?

---> সত্যিই। শেখ হাসিনার মতো খালেদা জিয়া অভিনয় তেমন একটা পারে না। খালেদা জিয়ার উচিত প্রথম দাতের ডাক্তারের কাছে যাওয়া। তারপর পাড়ার নাট্যদলে।


দেশের মানুষ মানে কি শুধুই ঐ মাঠের কিছু ভাড়া করা লোক?

---> দেশের নামটা কি? বান্ডিয়া?

লীগ যদি একই ভাবে অতীতে হরতাল ঘোষণা করে থাকে , বি এন পিকেও সেই একই গু খাইতে হবে?

---> বিএনপি, নব্য শিবির (আ.লীগ) এ ব্যাপারে দুটা দলই নিলজ্ব। প্রশ্নকারীর মতো যিনি একটা নির্দিষ্ট দলের জন্য চামচামি করতে আসছে।
৪৩. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫২
সাগর ঢাকা বলেছেন: @রাগ ইমন....আপনার মন্তেব্যের উত্তর হয় লেখক এড়িয়ে যাবেন, অথবা আগে করা পোস্ট কপি পেস্ট করতে পারেন,ডিলিট করে দেয়ার চান্স আছে !
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: না মিঃ সাগর। এইটা আমি কখনই করি নাই।

৪৪. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫৭
রাগ ইমন বলেছেন: ছাত্রলীগের ধর্ষণ রাজনীতি ছাত্রলীগের রামদা রাজনীতি ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের টেন্ডার রাজনীতি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ( গত ৫ মাসে ইভটিজিংয়ের কারনে ১৫ মেয়ের আত্নহত্যা করেছে। প্রতিমাসে গড়ে ৫ টির উপর খুন। ) দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গিকার না রাখা।

---------- ইউনুস , উপরের কোনটা হরতাল দিয়ে কি ভাবে কমবে বা বন্ধ হবে , আমারে ব্যাখ্যা করো ।

ধরে নিলাম বি এন পির ডাকা হরতালে সারা দেশ বন্ধ হয়ে গেলো । সবাই দেখলো যে মানুষ জন খেপেছে । এই পর্যন্ত কল্পনা করে নিলাম।

এরপর বলো , এই দেখার পরে আওয়ামী লীগ ঠিক কি কি পদক্ষেপ নিবে যাতে করে উপরে বর্ণিত খারাপ ঘটনা গুলা কমে যাবে ?
আমি অনেক ধৈর্য্য নিয়ে বসলাম।

সময় নিয়ে , পরিসংখ্যান দিয়ে, তথ্য প্রমান দিয়ে বলো যে ,

অমুক তারিখে তমুক হরতাল সফল হয়েছিলো বলে অমুক নির্দিষ্ট অপরাধ ( ধর্ষণ , রাজনৈতিক খুন , টেন্ডার দখল , ইভ টিজিং, সাধারণ খুন, আত্মহত্যা ) কমে গিয়েছিলো ।

হরতাল ও অপরাধ কমে যাওয়ার ভিতরে কি করে যোগ সূত্র খুঁজে পাইলা সেইটাও বইলো ।

তথ্য প্রমাণ বাংলাদেশের হইলে ভালো হয়। বিদেশের প্রশাসন আর বাংলাদেশের প্রসাশন এক ভাবে চলে না, এইটা জানত?

হরতালে মানুষের প্রচুর জনসমর্থন দেখতে পাইলে আওয়ামী লীগ তোমার "কাল্পনিক" পদক্ষেপ গুলা নিবেই এই নিশ্চয়তা কোথা থেকে , কেমন করে পাইলা , এইটাও বিস্তারিত ব্যাখ্যা কইরো ।

-------------------------

আমি যেহেতু বি এন পি করি না, আমার পরিচিত কোন বিশাল বি এন পি নেতাও নাই । সুতরাং , বি এন পি ক্ষমতায় এলে তোমার যেই সব লাভ হবে ( তোমার রাজনৈতিক আত্মীয়তা ও যোগাযোগ সূত্রে ) আমার সেই ধরনের কোন লাভ হবে না ।

আমি যেহেতু আওয়ামী লীগ করি না , এই আমলেও আমার কোন লাভ হয় নাই । হবেও না।

তোমার বাবা যেই পার্টি করেন বা করতেন , সেই আমলেও নিজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের অফিসারের পরিবার হয়েও আমার কোন লাভ হয় নাই আমার বাবা একজন বিরক্তিকর রকমের সৎ মানুষ বলে ।

এখন বলো ,

তোমার এই হরতালে আমার ঠিক কি লাভ হবে?

( এর আগের হরতাল গুলাতে ক্ষতি পুষানোর জন্য শুক্রবার , শনিবার গিয়ে অফিস করতে হয়েছে। পরিবারের লোকজনের কাজ কর্ম ক্ষতি হয়েছে । হরতালে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিলো যেখানে সেইখানে হেটে যেতে হয়েছে । হাসপাতালে আসতে আসতে পথেই অনেক গুলো মানুষ মারা গেছেন যেইটার ক্ষতিপূরণ তোমার বালের ম্যাডাম, আপা কেউই কোন্দিন করতে পারবে না )

যদি একটাও লাভ দেখাইতে পারো, খোদার কসম , আমি নিজে রাস্তায় নেমে পিকেটিং করবো।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: হরতালের উদ্দেশ্য পরিষ্কার। সরকারকে একটা সতর্ক সংকেত। পত্রিকায় কলামের পর কলাম লিখে, প্রতিদিন ছাত্রলীগ হেডলাইন হওয়া স্বত্ত্বেও সরকার আজ পর্যন্ত ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয় নাই।

তো আপনে কি চাচ্ছেন সরকারের চলার পথকে মসৃণ করে দিয়ে ছাত্রলীগের ধর্ষণকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে। যেনো একদিন ছাত্রলীগ আপনের বোন-আমার বোন, মা-কন্যাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে?

