somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রচন্ড মারামারিতে জড়িয়ে পরছিলাম :| যাক ভালোই ভালোই বাসায় ফিরছি।

০২ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার একটা বিরাট সমস্যা আছে। রাস্তা ঘাটে কোন মারপিট বা ঝগড়া দেখলে দাঁড়াইয়া দাঁড়াইয়া দেখা। কিছুক্ষণ পর সেটাতে জড়িয়ে পরা। গ্রাম থেকে এই অভ্যাসটা জড়িত। যাই হোক আমি আর বদরুল গেছিলাম নিউমার্কেটে 'ঢাকা বাজারে' জুতা কিনার জন্য। একজোড় জুতা কিনলাম+একজোড় মোজা কিনলাম। কিনে এলিফ্যান্ড রোডের দিকে আসতেছি। হঠাৎ দেখি একটু ভীড়। ঢাকা বাজার দিক দিয়া আসতে পান্জাবীর দোকান গুলোর ঠিক সামনে।

আমাকে ঐদিকে যাইতে দেখে বদরুল বলতেছে মিয়াভাই ঐ দিকে যাওয়ার দরকার নাই। আমি বললাম চল একটু দেখে আসি। গিয়া দেখি একটা প্রাইভেটকারের ড্রাইভারকে মার্কেটের এক সিক্যুরিটি গার্ড লাঠি দিয়া মারতেছে আর মার্কেটের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেছে, বলতেছে আজকে মাইরা ফালবো। হলুদ জামার মতো পরা যে সিক্যুরিটি গার্ড গুলো থাকেনা সেইটা। ভয় পাচ্ছিলাম যে ড্রাইভারকে যদি সিক্যুরিটি গার্ডের অফিসে নিয়ে যায় তাহলে লোকটাকে বেদম প্রহার করবে।

ড্রাইভারের চোখের একপাশটা ফুলে গেছে। ঠোঁট কেটে রক্ত বের হইতেছে। আশে পাশের লোকজন বলতেছে সব দোষ সিক্যুরিটি গার্ডের। কিন্তু কেউই সিক্যুরিটি গার্ডরে কিছু বলতেছেনা। ড্রাইভারটারে দেইখা মায়া লাগতেছিলো। আমি সামনে আগাইয়া সিক্যুরিটি গার্ডরে বললাম ভাই অনেক মারছেনতো এইবার ছাইড়া দেন। যা হইছে বাদ দেন। ঐ পোলা আমারে তুই করে জিজ্ঞাসা করতেছে আমি কেডা? সাথে সাথে মাথায় রক্ত উঠে পরলো। এর মাঝে মার্কেটের সিক্যুরিটি গার্ডের উপরের লেভেলের কেউ একজন আমারে ধাক্কা দিয়া বলে ঐ বেডা যা। কোত্থেকে যে এইগুলা ঢাকা শহরে আসে। বিশ্বাস করবেন না শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়া ঐবেডার গালে একটা থাপ্পর মারলাম। থাপ্পর মেরে সাথে সাথে দারোয়ানের হাত থেকে লাঠিটা নিয়ে পিটানো শুরু করলাম।

অবাক করা বিষয় হলো সাথে সাথে দাঁড়ানো ১৫-২০ জন লোক ওদের উপর ঝাপিয়ে পড়লো। আমি পিটানো বন্ধ করে সবাইরে থামানো শুরু করলাম। সবাইরে বললাম সবাই সরে পরেন পুরা মার্কেটের লোক আইসা রণক্ষেত্র বানাইয়া ফেলবো। কাজ হইছে। সবাই দৌড়ানো শুরু করলো। আমি ড্রাইভারটারে তারাতারি ধরে বললাম যান তারাতারি গাড়ি নিয়ে যান এইখান থেকে। ড্রাইভার কাদঁতাছে...... আমার কাছে বিচার দিতে চাইতেছে। আমি কইলাম ভাই তারাতারি যান, গাড়িটা ভাইঙ্গা ফেলবো। বদরুল আমার হাতে ধরে টান দিলো। দিলাম দৌড়............।
৭০টি মন্তব্য ৭০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×