আমার প্রিয় পোস্ট

"অবশ্যই আমার নামাজ আমার এবাদাত আমার জীবন আমার মৃত্যু সবকিছুই সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহর জন্যে।"

প্রিয় মতিহার - কাজী নজরুল ইসলাম

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৩

শেয়ারঃ
0 1 0

ফজিলাতুন্নেসাকে না পাওয়ার ব্যথায় বেদনাভেজা বহিঃপ্রকাশ,
কাজী মোতাহার হোসেনের কাছে লেখা কবি নজরুলের একটি চিঠি


১৫ জুলিয়াটোলা স্ট্রিট
কলিকাতা
৮/৩/২৮
সন্ধ্যা

প্রিয় মতিহার,
পরশু বিকালে এসেছি কলকাতা। উপরের ঠিকানায় আছি। ওর আগেই আসবার কথা ছিলো, অসুখ বেড়ে ওঠায় আসতে পারেনি। দু চার দিন এখানেই আছি। মনটা কেবলই পালাই পালাই করছে। কোথায় যাই ঠিক করতে পারছিনে। হঠাৎ কোনোদিন এক জায়গায় চলে যাবো। অবশ্য দু দশ দিনের জন্য। যেখানেই যাই আর কেউ না পাক তুমি খবর পাবে।

বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের মতিহার, বাদল রাতের বুকের বন্ধু। যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে সেদিন অন্তত তোমার বুক বিঁধে উঠবে। তোমার ঐ ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মতো জড়িয়ে শুয়েছিলে অন্তত এইটুকু শান্তনা নিয়ে যেতে পারবো। এই কি কম সৌভাগ্য আমার ! কেন এ কথা বলছি শুনবে? বন্ধু আমি পেয়েছি, যার সাক্ষাত আমি নিজেই করতে পারবো না। এরা সবাই আমার হাসির বন্ধু, গানের বন্ধু, ফুলের সওদার খরিদ্দার এরা। এরা অনেকেই আমার আত্মীয় হয়ে উঠেছে, প্রিয় হয়ে উঠেনি কেউ। আমার জীবনের সবচেয়ে করুণ পাতাটির লেখা তোমার কাছে লিখে গেলাম।

আকাশের সবচেয়ে দূরের যে তারাটির দিপ্তি চোখের জলকণার মতো ঝিলমিল করবে, মনে করো সেই তারাটি আমি। আমার নামেই তার নামকরণ করো। কেমন? মৃত্যু এতো করে মনে করছি কেন জানো? ওকে আজ আমার সবচেয়ে সুন্দর মনে হচ্ছে বলে। মনে হচ্ছে, জীবনে যে আমায় ফিরিয়ে দিলে, মরলে সে আমায় বরণ করে নেবে।

সমস্ত বুকটা ব্যথায় দিনরাত টনটন করছে। মনে হচ্ছে সমস্ত বুকটা যেন ঐখানে এসে জমাট বেঁধে যাচ্ছে। ওর যদি মুক্তি হয়, বেঁচে যাবো। কিন্তু কি হবে কে জানে? তোমার চিঠি পেয়ে অবধি কেবল ভাবছি আর ভাবছি - কতো কথা, কতো কি, তার কি কূল-কিনারা আছে? ভাবছি আমার ব্যথার রক্তকে রঙ্গীন খেলা বলে উপহাস যে করেন তিনি হয়তো দেবতা। আমার ব্যথার অশ্রুর বহু উর্ধ্বে। কিন্তু আমি মাটির নজরুল হলেও সে দেবতার কাছে অশ্রুর অঞ্জলি আর নিয়ে যাবো না। ফুল ধুলায় ঝড়ে পড়ে, পায়ে পিষ্ট হয়, তাই বলে কি ফুল এতো অনাদরের? ভুল করে সে ফুল যদি কারুর কবরীতেই খসে পড়ে এবং তিনি যদি সেটাকে উপদ্রুব বলে মনে করেন, তাহলে ফুলের পক্ষে প্রায়শ্চিত্ত হচ্ছে এক্ষুণি কারুর পায়ের তলায় পড়ে আত্মহত্যা করা।