যদি আপনের উত্তর না হয় তাহলে আপনাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে এর বিরুদ্ধে কি করছেন? ব্লগে, কর্মক্ষেত্রে কোন জায়গায় কি প্রতিবাদ করছেন?

নাকি বসে আছেন তিন বছর পরের অপেক্ষায় যেখানে আরেকবার জবাব দিবেন।

আমি হলফ করে বলে গেলাম - যদি আগামী দিনগুলোতে বিএনপি ভালো রাজনীতি না করে, জনকল্যানমূলক রাজনীতি না করে তাহলে আমি সহ আমার গোষ্টী, আমার এলাকাবাসী যারা আমাকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখে সবাইকে নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে নিষ্কিয় হয়ে যাবো। রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করিনা। সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসি-হৃদয় দিয়ে, দলমত সবকিছুর উর্ধ্বে। আমি আওয়ামীলীগের ভালো কাজে যেমন মন থেকে আনন্দবোধ করি তেমনি বিএনপির খারাপ কাজেও খুব কষ্ট পায়।

৪৫. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
সোহেল_সিএসই_ঢাবি বলেছেন: আসলে কোন সরকারই দেশের জন্য এমন কিছুই করেনাই যাতে জনগন উপকৃত হইছে।
দেশের যদি কোন সেক্টরে উন্নতি হয়ে থাকে তাহলে কেবল দেশের জনগনের
অক্লান্ত পরিশ্রমেই হয়েছে।কোন সরকারই আমাদের জন্য এমন কিছুই করে নাই।
আর সেই ধারাবাহিকতায় এই সরকার ও কিছুই করছে না,তারা শুধু নিজেদের উদরপুর্তির ব্যাবস্হা করছে।
কিন্তু আমি বলতে চাই সরকার তো কোন কাজই করতে পারছে না তার ঊপর বিরোধি দল যদি হরতাল দেয় তাহলে আমারা ও আমাদের কাজ কারবার করতে পারবনা।
আমাদের স্বাভাবিক উন্নতি অগ্রগতি ব্যহত হবে।
তাই আমি আশা করব হরতাল না হোক।
আর হরতাল দিলে সরকার যা করার তাই করতে থাকবে আমাদের দেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্য অন্তত তাই বলে।তারা এটা শক্ত হাতে প্রতিহত করবে কিন্তু কিছুই শিখবে না।
তারা তাদের কুকর্ম করা থেকে বিরত হবে না।
তাই আমি বলি হরতাল দিয়ে আসলে কোন লাভ নাই উলটো মরার ঊপর খরার ঘা।
৪৬. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: পুস্টটা আসার পর আমি নিজের পুস্ট নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ভেবেছিলাম, পরে এসে আমার বক্তব্য দিয়ে যাবো। কিন্তু উপরে ৯৫ ভাগ কমেন্টক আমার কথাগুলোকে তুলে ধরেছেন। আমি শুধু যোগ করবো- এই পোস্টই প্রমান হলো, জনগন হরতাল চায়না। এবং পোস্টদাতার মানসিকতা প্রমান করলো, রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্য শুধু ক্ষমতা, জনগন স্রেফ এবং স্রেফ বলির পাঁঠা।

ইউনুস ভাই- দলীয় সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠুন। দেশের জন্য ভাবুন, যদি সত্যিই রাজনীতি করতে চান। আমরা আপনাদের মাঠে দেখতে চাই, কিন্তু টিপিক্যাল লিডার হিসেবে নয়, নতুন আলোর বার্তাবাহক হিসেবে।
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: এরশাদ ভাই আপনাকে ধন্যবাদ। জনগণ বলতে এখানে আপনে কাদের বুঝাতে চাইছেন? এই ব্লগের ভার্চুয়াল যুদ্ধারা যারা নির্বাচনের আগে বিএনপির বিরুদ্ধে সরব ছিলো তাদেরকে। তারা আজকে কোথায়?

তারা কি ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে একটা পোস্ট দিয়েছে? তারা কি ইডেন/আনন্দমোহনের ঘটনায় কোন পোস্ট দিসে?

দেয় নাই। সুতরাং ব্লগের আওয়ামীপন্থীরা যে হরতালের বিরোধিতা করবে সেটায় স্বাভাবিক।

এইসকল ঘটনার প্রতিবাদে আমি কোন আওয়ামী ব্লগারকে দেখি নাই কোন পোস্ট দিতে। আপনাকেও আমি কোন পোস্ট দিতে দেখি নাই।

আপনাকে অনুরোধ রইলো রাগ ইমনের ৩৯ নাম্বারের জবাবটা পড়তে।

তাহলে কি আমরা আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ হতে দেখলে আনন্দ পায়? তো আপনে কি চাচ্ছেন সরকারের চলার পথকে মসৃণ করে দিয়ে ছাত্রলীগের ধর্ষণকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে। যেনো একদিন ছাত্রলীগ আপনের বোন-আমার বোন, মা-কন্যাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে?

যদি আপনের উত্তর না হয় তাহলে আপনাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে এর বিরুদ্ধে কি করছেন? ব্লগে, কর্মক্ষেত্রে কোন জায়গায় কি প্রতিবাদ করছেন?

