বেশ কিছুদিন ধরে যা ধারণা করছিলাম সেটারই প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন যে কোন সময় স্থগিত হয়ে যেতে পারে। অন্যভাবে বললে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের ইচ্ছার কাছে নতজানু নির্বাচন কমিশনের আরেকটি পরাজয় হচ্ছে।
অনেকদিন ধরেই নির্বাচন কমিশন বলে আসছিলো ২৮ তারিখ সকাল হতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েন হবে। সেইভাবে ইসি প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছিলো। সময়মতো সেনাবাহিনী চেয়ে ইসি সরকারের কাছে চিঠিও দিয়েছিলো। যেখানে সরকার সাংবিধানিকভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে বাধ্য সেখানে সরকার সেনাবাহিনী মোতায়েন করলোনা। পাশাপাশি ইসিকে এই ব্যাপারে জানানোর নূন্যতম প্রয়োজনও অনুভব করলোনা।
সরকারের কান্ডজ্ঞানহীন এ আচরণে ফুঁসে উঠছে নারায়ণগঞ্জবাসী। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বলে, সেনা মোতায়েন না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। সেনা মোতায়েন ছাড়া তারা নির্বাচন বন্ধের দাবি জানায়।
আমরা যারা বিএনপি থেকে নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে গভীরভাবে মনোযোগ রাখছিলাম তারা সবাই মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম সুষ্ট নির্বাচন হলে মূল লড়াই হবে আইভী ও তৈমুরের। আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী শামীম ওসমানের অবস্থা একেবারেই তলানীতে।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সরকারের জন্য এসিড টেস্ট। বিএনপি যখন সরকারকে জনবিচ্ছিন্ন বলে একদফা আন্দোলন করে সরকারকে উচ্ছেদের হুমকী দিচ্ছে তখন জনগণের সঠিক মনোভাব বুঝার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারের এ আচরণে পরিষ্কার। এক. হয় সরকার চাচ্ছে জনগণের আন্দোলনে ইসি এ নির্বাচন বন্ধ করে দিক। দুই. নতুবা সন্ত্রাসের গডফাদার শামীম ওসমানকে যেনোতেনো ভাবে নির্বাচনে জয়ী করে নিয়ে আসা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