সুন্দরের অবহেলা আমি সইতে পারি না বন্ধু, তাই এতো জ্বালা। ভিক্ষে যদি কেউ তোমার কাছে চাইতেই আসে অদৃষ্টের বিরম্বনায়, তাহলে তাকে ভিক্ষা নাই দাও, কুকুর লেলিয়ে দিও না। আঘাত করবার একটা সীমা আছে। সেটাকে অতিক্রম করলে আঘাত অসুন্দর হয়ে আসে। আর তক্ষুণি তার নাম হয় অবমাননা।

ছেলেবেলা থেকে পথে পথে মানুষ আমি। যে স্নেহে যে প্রেমে বুক ভরে ওঠে কাঁনায় কাঁনায় তা কখনো কোথাও পাই নি আমি। এবার চিঠির উত্তর দিতে বড্ড দেরী হয়ে গেলো। না জানি কতো উদ্বিগ্ব হয়েছো। কি করি বন্ধু, শরীরটা এতো বেশী বেয়াড়া আর হয়নি কখনো। অষুধ খেতে প্রবৃত্তি হয়না।

আমায় সবচেয়ে অবাক করে নিশুতি রাতের তারা। তুমি হয়তো অবাক হবে, আমি আকাশের প্রায় সব তারাগুলোকে চিনি। তাদের সত্যিকারের নাম জানিনে। কিন্তু তাদের প্রত্যেকের নামকরণ করেছি আমার ইচ্ছেমতো। সেই কতোরকম মিষ্টি মিষ্টি নাম, শুনলে তুমি হাসবে। কোন তারা কোন ঋতূতে কোন দিকে উদয় হয় সব বলে দিতে পারি। জেলের ভেতর যখন সলিটারি সেলে বন্ধ ছিলাম তখন গরমে ঘুম হতো না। সারারাত জেগে কেবল তারার উদয়াস্ত দেখতাম। তাদের গতিপথে আমার চোখের জল বুলিয়ে দিয়ে বলতাম, বন্ধু, ওগো আমার নাম না জানা বন্ধু, আমার এই চোখের জলের পিচ্ছিল পথটি ধরে তুমি চলে যাও অস্তপারের পানে। আমি শুধু চুপটি করে দেখি। হাতে থাকতো হাতকড়া। দেয়ালের সঙ্গে বাধা চোখের জলের রেখা আঁকাই থাকতো মুখে, বুকে। আচ্ছা বন্ধু, ক'ফোটা রক্ত দিয়ে এক ফোঁটা চোখের জল হয় তোমাদের বিজ্ঞানে বলতে পারে? এখন শুধু কেবলই জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে করে, যার উত্তর নেই, মিমাংসা নেই, সেইসব জিজ্ঞাসা।

যেদিন আমি ঐ দূরের তারার দেশে চলে যাবো, সেদিন তাকে বলো, এই চিঠি দেখিয়ে, সে যেন দু'ফোটা অশ্রুর দর্পন দেয় শুধু আমার নামে। হয়তো আমি সেদিন খুশীতে উল্কা ফুল হয়ে তার নোটন খোঁপায় ঝড়ে পড়বো। তাকে বলো বন্ধু, তার কাছে আমার আর চাওয়ার কিছুই নেই। আমি পেয়েছি, তাকে পেয়েছি, আমার বুকের রক্তে, চোখের জলে। আমি তার উদ্দেশ্যে আমার শান্ত স্নিগ্ধ অন্তরের পরিপূর্ণ চিত্তের একটি সশ্রদ্ধ নমস্কার রেখে গেলাম। আমি যেন শুনতে পাই, সে আমারে সর্বান্তকরণে ক্ষমা করেছে। ফুলের কাঁটা ভুলে গিয়ে তার উর্ধ্বে ফুলের কথাই যেন সে মনে রাখে।

ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। স্বপ্ন দেখে জেগে উঠে আবার লিখছি। কিন্তু আর লিখতে পারছি না ভাই। চোখের জল, কলমের কালি, দুই-ই শুকিয়ে গেলো। তোমরা কেমন আছো, জানিও। তার কিছু খবর দাও না কেন? না কি সেটুকুও মানা করেছে? ঠিক সময়মতো সে ওষুধ খায়তো? কেবলই কীটস্‌কে স্বপ্ন দেখছি, তার পাশে দাঁড়িয়ে ফেমিব্রাউন পাথরের মতো। ভালবাসা নাও।