নাকি বসে আছেন তিন বছর পরের অপেক্ষায় যেখানে আরেকবার জবাব দিবেন।

আমরা কি চায় দেশের বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ুক? আমরা কি চায় সবকিছু চলে যাক নষ্টদের দখলে?

নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।নিশ্চয় না।

আসলে আমাদের মনমানসিকতা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের মন ছোট হয়ে গেছে। আমরা আজকে দলীয় উর্ধ্বে যেতে পারি নাই।

তা না হলে এত অনাচার আমরা কিভাবে মেনে নিচ্ছে? কিভাবে সবকিছু সয়ে যাচ্ছে?কেনো আজকে ছাত্রলীগের ধর্ষণের বিরুদ্ধে পোস্ট আসলে মাইনাস-গালাগালিতে ভরে যায়। আপনে কি তাদেরকে সংখ্যাগরিষ্ট বলতে চাইছেন?

খালেদা জিয়া যে হরতাল ডেকেছে সেটা সরকারের জন্য একটা সতর্ক সংকেত। সরকাররে টাইম দেওয়া হয়েছে। সরকারের উচিত হবে নিজেদেরকে শুধরানো। তাহলে হরতাল হবেনা। আর যদি হরতাল হয়ই তাহলে সময়েই বলে দিবে সেখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ততা ছিলো কিনা?


আমি হলফ করে বলে গেলাম - যদি আগামী দিনগুলোতে বিএনপি ভালো রাজনীতি না করে, জনকল্যানমূলক রাজনীতি না করে তাহলে আমি সহ আমার গোষ্টী, আমার এলাকাবাসী যারা আমাকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখে সবাইকে নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে নিষ্কিয় হয়ে যাবো। রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করিনা। সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসি-হৃদয় দিয়ে, দলমত সবকিছুর উর্ধ্বে। আমি আওয়ামীলীগের ভালো কাজে যেমন মন থেকে আনন্দবোধ করি তেমনি বিএনপির খারাপ কাজেও খুব কষ্ট পায়। খুব গুছিয়ে রাজনীতি শুরু করেছি শুধুমাত্র ভালো কিছু করার জন্য। সময়েই বলে দিবে আমার অবস্থান। নিশ্চিত থাকেন আমার মার শিখানো নৈতিকতা কোনভাবেই নষ্ট হবেনা। হতে পারেনা। তাহলে যে আমার জন্মই বৃথা হয়ে যাবে।

৪৭. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২২
রাগ ইমন বলেছেন: সাগর, আমি ঠিক এতটা ভবিষ্যত বক্তা নই, যতটা এই পোস্টের লেখক হয়েছেন । আমি আন্দাজে কি করতে পারে না ভেবে দেখতে চাই আসলেই কি করে ।

উত্তরের আশা না থাকলে আমি নিশ্চয়ই এখানে মন্তব্য করতাম না ।

ইউনুসকে আমি একলা ইউনুস হিসেবে দেখছি না । হরতালের মত বিধ্বংসী কার্যকলাপ নিয়ে অনেকেরই এই রকম বিশ্বাস আছে -- অনেকেই ভাবে --,

কিছুই যখন করতে পারছি না তাহলে হরতালই করি ।

আবার বেশির ভাগ মানুষই এইটা ভেবেও দেখে না ,

" কেন প্রতিটা বিরোধী দলকেই হরতালের মত পন্থা নিতে হয়?"

রাজনৈতিক দলগুলা তো আস্ত হারামজাদা । দুই একজন ছাড়া ভালো মানুষ নাই বললেই চলে ।

এই জন্য এরা মিলেমিশে পাতানো ঝগড়া করে ।

পাতানো খেলার মত পাতানো হরতালও করে। সবই খেলা।

একটা মানুষ দেখেছেন যে সিস্টেম কি ভাবে , কোথায় , কেমন করে বদলানো দরকার কিংবা ক্ষমতায় গেলে বদলাবে সেইটার ডিটেইলস নিয়ে কথা বলতে?

একটা মানুষকে দেখেছেন বিরোধী দলকে কার্যকরী করার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিতে?

বিরোধী দল সংসদে ঠিক মত কথা বলতে পারছে কিনা , বিরোধী দলের অভিযোগ ও পদক্ষেপ ঠিক মত গৃহিত হচ্ছে কি না , এইটা নিশ্চিত করার দায় সরকারের উপর বর্তায়।

এখন আওয়ামী লীগ তা করছে? -- নাহ ।

বি এন পি প্রশাসনের নিয়ম কানুন পালটে কি ভাবে এইটা নিশ্চিত করা যায় এইটা নিয়ে কথা বলছে? --- নাহ

বি এন পি নিজে বিরোধী দল হিসেবে কোন কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছে? -- নাহ

বি এন পির সাংসদের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথা হইলো খালেদা জিয়ার নিঃসঙ্গতা । দেশের মানুষের আর কোন সমস্যা নাই। খালেদা রাতে একলা ঘুমান - এইটার চেয়ে বড় দুঃখ জাতির জীবনে আর কি হইতে পারে?

