এই সময়ে সার্কাসের প্রচন্ড প্রতাপে দিবারাত্রি গলে মিশে
পার্থিব অব্যাকরন হয় আর মুখোশের ঔজ্বল্যে মাটির
আলোহীন খোঁড়লে স্বমেহনে ব্যস্ত থাকে
সৌরগোলকটা। দ্বিতীয় কোন ছবিকেই সত্য ভাবি
এই সবুজে ঘেরা পার্থিবময়তার চেয়ে। মুখোশের রেইনফরেস্টে সব কাগুজে পোশাকী পৌরুষ, এই শতাব্দীর মানবতা ব্যবসার অসুস্থ বিকলাঙ্গ শিশ্নের ঠেলা খেয়ে পালে পালে গর্ভবান হয়।
নর্দমাগুলো মাকড়শার জালের মত জড়িয়ে ধরে ধর্ষিতা সময়কে
আর গনতান্ত্রিক বরাহপনায় ক্ষমতাকেন্দ্রীক প্রাসাদ হয়ে উঠে।
আমি হাসতে হাসতে উন্মাদ হই, সার্কাসের তোড়নে
লটকানো সত্য সুন্দর শুভ্র আর স্তেপ তৃণের শিশির মাখা
মানবীয় অবয়বটা দেহপসারীনির মত বিজ্ঞাপিত হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


