![]()
তত্ত্বাবধায়ক এলে নড়ানো যাবেনা, ওরা নির্বাচন দেবেনা”- প্রধানমন্ত্রী
নাদান শিশুকে যেমন বিভিন্নভাবে ডর-ভয় দেখিয়ে খাবার/ওষুধ গেলানো হয়, তেমনি ভাবে ঠিক একই কায়দায় তত্ত্বাবধায়ক সরাকর এড়িয়ে বিরোধী দলকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের ফর্মুলা গেলানোর চেষ্টা করছেন। নিতান্তই হাস্যকর বটে।
যখন পরাজয়/ধ্বংস অনিবার্য দেখে, তখন আর কিছু করার থাকেনা আসলে। নিজের মাথা তো কাজ করেইনা, আশেপাশের সবাইকেই তখন নিজের মতই পাগল/অবুঝ মনে হয়। বিডিআর বিদ্রোহ - হলমার্ক কেলেংকারি - ইউনি পে-স্পীক এশিয়া/এমএলএম কেলেংকারী - ৯৬ সালের পর দ্বিতীয় বারের মত শেয়ার মার্কেটে স্মরণকালের ভয়াবহ কেলেংকারী - পদ্মা সেতু দুর্নীতি - উপজেলা চেয়ারম্যান হত্যা - বিরোধী দলের শত শত নেতা-কর্মীকে গুম-হত্যা, হামলা-মিথ্যা মামলা - সাগর-রুণি হত্যাকান্ড - প্রকাশ্য দিবালোকে নির্দোষ-নিরীহ বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড - দেশের স্বার্থবিরাধী চুক্তি স্বাক্ষর - ভারতের কাছে গোলামি - শিক্ষাঙ্গণে ছাত্রলীগের লাগামহীন দৌরাত্ন/সন্ত্রাস/খুন - দলীয় ক্যাডারদের টেন্ডারবাজি, দখল - সারাদেশে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য বর্বরতা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, সন্ত্রাস - তাজরিন ফ্যাশন্সে আগুন - সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডী এবং সম্পুরক রেশমী নাটক - আমার দেশ সম্পাদকের উপর বর্বর নির্যাতন, হামলা/মামলা - দিগন্ত এবং ইসলামী টিভিসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা বিনষ্টকরণ - দ্রব্যমূল্যের চরম উর্ধ্বগতি - শাহবাগের ব্যর্থ নাটক এবং সর্বশেষ হেফাজতে ইসলামে উপর রহস্যময় হামলা প্রভৃতি কারণে মাথা খারাপ হয়ে গেছে। বিগত চারটি সিটি কর্পোরেশনে গো-হারা হারার পর চোখে সর্ষেফুল দেখাছেন, বিরোধী দলেরও মাথা খারাপ অবস্থা। যা বুঝ দিবেন, বিএনপি তাই মেনে নিবে। একমাত্র গোপালগন্জ-১ ছাড়া আর কোন আসনে জেতার সম্ভাবনা নাই। এজন্যই মুখে যখন যা আসে তাই বলছে। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, আর কোন মিষ্টি কথায় কাজ হবেনা। বিরোধী দলকে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে। আর তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুটিও অত সহজে দিবেনা । সেটা ইতোমধ্যেই গার্ডিয়ান সহ দেশি বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। অলরেডি বলে দিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইলে নির্বাচনই হবেনা। সুতরাং, সাধু সাবধান। সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন তাদের দ্বারা কখনোই সম্ভব না। সিটি কর্পোরেশান নির্বাচনের মাধ্যমে একটি এসিড টেস্ট করেছে মাত্র, এতেই তারা বুঝে গেছে, তাদের জনপ্রিয়তা শুন্যের নিচে নেমে গেছে। শুধু নির্বাচনেই হেরে যাওয়াই শেষ নয়, যে পরিমাণ দুর্নীতি আর সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে, তাতে পরবর্তী সরকার আসলে অস্তিত্ব থাকে কিনা সেটাও ভাববার বিষয়। একারণেই যেকোন মূল্যে ইলেকশান ইন্জিনিয়ারিং এর জন্য মরিয়া। এটা জয়-পরাজয়ে প্রশ্ন নয়, এতে জড়িয়ে আছে অস্তিত্বের প্রশ্ন।
সুতরাং, এক দফা এক দাবী তত্ত্বাবধায়ক সরকার কবে দিবি!!"
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ২:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