আমাদেরও কপাল! একজনের বাপের স্বপ্ন আর আরেকজনের স্বামীর স্বপ্ন পূরণ করতে করতে ফতুর হয়ে গেলাম।

আমরা কবে অন্যের বাপ কিংবা স্বামীর স্বপ্নদোষ বাদ দিয়ে নিজেরা কিছু চিন্তা করা শিখবো ।

কবে শিখবো হরতালে লীগ বা বি এন পির কোন ক্ষতি হয় না । হয় আমাদের।

-----------------------------------

২৭শে জুন অনেক দেরী ।

লীগের কাছে দাবী রইলো , কিভাবে কেমন করে কতটুকু কার্যকরী হতে দিয়েছেন বি এন পি কিংবা বিরোধী দলকে , প্রমান দেন।

বি এন পির কাছে দাবী রইলো ,
আওয়ামী লীগের খারাপ কাজ গুলা বন্ধ করার জন্য গলা বাজি ছাড়া সত্যিকারের পদক্ষেপ কি নিয়েছেন দেখান।

ডিজিটাল বাংলাদেশ আসলেই দরকার । লীগ মুখে ডিজিটাল বাংলাদেশের নাম নিলেও কোথায় কোথায় কি কি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত কিন্তু নিচ্ছে না বলে ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে না - এইটার ব্যাপারে কি কি পড়া লেখা , গবেষণা , সার্ভে -- কি কি করেছেন আমাদের সামনে প্রকাশ করেন।


বেশি কিছু বলার দরকার নাই। এক অভ্র আর বিজয় বিতর্কে মোস্তফা জব্বারের দাবীর বিরুদ্ধে আপনারা তথ্য দিয়ে , প্রমাণ দিয়ে সাহায্য করতে পারতেন।

জনগণ হরতাল চায় কিনা এইটা নিয়ে সন্দেহ থাকতে পারে , কিন্তু জনগণ যে মোসতফা জব্বারের মিডিয়া সন্ত্রাস থেকে মুক্তি চায় - তা তো নিশ্চিত!

বড় বড় আন্দোলন বাদই দিলাম ।

এই সামান্য একটা ব্যাপারে বি এন পি কোন আই টি বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়ে কোন বক্তব্য দিতে পারলো না?

মানুষের দৈনন্দিন আশা আকাঙ্খা থেকে আপনারা কত দূরে বাস করেন, এইটাই কি তার প্রমান না?
২৫ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: অভ্র আর বিজয় বিতর্ক এইটা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কথা বলাই ঠিক হবে না। তাহলে কিছুদিন পরে দেখা যাবে অমুক পণ্য আওয়ামীলীগের তমুক পণ্য বিএনপির।

৪৮. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
তেলাপোকা বলেছেন:
আমার যা মনে হয়েছে। সরকার যে স্বেচ্ছাচারিতা দেখাচ্ছে বিভিন্নভাবে তার একটা অবসান হওয়া দরকার। এজন্য সব বিরোধীদল কিংবা সংখ্যাগরিষ্ট বিরোধীদল কিছু কর্মসূচী হাতে নিতে পারে সরকারকে চাপে রাখার জন্য।

বিরোধীদলের নিম্নোক্ত কিছু পয়েন্টে চোখ রাখা উচিত:

(১)
১১ মাসে বিদ্যুত সমস্যা সমাধান-- তথ্যটা মনে হয় হাসিনা কোনো দাতের ডাক্তারের কাছ থেকে পেয়েছিলো। তাই দুই বছরে তার কিছুই হয় নাই।

(২)
সুতার দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত গুরতর ব্যাপারটা নিয়ে আন্দোলন করা জরুরী। কারণ বিশ্ব বাজার থেকে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প অনেক পিছিয়ে যাচ্ছৈ। ইন্ডিয়া যেমন তামিল টাইগারের মাধ্যমে শ্রীলংকার গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করেছিলো ঠিক তেমন ভাবে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে বাঙলাদেশের পোষাক শিল্প ধ্বংস করতে। এজন্য তারা বারবার কৃত্রিম অসন্তোষ সৃষ্টি করাসহ সুতার রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে।

(৩)
দ্রব্যমূল্য এখনো হাতের নাগালে আসে নাই। সবাইতো দাতের ডাক্তার না। এখানকার কোটি মানুষ অভুক্ত। তাদের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

(৪)
দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ স্থিতিশিল রাখা। বর্তমান আ.লীগ পুরনো বাকশালের পথেই হাটছে। "দেশে একটাই দল থাকবে" কর্মসূচি নিয়ে তারা যেভাবে বিরোধীদলের মিছিল মিটিং এ সন্ত্রাসী আক্রমণ করছে তাতে মনে হচ্ছে আ.লীগরাই মুক্তিযোদ্ধা। বাকীরা সবাই শিবির রাজাকার!

আরও পয়েন্ট আছে। আপাতত সময় নাই।
৪৯. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৮
জানপরী বলেছেন: বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ হরতাল সমর্থন করে না, ব্যক্তিগতভাবে আমিও হরতাল সমর্থন করি না, তারপরও দেশে হরতাল হয়, দেশের জনগণের উপর হরতাল চাপিয়ে দেওয়া হয়। উপরের মন্তব্যগুলোতে অনেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতি নিয়ে কথা বলেছেন। হরতালে দেশের ক্ষতি হয়, জনগণের জান মালের ক্ষতি হয়। প্রশ্ন হলো দেশের ও জনগণের জান মালের ক্ষতি কে বেশি করেছে? পরিসংখ্যান বলে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি দেশের ও জনগণের জান মালের ক্ষতি করেছে। তাই আওয়ামী লীগের নেতা সমর্থকদের মুখে হরতালের বিপক্ষে কথা বলা মানায় না।
৫০. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আওয়ামী লীগ- বিএনপি'কে অন্ধভাবে সমর্থন করে এমন অজস্র মানুষকে দেখেছি নিজেদের জীবনে রাজনীতির কারণে কোন সুবিধা না পেতে। কোটি কোটি মানুষ এই দুটো দলকে ভোট দেয়, সমর্থন করে। কিন্তু ভাগ্য উন্নয়ন হয় অল্প কিছু মানুষের। বাকীরা কিছুই পায় না; তবুও সমর্থন করে।
ছাত্র লীগের অজস্র নেতা-কর্মী-সমর্থন এখন বেকার। ৪ বছর পরে যখন লীগ বিদায় নেবে তখনও এদের অধিকাংশই বেকার থাকবে। লীগের যে সমর্থকের বাড়িতে টিনের ঘর আছে, জানি চার বছর পরেও বদলে সেটা বিল্ডিং হবে না। তবুও এরা লীগ করবে।

