১।
যখন কেউ আপনাকে কষ্ট দেয়,
কাদবেন না....!!!!
কারন .........
কান্নাকাটি করতে পেশি ব্যবহৃত হয় ৪৯টা...
হাসতে লাগে ১২টা আর...
... থাবড়াইতে লাগে ৬টা...!!!!!
সুতরাং কেউ আপনারে আঘাত দিলে......
কান্না কাটি না কইরা...
...
ঘুরাইয়া থাবড়া মারেন......!!!!!
শক্তি বাচান...!!!!
২।
মহিলা-তিন দিন কিছু খাওনি তো দুই টাকা দিয়ে কি করবে, ২ টাকায় তো কিছু পাবা না ?
▐
▼
▐
▼
▐
▼
▐
▼
▐
▼
ভিক্ষুক-না মানে,ওজন ডা মাইপা দেখতাম,কয় কেজি কমলো।
৩।
মফিজ সাহেব হঠাৎ সত্যি সত্যি আলাদীন এর প্রদীপ পাইয়া গেলো....
সে দৈত্যকে বললঃ " আমাকে এমন এক গাড়ি দেও যা ভর্তি মেয়ে থাকবে, আর এমন একটি পকেট দেও, যা ভর্তি টাকা টাকা থাকবে!!!!! !"
দৈত্যঃ ঠিক আছে তবে তাই হক। কাল থেকে তুই "ইডেন কলেজ" বাসের কন্ট্রাক্টারগিরি করবি!!!!!!
৪।
ঢাকা এবং লন্ডনের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হচ্ছেঃ
ঢাকার রাস্থায় হিসি করা যায় কিসি করা যায় না
লন্ডনের রাস্থায় কিসি করা যায় হিসি করা যায় না।
৫।
কলগার্লের সাথে সেক্স করার পর-
ছেলে, “সেক্স করলে দুজনেই মজা পায়, তাহলে ছেলেই কেন টাকা দিবে”
কলগার্ল, “ গাধা,তুমি জানো না- আউট গোয়িঙ্গের উপরই বিল হয়,ইনকামিং ফ্রী’
৬।
বাবা আর ছেলে মার্কেটে গেছে। হঠাৎ ছেলে দেখে বাপের প্যান্টের চেইন খোলা!
ছেলেঃ বাবা, বাবা, তোমার প্যান্টের চেন খোলা!
বাবাঃ স্টুপিড, এভাবে বলতে নেই। বলতে হয়, “তোমার মেকআপ বক্স খোলা”
পরের দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি—–
ছেলেঃ বাবা, তোমার লিপস্টিক বের হয়ে গেছে।
৭।
অতি আধুনিক মা তার টিনএজ মেয়ে কে বুঝাচ্ছে-
মাঃ যদি কোন ছেলে তোমার বুকে হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘don’t’। আর যদি কেউ তোমার নিচে (?) হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘stop’।
কিছুদিন পর……
মেয়েঃ মা একটা ছেলে আমার বুকে আর নিচে এ হাত দিছিল, আমি তাকে নিষেধ করসি কিন্তু সে এরপর আরো জোরে জোরে আমার বুকে আর নিচে হাতাতে লাগল।
মাঃ তুমি কি বলছিলা???
মেয়েঃ ছেলেটা আমার বুক আর নিচে একসাতে হাত দিচ্ছিল তো, তাই তাকে আমি বলসিলাম ‘don’t’ ‘stop’।
৮।
এক মহিলা হাটুর ব্যথা নিয়ে এক ডাক্তারের কাছে গেলেন…..
ডাক্তার: আপনার হাটুর অবস্হা তো খুবই খারাপ!
মহিলা রোগী: এ সবই ডগি স্টাইলের কারণে……!!!
ডাক্তার: আপনে অন্য আর কোন আসনে করতে পারেন না?
রোগী: পারি। কিন্তু আমার কুকুর টা পারে না।
৯।
১ বার ১ চাইনিজ লোক ১ পতিতা ভাড়া করলো।
১ম বার সে পতিতার সাথে মিলিত হলো।
তারপর ডাইভ দিয়ে খাটের নীচে ঢুকেই বের হয়ে গেল।
এরপরে বড় করে ১ টা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার পতিতার সাথে শুরু করে দিলো।
পতিতা খানিকটা অবাক !:-*
এত তাড়াতাড়ি স্ট্যামিনা ব্যাক !
এবার কাজ শেষ হবার পরে ঐ চাইনিজ লোক আবার ভাইভ দিয়ে খাটের নীচে চলে গেল, নীচ থেকে বের হয়ে ১ টা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার নতুন উদ্যমে শুরু করে দিলো কাজ।
এভাবে ৩ বার ১ই ঘটনা ঘটার পরে পতিতা তো বিশাল অবাক। চাইনিজ লোকের এত স্ট্যামিনা!
কিন্তু মানুষ তো। এত অমানুষিক ক্ষমতা তো থাকার কথা না!
এবার কাজ শেষ হওয়ার পরে চাইনিজ লোকটা ডাইভ দি্যে খাটের নীচে ঢোকার আগেই পতিতা ডাইভ দিয়ে খাতের নীচে ঢুকে পড়ল।
ঢুকে কি দেখে জানেন???
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
ঢুকে দেখে খাটের নীচে ৫ টা চাইনিজ লোক শুয়ে আছে।
১০।
এক লোক জ্বর আর মাথা ব্যাথা নিয়ে গেছে ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তার তাকে ভালো মতো পরীক্ষা করে বলল – আপনার যে রোগ হয়েছে, তার এক মাত্র ঔষধ হচ্ছে সাপোজিটরি। আজ থেকে আগামি তিন দিন আপনাকে সকাল বিকাল একটা করে সাপোজিটরি নিতে হবে। আমি এখনি একটা দিয়ে দিচ্ছি । তারপর বাসায় গিয়ে সন্ধ্যায় আরেকটা নিয়ে নেবেন মনে করে।
তো লোকটা আর কি করবে, আস্তে করে তার প্যান্ট খুলে দিল আর ডাক্তার অনেক যত্ন করে বেশ সময় নিয়ে তার পেছনে সাপোজিটরি দিয়ে দিল। কিছুক্ষনের মধ্যেই লোকটা অনেক সুস্থ বোধ করলো।
সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে সে তার স্ত্রীকে বলল সাপোজিটরি দিয়ে দিতে। লোকটা প্যান্ট খুলতেই তার স্ত্রী পেছনে গিয়ে তার কাঁধে এক হাত রেখে অন্যহাত দিয়ে তার পেছনে সাপোজিটরি প্রবেশ করিয়ে দিল।
কিন্তু লোকটা সেই অবস্থাতেই আর্তনাদ করে উঠলো – ওহ্ হো হো!! নো ! নো ! নো !
তার স্ত্রী জিজ্ঞেস করলো – কি ব্যাপার ব্যাথা পেয়েছ ?
লোকটা আরো জোড়ে আর্তনাদ করে বলল – না! আমার এখন মনে পড়ল, সকালে ডাক্তার যখন আমাকে সাপোজিটরি দিয়ে দিচ্ছিল তখন তার দুই হাতই আমার কাঁধে ছিল। ওহ্ হো হো হো!!!
সংগ্রহ:
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




