আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সব অর্জন ম্লান হতে পারে বলে শঙ্কিত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ৬৪তম জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল।
দলীয় সভানেত্রীর সব অর্জন অক্ষুণ্য রাখতে সব সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আচরণ পরিবর্তনের আহ্বান জানান তিনি।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থক দুই সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করছেন বলে প্রায়শই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হচ্ছে। সর্বশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাবলা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের অফিস সহকারী পদে নিয়োগ পরীক্ষা ভণ্ডুল করে দেয় সংগঠন দুটির নেতা-কর্মীরা। ওই সময় হামলায় আহত হন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
যুবলীগের আয়োজনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে মঙ্গলবারের আলোচনা সভায় সৈয়দ আশরাফ বলেন, "ঘরে-বাইরে শেখ হাসিনার শত্র" রয়েছে। অনেক জায়গা থেকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর কর্মকাণ্ডে শেখ হাসিনার সমস্ত অর্জন ম্লান হয়ে যেতে পারে।"
এ বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে বলেন তিনি।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আশরাফ জানান, আওয়ামী লীগ নেত্রীর অনেক অর্জন রয়েছে। তার হাতে অনেক কাজ এখন। যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে হবে, সংবিধান পরিবর্তন করতে হবে। অবাধ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। অবকাঠামো ও বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নসহ অনেক কাজ রয়েছে।
ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
"শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে, নির্বাসিত করার চেষ্টা হয়েছে," জানিয়ে আশরাফ বলেন, "সব বাধা-বিপত্তি উপক্ষো করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা বর্তমান পর্যায়ে এসেছেন।"
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "শেখ হাসিনার জীবন শঙ্কামুক্ত নয়। অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য শেখ হাসিনার জীবন রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। তেমনি জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্র"তি বাস্তবায়নের জন্য তাকে সহযোগিতা করাও সবার দায়িত্ব।"
বিভিন্ন জায়গায় উস্কানি দেওয়া হচ্ছে দাবি করে আশরাফ বলেন, "এমন কোনো পরিবেশ সৃষ্টি করা যাবে না যাতে শেখ হাসিনার মান-সম্মান ক্ষুণ্ণহয়।"
যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে আলোচনায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল হক হানিফ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজমসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য দেন।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