বিএনপির সময়ে বেকার ছিল এমন ছাত্রদল কর্মী এখনও বেকার। তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। হবার কথাও ছিল না।

তবুও মানুষ সমর্থন করে। অন্ধভাবেই সমর্থন করে।

ইউনুস, আপনি যদি অন্ধ সমর্থনের জোড়ে বিএনপি এর কাছ থেকে ছিটেফোটাও কিছু স্বার্থ লাভ করে থাকেন তাহলে খুশি হবো।
২৫ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: ব্লগে আপনাকে আমি শ্রদ্ধা করি। তায় আপনের শেষ প্যারাটা বিশেষভাবেই আমার দৃষ্টিগোচর হইছে। তাই জবাব দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি।

না ব্যাক্তি ইউনুসের কোন সময় কোন স্বার্থ প্রয়োজন নেই দল থেকে। আমি আমার সামর্থ সম্পর্কে অবগত। তিন বছর আগে যখন চাকুরী শুরু করেছিলাম আট হাজার টাকা বেতন পেতাম। এখন আমি বেতন পায় মাসে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা। পাশাপাশি আমার টুকটাক কিছু ব্যাবসা আছে। এলাকায় ১৪৫ কাঠা জমির উপর একটা মাছের প্রজেক্ট আছে। এগুলো আমি নিজে করেছি। সুতরাং আমি আমার স্বামর্থ বুঝি।
যা দিয়ে ছোট ভাইয়ের পড়ার খরচ, পরিবারে কিছু দেওয়ার পর এলাকায় কিছু করতে পারছি। আমি আমার এলাকায় প্রতিটা গরীব বিয়েতে ৫০০ টাকা দেয়। গরীব মানুষের চিকিৎসায় সাহায্যে করি।গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বই-খাতা-কলম দেয়। দোয়া করবেন আরো বেশী কিছু করতে পারি যেনো দলের আনুকাল্য ছাড়ায়।

আমি হলফ করে বলে গেলাম - যদি আগামী দিনগুলোতে বিএনপি ভালো রাজনীতি না করে, জনকল্যানমূলক রাজনীতি না করে তাহলে আমি সহ আমার গোষ্টী, আমার এলাকাবাসী যারা আমাকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখে সবাইকে নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে নিষ্কিয় হয়ে যাবো। রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করিনা। সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসি-হৃদয় দিয়ে, দলমত সবকিছুর উর্ধ্বে। আমি আওয়ামীলীগের ভালো কাজে যেমন মন থেকে আনন্দবোধ করি তেমনি বিএনপির খারাপ কাজেও খুব কষ্ট পায়। খুব গুছিয়ে রাজনীতি শুরু করেছি শুধুমাত্র ভালো কিছু করার জন্য। সময়েই বলে দিবে আমার অবস্থান। নিশ্চিত থাকেন আমার মার শিখানো নৈতিকতা কোনভাবেই নষ্ট হবেনা। হতে পারেনা। তাহলে যে আমার জন্মই বৃথা হয়ে যাবে।

৫১. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫
হারান সত্য বলেছেন: মানুষ হচ্ছে শক্তের ভক্ত নরমের জম।
আওয়ামী লীগ এই কথাটা খুব ভাল জানে।
এ'জন্যই তারা রাস্তায় মানুষ পিটিয়ে মেরে লাশের উপর নাচানাচি করে।
এটাই তাদের শক্তি প্রদর্শনের পথ।
বি.এন.পিও শক্তি প্রদর্শনের পথ হিসেবে রাজপথের আন্দোলন - হরতালকেই বেছে নিয়েছে। হয়ত এর ফলে বর্তমান সরকার কিছুটা সংযমী হবে - বুঝতে পারবে তাদের ক্ষমতাও অসীম নয়। যদি বুঝতে পারে তাহলে সেটাই জনগনের লাভ।
৫২. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: খালেদা জিয়া ও তার পুত্রবধুরা যে পয়েন্টে পিকেটিং করবে আমিও সেখানে দাড়িয়ে পিকেটিং করব।
৫৪. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
ইউনুস খান বলেছেন: একটা কাজে ব্যস্থ আছি। সবার মন্তব্যের জবাব দিবো।
৫৫. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
দখিনা বাতাস বলেছেন: ভাল। বুজলাম। জনগন চায়, হরতাল, তাও বুজলাম। করেন তাইলে হরতাল। ঐডাও তো ঠিকমত করতে পারেন না। আগেওতো পেপারে ছবি দেখছি, পল্টনে অফিসের সামনে বইয়া বিরানীর প্যাকেট খাইতে রাস্তায় বইয়া। এই হইলো হরতাল পালান। সাকাচৌ নিজেই বলছিল, একটা ব্যানার নিয়া পল্টনের রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি করলেই হরতাল হয়না।

কয়দিন আগে দেখলাম তো, নির্বাচন কমিশন ঘেরাও। বাংলামটর যাইতেই নেতারা সব উধাও

আরকত লোক হাসাইবেন???
৫৬. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ৯:২৫
লুথা বলেছেন:

খাইছে আওয়ামী দালালের অভাব নাই
৫৭. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১০:০৬
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আমার দৃষ্টিভঙ্গিঃ

