মেজর (অব
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে মতার লোভে ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য খুন করা হয়েছে। মতালিপ্সুরা এখনো চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। মোস্তাক, রশিদ ও শাহরিয়ারের মতো খুনীদের সাঙ্গপাঙ্গরা এখনো আওয়ামী লীগের মধ্যে ঘাপটি মেরে আছে। ঘরের শত্র“দের কারণে আবারও রক্তাক্ত ১৫ আগস্টের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বিষয়ে মেজর জিয়া উদ্দিন ফোকাস বাংলা নিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব একটা গোয়েন্দা সংস্থা গঠন করা উচিত। বঙ্গবন্ধুর সময়ে ‘প্রাইম মিনিস্টার ইন্টিলিজেন্স টিম’ নামে একটি বাহিনী ছিল। যারা দেশের কর্মকান্ডের ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি রিপোর্ট করতো। শেখ হাসিনারও এ ধরনের একটি সংস্থা গড়ে তোলা উচিত।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিলম্বিত হওয়ার কারণ সম্পর্কে মেজর (অব
তিনি বলেন, নিজামী-মুজাহিদ এদেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে, ল ল নারীর ইজ্জত হরণ করছে। তারাই আজকে স্বাধীনতার পে কথা বলছে। এসব ঘৃণ্য রাজাকারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। এখন রাজাকারদের বিচারের সময় এসেছে। আওয়ামীলীগ সরকার অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। মুক্তিযুদ্ধের সরকারও যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে না পারে তাহলে আমি বিশ্বাস করি নতুন প্রজন্ম এ অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করবে।
জিয়া উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু ১১ হাজার রাজাকারকে সাধারণ মা করেছিলো। যারা ছিলেন কৃষক কিংবা খেটে খাওয়া মানুষ। যারা টাকার বিনিময়ে পাকিস্তানীদের সহায়তা করেছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কখনই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পাকিস্তানীদের সঙ্গে আঁতাতকারীদের মা করেননি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মেজর জিয়াউর রহমান রাজাকারদের মুক্তি দিয়ে তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এসব রাজাকাররাই ছিলো জিয়াউর রহমানের প্রধান শক্তি।
তিনি বলেন, পাকিস্তান এই প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল যে, ’৭১-এর বর্বরতার জন্য বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মা চাইবে। বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তান মা চাইবে, এটি ছিল মুখ্য বিষয়। পাশাপাশি ওই অপরাধীদের বিচার করবে। কিন্তু কোনো প্রতিশ্র“তিই তারা রাখেনি। পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসেবে আজও বাংলাদেশের কাছে মা চায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
শুধু যুদ্ধাপরাধী নয়, সময়ের দাবি অনুযায়ী দেশে যুদ্ধাপরাধীদের মদদদাতাদেরও বিচার হওয়া উচিত মন্তব্য করে জিয়া উদ্দিন বলেন, যুদ্ধাপরাধ পৃথিবীর জঘন্যতম অপরাধ। পৃথিবীতে যারা সভ্য জাতির দাবিদার এমন প্রতিটি জাতিই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। বাংলাদেশের বেলায় এর ব্যতিক্রম হতে পারে না, হবেও না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি আজ গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। এখন মুক্তিযুদ্ধের সরকার মতাসীন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না হলে দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান হবে। গণতন্ত্র ধ্বংস হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


