somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘুরে আসুন ফ্রিম থেকেঃ আকর্শনীয় এবং রোমাঞ্চকর একটি বন।

০২ রা অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বন গবেষনা কেন্দ্র মালেয়শিয়া (FRIM)। এটি কেপং, সেলাংগরে অবস্থিত। ১৯৫৭ সালে মালেয়শিয়া ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীন হওয়ার ঠিক কিছু দিন আগে এই বনটি তৈরি করে ব্রিটিশরা। ২২০ হেক্টর জমির উপর প্রথমেএই বনটি তৈরি করা হয়। মালেয়শিয়া স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৬২ এবং ১৯৬৪ সালে এই বনটি সম্প্রসারণ করা হয় আরও ১৯২ হেক্টর। বর্তমানে এই ৬০০ হেক্টর এলাকা পর্যন্ত বিসৃত এবং বনটির বয়স ৭৪ বছর । আমার জানা মতে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় মানুষ নির্মিত বন এবং একমাত্র বন গবেষনা কেন্দ্র এটি। এই বনে রয়েছে হাজারও প্রকার এবং দুর্লভ প্রজাতির কাঠ ও ঔষধি গাছ। শুনে অবাক হবেন যে কিছু গাছ রয়েছে যার একটি ডালের পাতা আরেক ডালের পাতাকে স্পর্শ করে না। রয়েছে মনোমুগ্ধকর সবুজ-ছায়া ঘেরা পরিবেশ, লম্বা-লম্বা সারি-সারি গাছ, রয়েছে পাহাড় থেকে বয়ে চলা অবিরাম ঝর্নাধারা। রয়েছে জাদুঘর, ক্লাব হাউজ, ফুটবল মাঠ ইত্যাদি। আরও রয়েছে জংগল ট্রাকিং এর মত দুঃসাহসিক অভিযানের সু-ব্যবস্থা। সবচেয়ে বেশি আকর্শনীয় এবং রোমাঞ্চকর হচ্ছে ক্যানোপি ওয়াক (চাঁদোয়া হাটা )। এই ক্যানোপি ওয়াক ওয়েটি ভূমি থেকে ৩০ মিটার ঊচুতে অবস্থিত। এটি লম্বায় ২০০ মিটার এবং তা গাছের আগায় অবস্থিত। প্রতিদিন গড়ে ২৫০ জন ভিজিটর এটিতে উঠতে পারবে। এছাড়াও রয়েছে থাকা ও খাওয়ার সু-ব্যবস্থা। রাতের বেলায় আরও বেশি মজা। বিশেষ করে পুর্ণিমা রাতে। এই সময় চাঁদের আলো লম্বা-লম্বা গাছের ফাঁক দিয়ে মাটি পড়ে। কেউ যদি সুযোগ পান তাহলে একবার ঘুরে আসুন এই বন থেকে।

ক্যানোপি ওয়াক ওয়ে-১


ক্যানোপি ওয়াক ওয়ে-২


ক্যানোপি ওয়াক ওয়ে-১৩


এই গাছের পাতা একে অপরকে স্পর্শ করে না-১


এই গাছের পাতা একে অপরকে স্পর্শ করে না-২

দিনের আলোতে বন-১

দিনের আলোতে বন-২


জংগল ট্রাক-১


জংগল ট্রাক-২


ঝর্ণা-১


ঝর্ণা-২


ঝর্ণা-৩

বনের ভেতরে দৃশ্য-১

বনের ভেতরে দৃশ্য-২
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
৬টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×