১। হরতাল নিষিদ্ধ করার জিনিস না। আমাদের ইতিহাসে এর বিশাল প্রভাব আছে। হরতাল নিষিদ্ধ করা মানে একপ্রকার গলা টিপে ধরা, আমি এটা সমর্থন করি না। আমি হরতালের পক্ষে।

২। আপনারা হরতাল নামের যে বস্তুটা পালন করেন সেটাকে হরতাল বলে না, বলে অরাজকতা। আপনারা হরতাল নামক শব্দটা দ্বারা আপনাদের নিজস্ব দলীয় কর্মকান্ড গায়ের জোরে ( হ্যা আমি গায়ের জোরে শব্দটাই ব্যাবহার করব) অন্যের উপরে চাপিয়ে দেন।

৩। জনগণের জন্য হরতাল করেন। এইটা একটা অর্থহীন ফাপা বুলি। হরতাল নামক শক্তিশালী অস্ত্রটা আপনাদের অতি ব্যাবহারের কারনে তার ধার হারিয়ে এখন ভোতা হয়ে গেছে। উপমহাদেশের ইতিহাসের হরতালগুলোও হরতাল আর আপনাদের এইসব ফালতু জিনিসও হরতাল। কোথায় আগরতলা আর কোথায় চকির তলা।

৪। জনগণের জন্য যদি হরতাল করেন, তাহলে আশা করি জনগণ নিজেরাই আপনাদের হরতালে যোগ দিবে। সব রিক্সাচালকেরা আশা করি নিজেরাই রিক্সা চালাবেনা হরতালের দিন, সব ছাত্রছাত্রীরা আশা করি ঐদিন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বর্জন করবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে।

৫। না তা হবে না। আপনারা জোর করে মানুষের পথ আটকাবেন। আপনাদের যদি হরতাল করার ইচ্ছা হয় তো হরতাল করেন, মানা করেছে কে? কিন্তু আপনারা অন্য যারা হরতাল করতে চায় না, আপনাদের হরতালে বাধাও দেয় না, তারা যদি নিজেদের মত স্বাভাবিক কাজ চালাতে চায় তাহলে বাধা দেন কেন? আপনাদের হরতাল ডাকার অধিকার যেমন আছে, তেমন একজনের হরতাল বয়কট করার অধিকারও আছে। আপনি হরতালকে সমর্থন করে হরতালের দিন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হবেন না, সেটা আপনার ব্যাপার, আপনাকে কেউ গলা ধরে জোর করে নাই যে আপনাকে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে ঐদিন বের হতে হবে, কিন্তু যে হরতাল বর্জন করছে তার গাড়ি ভাংচুর করবেন কেন? একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরেকটা অন্যায়ই শুধু করছেন না, বরং অন্যের বাক স্বাধীনতা, ব্যাক্তিস্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় অধিকার লঙ্ঘন করছেন। যারা আপনাদের সমর্থন দেবে হরতালের দিন তারা দিক, তাদের তো কেউ কিছু বলতে যায় নাই, আপনারা কেন জোর করে যারা হরতাল করতে যায় না, তাদের হরতাল করতে বাধ্য করবেন?

৬। কারন একটাই। সেটা হল আপনাদের রাজনৈতিক দৈনতা, অথবা সত্যি কথা আসলে বলতে গেলে বলতে হয় আমাদের জাতীয় দৈনতা। আমরা নিজেদের বুঝ নিজেরা বুঝি না। আপনাদের দৈনতা ঢাকতে গিয়ে আপনারা অন্যদের জোরপূর্বক হরতাল করতে বাধ্য করছেন।

৭। আমি আপনাদের হরতালের বিপক্ষে না। আপনাদের মনে চাইলে আপনাদের সমর্থক গাড়ীওয়ালারা হরতালের দিন তাদের গাড়ি বের করবে না, রিক্সাওয়ালারা রিক্সা বের করবে না, দোকানদাররা দোকান খুলবে না, ছাত্ররা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবে না। কিন্তু কেউ যদি আপনাদের হরতাল গ্রহণ না করে তাহলে জোরপূর্বক তাকে হরতাল গেলাবেন না, কারণ অধিকার যেমন আপনাদের আছে তেমন অন্যদেরও আছে। আমাদের জাতীগত দৈনতা অথবা দরিদ্র মানসিকতা অথবা অক্ষমতা যাই হোক না কেন, মানুষ যদি চায় তো আপনাদের সাথে যাবে, না চাইলে যাবে না। কিন্তু স্কুল শিক্ষকের মত বেত্রাঘাত করে জনগণকে সরকারী কর্মকান্ডের বিরোধীতা করা প্রয়োজন এই বোধে হরতাল করতে বাধ্য করবেন না, পারলে বাড়ী বাড়ী গিয়ে সবাইকে বুঝান, "আসেন আমরা হরতাল করি"। কেউ যদি সমর্থন দেয় তো দিল, না দিলে নাই। রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিক অধিকারের অসম্মান করবেন না।
৫৮. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৩০
গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন: কে. এম. মাহদী হাসান বলেছেন: সরকার কি পদক্ষেপ কম নিয়েছে নাকি? চিড়ুনী অভিযানতো থামেনাই। পুলিশসহ কোন সরকারী কর্মকর্তাতো বসে নেই। তারাতো সরকারের সকল পদক্ষেপ বাস্তবায়নে রতই আছে। তারপরও কি আপনি বলবেন যে সরকার কোন পদক্ষেপ নেই নি।