ইতি,
তোমার নজরুল


শিমুল মুস্তাফা'র কণ্ঠে চিঠিটির আবৃত্তি শুনুন বা ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রিয় মতিহার - কাজী নজরুল ইসলামপ্রিয় মতিহার - কাজী নজরুল ইসলাম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: চিঠি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৬
শ্যাজা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এই পোষ্টের জন্য।
৫. ২৫ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৩৯
মুনতাসির আলম বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

এই ফজিলতুন্নেসা ইডেন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। তার কোন ছবি যদি থাকে তবে আমাকে মেইল করে দিয়েন, উইকিপিডিয়ার জন্য। অথবা নিজেই যোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ। আমার মেইল এড্রেস:

৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
বইপাগল বলেছেন: ধন্যবাদ @শ্যাজা, @কোবরা, @সাতিয়া মুনতাহা নিশা, এবং @আবদুর রাজ্জাক শিপন

@মুনতাসির আলম - দুঃখিত ভাই, ছবি নেই। ধন্যবাদ।
৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
চতুরভূজ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ বইপাগল ভাই।
৮. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
বইপাগল বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু @চতুরভূজ
৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪২
কামভাই বলেছেন: খুব ভাল লাগলো রে ভাই
১০. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০২
বইপাগল বলেছেন: ধন্যবাদ @কামভাই
১১. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪০
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: বহুবার শ্রুত কথাগুলো অক্ষরে প্রকাশ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১২. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
অন্যরকম বলেছেন: ইন্টারে পড়ার সময় এই অসাধারণ কাহিনীটা শুনেছিলাম চট্টগ্রাম কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (তৎকালিন) মরহুম সিরাজুদ্দৌলা স্যারের ক্লাসে। চমৎকৃত হয়েছিলাম! চমৎকৃত হলাম আবারও!

ধন্যবাদ 'বউপাগল'
১৩. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৮
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: বইপাগল, আপনি আমাকে আবার কাঁদালেন কেনো?! দেশে থাকতে কাজী নজরুল ইসলাম পড়ে পড়ে বহু দিন নিভৃতে কেঁদেছি। মোতাহার হোসেনকে লেখা নজরুলের এই চিঠি বহু আগে পড়েছিলাম। তখন এই চিঠি আমাকে অতোটা ব্যাথাতুর করে নি।

লেখা পড়ছি আর কানে শুনছি শিমুল মোস্তফার আবৃত্তি। আমার মন ও মননের অন্দরে সে কি আর্তনাদ! আমি ক্রমাগত ভিজতে ভিজতে তলিয়ে যাচ্ছি বেদনার অতলে! কেনো? কেনো?
এই যে নজরুল লিখলেন-
'আঘাত করবার একটা সীমা আছে। সেটাকে অতিক্রম করলে আঘাত অসুন্দর হয়ে আসে। আর তক্ষুণি তার নাম হয় অবমাননা।.....
.....তাকে বলো বন্ধু, তার কাছে আমার আর চাওয়ার কিছুই নেই। আমি পেয়েছি, তাকে পেয়েছি, আমার বুকের রক্তে, চোখের জলে। আমি তার উদ্দেশ্যে আমার শান্ত স্নিগ্ধ অন্তরের পরিপূর্ণ চিত্তের একটি সশ্রদ্ধ নমস্কার রেখে গেলাম।'

না, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না কি বলবো কি লিখবো! শুধু বুঝতে পারছি, আকাশ ভরা নিঃসীম শুন্যতা নিয়ে একটি বিরহী পাখি আমার বুকের ভেতর বসে রোদন করছে সেই বিরহী বুলবুলটির মতো!
বইপাগল, আপনি আমাকে আবার কাঁদালেন কেনো? আমি কি আপনার বিরুদ্ধে আদলতে অন্তরদহন দানের অভিযোগে মামলা দায়ের করবো!! অন্তর দহন দান বিষয়ক কোন দন্ডবিধি আছে কি আদলতে? নাই। পৃথিবীর কোন আদালতে অন্তর দহনের দন্ডবিধি নেই। এই দহনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ কেউ দেখে না! শুধু কারো কারো নজরে পড়ে দহনের তীব্রতায় একটি মানুষ পুড়তে পুড়তে নিঃশেষ হতে চলেছে।
বইপাগল, এই দহন বিরহানন্দ দেয়! স্বেচ্ছায় গ্রহন করতে হয় অমলিন দুঃখের ঐশ্বর্য্য! একটি তীব্র আকাঙ্খাকে নিজ হাতে খুন করতে হয়! আমি প্রতিদিন সহস্র সাধ-বাসনা-আহলাদ খুন করতে পারি সহজ-স্বাভাবিকভাবে! জানি না কতোশতো মহিমাময় খুন করতে হবে আমাকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত! এর জন্য কেউ দায়ী নয়। এর দায়ভার সম্পূর্ণ আমার কাঁধে! তাই আপনার জন্য একটি কৃত্রিম হাসি আপাতত।

১৪. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৪
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: এই পোস্টে ৫ মিলিয়ন!!!!!!
১৫. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৯
বইপাগল বলেছেন: ধন্যবাদ @মৃন্ময় আহমেদ

ভাইরে, আমি সত্যিই বউপাগল কিন্তু বউ কি আমার পাগল? @অন্যরকম

@সারওয়ারচৌধুরী - আপনার অনুভূতির প্রকাশের ক্ষমতা দেখে চমত্কৃত হলাম, আপনার ব্যথায় সমব্যথী আমিও ভাই ...
১৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৭
অ্যামাটার বলেছেন: অসম্ভব ভাল লাগল,
একজনের শোকেস থেকে চুরি করে পড়লাম,
আমার বাবা নজরুলের ভক্ত, আমিও প্রচন্ড রকমের।
তাই বাড়িতে নজরুল বিষয়ক কিছু গ্রন্থ আছে। তবে কবির এই দিকটা কিছুটা ঝাঁপসা, ভাসা ভাসা।
অবশ্য যার সৃষ্টিকর্মে আমার মত মরা রক্তও টগবগিয়ে ফুটে, তার দুর্বলতাগুলো কেন যেন আমাকে সেরকম টানেনা, অস্বস্তিতে ফেলেদেয়!

যদিও আমাদের দেশের সিংহভাগ মানুষ শুধু জাতীয় কবির বিদ্রোহী দিকটাই জানে, অথচ তিনি তো প্রেমের কবি, বিরহের কবি, সাম্যের কবি....
নজরুল ছিলেন তার সময়ের সবচেয়ে আধুনিক মানুষ, সর্ব রকম কু-সংস্কার মুক্ত, এক মুক্ত স্বাধীন চেতা সত্তা। বলতে পারেন, বাংলা সঙ্গীতে বিদেশী সূরের সংমিশ্রণ প্রথম কে ঘটান?

অথচ এগুলোতো আড়ালেই থেকে যায়।
১৭. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩২
অ্যামাটার বলেছেন: কোন লিঙ্ক তো নেই!
১৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৯
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: শিমূল মুস্তাফা আবৃত্তি করেছেন এবং এক কথায় চমৎকার করেছেন। শুনলে মনে হয় নজরুলের ব্যথা বুঝি শিমূল ভাইকে ছঁয়ে ছঁয়ে যায়।
১৯. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৭
মাসুদ মারুফ বলেছেন: এগুলো পড়ে দেখতে পারেন : Bisher Banshi,Sanchita Sarbahara, Bulbul, Shiulimala ও আরো আনেক @ Click This Link
২০. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:১৫
মুসাফির... বলেছেন: প্রিয় মতিহার - কাজী নজরুল ইসলাম-- শিমুল মোস্তফার কণ্ঠে আবৃত্তি। কেউ কি বলবেন এই কবিতার এমপিথ্রি ডাউনলোড লিঙ্ক কোথায় পাব?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪১৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"... তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তায়ালা তার সব কিছুই দেখছেন।" (সূরা আল হাদীদঃ আয়াত ৪)
/////////
"তিনি চোখের খেয়ানত সম্পর্কে (যেমন)...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