বদ্দা, চিরুনী অভিযান কি ছাত্রলীগের কোপা শামছুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে?
৫৯. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১১:১৬
গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন: গু খাওয়া খায়ি নিয়ে ব্যাপক তত্ত্ব চলছে। ভালো, ভালো, দেশের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার একটা গতি হবে।

কিন্তু সমস্যা হল, যখন আওয়ামী লীগ গু খায়, তখন কম লোকেই মনে করে তাদের গু খাওয়াটা ঠিক না, যেমন এখন মনে করছে বিএনপি'র ব্যাপারে। এই মানচিত্রের একমাত্র দাবীদার আওয়ামী লীগ, তারাই স্বাধীন করেছে একে, সুতরাং একটু আধটু গু খাওয়া খারাপ না।
তাছাড়া আওয়ামী লীগ গু না খাওয়া পর্যন্ত যখন বিএনপি ক্ষমতা থেকে নামে না, তখন এটা দোষের কিছুনা, দোষ হল বিএনপি যখন আওয়ামী লীগের দেখানো পথে গু টা খেতে যায়....

এই দেশে গু খাওয়াকে আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। গু খাওয়ার এক দিবসে অফিসগামী পিতৃতূল্য এক ভদ্রলোককে প্রকাশ্য দিবালোকে দিগম্বর করে দিল আওয়ামীলীগ, রাগ ইমনরা বলল, বাহ!

গু খাওয়ার আর এক দিবসে যাত্রাবাড়িতে, শেরাটনের সামনে ডাবল ডেকারে পেট্রল বোমা মেরে পুড়িয়ে মেরে ফেলল কতজন মানুষকে, রাগইমনরা আবার বলল- বাহ বাহ!

রাস্তার উপরে দিনে দুপুরে, হাজার হাজার মানুষ আর গণমাধ্যমের সামনে বর্বরতম উপায়ে (দুঃখিত, আমরা একাত্তরের হানাদারদের কর্মকান্ড দেখিনি, কিন্তু দেখছি এদের) মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলল, রাগইমনরা তখনো হাস্যময়ী, লাস্যময়ী...
একটু গু না খেলে কিইবা হয়, মাথা ঠান্ডা রাখার ব্যাপার আছেনা?

কারা লাঠি নিয়ে বিচারলয়ের বিচারপতিদের মারতে গিয়েছিল?
সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি কে শুরু করেছিল?
সেন্চুরী কালচার কাদের কৃতিত্ব?




তবে আওয়ামীলীগ সরকারের এই টার্মে দেখছি গণমাধ্যমগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা অসীম পর্যায়ে চলে গেছে। বিএনপি যখনই সরকারের কোন কুকীর্তির সমালোচনা করে, সঙ্গে সঙ্গে তারা বিএনপি গত সরকারে থাকার সময়ে এই সব ইস্যুতে কি কি করেছিল তার লম্বা ফিরিস্তি তুলে ধরে। সাধু, সাধু, এই না হলে গণমাধ্যমের দ্বায়িত্বশীলতা।

কিন্তু সমস্যা হল, যখন বিএনপি গু খাওয়া শুরু করে তখন তারা বলে- আওয়ামী লীগ গু খেলে কি বিএনপিকেও খেতে হবে?



আগামীতে যদি আওয়ামীলীগ আবার বিরোধী দলে আসে (সম্ভাবনা কম, কারণ দলীয়করণকে বার্সেলোনার ফুটবল এর মত অন্যগ্রহের পর্যায়ে নিয়ে গেছে আওয়ামীলীগ) তাহলে নিশ্চিত থাকেন- গু খাওয়ার আরো নানা উৎকর্ষময় পদ্ধতি তারা আবিষ্কার করবে, হয়ত তখন গু বের-ই হতে পারবে না, তার আগেই তারা সেই গু আপনার পশ্চাদদেশ দিয়ে হস্ত প্রবেশ করিয়ে খেয়ে ফেলবে।











৬০. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৪৮
লুৎফুল কাদের বলেছেন: আওয়ামীলীগের দালালদের কত যুক্তি হরতালের বিরুদ্ধে, অথচ দেখা যাবে আওয়ামীলীগের হরতালের সময় এরাই রাস্তায় গাড়ি ভাংছে. হরতালের সফলতা একমনা করি. বাকশালীদের বিরুদ্ধে চাই দুর্বার আন্দোলন.
৬১. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১১:৫৪
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: দলীয় লেজুড়বৃত্তির হাত থেকে ইউনুস খানের মত শিক্ষিত ছেলেদের অন্তত মুক্তি দেক্তে চাই
২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনের মতো শিক্ষিত মানুষের কাছ থেকেও যে কোন অন্যায়ের বিরোধিতা আশা করি।

আমি হলফ করে বলে গেলাম - যদি আগামী দিনগুলোতে বিএনপি ভালো রাজনীতি না করে, জনকল্যানমূলক রাজনীতি না করে তাহলে আমি সহ আমার গোষ্টী, আমার এলাকাবাসী যারা আমাকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখে সবাইকে নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে নিষ্কিয় হয়ে যাবো। রাজনীতি করার জন্য রাজনীতি করিনা। সত্যিকার অর্থে দেশকে ভালোবাসি-হৃদয় দিয়ে, দলমত সবকিছুর উর্ধ্বে। আমি আওয়ামীলীগের ভালো কাজে যেমন মন থেকে আনন্দবোধ করি তেমনি বিএনপির খারাপ কাজেও খুব কষ্ট পায়। খুব গুছিয়ে রাজনীতি শুরু করেছি শুধুমাত্র ভালো কিছু করার জন্য। সময়েই বলে দিবে আমার অবস্থান। নিশ্চিত থাকেন আমার মার শিখানো নৈতিকতা কোনভাবেই নষ্ট হবেনা। হতে পারেনা। তাহলে যে আমার জন্মই বৃথা হয়ে যাবে।

৬২. ২১ শে মে, ২০১০ সকাল ৮:২৩
সাজিদ বলেছেন: @ পারভেজ আলম, কি ভাষা ভাই আপনের। না ভাই একটিভলি রাজনীতি করি নাই কখনও ভবিষ্যতেও ইচ্ছা বা সুযোগ নাই। আর আপনি জংুরুত্বপূর্ন বললেন না। বামপন্থিদের কথা আর বলতে আইসেন না। বেসিকালি বামপন্থি আর শিবির একই চরিত্রের। তারা বুলি আদর্শের কথা বলে অনেক গলাবাজি করে কিন্তু কাজের দিক দিয়ে বাকিদের মতই। বাকিরা চুরি করে কিন্তু আগ বাড়িয়ে বলে না আমরা মহান। আর এই দুটি দল একদল বলে আমরা মহান, সুশীল, দেশপ্রেমিক, কোরানের আদর্শ বাস্টবায়ন কিন্তু সুযোগ পেলে শুধু আম ছালা নয় আম গাছ সহ নাই করে দেয়।
৬৩. ২১ শে মে, ২০১০ রাত ১০:৪৩
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: কিছু কিছু যুক্তি দেখলাম খুবই ভয়ংকর। কেউ কেউ বলছেন, "সরকারকে বলেন নিষিদ্ধ করতে" অর্থাৎ তারা বলতে চাইছেন, যেহেতু আইনত নিষিদ্ধ না, তাই এটা হালাল।

এই যুক্তিটার সাথে যুদ্ধাপরাধীদের দাবীর সাথে খুব মিল পাই, যখন তারা বলে যে "৩৪ বছরে কোন মামলা দেওনাই কেন?? আসলে আমরা আইনানুযায়ী নিষ্পাপ"।

৬৪. ২৪ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৯
'লেনিন' বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি আর হরতাল এই দুইটারই অপব্যবহার হচ্ছে। শিক্ষক রাজনীতি বলে কোনো বস্তু প্রকৃতঅর্থে থাকার কোনো প্রয়োজন আছে কিনা সেটাই ভাবার বিষয়।
দৈনিক পাঁচশো কোটির'ও বেশি টাকা যখন ধ্বংস হয় এমন বিধ্বংসী অস্ত্র কখন প্রয়োগ করতে হয়? দেশের নেতৃত্বাধীন দুটি দলের কোন যোগ্যতা আছে তারা মানুষকে নেতৃত্ব দেবে? ন্যূনতম যেটুকু সততা নেতা/নেত্রীদের মাঝে থাকা দরকার তার কচুটাও নেই। তাহলে সমর্থক/কর্মীদের সাথে সাধারণ আমজনতার ফাল পাড়ার দরকারটা কি?
৬৫. ২৫ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
নাজনীন১ বলেছেন: @লেখক, আপনি কর্মজীবন শুরু করেছেন চাকুরী দিয়ে, বেতন আপনি উপরেই উল্লেখ করেছেন। এরপর বর্তমানে যা রোজগার করেন সেটা কি চাকরী করে নাকি ব্যবসা?

যদি চাকরী হয়, তাহলে সক্রিয় রাজনীতি করেন কিভাবে? যদি ব্যবসা করে থাকেন, হরতালের দিন কি আপনার ব্যবসা চলবে? কোন ক্ষতি হবে না? নাকি দলের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করতে মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়েছেন?

আচ্ছা, যে যে কারণে হরতাল ডাকা হয়েছে যেমন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ-গ্যাস- পানি সংকট ইত্যাদি, এসব সমাধানের ব্যাপারে বিএনপি কি কোন কার্যকর সমাধানের প্রস্তাব সরকারকে দিয়েছেন? যদি দিয়ে থাকেন, দেয়ার পর সরকার কি মনোভাব দেখিয়েছে?

অথবা যদি বলি ঠিক এ মুহূর্তে যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকতো কি কি কার্যকর পদক্ষেপ তারা নিতেন? বিএনপির আমলেও একই সমস্যায় ভুগেছে মানুষ, সেটা কেউ ভুলে যায়নি।


হরতাল তো দিলেন আপনারা বিএনপিরা, দেশের সব জনগণ নয়। কারণ তারা জানে আপনারা বর্তমানে ক্ষমতায় থাকলেও একই অবস্থা থাকতো। এখন হরতাল করা যেমন আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার, হরতাল বর্জন করাও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার।

অতএব, সেদিন যারা স্কুল-কলেজ-অফিস-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে চায়, তারা কি তা করতে পারবে?

যারা গাড়ি চালাতে চায়, পাবলিক বাসে চড়তে চায়, তারা কি তারা নির্বিঘ্নে করতে পারবে?

আমার বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে চাই, পারবো কি? নিশ্চয়তা দিতে পারবেন?

আপনাদের কি অধিকার আছে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করার? দেশ শুধু আপনাদের আর আওয়ামী লীগারদের না। আমরা সাধারণ জনগণ কেন আপনাদের দলাদলির মাঝখানে ক্ষতিগ্রস্ত হবো?

 

মোট সময় লেগেছে ১.২১০২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
http://www.yunuscse.com/

অন্যায়ের প্রতিবাদ করে লাশ হতেও আপত্ত নাই। শুধু মিনতি লাশটা যেন শেয়াল-কুকুরে না খেয়ে ফেলে, আমার মা-বাবার কাছে যেন পৌছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